লকডাউন তুলে নেওয়ার পরও মিলছে না কাজ

  • ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে কাজের খোঁজে আসা রঙ মিস্ত্রিরা মঙ্গলবার সময় পার করছেন অপেক্ষায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে কাজের খোঁজে আসা রঙ মিস্ত্রিরা মঙ্গলবার সময় পার করছেন অপেক্ষায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • লকডাউন তুলে নেয়ার পর মঙ্গলবার ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে শ্রমিকদের বাজারে কাজের আশায় বসে আছেন শতশত শ্রমিক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    লকডাউন তুলে নেয়ার পর মঙ্গলবার ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে শ্রমিকদের বাজারে কাজের আশায় বসে আছেন শতশত শ্রমিক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন তারা; মাটি কাটা থেকে শুরু করে ইট-বালি টানা, যখন যা পান। মিরপুর-১ নম্বরে মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকের বাজারে কাজ পাওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন এই শ্রমিকেরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন তারা; মাটি কাটা থেকে শুরু করে ইট-বালি টানা, যখন যা পান। মিরপুর-১ নম্বরে মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকের বাজারে কাজ পাওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন এই শ্রমিকেরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • বরগুনার শিরিন বেগম মা ও এক সন্তান নিয়ে মিরপুরের উত্তর বিশিল এলাকায় থাকেন। লকডাউন তুলে নেয়ার পর এক সপ্তাহ পার হয়েছে, এর মধ্যে কাজ পেয়েছেন মাত্র এক দিন । বাকি দিনগুলোতে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে ঘরে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    বরগুনার শিরিন বেগম মা ও এক সন্তান নিয়ে মিরপুরের উত্তর বিশিল এলাকায় থাকেন। লকডাউন তুলে নেয়ার পর এক সপ্তাহ পার হয়েছে, এর মধ্যে কাজ পেয়েছেন মাত্র এক দিন । বাকি দিনগুলোতে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে ঘরে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে শ্রমিকদের বাজারে লকডাউন তুলে নেয়ার পর কাজের আশায় বসে আছেন নারী শ্রমিকরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে শ্রমিকদের বাজারে লকডাউন তুলে নেয়ার পর কাজের আশায় বসে আছেন নারী শ্রমিকরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • লকডাউন তুলে নেয়ার পর ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে শ্রমিকদের বাজারে আসা কয়েকজন শ্রমিক কাজ পেয়েছেন, যাচ্ছেন কর্মস্থলে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    লকডাউন তুলে নেয়ার পর ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে শ্রমিকদের বাজারে আসা কয়েকজন শ্রমিক কাজ পেয়েছেন, যাচ্ছেন কর্মস্থলে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • ঈদের পর লকডাউন তুলে নেয়ার পর কাজের সন্ধানে মিরপুর-১ নম্বরে আসা রাজমিস্ত্রিদের বেশিরভাগই বসে আছেন। কঠোর বিধিনিষেধ উঠে গেলেও ঠিক মত কাজ মিলছে না। একদিন ডাক পেলেও কয়েকদিন বসে থাকতে হচ্ছে অনেককে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    ঈদের পর লকডাউন তুলে নেয়ার পর কাজের সন্ধানে মিরপুর-১ নম্বরে আসা রাজমিস্ত্রিদের বেশিরভাগই বসে আছেন। কঠোর বিধিনিষেধ উঠে গেলেও ঠিক মত কাজ মিলছে না। একদিন ডাক পেলেও কয়েকদিন বসে থাকতে হচ্ছে অনেককে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • রাজমিস্ত্রি ইসমাইল হোসেন ঢাকার মিরপুর ১ নম্বরে কাজের আশায় বসে আছেন। লকডাউন তুলে নেওয়ার পর তিন দিন কাজ পেয়েছেন, অপেক্ষাতেই পার হয়েছে বাকি দিনগুলো। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    রাজমিস্ত্রি ইসমাইল হোসেন ঢাকার মিরপুর ১ নম্বরে কাজের আশায় বসে আছেন। লকডাউন তুলে নেওয়ার পর তিন দিন কাজ পেয়েছেন, অপেক্ষাতেই পার হয়েছে বাকি দিনগুলো। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • কোদাল-টুকরি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার মিরপুর ১ নম্বর কাজের খোঁজে আসা দুজন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    কোদাল-টুকরি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার মিরপুর ১ নম্বর কাজের খোঁজে আসা দুজন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • হাফিজ মিয়া ঢাকার মিরপুর এলাকায় মেসে থাকেন, পরিবার থাকে বরগুনায় গ্রামের বাড়িতে। পানির লাইন সারাইয়ের কাজ করেন তিনি। লকডাউন তুলে নেওয়ার পর তিন থেকে চার দিন কাজ পেয়েছেন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    হাফিজ মিয়া ঢাকার মিরপুর এলাকায় মেসে থাকেন, পরিবার থাকে বরগুনায় গ্রামের বাড়িতে। পানির লাইন সারাইয়ের কাজ করেন তিনি। লকডাউন তুলে নেওয়ার পর তিন থেকে চার দিন কাজ পেয়েছেন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • লকডাউন তুলে নেয়ার পর মিরপুর ১ নম্বরে কাজের খোঁজে আসা শ্রমিকরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    লকডাউন তুলে নেয়ার পর মিরপুর ১ নম্বরে কাজের খোঁজে আসা শ্রমিকরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে ‘শ্রমিকদের বাজারে’ কাজের খোঁজে আসা দুজন কাজ না পেয়ে মঙ্গলবার বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন হতাশ হয়ে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    ঢাকার মিরপুর-১ নম্বরে ‘শ্রমিকদের বাজারে’ কাজের খোঁজে আসা দুজন কাজ না পেয়ে মঙ্গলবার বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন হতাশ হয়ে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • সুফিয়া বেগম টুকরি নিয়ে মিরপুর-১ নম্বরে প্রতিদিনই আসছেন পালপাড়া ঘাট এলাকা থেকে; তিনদিন ধরে কাজ নেই, সকালে বৃষ্টি হওয়ায় আজও কাজ পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় তার মনে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    সুফিয়া বেগম টুকরি নিয়ে মিরপুর-১ নম্বরে প্রতিদিনই আসছেন পালপাড়া ঘাট এলাকা থেকে; তিনদিন ধরে কাজ নেই, সকালে বৃষ্টি হওয়ায় আজও কাজ পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় তার মনে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি