১৩ জুলাই, ২০২১

  • মোহাম্মদ সোহাগ ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল গত ২০ বছর ধরে পান, সিগারেট ও পানি বিক্রি করছেন। করোনাভাইরাস মহামারীর আগে প্রতিদিন হাজার দুয়েক টাকার বিক্রি হত, কিন্তু লকডাউনের কারণে বাস বন্ধ বলে তার বেচা-বিক্রিও তলানিতে নেমেছে। সোহাগ জানান, এখন দিনে দুইশ থেকে তিনশ টাকা বিক্রি হয় তার, যা দিয়ে সংসার চলে না। এমন দিন আগে কখনও আসেনি তার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মোহাম্মদ সোহাগ ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল গত ২০ বছর ধরে পান, সিগারেট ও পানি বিক্রি করছেন। করোনাভাইরাস মহামারীর আগে প্রতিদিন হাজার দুয়েক টাকার বিক্রি হত, কিন্তু লকডাউনের কারণে বাস বন্ধ বলে তার বেচা-বিক্রিও তলানিতে নেমেছে। সোহাগ জানান, এখন দিনে দুইশ থেকে তিনশ টাকা বিক্রি হয় তার, যা দিয়ে সংসার চলে না। এমন দিন আগে কখনও আসেনি তার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মোহাম্মদ সোহাগ ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল গত ২০ বছর ধরে পান, সিগারেট ও পানি বিক্রি করছেন। করোনাভাইরাস মহামারীর আগে প্রতিদিন হাজার দুয়েক টাকার বিক্রি হত, কিন্তু লকডাউনের কারণে বাস বন্ধ বলে তার বেচা-বিক্রিও তলানিতে নেমেছে। সোহাগ জানান, এখন দিনে দুইশ থেকে তিনশ টাকা বিক্রি হয় তার, যা দিয়ে সংসার চলে না। এমন দিন আগে কখনও আসেনি তার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মোহাম্মদ সোহাগ ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল গত ২০ বছর ধরে পান, সিগারেট ও পানি বিক্রি করছেন। করোনাভাইরাস মহামারীর আগে প্রতিদিন হাজার দুয়েক টাকার বিক্রি হত, কিন্তু লকডাউনের কারণে বাস বন্ধ বলে তার বেচা-বিক্রিও তলানিতে নেমেছে। সোহাগ জানান, এখন দিনে দুইশ থেকে তিনশ টাকা বিক্রি হয় তার, যা দিয়ে সংসার চলে না। এমন দিন আগে কখনও আসেনি তার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি