হালদায় নমুনা ডিম সংগ্রহ

  • প্রতিবছর এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে নদীতে জোয়ার-ভাটার সময়ে নিষিক্ত ডিম ছাড়ে কার্প জাতীয় মাছ। ছবি: সুমন বাবু

    প্রতিবছর এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে নদীতে জোয়ার-ভাটার সময়ে নিষিক্ত ডিম ছাড়ে কার্প জাতীয় মাছ। ছবি: সুমন বাবু

  • দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়া শুরু করেছে। ছবি: সুমন বাবু

    দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়া শুরু করেছে। ছবি: সুমন বাবু

  • পূর্ণিমার তিথি শুরু হওয়ায় আগে থেকেই ডিম আহরণকারীরা নৌকা নিয়ে নদীতে অবস্থান নেন। ছবি: সুমন বাবু

    পূর্ণিমার তিথি শুরু হওয়ায় আগে থেকেই ডিম আহরণকারীরা নৌকা নিয়ে নদীতে অবস্থান নেন। ছবি: সুমন বাবু

  • হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান অংশের আজিমের ঘাট, অংকুরি ঘোনা, কাগতিয়ার মুখ, গড়দুয়ারা নয়াহাট, রাম দাশ মুন্সির ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও সত্তার ঘাট অংশে ডিম আহরণ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

    হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান অংশের আজিমের ঘাট, অংকুরি ঘোনা, কাগতিয়ার মুখ, গড়দুয়ারা নয়াহাট, রাম দাশ মুন্সির ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও সত্তার ঘাট অংশে ডিম আহরণ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

  • হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান অংশের আজিমের ঘাট, অংকুরি ঘোনা, কাগতিয়ার মুখ, গড়দুয়ারা নয়াহাট, রাম দাশ মুন্সির ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও সত্তার ঘাট অংশে ডিম আহরণ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

    হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান অংশের আজিমের ঘাট, অংকুরি ঘোনা, কাগতিয়ার মুখ, গড়দুয়ারা নয়াহাট, রাম দাশ মুন্সির ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও সত্তার ঘাট অংশে ডিম আহরণ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা গবেষক প্রফেসর মঞ্জুরুল কিবরিয়া জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে হালদার পানিতে এবছর লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় পর্যাপ্ত ডিম ছাড়েনি মা-মাছ। তবে বৃষ্টি বাড়লে এবং পাহাড়ি ঢল নামলে ডিম ছাড়বে বলে জানান তিনি। ছবি: সুমন বাবু

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা গবেষক প্রফেসর মঞ্জুরুল কিবরিয়া জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে হালদার পানিতে এবছর লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় পর্যাপ্ত ডিম ছাড়েনি মা-মাছ। তবে বৃষ্টি বাড়লে এবং পাহাড়ি ঢল নামলে ডিম ছাড়বে বলে জানান তিনি। ছবি: সুমন বাবু

  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা গবেষক প্রফেসর মঞ্জুরুল কিবরিয়া জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে হালদার পানিতে এবছর লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় পর্যাপ্ত ডিম ছাড়েনি মা-মাছ। তবে বৃষ্টি বাড়লে এবং পাহাড়ি ঢল নামলে ডিম ছাড়বে বলে জানান তিনি। ছবি: সুমন বাবু

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা গবেষক প্রফেসর মঞ্জুরুল কিবরিয়া জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে হালদার পানিতে এবছর লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় পর্যাপ্ত ডিম ছাড়েনি মা-মাছ। তবে বৃষ্টি বাড়লে এবং পাহাড়ি ঢল নামলে ডিম ছাড়বে বলে জানান তিনি। ছবি: সুমন বাবু