ঘিওরের পাটের হাটে

  • মানিকগঞ্জের অন্যতম বড় ও প্রাচীন পাটের হাটটি বসে ঘিওরে। উপজেলা সদরে কালিগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষা ধান-চালের হাটটি পাটের মৌসুমে চলে যায় সোনালী আঁশের দখলে। সপ্তাহের বুধবার বসে এই হাট। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    মানিকগঞ্জের অন্যতম বড় ও প্রাচীন পাটের হাটটি বসে ঘিওরে। উপজেলা সদরে কালিগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষা ধান-চালের হাটটি পাটের মৌসুমে চলে যায় সোনালী আঁশের দখলে। সপ্তাহের বুধবার বসে এই হাট। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • ঘিওরের হাটে পাটের বিকিকিনি শুরু হয় সূর্য ওঠার আগে থেকেই, দুপুরের আগেই তার সাঙ্গ হয়। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    ঘিওরের হাটে পাটের বিকিকিনি শুরু হয় সূর্য ওঠার আগে থেকেই, দুপুরের আগেই তার সাঙ্গ হয়। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • পাটের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ফড়িয়ারা এ হাটে পাট কিনতে আসেন। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    পাটের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ফড়িয়ারা এ হাটে পাট কিনতে আসেন। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • আর মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলার সব জায়গা থেকেই চাষীরা এ হাটে আসেন তাদের উৎপাদিত পাট বিক্রি করতে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    আর মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলার সব জায়গা থেকেই চাষীরা এ হাটে আসেন তাদের উৎপাদিত পাট বিক্রি করতে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • দূরদূরান্ত থেকে এ হাটে কৃষকরা পাট নিয়ে আসেন মূলত নৌকা বোঝাই করে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    দূরদূরান্ত থেকে এ হাটে কৃষকরা পাট নিয়ে আসেন মূলত নৌকা বোঝাই করে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • কাছাকাছি দূরত্ব থেকে পাট আনার কাজে অনেক কৃষক আবার ব্যবহার করেন ঘোড়ার গাড়িও। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    কাছাকাছি দূরত্ব থেকে পাট আনার কাজে অনেক কৃষক আবার ব্যবহার করেন ঘোড়ার গাড়িও। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • কৃষক আজগর আলী জানান, আবাদের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর তার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। আর জলাশয়গুলোতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় ঠিক সময়ে পাট জাগও দিতে পেরেছেন। এবার ভালো দাম মিলছে শুনে মৌসুমে শুরুতেই তিনি পাট বিক্রি করতে এসেছেন হাটে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    কৃষক আজগর আলী জানান, আবাদের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর তার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। আর জলাশয়গুলোতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় ঠিক সময়ে পাট জাগও দিতে পেরেছেন। এবার ভালো দাম মিলছে শুনে মৌসুমে শুরুতেই তিনি পাট বিক্রি করতে এসেছেন হাটে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • ঘিওর বাজারে পাট বিক্রি করতে আসা কৃষকরা জানান বীজ, সার, কীটনাশক এবং পাট রোপণ, কাটা ও ধোয়াসহ বিঘা প্রতি পাট চাষে খরচ পড়ে ৫-৬ হাজার টাকা। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    ঘিওর বাজারে পাট বিক্রি করতে আসা কৃষকরা জানান বীজ, সার, কীটনাশক এবং পাট রোপণ, কাটা ও ধোয়াসহ বিঘা প্রতি পাট চাষে খরচ পড়ে ৫-৬ হাজার টাকা। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • ঘিওরের হাট ঘুরে দেখা যায়, এ বছর প্রতি মণ দেশি পাট বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার টাকায়। আর তোষা পাট দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকায়। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    ঘিওরের হাট ঘুরে দেখা যায়, এ বছর প্রতি মণ দেশি পাট বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার টাকায়। আর তোষা পাট দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকায়। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • ভালো দাম পাওয়ায় গত কয়েক বছরে পাট চাষে উৎসাহ বেড়েছে কৃষকদের। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী এ বছর মানিকগঞ্জ জেলায় ৩ হাজার ৬০৬ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। গত বছর পাট আবাদে জমির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৪৪৮ হেক্টর। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    ভালো দাম পাওয়ায় গত কয়েক বছরে পাট চাষে উৎসাহ বেড়েছে কৃষকদের। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী এ বছর মানিকগঞ্জ জেলায় ৩ হাজার ৬০৬ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। গত বছর পাট আবাদে জমির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৪৪৮ হেক্টর। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • ঘিওর বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, এ বছর নদী-নালা ও খাল-বিলে প্রচুর পানি থাকায় জাগ দেওয়া পাটের রঙ ও মান অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে, তাই দাম মিলছে ভালো। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    ঘিওর বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, এ বছর নদী-নালা ও খাল-বিলে প্রচুর পানি থাকায় জাগ দেওয়া পাটের রঙ ও মান অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে, তাই দাম মিলছে ভালো। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

সাম্প্রতিক ছবিঘর