হালদায় ডিম ছেড়েছে মাছ

  • প্রতিবছর এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে নদীতে জোয়ার-ভাটার সময়ে নিষিক্ত ডিম ছাড়ে কার্প জাতীয় মাছ। ছবি: সুমন বাবু

    প্রতিবছর এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে নদীতে জোয়ার-ভাটার সময়ে নিষিক্ত ডিম ছাড়ে কার্প জাতীয় মাছ। ছবি: সুমন বাবু

  • অমাব্যসার তিথি শুরু হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে ডিম আহরণকারীরা নৌকা নিয়ে নদীতে অবস্থান নেন। ছবি: সুমন বাবু

    অমাব্যসার তিথি শুরু হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে ডিম আহরণকারীরা নৌকা নিয়ে নদীতে অবস্থান নেন। ছবি: সুমন বাবু

  • ভাটার সময় শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে হালদায় ডিম ছাড়তে শুরু করে মা মাছ। ছবি: সুমন বাবু

    ভাটার সময় শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে হালদায় ডিম ছাড়তে শুরু করে মা মাছ। ছবি: সুমন বাবু

  • শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নদীতে ২৮০টি নৌকা নিয়ে ডিম সংগ্রহ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

    শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নদীতে ২৮০টি নৌকা নিয়ে ডিম সংগ্রহ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

  • হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান অংশের আজিমের ঘাট, অংকুরি ঘোনা, কাগতিয়ার মুখ, গড়দুয়ারা নয়াহাট, রাম দাশ মুন্সির ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও সত্তার ঘাট অংশে ডিম আহরণ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

    হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান অংশের আজিমের ঘাট, অংকুরি ঘোনা, কাগতিয়ার মুখ, গড়দুয়ারা নয়াহাট, রাম দাশ মুন্সির ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও সত্তার ঘাট অংশে ডিম আহরণ করেন জেলেরা। ছবি: সুমন বাবু

  • গত বছর প্রায় ১০ হাজার কেজি ডিম থেকে রেণু মিলেছিল ২০০ কেজি। এর আগে ২০১৮ সালে ২২ হাজার ৬৮০ কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়, যা থেকে রেণু মিলেছিল ৩৭৮ কেজি। ছবি: সুমন বাবু

    গত বছর প্রায় ১০ হাজার কেজি ডিম থেকে রেণু মিলেছিল ২০০ কেজি। এর আগে ২০১৮ সালে ২২ হাজার ৬৮০ কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়, যা থেকে রেণু মিলেছিল ৩৭৮ কেজি। ছবি: সুমন বাবু

  • হালদা দূষণকারী দুটিসহ করেনাভাইরাস মহামারী ঠেকাতে ‘লকডাউনের’ কারণে নদীতীরের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ, বালুবাহী ড্রেজার চলাচল এবং মা মাছ নিধন বন্ধে অভিযান জোরদার হওয়ায় এবার বেশি ডিম পাওয়ার আশা করছেন আহরণকারীরা। ছবি: সুমন বাবু

    হালদা দূষণকারী দুটিসহ করেনাভাইরাস মহামারী ঠেকাতে ‘লকডাউনের’ কারণে নদীতীরের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ, বালুবাহী ড্রেজার চলাচল এবং মা মাছ নিধন বন্ধে অভিযান জোরদার হওয়ায় এবার বেশি ডিম পাওয়ার আশা করছেন আহরণকারীরা। ছবি: সুমন বাবু

সাম্প্রতিক ছবিঘর