১৬ মে ২০২০

  • করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

    করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

  • করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

    করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

  • করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

    করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

  • করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

    করোনাভাইরাস বিস্তারের ঝুঁকি নিয়েই ঈদের আগে খুলেছে ঢাকার শনির আখরা এলাকার দোকানপাট; আর সেখানে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।

  • করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবার ঈদে বন্ধ রয়েছে ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজা। বন্ধ বিপণি বিতানের সামনে সিঁড়িতে জুতার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন কয়েকজন দোকানী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে ফলের আড়তে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা তরমুজ। আকার ভেদে প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

সাম্প্রতিক ছবিঘর