খুলেছে অনেক বিপণি

  • ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কের আনজারা। লকডাউনের আগে প্রায় ৫০টি বিয়ের শাড়ি ও লেহেঙ্গা অর্ডার ছিল তাদের,যার দাম ১৮ লাখ টাকা; করোনাভাইরাস মহামারীর এইকালে সব বিয়ে আটকে গেছে, ফলে আনজারার পোশাকগুলোও বিক্রি হয়নি। দেড় মাস পর দোকান খুলে ক্রেতা না পেয়ে এখন অনলাইনেই বিক্রিতে মনোযোগী তারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কের আনজারা। লকডাউনের আগে প্রায় ৫০টি বিয়ের শাড়ি ও লেহেঙ্গা অর্ডার ছিল তাদের,যার দাম ১৮ লাখ টাকা; করোনাভাইরাস মহামারীর এইকালে সব বিয়ে আটকে গেছে, ফলে আনজারার পোশাকগুলোও বিক্রি হয়নি। দেড় মাস পর দোকান খুলে ক্রেতা না পেয়ে এখন অনলাইনেই বিক্রিতে মনোযোগী তারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কের আনজারা। লকডাউনের আগে প্রায় ৫০টি বিয়ের শাড়ি ও লেহেঙ্গা অর্ডার ছিল তাদের,যার দাম ১৮ লাখ টাকা; করোনাভাইরাস মহামারীর এইকালে সব বিয়ে আটকে গেছে, ফলে আনজারার পোশাকগুলোও বিক্রি হয়নি। দেড় মাস পর দোকান খুলে ক্রেতা না পেয়ে এখন অনলাইনেই বিক্রিতে মনোযোগী তারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কের আনজারা। লকডাউনের আগে প্রায় ৫০টি বিয়ের শাড়ি ও লেহেঙ্গা অর্ডার ছিল তাদের,যার দাম ১৮ লাখ টাকা; করোনাভাইরাস মহামারীর এইকালে সব বিয়ে আটকে গেছে, ফলে আনজারার পোশাকগুলোও বিক্রি হয়নি। দেড় মাস পর দোকান খুলে ক্রেতা না পেয়ে এখন অনলাইনেই বিক্রিতে মনোযোগী তারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কের আনজারা। লকডাউনের আগে প্রায় ৫০টি বিয়ের শাড়ি ও লেহেঙ্গা অর্ডার ছিল তাদের,যার দাম ১৮ লাখ টাকা; করোনাভাইরাস মহামারীর এইকালে সব বিয়ে আটকে গেছে, ফলে আনজারার পোশাকগুলোও বিক্রি হয়নি। দেড় মাস পর দোকান খুলে ক্রেতা না পেয়ে এখন অনলাইনেই বিক্রিতে মনোযোগী তারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কের আনজারা। লকডাউনের আগে প্রায় ৫০টি বিয়ের শাড়ি ও লেহেঙ্গা অর্ডার ছিল তাদের,যার দাম ১৮ লাখ টাকা; করোনাভাইরাস মহামারীর এইকালে সব বিয়ে আটকে গেছে, ফলে আনজারার পোশাকগুলোও বিক্রি হয়নি। দেড় মাস পর দোকান খুলে ক্রেতা না পেয়ে এখন অনলাইনেই বিক্রিতে মনোযোগী তারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ ছিল দোকান; প্রথম দিন দোকান খুলে জুতা পরিষ্ষ্কার করে সাজিয়ে রাখছেন এক কর্মী। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ ছিল দোকান; প্রথম দিন দোকান খুলে জুতা পরিষ্ষ্কার করে সাজিয়ে রাখছেন এক কর্মী। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • লকডাউন শিথিলে প্রায় দেড় মাস পরে ঈদের আগে খুলেছে দোকান; দোকান মালিকরা বলছেন, উর্পাজনের আর কোনো পথ নেই বলে ঝুঁকি জেনেও খুলেছেন দোকান। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    লকডাউন শিথিলে প্রায় দেড় মাস পরে ঈদের আগে খুলেছে দোকান; দোকান মালিকরা বলছেন, উর্পাজনের আর কোনো পথ নেই বলে ঝুঁকি জেনেও খুলেছেন দোকান। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার নয়া পল্টনের পলওয়েল সুপার মার্কেট খোলেনি; কিন্তু নিচ তলায় থাকা সাতটি দোকান খুলেছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার নয়া পল্টনের পলওয়েল সুপার মার্কেট খোলেনি; কিন্তু নিচ তলায় থাকা সাতটি দোকান খুলেছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বেইলি রোড়ের একটি দোকানে মুখে মাস্ক পরে বিকিকিনি করতে দেখা গেছে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বেইলি রোড়ের একটি দোকানে মুখে মাস্ক পরে বিকিকিনি করতে দেখা গেছে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বেইলি রোড়ের একটি দোকানে মুখে মাস্ক পরে বিকিকিনি করতে দেখা গেছে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বেইলি রোড়ের একটি দোকানে মুখে মাস্ক পরে বিকিকিনি করতে দেখা গেছে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মুখে মাস্ক পরে দোকানের সামনে বসে আছেন বেইলি রোডের একটি দোকানের কর্মী । ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মুখে মাস্ক পরে দোকানের সামনে বসে আছেন বেইলি রোডের একটি দোকানের কর্মী । ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বেইলি রোডের একটি দোকানের সামনে ঝুলছে ক্রেতাদের জন্য সতর্কতা- ‘স্বাস্থ্য বিধি না মানলে মৃত্যুর ঝুঁকি আছে’। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বেইলি রোডের একটি দোকানের সামনে ঝুলছে ক্রেতাদের জন্য সতর্কতা- ‘স্বাস্থ্য বিধি না মানলে মৃত্যুর ঝুঁকি আছে’। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • প্রায় দেড় মাস পরে দোকান খোলায় তা গুছিয়ে নিচ্ছেন এক কর্মী। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    প্রায় দেড় মাস পরে দোকান খোলায় তা গুছিয়ে নিচ্ছেন এক কর্মী। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • দেড় মাস বাদে খোলার পর বেইলি রোড়ের একটি দোকানে ক্রেতা না থাকায় অলস সময় পার করছেন এক বিক্রেতা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    দেড় মাস বাদে খোলার পর বেইলি রোড়ের একটি দোকানে ক্রেতা না থাকায় অলস সময় পার করছেন এক বিক্রেতা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • গুলশান-১ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটে কেনাকাটায় ক্রেতারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    গুলশান-১ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটে কেনাকাটায় ক্রেতারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে গুলশান-১ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটের ফটকেই ক্রেতাদের দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইাজার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে গুলশান-১ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটের ফটকেই ক্রেতাদের দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইাজার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • গুলশান-২ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটের প্রায় সব দোকান খোলা, কিন্তু ক্রেতা তেমন নেই। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    গুলশান-২ নম্বরে ডিএনসিসি মার্কেটের প্রায় সব দোকান খোলা, কিন্তু ক্রেতা তেমন নেই। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

সাম্প্রতিক ছবিঘর