১৫ এপ্রিল ২০২০

  • ঢাকার আজিমপুরে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের কার্ড লোড করতে বুধবার ছিল এমন ভিড়। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অনেক ভেন্ডরের দোকান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রাহকরা। ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কাউকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার আজিমপুরে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের কার্ড লোড করতে বুধবার ছিল এমন ভিড়। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অনেক ভেন্ডরের দোকান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রাহকরা। ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কাউকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার আজিমপুরে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের কার্ড লোড করতে বুধবার ছিল এমন ভিড়। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অনেক ভেন্ডরের দোকান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রাহকরা। ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কাউকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার আজিমপুরে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের কার্ড লোড করতে বুধবার ছিল এমন ভিড়। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অনেক ভেন্ডরের দোকান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রাহকরা। ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কাউকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার আজিমপুরে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের কার্ড লোড করতে বুধবার ছিল এমন ভিড়। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অনেক ভেন্ডরের দোকান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রাহকরা। ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কাউকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার আজিমপুরে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের কার্ড লোড করতে বুধবার ছিল এমন ভিড়। করোনাভাইরাস সঙ্কটে অনেক ভেন্ডরের দোকান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এই গ্রাহকরা। ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও তা মানতে দেখা যায়নি কাউকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকের কার্যক্রম চললেও তা অল্প সময়ের জন্য, তাই এবি ব্যাংকের মতিঝিলের প্রধান শাখায় বুধবার ছিল এমন ভিড়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকের কার্যক্রম চললেও তা অল্প সময়ের জন্য, তাই এবি ব্যাংকের মতিঝিলের প্রধান শাখায় বুধবার ছিল এমন ভিড়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সবাই সামাজিক দূরত্বে মেনে ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে। এবি ব্যাংকের মতিঝিলের প্রধান শাখায় বুধবার এমন চিত্র দেখা যায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সবাই সামাজিক দূরত্বে মেনে ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে। এবি ব্যাংকের মতিঝিলের প্রধান শাখায় বুধবার এমন চিত্র দেখা যায়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    করোনাভাইরাস সঙ্কটে অবরুদ্ধ অবস্থায় বন্ধ পুরান ঢাকার বাবুবাজার সেতু। এখন কেউ সেতু পেরিয়ে ওপারে যেতে পারবে না, আসতেও পারবে না। কেউ যাতে চলাচল না করতে পারে, তা নজরে রাখছে সেনা সদস্যরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • রাস্তা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে চলত যাদের দিন, ছিন্নমূল এই শিশুদের এখন নেই কোনো কাজ। রাস্তায় মেলা ত্রাণই এখন ওদের অন্নের সংস্থান করছে। ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার পর মঙ্গলবার পল্টনের ফাঁকা রাস্তায়ই চুলা জ্বালিয়ে তা রান্না হচ্ছে, তা দিয়েই হবে দুপুরের খাবার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    রাস্তা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে চলত যাদের দিন, ছিন্নমূল এই শিশুদের এখন নেই কোনো কাজ। রাস্তায় মেলা ত্রাণই এখন ওদের অন্নের সংস্থান করছে। ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার পর মঙ্গলবার পল্টনের ফাঁকা রাস্তায়ই চুলা জ্বালিয়ে তা রান্না হচ্ছে, তা দিয়েই হবে দুপুরের খাবার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • রাস্তা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে চলত যাদের দিন, ছিন্নমূল এই শিশুদের এখন নেই কোনো কাজ। রাস্তায় মেলা ত্রাণই এখন ওদের অন্নের সংস্থান করছে। ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার পর মঙ্গলবার পল্টনের ফাঁকা রাস্তায়ই চুলা জ্বালিয়ে তা রান্না হচ্ছে, তা দিয়েই হবে দুপুরের খাবার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    রাস্তা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে চলত যাদের দিন, ছিন্নমূল এই শিশুদের এখন নেই কোনো কাজ। রাস্তায় মেলা ত্রাণই এখন ওদের অন্নের সংস্থান করছে। ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার পর মঙ্গলবার পল্টনের ফাঁকা রাস্তায়ই চুলা জ্বালিয়ে তা রান্না হচ্ছে, তা দিয়েই হবে দুপুরের খাবার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি