গয়নার গ্রাম ভাকুর্তা

  • স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পারিবারিকভাবে তারা গয়না তৈরি করে যাচ্ছেন ১৫০ বছর ধরে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পারিবারিকভাবে তারা গয়না তৈরি করে যাচ্ছেন ১৫০ বছর ধরে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়কে মানুষ চেনে গয়নার জনপদ হিসেবে। সেই ব্রিটিশ আমলে এ এলাকার অনেকে গয়না তৈরিকে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নেন। এখন তা পরিণত হয়েছে ঐতিহ্যে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়কে মানুষ চেনে গয়নার জনপদ হিসেবে। সেই ব্রিটিশ আমলে এ এলাকার অনেকে গয়না তৈরিকে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নেন। এখন তা পরিণত হয়েছে ঐতিহ্যে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মাথার টায়রা, কানের দুল, নাকের নোলক, গলার হার, হাতের ব্রেসলেট, কোমরের বিছা, পায়ের নূপুর- কী হয় না! ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মাথার টায়রা, কানের দুল, নাকের নোলক, গলার হার, হাতের ব্রেসলেট, কোমরের বিছা, পায়ের নূপুর- কী হয় না! ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • যে কেউ ভাকুর্তায় এসে নকশাসহ অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন তার পছন্দসই গয়না। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    যে কেউ ভাকুর্তায় এসে নকশাসহ অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন তার পছন্দসই গয়না। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • আকার, উপকরণ ও ডিজাইন ভেদে ২০ টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা দামের গয়না তারা তৈরি করেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    আকার, উপকরণ ও ডিজাইন ভেদে ২০ টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা দামের গয়না তারা তৈরি করেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ভাকুর্তায় তৈরি গয়না ঢাকা ও ঢাকার বাইরে পাইকারি দামে বিক্রি হয়। ঢাকার ব্যবসায়ীরা এসে অর্ডার দিয়ে গয়না বানিয়ে নেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ভাকুর্তায় তৈরি গয়না ঢাকা ও ঢাকার বাইরে পাইকারি দামে বিক্রি হয়। ঢাকার ব্যবসায়ীরা এসে অর্ডার দিয়ে গয়না বানিয়ে নেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ভাকুর্তায় তৈরি গয়নার চাহিদা সারাবছরই কমবেশি থাকে। তবে দুই ঈদে কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায় বলে কারিগররা জানালেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ভাকুর্তায় তৈরি গয়নার চাহিদা সারাবছরই কমবেশি থাকে। তবে দুই ঈদে কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায় বলে কারিগররা জানালেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • কেউ কেউ উপকরণ কিনে নিজের বাড়িতে গয়না তৈরি করছেন। কেউ আবার ছোটখাটো কারখানা খুলে রেখেছেন কারিগর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    কেউ কেউ উপকরণ কিনে নিজের বাড়িতে গয়না তৈরি করছেন। কেউ আবার ছোটখাটো কারখানা খুলে রেখেছেন কারিগর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ছোট থেকে বড়- পরিবারের সবাই এই গয়না তৈরির কাজে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ছোট থেকে বড়- পরিবারের সবাই এই গয়না তৈরির কাজে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ভাকুর্তার কারিগরদের গয়না গড়ার মূল উপকরণ রুপা, তামা ও পিতল। এক সময় তারা সোনার গয়না বানালেও এখন তাদের সেই বাজার আর নেই। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ভাকুর্তার কারিগরদের গয়না গড়ার মূল উপকরণ রুপা, তামা ও পিতল। এক সময় তারা সোনার গয়না বানালেও এখন তাদের সেই বাজার আর নেই। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • যে কেউ ভাকুর্তায় এসে নকশাসহ অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন তার পছন্দসই গয়না। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    যে কেউ ভাকুর্তায় এসে নকশাসহ অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন তার পছন্দসই গয়না। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • কেউ কেউ উপকরণ কিনে নিজের বাড়িতে গয়না তৈরি করছেন। কেউ আবার ছোটখাটো কারখানা খুলে রেখেছেন কারিগর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    কেউ কেউ উপকরণ কিনে নিজের বাড়িতে গয়না তৈরি করছেন। কেউ আবার ছোটখাটো কারখানা খুলে রেখেছেন কারিগর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পারিবারিকভাবে তারা গয়না তৈরি করে যাচ্ছেন ১৫০ বছর ধরে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পারিবারিকভাবে তারা গয়না তৈরি করে যাচ্ছেন ১৫০ বছর ধরে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    আগে কেরোসিনের প্রদীপে ফু দিয়ে যে কাজ চালানো হত, এখন সে জায়গায় এসেছে গ্যাস টর্চ। এ রকম আরও কিছু যন্ত্র এসেছে, তবে বেশির ভাগ কাজ এখনও হাতেই করতে হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ছোট থেকে বড়- পরিবারের সবাই এই গয়না তৈরির কাজে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ছোট থেকে বড়- পরিবারের সবাই এই গয়না তৈরির কাজে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মাথার টায়রা, কানের দুল, নাকের নোলক, গলার হার, হাতের ব্রেসলেট, কোমরের বিছা, পায়ের নূপুর- কী হয় না!

    মাথার টায়রা, কানের দুল, নাকের নোলক, গলার হার, হাতের ব্রেসলেট, কোমরের বিছা, পায়ের নূপুর- কী হয় না!

  • সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়কে মানুষ চেনে গয়নার জনপদ হিসেবে। সেই ব্রিটিশ আমলে এ এলাকার অনেকে গয়না তৈরিকে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নেন। এখন তা পরিণত হয়েছে ঐতিহ্যে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়কে মানুষ চেনে গয়নার জনপদ হিসেবে। সেই ব্রিটিশ আমলে এ এলাকার অনেকে গয়না তৈরিকে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নেন। এখন তা পরিণত হয়েছে ঐতিহ্যে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • যে কেউ ভাকুর্তায় এসে নকশাসহ অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন তার পছন্দসই গয়না। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    যে কেউ ভাকুর্তায় এসে নকশাসহ অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন তার পছন্দসই গয়না। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

সাম্প্রতিক ছবিঘর