কাঠের শিল্পে ঘুরছে ভাগ্যের চাকা

  • আলতাপোল, কন্দর্পপুর, বড়েঙ্গা ও মঙ্গলকোট গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারই এখন যুক্ত কাঠ দিয়ে নিত্য ব্যবহার্য নানা সামগ্রী তৈরিতে। কাঠের এই শিল্প তাদের করেছে স্বাবলম্বী। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    আলতাপোল, কন্দর্পপুর, বড়েঙ্গা ও মঙ্গলকোট গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারই এখন যুক্ত কাঠ দিয়ে নিত্য ব্যবহার্য নানা সামগ্রী তৈরিতে। কাঠের এই শিল্প তাদের করেছে স্বাবলম্বী। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে আলতাপোল গ্রামের ইনসার আলী ভারত থেকে শিখে এসে কাঠের কাজ শুরু করেন। অল্প সময়েই এ কাজে সফলতার মুখ দেখেন তিনি। তার সাফল্যে উদ্ধুদ্ধ হয়ে এ কাজে যুক্ত হন গ্রামের অনেকেই। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে আলতাপোল গ্রামের ইনসার আলী ভারত থেকে শিখে এসে কাঠের কাজ শুরু করেন। অল্প সময়েই এ কাজে সফলতার মুখ দেখেন তিনি। তার সাফল্যে উদ্ধুদ্ধ হয়ে এ কাজে যুক্ত হন গ্রামের অনেকেই। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • বিগত বছরগুলোতে বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ায় কেশবপুরের এ কুটির শিল্প এখন চারটি গ্রাম ছাড়িয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের গ্রামে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    বিগত বছরগুলোতে বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ায় কেশবপুরের এ কুটির শিল্প এখন চারটি গ্রাম ছাড়িয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের গ্রামে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • প্রতি পরিবারের নারী-পুরুষ, এমনকি শিশুরাও এখন কাঠের শিল্পে পারদর্শী। নারীরা নিয়মিতভাবে এ কাজে যুক্ত হওয়ায় আয় বেড়েছে পরিবারের। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    প্রতি পরিবারের নারী-পুরুষ, এমনকি শিশুরাও এখন কাঠের শিল্পে পারদর্শী। নারীরা নিয়মিতভাবে এ কাজে যুক্ত হওয়ায় আয় বেড়েছে পরিবারের। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • কন্দর্পপুর গ্রামের একটি কারখানার মালিক আব্দুর রহিম জানান, মূলত মেহগনি কাঠ থেকে তারা এসব তৈজস তৈরি করেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা সংগ্রহ করেন এসব কাঠ। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    কন্দর্পপুর গ্রামের একটি কারখানার মালিক আব্দুর রহিম জানান, মূলত মেহগনি কাঠ থেকে তারা এসব তৈজস তৈরি করেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা সংগ্রহ করেন এসব কাঠ। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • বাড়িতে বাড়িতে গড়ে ওঠা ছোট ছোট কারখানায় কাঠের টুকরা দিয়ে তারা তৈরি করছেন বাহারি ফুলদানি, মোমদানি, ছাইদানি, বাটি, পাউডার কেইস, বয়াম, চরকা, খুন্তি, বেলুন, টাকা জমানোর ব্যাংক, সিঁদুরদানি, টিফিন বক্স, হামানদিস্তা, চামচসহ নিত্য ব্যবহার্য নানা পণ্য। পাশাপাশি নানা রকম শোপিসও তৈরি হচ্ছে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    বাড়িতে বাড়িতে গড়ে ওঠা ছোট ছোট কারখানায় কাঠের টুকরা দিয়ে তারা তৈরি করছেন বাহারি ফুলদানি, মোমদানি, ছাইদানি, বাটি, পাউডার কেইস, বয়াম, চরকা, খুন্তি, বেলুন, টাকা জমানোর ব্যাংক, সিঁদুরদানি, টিফিন বক্স, হামানদিস্তা, চামচসহ নিত্য ব্যবহার্য নানা পণ্য। পাশাপাশি নানা রকম শোপিসও তৈরি হচ্ছে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • কাঠের শিল্পী কামরুল ইসলাম জানান, কেশবপুরে এরকম পাঁচ শতাধিক কারখানা গড়ে উঠেছে বাড়িতে বাড়িতে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ কাজে যুক্ত রয়েছে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    কাঠের শিল্পী কামরুল ইসলাম জানান, কেশবপুরে এরকম পাঁচ শতাধিক কারখানা গড়ে উঠেছে বাড়িতে বাড়িতে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ কাজে যুক্ত রয়েছে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • কেশবপুরের গ্রামে তৈরি এসব কাঠের সামগ্রী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। পাইকাররা বাড়ি এসেই কিনে নিয়ে যাচ্ছে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    কেশবপুরের গ্রামে তৈরি এসব কাঠের সামগ্রী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। পাইকাররা বাড়ি এসেই কিনে নিয়ে যাচ্ছে। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

  • সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই গ্রামের শত শত মানুষ মিলে গড়ে তুলেছেন এই শিল্প। সরকারি সহযোগিতা পেলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবেন বলে আশা করছেন এই কুটিরশিল্পীরা। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

    সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই গ্রামের শত শত মানুষ মিলে গড়ে তুলেছেন এই শিল্প। সরকারি সহযোগিতা পেলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবেন বলে আশা করছেন এই কুটিরশিল্পীরা। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

সাম্প্রতিক ছবিঘর