• নিকলি ও কিশোরগঞ্জে একদিন-একরাত
    ওপরে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। নিচে কেবল পানি আর পানি। সেই পানিতে ভাসতে ভাসতে, দুলতে দুলতে আমরা চলেছি যেন অনন্তের অভিমুখে!
  • গা ছমছম বাদুড় গুহা
    খাগড়াছড়ির নতুন আর্কষণ ‘বাদুড় গুহা’র স্থানীয় নাম ‘তকবাক হাকর’।
  • শীতে ঘুরে আসুন লংগদু
    কাপ্তাই লেকের লংগদুর কাট্টলি বিল শীত মৌসুমে অল্প খরচেই বেড়ানো যায়।
  • সাদা পাথর আর লালাখালের দেশে
    ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর আর জৈন্তাপুরের লালাখাল সিলেট ভ্রমণে দেবে বাড়তি আনন্দ।
  • শীতের আমেজে সাজেক ভ্রমণ
    শীত আসলেই পাহাড়ে পর্যটকদের ঢল নামে। শীতের আমেজে সাজেকের আর্কষণ বাড়ে।
  • দেবলছড়ার গল্প
    ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী দূর্গম পাহাড়ি এলাকা দেবলছড়া। চা বাগান আর ঘন জঙ্গলের মধ্যে টিলার ওপর খাসিয়াপুঞ্জি।
  • শীতলপাটির গল্প
    শীতলপাটি ঝালকাঠির ঐতিহ্য। সেখানকার মানুষগুলোও পাটির মতোই শান্ত।
  • ধানসিঁড়িতে একদিন
    যদি জীবনানন্দ দাশের ধানসিঁড়ি নদী দেখতে চান তবে পার হতে হবে নদীর পর নদী।
  • কাঠমান্ডুর মাথামুণ্ডু
    পোখারা কিংবা নাগরকোট নয়- নেপালের রাজধানীর আনাচে-কানাচে হেঁটে ঘুরে ফিরে দেখার আছে অনেক কিছু।
  • বাইক্কাবিলে পাখির ডাক
    দেশি-বিদেশি পাখির মেলা বসে শ্রীমঙ্গলের বাইক্কাবিলে। সেই দৃশ্য উপভোগ করতে চাইলে যেতে হবে শীত থাকতে থাকতেই।
  • সরিষা উৎসব
    শীতল পরশ বয়ে যাচ্ছে বঙ্গদেশে। আর সেই আবেশে বাংলার মাঠ প্রান্তর ছেয়েছে হলুদ রংয়ে।
  • শান্তি নিকেতনে একদিন
    যেতে লাগে দুদিন। মানে বাংলাদেশ থেকে। কারণ ভারতে ঢুকে সেদিনই তো আর শান্তি নিকেতনে যাওয়া যায় না।
  • বাঁশতলার স্মৃতিসৌধ দেখতে
    টিলার ওপর মাঠ, এমন দৃশ্য হয়। তবে টিলার ওপর চোখ জুড়ানো স্মৃতিসৌধ! এমনটি না দেখে থাকলে যেতে হবে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঁশতলা গ্রামে।
  • রিভার ট্যুরিজম ফেস্ট ২০১৮
    প্রথমবারের মতো এই আয়োজন করেছিল ফেস্টিভ অ্যান্ড কালচারাল ট্যুরিজম কনসোর্টিয়াম (এফসিটিসি)।
  • ভ্রমণে যখন একা
    নিজের মতো বেড়ানোতে আনন্দ আছে। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার।
  • লটকন দুনিয়ায়
    নরসিংদী এলাকায় অনেকেই লটকনকে বগি বলে ডাকে। সরাসরি কাণ্ড থেকে বের হওয়া লটকনের গাছ দেখতে খুব সুন্দর। তাই লটকন মৌসুমে নরসিংদী এলাকার রায়পুরা ও শিবপুরের বিভিন্ন লটকন বাগানে ভ্রমণ রসিকদের ভিড় জমে।
  • চট্টগ্রাম থেকে চেন্নাই
    বঙ্গোপসাগরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। দক্ষিণ ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত চেন্নাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে সুপরিচিত চিকিৎসা গন্তব্য হিসেবে।
  • নীল সাগর আর আগুন পাহাড়ের বালিতে
    হাতে কম সময় নিয়ে গেলে হবে না। বালি’র সৌন্দর্য ভোগ করার জন্য প্রয়োজন অন্তত পাঁচদিন।
  • মিজোরামের সীমান্ত ঘেঁষা ঠেগামুখে
    পূর্ণিমায় এক মেঘের সীমান্ত ধরে নতুন কোনো সূর্যাস্ত দেখার স্বপ্নজাল বোনা শুরু হয়েছিল। অবশেষে বছর দুয়েক পর সেই অধরা পূর্ণ হল। ঠেগামুখ বা থেগামুখ বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা জনপদ। জনপদ বলতে. কেবল একটি বাজার। রয়েছে পাহাড়ি বিশেষ করে চাকমা জাতিগোষ্ঠীর বসতবাড়ি।
  • বগালেক পেরিয়ে কেওক্রাডং
    সন্ধ্যা-রাতে, বনের ফাঁক দিয়ে পথ। সেপথে দুজন মাত্র অভিযাত্রী। পা দুটোই ভরসা। মাঝে মাঝে বনের মধ্যে জ্বলন্ত চোখগুলো দেখে আৎকে উঠলেন ‍দুজন।
  • ব্যাংককের ওশান ওয়ার্ল্ডে নীল সাগরের হাতছানি
    বিশাল আকৃতির অক্টোপাস, ভয়ঙ্কর টাইগার শার্ক, দুরন্ত গতির জেন্টু পেঙ্গুইন আর ডিপ রিফের বর্ণিল মাছের এক বিচিত্র সম্মিলন ব্যাংককের সি লাইফ ওশান ওয়ার্ল্ডে।
  • সাজেক যেন মেঘ পাহাড়ের পথ
    চেকপোস্টের কাছাকাছি হতেই নামতে হল। পরিচয় পেশা নাম ঠিকানা আগমনের কারণ জানতে চাওয়া হল। এসব বলে যখন রওনা হলাম তখন বেলা প্রায় সাড়ে প্রায় এগারোটা বাজে। তারপর তো বাহন মহেন্দ্র অটোরিকশা আমাকে আর বুশরাকে নিয়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ ধরে এগিয়ে চলা শুরু করল তার দূরন্ত গতিতে।
  • কাঙাল হরিনাথের গল্প
    ফিকির চাঁদ কিন্তু তার আসল নাম নয়, ছদ্মনাম। হরিনাথ মজুমদার তাঁর আসল নাম। কাঙাল হরিনাথ নামে তিনি অধিক পরিচিত। এই বাউল সাধকের স্মৃতিধন্য কুষ্টিয়ার কুমারখালী।
  • প্রাচীন বটবৃক্ষে একদিন
    ঝিনাইদহের বেথুলি গ্রামের তিনশ বছরের পুরানো বটবৃক্ষটি ঘিরে রয়েছে নানান উপকথা। প্রকৃতি এই অবাক শিল্প উপভোগ করার পাশাপাশি গল্প শুনেও আনন্দ পাওয়া যায়।
  • গাজী, কালু, চম্পাবতী’র সঙ্গে একদিন
    যাদের আধ্যাত্মিক প্রভাবে নাকি প্রাচীনকালে বাঘ-কুমির একঘাটে জল পান করত, সেই গাজী, কালু, চম্পাবতী’র মাজার দেখতে চাইলে যেতে হবে ঝিনাইদহ।
  • ছবিতে বুড়িগঙ্গা
    বুড়িগঙ্গা ফিরে পাচ্ছে তার যৌবন। পানি আর আগের মতো কালচে নেই। নেই দুর্গন্ধ। গাঙচিল উড়তে দেখা যায়, শুশুক চোখে পড়তে পারে মাঝেমধ্যে। ইচ্ছে করলেই বেড়িয়ে আসতে পারেন এই নদী ধরে, কিংবা নদীর মাঝে। আর বর্তমান বুড়িগঙ্গার এসব ছবি তুলে এনেছেন পরিব্রাজক ফারুখ আহমেদ।
  • দরিরামপুর হয়ে কাজির শিমলা
    দরিরামপুর হাই স্কুল ভবনটি আগের মতো থাকলেও অবস্থা প্রায় ‘ভঙ্গুর’ বলা যায়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শৈশবে এই স্কুলে যে কক্ষ দুটিতে ক্লাস করতেন, সেগুলো এখনও আছে। তবে নোংরা ও আবর্জনার স্তুপে ভরা।
  • ছোট হরিণার পথে পথে
    শুভলং বাজার। আজ হাঁটবার, চারিদিকে নানান রকম পসরা নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতা আর ক্রেতার হাঁকডাকে এলাকা মুখরিত। তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেদার। পাশেই এক ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করছেন আর অনেকেই হুমড়ি খেয়ে তার বিক্রি দেখছেন। কেউ কেউ কিনেও নিচ্ছেন।
  • কর্ণফুলির উৎসে ঠেগামুখ
    কর্নফুলি নদীর উৎসমুখে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী শেষ গ্রাম। স্থানীয়রা বলে থেগামুখ বা থেগাদোর। এখানে চাকমা ও মারমা নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
  • পূর্ণিমায় জ্যোৎস্নাবাড়ি
    চারপাশে পাহাড় মাঝের উপত্যকায় ছোট্ট কুটির। সেখানে জোছনা কিংবা অমাবস্যায় রাত কাটাতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম হয়ে মাটিরাঙ্গায়।
  • সাগর ছোঁয়া ৮০ কিলোমিটার
    এপাশে সবুজ পাহাড়, ওপাশে নীল সমুদ্র। মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে গেছে দীর্ঘ পিচঢালা মসৃণ পথ। এ পথের পুরোটাই পাহাড়-সমুদ্রের মিতালী। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ছুঁয়ে এ মেরিন ড্রাইভ সড়ক এরমধ্যে দীর্ঘতম খেতাব পেয়েছে।
  • বালিয়াটির জমিদারবাড়ি
    শুধু রাজ্যটা আছে, রাজা নেই।
  • দিগন্ত ছোঁয়া অজল চুগ বন বিহার
    বসন্তের দিন, প্রকৃতি জুড়ে হলুদ আর সবুজ রংয়ের বাহার। পাহাড়ের গাছে গাছে নতুন পাতা, তরু পল্লবের ছায়ায় ঢাকা বনানী। ঝরার পাতার পর্ব পেরিয়ে রাবার বাগানজুড়ে সবুজ রংয়ের হাতছানি, ঘন পাতা ঢেকেছে সবুজ রংয়ে।
  • অন্নপূর্ণার কোলে
    সত্যি কথাটা হচ্ছে আমি ভয় পেয়েছিলাম। বেশ ভালো ভয় পেয়েছিলাম।
  • লোভা নদীতে একদিন
    একটু আগেও খটখটে রোদ ছিল। এখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি। সে বৃষ্টির ছাঁট ভিজিয়ে দিচ্ছে আমাদের। বেত আর পলিথিনের তৈরি চালের ফুটা বেয়ে টপটপিয়ে পড়ছে পানি। আমরা পাঁজনের দল গা ঘেঁষে তাকিয়ে আছি দূরে। যেখানে রৌদ্র খেলা করছে পাহাড়ের গায়ে।
  • ঝরনার গ্রাম দীঘিনালা
    তোজেংমা ও তৈদুছড়া ছাড়াও হাজাছড়া বা হরিণমারা ঝরনা দেখতে হলে দীঘিনালা হয়ে যাওয়াই ভালো। হরিণমারা ও হাজাছড়ার অবস্থান বাঘাইহাট হলেও যাওয়ার সহজ পথ দীঘিনালা হয়ে। বর্ষার সময় বেড়িয়ে আসতে পারেন পাহাড়ের এই জনপথে।
  • ইতিহাস ঐতিহ্যের রোজ গার্ডেন
    পুরান ঢাকার কেএম দাস লেনের এই প্রাসাদসম বাড়িতে ঘুরতে চাইলে বাদ দিতে হবে ছুটির দিন।
  • জল-অরণ্যে রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক
    উঁচু-নিচু কখনওবা ঘন অরণ্যে ঢাকা কাপ্তাই-রাঙামাটির ২৪ কিলোমিটারের এই পিচঢালা পথ। অরণ্যের সুনসান নিরবতা ভাঙে ঝরাপাতার শব্দে কিংবা শুকনা পাতার মর্মর ছন্দে।
  • কাঠমালতির গ্রামে
    রাজধানীর খুব কাছে। মাঠের পরপর মাঠ গাঁদা কিংবা গ্ল্যাডিওলাসের চাষ হচ্ছে। যেন ফূলে ফুলে ভরা একটি স্বর্গ। ঢাকা থেকে দিনে গিয়ে দিনেই বেড়িয়ে আসা যায়।
  • পাহাড়ের উৎসব বৈসাবি
    চাকমাদের ‘বৈসু’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’ এবং ত্রিপুরাদের ‘বিহু’- তিন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসবের তিন নাম। ‘বৈসাবি’ নামকরণ হয়েছে তাদের এই তিন উৎসবের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে। প্রায় চারদিন ধরে চলা এই আয়োজন উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন খাগড়াছড়ি-সাজেক।
  • লাউড় হ্রদ, লাউড়ের টিলা ও লাকমাছড়ার গল্প
    মেঘালয় পর্বতমালা আর প্রাচীন লাউড় রাজ্যের শোভা দেখতে হলে যেতে হবে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ট্যাকেরঘাট।
  • সাজেকের চূড়ায় কংলাক পাড়া
    আশপাশের পাড়াগুলো থেকে সবচেয়ে উঁচুতে। তাই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে কাটাতে হবে একটি রাত।
  • নৌপথে সাজেক ভ্রমণ
    নৌপথে সাজেক যাওয়ার সুবিধে হল এক ট্রিপে অনেকগুলো নান্দনিক জায়গায় বেড়ানো যায়। এতে খরচপাতি এবং সময় দুটোই কম লাগবে।
  • যাই মধু আহরণে
    দুঃসাহসিক অভিযান করতে চাইলে সুন্দরবন যান।
  • ভূস্বর্গ রাঙামাটি ভ্রমণ
    চারপাশে ঘিরে থাকা পাহাড়ের চূড়া পেরিয়ে সূর্যের সোনাঝরা আলো, সকালের ঘুম ভেঙে চোখে পড়ে নীলাভ-স্বচ্ছ টলমল জলের স্রোত, জলের পথে পেরিয়ে দূরে দাঁড়িয়ে আছে প্রাগতৈহাসিক কালের পাথুরে পাহাড়।
  • তোজেংমা' বুনোর পথের ঝরনা
    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে যেতে হবে আলমগীর টিলা। বাকি পথ ঝিরি ঢাকা পাথুরে পথ। মাকড়সার জালে ঘেরা জঙ্গল ভেদ করে যেতে হবে দুই ঝরনার সঙ্গমস্থলে।
  • পদ্মাপাড়ের মৈনট ঘাট
    ঢাকার কাছেই পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানোর মজার একটি জায়গা মৈনট ঘাট। দোহারের পদ্মার পাড়ের এই এলাকা এরই মধ্যে বেড়ানোর জায়গা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
  • মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝরনায়
    চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় আছে বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ঝরনা। চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের ভেতরে পাহাড়ের কোল থেকে বয়ে আসা এসব অনিন্দ সুন্দর এ জলপ্রপাতগুলো এক দিনেই বেড়ানো যায়।
  • দক্ষিণের জলের রাজ্যে ভ্রমণ
    এক দিনে ঘুরে বেড়ানো যায় তিন জেলার এই খালগুলোতে। আর উপভোগ করা যায় তিনটি অসাধারণ ভাসমান বাজার।
  • পাংখোয়াদের স্বর্গপল্লী
    যেখানে মেঘের দল ঘুরে বেড়ায় মানুষের সঙ্গে। পানি আর পাহাড় ঘেরা স্বর্গভূমি, উঁচু সেই গ্রাম উপভোগ করতে যেতে হবে রাঙামাটির শুভলংয়ে।
  • ক্রাবি- আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য
    বাংলাদেশ থেকে উড়োজাহাজে আড়াই ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় ব্যাংককের সুবর্ণভূমি ইন্টারন্যাশনাল এয়াপোর্টে। তারপর উড়োজাহাজের কোনো এক অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে এক ঘণ্টার আগেই পৌঁছে যাওয়া যায় ক্রাবি।
  • মধুপুরে আনারসে
    চলছে আনারসের মৌসুম। মধুপুরের বাতাসে বাতাসে এখন পাকা আনারসের মৌ মৌ ঘ্রাণ। আনারসের জন্য বিখ্যাত মধুপুরের আরেক দর্শনীয় জায়গা মধুপুর জাতীয় উদ্যান।
  • রিসোর্টে ঈদের ছুটি
    ঢাকার আশপাশে কটাদিন বেড়িয়ে আরাম করতে চাইলে যেতে পারেন এসব অবসরবিনোদন কেন্দ্রে।
  • ঘুরে আসতে পারেন মায়ানমার
    ‘খোক মোক’-মায়ানমারের ঐতিহ্যবাহী এক মিহি চালের পিঠার নাম, ভেতরে তরল গুড়। পাতলা ছোট গোল রুমালের মতো অনেকটা দেখতে পিঠাটি একবারেই সহজে গিলে ফেলা যায়। মায়ানমারের শিল্পীদের ঐতিহ্যবাহী নাচ দেখার পাশাপাশি ‘রয়্যাল কারাউইক প্যালেস’ বসে রাতের খাবার সেরে ওই পিঠা উপভোগ করা সত্যিই অতুলনীয়।