ছবিতে বুড়িগঙ্গা

ছবিতে বুড়িগঙ্গা

বুড়িগঙ্গা ফিরে পাচ্ছে তার যৌবন। পানি আর আগের মতো কালচে নেই। নেই দুর্গন্ধ। গাঙচিল উড়তে দেখা যায়, শুশুক চোখে পড়তে পারে মাঝেমধ্যে। ইচ্ছে করলেই বেড়িয়ে আসতে পারেন এই নদী ধরে, কিংবা নদীর মাঝে। আর বর্তমান বুড়িগঙ্গার এসব ছবি তুলে এনেছেন পরিব্রাজক ফারুখ আহমেদ।

দরিরামপুর হয়ে কাজির শিমলা

দরিরামপুর হয়ে কাজির শিমলা

দরিরামপুর হাই স্কুল ভবনটি আগের মতো থাকলেও অবস্থা প্রায় ‘ভঙ্গুর’ বলা যায়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শৈশবে এই স্কুলে যে কক্ষ দুটিতে ক্লাস করতেন, সেগুলো এখনও আছে। তবে নোংরা ও আবর্জনার স্তুপে ভরা।

ছোট হরিণার পথে পথে

ছোট হরিণার পথে পথে

শুভলং বাজার। আজ হাঁটবার, চারিদিকে নানান রকম পসরা নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতা আর ক্রেতার হাঁকডাকে এলাকা মুখরিত। তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেদার। পাশেই এক ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করছেন আর অনেকেই হুমড়ি খেয়ে তার বিক্রি দেখছেন। কেউ কেউ কিনেও নিচ্ছেন।

কর্ণফুলির উৎসে ঠেগামুখ

কর্ণফুলির উৎসে ঠেগামুখ

কর্নফুলি নদীর উৎসমুখে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী শেষ গ্রাম। স্থানীয়রা বলে থেগামুখ বা থেগাদোর। এখানে চাকমা ও মারমা নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।

পূর্ণিমায় জ্যোৎস্নাবাড়ি

পূর্ণিমায় জ্যোৎস্নাবাড়ি

চারপাশে পাহাড় মাঝের উপত্যকায় ছোট্ট কুটির। সেখানে জোছনা কিংবা অমাবস্যায় রাত কাটাতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম হয়ে মাটিরাঙ্গায়।

সাগর ছোঁয়া ৮০ কিলোমিটার

সাগর ছোঁয়া ৮০ কিলোমিটার

এপাশে সবুজ পাহাড়, ওপাশে নীল সমুদ্র। মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে গেছে দীর্ঘ পিচঢালা মসৃণ পথ। এ পথের পুরোটাই পাহাড়-সমুদ্রের মিতালী। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ছুঁয়ে এ মেরিন ড্রাইভ সড়ক এরমধ্যে দীর্ঘতম খেতাব পেয়েছে।

বালিয়াটির জমিদারবাড়ি

বালিয়াটির জমিদারবাড়ি

শুধু রাজ্যটা আছে, রাজা নেই।

দিগন্ত ছোঁয়া অজল চুগ বন বিহার

দিগন্ত ছোঁয়া অজল চুগ বন বিহার

বসন্তের দিন, প্রকৃতি জুড়ে হলুদ আর সবুজ রংয়ের বাহার। পাহাড়ের গাছে গাছে নতুন পাতা, তরু পল্লবের ছায়ায় ঢাকা বনানী। ঝরার পাতার পর্ব পেরিয়ে রাবার বাগানজুড়ে সবুজ রংয়ের হাতছানি, ঘন পাতা ঢেকেছে সবুজ রংয়ে।

অন্নপূর্ণার কোলে

অন্নপূর্ণার কোলে

সত্যি কথাটা হচ্ছে আমি ভয় পেয়েছিলাম। বেশ ভালো ভয় পেয়েছিলাম।

লোভা নদীতে একদিন

লোভা নদীতে একদিন

একটু আগেও খটখটে রোদ ছিল। এখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি। সে বৃষ্টির ছাঁট ভিজিয়ে দিচ্ছে আমাদের। বেত আর পলিথিনের তৈরি চালের ফুটা বেয়ে টপটপিয়ে পড়ছে পানি। আমরা পাঁজনের দল গা ঘেঁষে তাকিয়ে আছি দূরে। যেখানে রৌদ্র খেলা করছে পাহাড়ের গায়ে।

ঝরনার গ্রাম দীঘিনালা

ঝরনার গ্রাম দীঘিনালা

তোজেংমা ও তৈদুছড়া ছাড়াও হাজাছড়া বা হরিণমারা ঝরনা দেখতে হলে দীঘিনালা হয়ে যাওয়াই ভালো। হরিণমারা ও হাজাছড়ার অবস্থান বাঘাইহাট হলেও যাওয়ার সহজ পথ দীঘিনালা হয়ে। বর্ষার সময় বেড়িয়ে আসতে পারেন পাহাড়ের এই জনপথে।

ইতিহাস ঐতিহ্যের রোজ গার্ডেন

ইতিহাস ঐতিহ্যের রোজ গার্ডেন

পুরান ঢাকার কেএম দাস লেনের এই প্রাসাদসম বাড়িতে ঘুরতে চাইলে বাদ দিতে হবে ছুটির দিন।

জল-অরণ্যে রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক

জল-অরণ্যে রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক

উঁচু-নিচু কখনওবা ঘন অরণ্যে ঢাকা কাপ্তাই-রাঙামাটির ২৪ কিলোমিটারের এই পিচঢালা পথ। অরণ্যের সুনসান নিরবতা ভাঙে ঝরাপাতার শব্দে কিংবা শুকনা পাতার মর্মর ছন্দে।

কাঠমালতির গ্রামে

কাঠমালতির গ্রামে

রাজধানীর খুব কাছে। মাঠের পরপর মাঠ গাঁদা কিংবা গ্ল্যাডিওলাসের চাষ হচ্ছে। যেন ফূলে ফুলে ভরা একটি স্বর্গ। ঢাকা থেকে দিনে গিয়ে দিনেই বেড়িয়ে আসা যায়।

পাহাড়ের উৎসব বৈসাবি

পাহাড়ের উৎসব বৈসাবি

চাকমাদের ‘বৈসু’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’ এবং ত্রিপুরাদের ‘বিহু’- তিন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসবের তিন নাম। ‘বৈসাবি’ নামকরণ হয়েছে তাদের এই তিন উৎসবের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে। প্রায় চারদিন ধরে চলা এই আয়োজন উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন খাগড়াছড়ি-সাজেক।

লাউড় হ্রদ, লাউড়ের টিলা ও লাকমাছড়ার গল্প

লাউড় হ্রদ, লাউড়ের টিলা ও লাকমাছড়ার গল্প

মেঘালয় পর্বতমালা আর প্রাচীন লাউড় রাজ্যের শোভা দেখতে হলে যেতে হবে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ট্যাকেরঘাট।

সাজেকের চূড়ায় কংলাক পাড়া

সাজেকের চূড়ায় কংলাক পাড়া

আশপাশের পাড়াগুলো থেকে সবচেয়ে উঁচুতে। তাই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে কাটাতে হবে একটি রাত।

নৌপথে সাজেক ভ্রমণ

নৌপথে সাজেক ভ্রমণ

নৌপথে সাজেক যাওয়ার সুবিধে হল এক ট্রিপে অনেকগুলো নান্দনিক জায়গায় বেড়ানো যায়। এতে খরচপাতি এবং সময় দুটোই কম লাগবে।

যাই মধু আহরণে

যাই মধু আহরণে

দুঃসাহসিক অভিযান করতে চাইলে সুন্দরবন যান।

ভূস্বর্গ রাঙামাটি ভ্রমণ

ভূস্বর্গ রাঙামাটি ভ্রমণ

চারপাশে ঘিরে থাকা পাহাড়ের চূড়া পেরিয়ে সূর্যের সোনাঝরা আলো, সকালের ঘুম ভেঙে চোখে পড়ে নীলাভ-স্বচ্ছ টলমল জলের স্রোত, জলের পথে পেরিয়ে দূরে দাঁড়িয়ে আছে প্রাগতৈহাসিক কালের পাথুরে পাহাড়।

তোজেংমা' বুনোর পথের ঝরনা

তোজেংমা' বুনোর পথের ঝরনা

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে যেতে হবে আলমগীর টিলা। বাকি পথ ঝিরি ঢাকা পাথুরে পথ। মাকড়সার জালে ঘেরা জঙ্গল ভেদ করে যেতে হবে দুই ঝরনার সঙ্গমস্থলে।

পদ্মাপাড়ের মৈনট ঘাট

পদ্মাপাড়ের মৈনট ঘাট

ঢাকার কাছেই পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানোর মজার একটি জায়গা মৈনট ঘাট। দোহারের পদ্মার পাড়ের এই এলাকা এরই মধ্যে বেড়ানোর জায়গা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝরনায়

মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝরনায়

চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় আছে বেশ কয়েকটি পাহাড়ি ঝরনা। চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের ভেতরে পাহাড়ের কোল থেকে বয়ে আসা এসব অনিন্দ সুন্দর এ জলপ্রপাতগুলো এক দিনেই বেড়ানো যায়।

দক্ষিণের জলের রাজ্যে ভ্রমণ

দক্ষিণের জলের রাজ্যে ভ্রমণ

এক দিনে ঘুরে বেড়ানো যায় তিন জেলার এই খালগুলোতে। আর উপভোগ করা যায় তিনটি অসাধারণ ভাসমান বাজার।

পাংখোয়াদের স্বর্গপল্লী

পাংখোয়াদের স্বর্গপল্লী

যেখানে মেঘের দল ঘুরে বেড়ায় মানুষের সঙ্গে। পানি আর পাহাড় ঘেরা স্বর্গভূমি, উঁচু সেই গ্রাম উপভোগ করতে যেতে হবে রাঙামাটির শুভলংয়ে।

ক্রাবি- আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য

ক্রাবি- আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য

বাংলাদেশ থেকে উড়োজাহাজে আড়াই ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় ব্যাংককের সুবর্ণভূমি ইন্টারন্যাশনাল এয়াপোর্টে। তারপর উড়োজাহাজের কোনো এক অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে এক ঘণ্টার আগেই পৌঁছে যাওয়া যায় ক্রাবি।

মধুপুরে আনারসে

মধুপুরে আনারসে

চলছে আনারসের মৌসুম। মধুপুরের বাতাসে বাতাসে এখন পাকা আনারসের মৌ মৌ ঘ্রাণ। আনারসের জন্য বিখ্যাত মধুপুরের আরেক দর্শনীয় জায়গা মধুপুর জাতীয় উদ্যান।

রিসোর্টে ঈদের ছুটি

ঢাকার আশপাশে কটাদিন বেড়িয়ে আরাম করতে চাইলে যেতে পারেন এসব অবসরবিনোদন কেন্দ্রে।

ঘুরে আসতে পারেন মায়ানমার

ঘুরে আসতে পারেন মায়ানমার

‘খোক মোক’-মায়ানমারের ঐতিহ্যবাহী এক মিহি চালের পিঠার নাম, ভেতরে তরল গুড়। পাতলা ছোট গোল রুমালের মতো অনেকটা দেখতে পিঠাটি একবারেই সহজে গিলে ফেলা যায়। মায়ানমারের শিল্পীদের ঐতিহ্যবাহী নাচ দেখার পাশাপাশি ‘রয়্যাল কারাউইক প্যালেস’ বসে রাতের খাবার সেরে ওই পিঠা উপভোগ করা সত্যিই অতুলনীয়।