ভালো থাকতে সকালের নাস্তা

অনেকেই ওজন কমানোর জন্য সকালের নাস্তা না করেই দিন শুরু করেন। তবে প্রাতরাশ সারা দিনের মধ্যে সবচাইতে জরুরি একটি খাবার।

লাইফস্টাইল ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 13 Jan 2015, 12:14 PM
Updated : 13 Jan 2015, 12:14 PM

কারণ সারা রাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর, সকালের নাস্তা আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে জাগিয়ে তোলে। আর সারাদিন কর্মচঞ্চল থাকতে সকালে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুবই জরুরি।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সকালের নাস্তার বিষয়ে পাঁচটি উল্লেখযোগ্য বিষয় তুলে ধরা হয়। এখানে সেই বিষয়গুলোই তুলে ধরা হল।

সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া যাবে না

দিনের শুরুতে শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির জন্য সকালের নাস্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া সকালের নাস্তা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সকালে নাস্তা না করা হলে শারীরিক ও মানসিক দূর্বলতা অনুভূত হতে পারে। তাই দেখা যায়, সকালে না খেলে দুপুরে বেশি ক্ষুদা লাগার কারণে দুপুরে খাওয়ার পরিমাণ বেরে যেতে পারে। তাই ওজন বাড়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। তাই সকালে পুষ্টিকর খাবার খেলে এই সম্ভাবনা কমে আসবে।

সহজ ও পুষ্টিকর নাস্তা

সকালে বেশি ভারি খাবার খাওয়া উচিত নয়। চট জলদি তৈরি করা যায় এবং পুষ্টিকর খাবার খেয়ে দিন শুরু করা উচিত। বেশি ভারি খাবার খেলে কাজ করতে সমস্যা হতে পারে। তাই সকালে প্রায় সব ধরনের পুষ্টি পাওয়া যাবে এমন নাস্তা করা উচিত। প্রতি সার্ভিংয়ে প্রোটিনসহ ১২০ কিলো-ক্যালোরি সমৃদ্ধ নাস্তা খাওয়া উচিত।

ভিন্নধর্মী নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি

সকালে সিরিয়াল, ওটস ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই থাকে। এটা খুবই পুষ্টিকর খাবার হলেও মাঝে মাঝে ভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া উচিত। সকালে ডিম ও চিকেন সসেজ সঙ্গে খানিকটা পনির, দুধ, পিনাট বা কাঠবাদামের তৈরি বাটার, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

পর্যাপ্ত প্রোটিন খাওয়া উচিত

সকালের শুরুতে প্রোটিনজাতীয় খাবার খেলে সারাদিন স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করা যাবে। তাই কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার গ্রহণ না করে বরং দিনের শুরুতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ভালো।

বাসায় নাস্তা করার অভ্যাস তৈরি

অনেকেই বাইরে গিয়ে নাস্তা করতে পছন্দ করেন। তবে এতে করে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি যুক্ত হতে পারে। বরং ঘরে তৈরি করে নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস করলে পুষ্টিকর খাবার দিয়ে যেমন দিন শুরু করা যাবে তেমনি টাকাও বাঁচবে। মাঝে মধ্যে অবশ্য স্বাদ পরিবর্তনের জন্য বাইরে খাওয়া যেতেই পারে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক