হিমায়িত খাবার পুনরায় গরম করার আগে

ডিপ ফ্রিজের খাবার মাইক্রোওভেনে গরম করার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন।

লাইফস্টাইল ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 1 July 2021, 12:42 PM
Updated : 1 July 2021, 12:42 PM

বেচে যাওয়া খাবার কয়েক সপ্তাহ ধরে ডিপ ফ্রিজে রাখা। এবার ভাবছেন বরফ গলিয়ে উপভোগ করা যাক মজার খাবার।

তবে খাবার গরম করার জন্য যদি বেছে নেওয়া হয় মাইক্রোওয়েভ সেক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্টেটফুডসেফটি’র নিবন্ধিত পেশাদার খাদ্য নিরাপত্তা-বিষয়ক পরামর্শক ও খাদ্য-বিজ্ঞানি জেনিলিন হাচিংজ’য়ের মতে, “বেচে যাওয়া খাবার ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, প্রতি পাউন্ড খাবার ২৪ ঘণ্টা সতেজ থাকে।”  

‘ইটদিস ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি আরও বলেন, “খাবারে ঠাণ্ডা পানি ছিটিয়েও ভালো রাখা যায় তবে এর জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। এবং এর তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হতে হবে।”

তাড়া আছে? তবে বরফে জমা খাবার গরম করতে মাইক্রোওভেনের ‘ডিফ্রস্ট’ সেটিংস ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানান তিনি।

উন্নত মাইক্রোওভেনে ওজন অনুযায়ী খাবার গরম করার ব্যবস্থা থাকে। সেই অনুযায়ী খাবার গরম করলে গুণগত মান ঠিক রাখে এবং ঠাণ্ডাভাব দূর হয়।

খাবার পরিমাণে কম হলে তা রান্না করেও গরম করা যায়। উদাহরণ স্বরূপ- ছোট টুকরার মাংস।

ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করা আধুনিক জীবনে একমাত্র পন্থা। অনেকেই মনে করেন বরফে জমালে খাবারে জীবাণুর আক্রমণ হয় না। তবে বিষয়টা ঠিক নয়।

মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির খাদ্য সুরক্ষা, টক্সিকোলজি এবং ঝুঁকি মূল্যায়নের অধ্যাপক ড. ফেলিসিয়া ডাব্লিউ উ. বলেন, “অনেকেই মনে করেন ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় তৈরি হওয়া খাবারের ব্যাক্টেরিয়া রেফ্রিজারেটরের মাধ্যমে নষ্ট করা যায়। দুর্ভাগ্যক্রমে, এটি ভুল ধারণা।”

উ বলেছেন, “খাবারে জন্মানো অনেক জীবাণু রেফ্রিজারেটরে রাখার পরেও বেঁচে থাকতে পারে। পরে তা ভালো মতো রান্না করে না খেলে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারে।”

মাইক্রোওয়েভে খাবার গরমের আগে তাতে প্লাস্টিকের ব্যবহার করা যাবে কি-না সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ অনেক প্লাস্টিক রয়েছে যা গরমে স্থায়িত্ব হারায় বা ভেঙে যায়।

আবার প্লাস্টিকে থাকা রাসায়নিক খাবারে মিশে যেতে পারে গরম করার সময়। অন্যতম হল ‘বিসফেনল’ যা ‘এ (বিপিএ) হিসেবে পরিচিত।

যে কারণে এখন অনেক প্লাস্টিকের পাত্রেই লেখা থাকে (বিপিএ) মুক্ত।

তারপরও সাবধান থাকার পরামর্শ দেন, উ।

কিছু গবেষণা থেকে জানা যায় যে (বিপিএ) মুক্ত প্লাস্টিকগুলো-ও মাইক্রোওয়েভে ব্যবহার করা ঝুঁকিকর।

আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেইশন’ ‘নিরাপদ’ লেবেলযুক্ত পাত্র ব্যতীত মাইক্রোওয়েভে অন্যান্য প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়।

ছবির মডেল: বৈশাখী। আলোকচিত্র: অপূর্ব খন্দকার।

আরও পড়ুন

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক