‘ভিটামিন কে’ সমৃদ্ধ খাবার

হৃদযন্ত্র ও হাড়ের সুস্থতার জন্য শরীরে ‘‘ভিটামিন কে’’ প্রয়োজন।

লাইফস্টাইল ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 29 Oct 2020, 11:25 AM
Updated : 29 Oct 2020, 11:25 AM

‘ভিটামিন কে’য়ের অভাব হলে নানান স্বাস্থ্যঝুঁকি,হাড়ের দুর্বলতা, হাড়ে খনিজের স্বল্পতা, হৃদরোগ, অস্টিয়োপোরোসিস, দাঁতের ক্ষয়, রক্তপাত,রক্ত  জমাট বাঁধার সমস্যা ইত্যাদি দেখা দেয়।

তাই খাবারের মাধ্যমে ‘ভিটামিন কে’ গ্রহণকরা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিতপ্রতিবেদন থেকে খাবারে ‘ভিটামিন কে’ যোগ করার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

ব্রকলি: আধাকাপ ব্রকলিতে ৮৫ মাইক্রোগ্রাম ‘ভিটামিন কে’ থাকে। এটা রান্না করার নানান উপায় আছে।তবে ক্যানোলা বা জলপাইয়ের তেল দিয়ে রান্না করা ভালো। এতে খাবারে ‘ভিটামিন কে’ যোগ হওয়ারপাশাপাশি বাড়তি স্বাদও যোগ হয়।

কপি: কপিকে‘ভিটামিন কে’য়ের রাজা বলা হয়। এটাকে ‘সুপার ফুড’ বলা যায় কারণ এটা ক্যালসিয়াম, পটাশিয়ামও ফোলাট সমৃদ্ধ। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ। ডায়াবেটিস ও স্থূলতার সমস্যা আছেএমন রোগীদের জন্য উপকারী।

পালংশাক: কাঁচারচাইতে আধা কাপ রান্না করা পালংশাক থেকে তিনগুণ বেশি ‘ভিটামিন কে’ পাওয়া যায়। এছাড়াওপালংশাক নানা রকমের পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন-এ, বি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, ফোলায়েট এবংলৌহ সমৃদ্ধ। 

লেটুস: লেটুসেরএক পাতায় ৩.৬২ এমসিজি ‘ভিটামিন কে’ থাকে। এছাড়াও, এতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যা মূলতঅ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই সকল উপাদান শরীরকে রোগমুক্ত ও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

সয়াবিন: দুইধরনের ‘ভিটামিন কে’ রয়েছে যথা- ‘ভিটামিন কে-১’ ও ‘কে-২’। ‘ভিটামিন কে-১’ উদ্ভিদ থেকেআসে এবং ‘ভিটামিন কে-২’ সামান্য পরিমাণে প্রাণিজ উৎস এবং গাঁজানো খাবার যেমন- পনিরথেকে আসে।

তবে সয়াবিন ও সয়াবিন তেল থেকে ‘ভিটামিনকে-২’ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক