সাজসজ্জায় যা করা ঠিক না

লিপস্টিক দিয়ে শ্যাডো বা ব্লাশের কাজ চালানো কিংবা কাজল পেন্সিল দিয়ে স্মোকি আই তৈরির কাজ চালানো গেলেও সাজসজ্জায় সবসময় একটা দিয়ে অন্যটার কাজ চালানো ঠিক নয়।

লাইফস্টাইলডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 30 July 2018, 06:53 AM
Updated : 30 July 2018, 06:53 AM

আপাতত কাজ চালানোর জন্য সাজের একটি উপকরণ দিয়ে অন্য কাজ চালানো গেলও অনেক সময় হীতে বিপরীত হতে পারে।

সাজসজ্জা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল, এক প্রসাধনী দিয়ে অন্য কাজ করলে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

দেহের স্ক্রাবার মুখে নয়: চিনি, লবণ বা বেইকিং সোডা ত্বক কোমল ও মসৃণ করে ঠিকই তবে এগুলো ত্বকের জন্য বেশ রুক্ষ। চিনি, লবণ ও বেইকিং সোডা শরীর স্ক্রাব করার ক্ষেত্রে খুব ভালো ফল দিলেও, মুখে ব্যবহার করা হলে তা ত্বকের ক্ষতি করে। কারণ মুখের ত্বক অনেক নরম। আর এসব উপাদান দিয়ে যখন স্ক্রাব করা হয় তখন স্ক্রাবের চেয়ে বরং বেশি আঁচড়ের সৃষ্টি করে।

ব্রণে টুথপেস্ট লাগানো: প্রচলিত ধারণায়, ব্রণে টুথপেস্ট লাগালে দ্রুত ভালো হয়ে যায়, অনেকে হয়ত নিজে এটা করেও দেখেছেন। তবে আবার এই কাজ করার আগে সাবধান হন। টুথপেস্টের পারঅক্সাইড ও বেইকিং সোডা ব্রণ শুকাতে সাহায্য করলেও ত্বকে জ্বালাভাব সৃষ্টি করে এবং লালচেভাব দেখা দেয়। এটা ব্রণ শুকানোর পাশাপাশি ত্বকে একধরনের পোড়াভাবও তৈরি করে।

ডিওডোরেন্ট স্টিক দিয়ে ম্যাট প্রাইমার: ঘাম রোধক ডিও স্টিকে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ঘাম কমায় এবং সিবাম বা ত্বকের স্বাভাবিক তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে এই স্টিক ম্যাট প্রাইমার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক লালচে হয়ে যেতে পারে, দাগ ও অস্বস্তির সৃষ্টি করে এবং ত্বকের ক্ষতিও হতে পারে।

মেইকআপ বসাতে ‘হেয়ার স্প্রে’: চুলের জন্য উপযোগী বলেই এর নাম ‘হেয়ার স্প্রে’। মুখের জন্য নয়। তাই মুখে মেইকআপ বসানোর স্প্রে বা ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার ব্যবহার করুন। হেয়ার স্প্রে ব্যবহারে ত্বকে কেবল অস্বস্তি হয় না বরং এটা ত্বককে শুষ্ক করে ফেলে এবং সতেজ ভাব নষ্ট করে।

ফেইশলের জন্য লেবু নয়: লেবুর রস মুখে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চোখ মুখ কুচকে যায় তাহলে ভেবে দেখুন এতে ত্বকে কেমন প্রতিক্রিয়া করতে পারে। লেবুর রস ব্যবহারে ত্বক পুড়ে যেতে পারে, কারণ এতে আছে অ্যাসিডিক উপাদান। ফলাফল হিসেবে ত্বক রোদে অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং ত্বকে কালচেভাব এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ছবি: রয়টার্স।

আরও পড়ুন

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক