খবর > কিডজ > বায়স্কোপ
  • অ্যান্টেনা ঘুরিয়ে ‘ঝিরঝির’ টেলিভিশন দেখার স্মৃতি
    নিয়ম করে টিভি দেখা হতো না কতদিন! লক ডাউনে বাধ্যতামূলক বাসাবন্দি হওয়ার কারণে যখন দিন-রাতে কয়েক বেলা টিভি দেখাটা অভ্যাসে রূপ নিতে শুরু করেছে তখন খুব করে মনে পড়ছে ফেলে আসা নব্বইয়ের দশক আর আমাদের প্রজন্মের টেলিভিশন-নির্ভর জীবন।
  • লকডাউনে বাসায় বসে দেখার মতো ৯টি চলচ্চিত্র
    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে স্কুল এখন ছুটি। এ দিনগুলোতে ঘরে বসে নানা সৃজনশীল কাজ করা যায়। সময় কাটাতে একটা উপায় হলো দেশ বিদেশের ভালো কিছু চলচ্চিত্র দেখে ফেলা। এমনই কিছু চলচ্চিত্রের খোঁজ আজ দেওয়া হলো যেগুলো পুনর্বার দেখা যেতে পারে। 
  • উড়ন্ত হাতির কাহিনী ‘ডাম্বো’
    মাকে হারিয়ে এক ছোট্ট হাতির ছানা এসে পড়ে এক সার্কাসের দলে। তার নাম দেওয়া হয় ‘ডাম্বো’। ডাম্বোর কান দুটো ছিলো অনেক বড়, এটা নিয়ে সবাই হাসাহাসি করতো।
  • হৃদয়স্পর্শী চলচ্চিত্র: জোনাকির কবর
    ১৬ মার্চ ১৯৪৫, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। জাপানের ষষ্ঠ বৃহত্তম শহর কোবের আকাশে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বি-২৯ বিমান। বিমান হামলার আঁচ পেয়ে সাইরেন বাজছে শহরে। কোবেতে সেই সময় জনসংখ্যা ছিলো প্রায় ১০ লাখ, তারা আতঙ্কগ্রস্ত পড়ে পড়লো।
  • এক শিশুর লেখক হওয়ার গল্প: হুইসপার অব দ্য হার্ট
    ১৪ বছর বয়সী এক বইপোকা কিশোরীর গল্প এটি। কিশোরীর নাম ‘শিজুকু সুকিশিমা’, সে খালি কল্পনা করতে ভালোবাসে, লেখক হতে চায়।
  • চার্লি চ্যাপলিনের ‘দ্য কিড’
    এক গরিব নারী কোলে সদ্যজাত শিশু নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এলেন। গির্জার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি দেখলেন একটা সুন্দর সাজানো গাড়ি।
  • সবজি বাগানে পিটার র‍্যাবিটের ঝগড়া
    যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও প্রকৃতিবিজ্ঞানী বিয়েট্রিক্স পটারের (১৮৬৬-১৯৪৩) লেখা গল্প ‘দ্যা টেইল অব পিটার র‍্যাবিট’। এ বই অবলম্বনে আসছে শিশুদের চলচ্চিত্র ‘রাস্কেল রেবেল র‍্যাবিট’।
  • হাসির মুভি ‘ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্টস’
    জর্জ বেয়ার্ড ও হ্যারল্ড হাচিন্স, স্কুলে তাদের পড়াশোনার অনেক চাপ। কিন্তু তারা মনে করে পড়াশোনা কেবল ক্লাসেই হয় না, তার বাইরেও হতে পারে।
  • মাকড়ি
    হিন্দি মাকড়ি অর্থ মাকড়শা। এই গল্পে মাকড়ি একজন ডাইনীর নাম। পুরো গল্প আবর্তিত হয় এই ডাইনীকে ঘিরে তবে এই গল্পের নায়িকা ভীষণ দুষ্টু আর মজার মেয়ে চুন্নি। চুন্নিরা দুই যমজ বোন চুন্নি আর মুন্নি। থাকে ভারতের একটি গ্রামে দাদী ও বাবার সঙ্গে। ওদের মা নেই।
  • হেইডি
    মেয়েটির নাম হেইডি। ছোট, চঞ্চল, ঠিক যেন একটা ছোট্ট চড়ুই পাখি। সারাদিন খিলখিল হাসি আর আনন্দ করার এ মেয়েটিকে দেখলে কারও বোঝার উপায়ই নেই ওর জীবনে কী হয়েছে। হেইডি যদিও বয়সে খুব ছোট তবু ওর বাবা মা কেউ নেই। হেইডি থাকে ওর খালা ডেটের সঙ্গে। তবে এই জীবনও খুব স্থায়ী নয়। হেইডির খালা যাবেন শহরে কাজের সূত্রে, হেইডিকে সেখানে দেখার কেউ নেই। হেইডির একমাত্র আত্মীয় হেইডির দাদা অল্পহি। যেমন কটমটে তার নেম তেমনিই একটা মানুষও তিনি।
  • মোয়ানা
    মেয়েটির নাম মোয়ানা। বাড়ি মোটুনুই। মোটুনুই একটি দ্বীপ, প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে। অসম্ভব সুন্দর এই দ্বীপে সব আছে, ফলফলারি, খাদ্য, শস্য, মাছ। সব কিছু মিলিয়ে দারুণ প্রাচুর্যের একটা দ্বীপ মোটুনুই। সেই দীপের মানুষদের রাজা হলেন মোয়ানার বাবা, টুই, লোকে তাকে ডাকে চিফ টুই। দ্বীপে আরও আছে মোয়ানার মা, মোয়ানার গল্পবাজ দাদী তালা, মোয়ানার শুকর কুয়া আর চোখে উল্টাপাল্ট দেখা মোরগ হেইহেই।
  • বিগ ফ্রেন্ডলি জায়েন্ট (বিএফজি)
    মেয়েটির নাম সোফি। বয়স দশ বছর। এ বয়সের বাচ্চা মেয়েদের জীবন যেমন হাসি, আনন্দে ভরপুর হয়, সোফির জীবনটা সেরকম নয়। সোফির জীবনটা বেশ কষ্টের আর বঞ্চনার। এর কারণ সোফির যে বাবা মা নেই। তাই এত আদর ভালোবাসা দেওয়ার লোকও নেই। সোফি থাকে লন্ডনে একটা অনাথ আশ্রমে। সে আশ্রমে সব কিছুতেই খুব কড়াকড়ি আর নিয়ম ভাঙ্গলে আর আস্ত রাখে না কেউ।
  • মাতিলদা
    আমরা ছোটবেলা  থেকে শিখি বাবা মায়ের কথা শুনতে হয়, তারা যেভাবে যা বলেন তা মেনে চলতে হয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বাবা মা যদি ভুল হয় তখন কী করা যায়?
  • স্পিরিটেড আওয়ে
    লোকটার নাম হায়াও মিয়াজাকি। তার স্টুডিওর নাম গিবলি। স্পিরিটেড সিনেমায় অবশ্য তিনি কোনো চরিত্র নন। তিনি হলেন এই সিনেমার স্রষ্টা। অ্যানিমেটেড মুভির জগতের সম্রাট বলা যায় তাকে। যখনই কোনো সিনেমা তৈরি করেন তখনই একদম জাদু মন্ত্রে সবাইকে মুগ্ধ করে রাখেন। তার ঝুলিতে অনেক অনেক মনোমুগ্ধকর সিনেমা আছে তবে স্পিরিটেড আওয়ে একদম সবার থেকে আলাদা এবং অনন্যও।
  • বিগ হিরো সিক্স
    ছেলেটার নাম হিরো হামাড। বয়স ১৪। খুব দুরন্ত আর ভীষণ বুদ্ধিমান। চমৎকার তার রোবটিক্স জ্ঞান। হ্যাঁ সত্যিই বলছি ১৪ বছরের এই ছেলেটি একটি রোবটিক্স জিনিয়াস। তবে তার রোবটিক্সের বুদ্ধি ব্যয় হয় আজব সব গুণ্ডাপাণ্ডাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।
  • কুংফু পান্ডা-৩
    বারুদ রাজ শ্যাং এর সঙ্গে যুদ্ধে জিতে গিয়ে, পিস ভ্যালির লোকজনের আদরে আহ্লাদে, বাবা মিঃ পিং এর দোকানের নুডলস খেয়ে– ডাকাতদের সঙ্গে যুদ্ধ করে ফিউরিয়াস ফাইভের সঙ্গে পু-এর তোফা দিন কাটছিল।
  • কিকি’স ডেলিভারি সার্ভিস
    মেয়েটির নাম কিকি। তোমাদের থেকে অল্প বড়। মাত্র তের বছর বয়স। তবে কিকি কিন্তু একটা অনন্য শক্তিরও অধিকারী। কিকি একজন জাদুকর। সে যে তোমরা মিছেমিছি ফাঁকি দাওয়ার জাদু দেখাও সে জাদু নয় কিন্তু। একদম সত্যিকারী জাদু। যে জাদু জানলে কাউকে উইচ বলা যায়।
  • দ্যা সিক্রেট ওয়ার্ল্ড অফ অ্যারিয়ারটি
    প্রতিদিন আমাদের বাসা থেকে কত কিছুই না হারিয়ে যায়। কখনও ভেবে দেখেছো কি জিনিসগুলো কোথায় যায়? আচ্ছা জিনিসগুলোর তো আর হাত-পা নেই। নিশ্চয়ই কেউ না কেউ সেগুলো নিয়ে যায়, কিন্তু তারা কারা?
  • চিলড্রেন অফ হেভেন
    আলি এবং জারা দুই ভাই-বোন। বাস করে দক্ষিণ তেহরানের দরিদ্র এক এলাকায়। ওরা যে শুধু দরিদ্র এলাকায় বাস করে তাই নয়। ওরা নিজেরাও খুবই গরীব। প্রায় পাঁচ মাস ধরে ওদের বাড়িভাড়া বাকি পড়ে আছে। বাড়িওয়ালা প্রায়ই বাড়িতে এসে টাকার তাগাদা দিয়ে যান। মুদি দোকানেও কিছু টাকা পায়। ওদের বাবা-মাও বেশ খারাপ অবস্থায় আছেন। ওদের বাবাও নতুন কাজের সন্ধানে বেশ বিমর্ষ। এমন অবস্থায় ওরা দুই ভাই-বোন একটা অঘটন ঘটিয়ে ফেলে।
  • হাও টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন-টু
    আচ্ছা, তোমাদের বার্ক গ্রামের ভাইকিংসদের কথা মনে আছে কি? সেই যে, ড্রাগনের পিঠে চড়ে হিকাপ নামের ছেলেটার উড়ে বেড়ানোর কথা?
  • অ্যাপ রিভিউ: ম্যাথ ট্রিকস
    আজ তোমাদের জন্যে থাকছে বেশ কাজের একটা অ্যাপের খোঁজ।তুমি এখন শিক্ষাজীবনের যে পর্যায়েই থাকো না কেন, এ জীবনের বড় একটা সময় জুড়ে থাকে গণিত। লেখাপড়ার বাইরেও আমাদের ব্যবহারিক জীবনের অসংখ্য ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত থাকে এর ব্যবহার। তাই মুখে মুখে গণিতের কঠিন সব হিসাব করার কিছু কৌশল জানা থাকলে মন্দ হয় না-কী বলো?
  • হাও টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন
    তোমরা কি ড্রাগন চেনো? টিভির পর্দায় আর কার্টুনে তো কখনও না কখনও ড্রাগন দেখেই থাকবে। তবে অনেকেই বলে থাকে, বাস্তবে ড্রাগন নামে কোনো প্রাণী নেই। এটি একটি কাল্পনিক প্রাণী। বিশাল আকারের এই ভয়ঙ্কর প্রাণীগুলো তাদের বিরাট পাখা ছড়িয়ে উড়ে বেড়ায় আর এদের মুখ থেকে বের হয় প্রচণ্ড আগুন।
  • ব্রেভ
    মেরিডা কে চেনো? সেই যে লাল চুলের সাহসী রাজকন্যা, যে ভালোবাসে পাহাড় চড়তে, ঘোড়ার পিঠে চড়ে বনের মধ্যে ঘুরে বেড়াতে, বাবার রাজ্যের বাজারে গিয়ে হইচই করতে আর তীর-ধনুকের খেলা দেখাতে? আজকে তোমাদের সেই রাজকন্যা মেরিডার গল্প বলবো।
  • ছবি : ফাইন্ডিং নিমো
    পরিচালক : অ্যান্ড্রু স্ট্যান্টন, লি উনরিচ ধরন : এনিমেশন/ অ্যাডভেঞ্চার ভাষা : ইংরেজি প্রকাশ : ২০০৩ প্রযোজনা : ওয়াল্ট ডিজনি, পিক্সার এনিমেশন
  • মহাকাশ বিজয়ের সিনেমা
    ছবি: স্টার ডগস বেলকা অ্যান্ড স্ট্রেলকা পরিচালক: ইনা এভলানিকোভা এবং ভাতস্লাভ উশাকভ ধরন: অ্যানিমেশন, অ্যাডভেঞ্চার, কমেডি ভাষা: রাশান দৈর্ঘ্য: ৮৫ মিনিট প্রকাশ: ২০১০ প্রযোজনা: সের্গেই যারনভ কাহিনি সংক্ষেপ: