খবর > কিডজ > ফ্যান্টাস্টিক সায়েন্টিস্ট

  • মানুষ কেন কাঁদে?

    মানুষ কেন কাঁদে? আমরা ভাবি, মানুষ কেবল দুঃখ পেলেই কাঁদে।

  • আকাশের ওজন কতো?

    আকাশের ওজন কতো? পৃথিবী যে এতো সুন্দর, তার অন্যতম কারণ হলো আকাশ।

  • শূন্য যেভাবে 0 হলো

    শূন্য যেভাবে 0 হলো ‘কিছুই নয়’ বোঝাতে শূন্য শব্দটা ব্যবহার করা হয়। গণিতে শূন্যের রয়েছে নানা রকমের প্রয়োগ।

  • গোলাপফুলে রংধনু

    গোলাপফুলে রংধনু গোলাপফুলের রঙ কী হয়? লাল, সাদা, গোলাপি বা হলুদ। কিছু জায়গায় কালো বা নীল রঙের গোলাপের কথাও শোনা যায়। তবে সেগুলো দেখা পাওয়া বেশ বিরল।

  • মহাকাশে কাঁদতে নেই

    মহাকাশে কাঁদতে নেই মহাকাশে অর্থাৎ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে এবং পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বেশ দূরে সব বিষয় অনেক বেশি গোলমেলে। সেখানে মানুষ মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। স্বাভাবিকভাবে বাতাসে শ্বাস নিতে পারে না এরকম অনেক অনেক বিষয় যা মানুষকে নিজ জীবন থেকে অনেকটা সরিয়ে দেয়।

  • বোতল বেলুনের ফোয়ারা

    বোতল বেলুনের ফোয়ারা পদার্থের সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্যের অন্যতম হচ্ছে। পদার্থ স্থান দখল করে। এখন সে পদার্থটি কঠিন তরল বা বায়বীয় যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, তা স্থান অবশ্যই দখল করবে। এই সহজ তথ্যটি আমরা মজার একটা পরীক্ষা দিয়ে নিশ্চিত হতে পারি।

  • বাতাস ছাড়াই আগুন নেভাই

    বাতাস ছাড়াই আগুন নেভাই আচ্ছা আগুন নেভাতে কী কী লাগে? পানি, বাতাস, বালি, কার্বন ডাই অক্সাইড। কার্বন ডাই অক্সাইড একটি গ্যাস এটা নিজে জ্বলে না আর আগুনকেও জ্বলতে সাহায্য করে না। বাতাস আগুন নিভিও দিতে পারে আবার বাড়িয়েও দিতে পারে। এটা নির্ভর করবে বাতাসে কতটা অক্সিজেন আছে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে তার উপরে।  বাতাসে যদি অক্সিজেনের ঘনত্ব বেশি থাকে তাহলে আগুন বেড়ে যায় আর যদি কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব বেশি থাকে তবে আগুন নিভে যায়।

  • বুদবুদ হবে আজ্ঞাবহ

    বুদবুদ হবে আজ্ঞাবহ স্থির বিদ্যুতের একটা দারুণ শক্তি আছে সেটা আমরা জানি কি? স্থির বিদ্যুৎ’র ঋণাত্মক চার্জ থাকে যা কোনো বস্তুকে তার দিকে আকর্ষণ করোতে পারে।

  • জাদুর কল

    জাদুর কল এমন একটা কল আমরা প্রায়ই দেখি যেটা থেকে অনবরত পানি আসছে তবে কলটির নেই কোনো পাইপ, নেই কোনো দাঁড়িয়ে থাকার সহায়ক স্তম্ভও তারপরেও সেই কলটি দিব্যি দাঁড়িয়েও থাকে আবার কে জানে কোথা থেকে সারাক্ষণ পানিও ফেলছে। এটা কি কোনো জাদু নাকি চোখের ভেলকি?

  • আগুন জ্বলে পানির নিচে

    আগুন জ্বলে পানির নিচে আগুন আর পানির সম্পর্ক অনেকটা সাপ আর নেউলে মতো, অথবা বলতে পারো, আদায় কাঁচকলায়, তবে যে নামেই ডাকো না কেন পানি আগুনের ঘোর শত্রু। পানি ঢাললেই আগুন নাই।

  • বেলুনের ভিতরে কয়েন

    বেলুনের ভিতরে কয়েন আমরা যে বাতাস দিয়ে বেলুনকে ফোলাই, সেই বেলুনের ভিতরে বাতাসের কী হয় সেটা কি আমরা কখনও ভেবে দেখেছি? চলো আজ সেই বাতাস নিয়ে মজার কিছু করি

  • অভিকর্ষজ বল মুক্ত পেরেক

    অভিকর্ষজ বল মুক্ত পেরেক আমরা আজকে একটা পেরেককে অভিকর্ষজ বল মুক্ত করে ফেলব। আমরা যারা ছোট এখনও জানি না অভিকর্ষজ বল কী তাদের প্রথমে জানতে হবে অভিকর্ষজ বল কী। যে কোন বস্তুর সঙ্গে পৃথিবীর আকর্ষণ বলের নাম অভিকর্ষজ বল। এই বলের কারণেই মুক্তভাবে কোনো বস্তুকে উপরে থেকে ছেড়ে দিলে কোনো প্রকার ঠেলা ধাক্কা ছাড়াই টুপ করে মাটিতে পরে যায়।

  • বেলুনের আজ্ঞাবাহী

    বেলুনের আজ্ঞাবাহী আচ্ছা এমন যদি হয়, পানির ধারাকে না ছুয়েই ডানে বামে সড়িয়ে দেওয়া যায় তাহলে কেমন হবে? ভাবছো যে এটা কীভাবে সম্ভব? আরে খুবই সম্ভব। শুধু জানা দরকার একটু বিজ্ঞান।

  • দলের বল

    দলের বল একটা প্রবাদ আমরা প্রায় সবাই জানি, “দশের লাঠি একের বোঝা”। এই প্রবাদের অর্থ হলো, একজনের জন্য যেটা অনেক কষ্টসাধ্য ভারি দশজন মিলে করলে তা খুবই সহজ। এ তো গেল বাংলা প্রবাদ, আজকে আমরা এই বাংলা প্রবাদকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করে দিব। হুহ, বিজ্ঞান দিয়ে সবই প্রমাণ করা যায় আজ এটা সবাইকে মানতেই হবে।

  • প্লেট ভাসে বাতাসে

    প্লেট ভাসে বাতাসে আমরা আজকে মজার একটা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করবো। পরীক্ষাটি হলো স্থির বিদ্যুতের তবে এর ফলাফল খুবই মজার। স্থির বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আমরা একটা প্লেটকে বাতাসে ভাসিয়ে রাখতে পারবো।

  • কমলা ডুবে কমলা ভাসে

    কমলা ডুবে কমলা ভাসে মাঝে মাঝে আমাদের সামনে অদ্ভুত অদ্ভুত প্রশ্ন চলে আসে। যেমন পানি যদি একটা আপেল ফেলা হয় তবে আপেলটা ডুবে যায় আবার একই সমান ভরের একটা কমলা পানিতে কীভাবে ভাসে! তার থেকেও বড় কথা কমলা এমনিতে তো কমলা পানিতে ভাসে, তবে খোসা ছাড়িয়ে সেই কমলাটা পানিতে ফেললে সেটা টুপ করে ডুবে যায়, কেন?

  • প্যারাসুট যেভাবে কাজ করে

    প্যারাসুট যেভাবে কাজ করে এই তো সেদিনই বিজয় দিবস গেল। বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে তোমরা নিশ্চয়ই দেখেছো প্যারাসুটে করে প্লেন থেকে বিমানবাহিনীর সৈনিকরা কী সুন্দর করে নেমে আসছেন। আর এই প্যারাসুট থাকার কারণেই অত উপর থেকে লাফ দেওয়ার পরেও তাদের শরীরে একটা আঁচড়ের দাগও পরছে না।

  • আচারের কষ্টি বিচার

    আচারের কষ্টি বিচার আচার বলতে আমরা কী বুঝি? খিচুরির বা ভাতের সাথে খাওয়ার জন্য টক ঝাল মিষ্টি ফল বা সবজি যেটাকে মৌসুমের শুরুতেই মা, দাদী, নানু বা অন্য কেউ বেশ করে কুটে বেছে রোদে শুকিয়ে তেল মশলা দিয়ে তুলে রেখেছে সারা বছর খাওয়ার জন্য তাই তো? 

  • আকাশ কেন নীল?

    আকাশ কেন নীল? আমরা আজন্ম দেখে এসেছি আকাশের রঙ নীল। রাত হলে একটু গাঢ় নীল প্রায় কালো, কিন্তু দিনের বেলায় নীল। আকাশের এই নীলটা এতই সত্য যে নীলকে কেউ আকাশী রঙও বলে থাকে।

  • পানি জমিয়ে ফেলার ম্যাজিক

    পানি জমিয়ে ফেলার ম্যাজিক আচ্ছা তোমরা কি জানো ম্যাজিক বলে আসলে পৃথিবীতে কিছু নেই। ম্যাজিক বলতে আমরা যা দেখি তা সব হয় বিজ্ঞানের কোনো কৌশল অথবা চোখের ফাঁকি।

  • বেলুন দিয়ে বানানো ঝর্ণা

    বেলুন দিয়ে বানানো ঝর্ণা মনে করো তুমি এখন ঘরে বসে আছো। তোমার তেমন কোন কাজ নেই। পড়ালেখা আজকের মতো হয়ে গেছে। বাসায় যা খেলনা আছে আর খেলতেও ভালো লাগছে না। বাইরে ঘুরতে যাওয়ারও আপাতত সুযোগ নেই। পড়ার মতো গল্পের বইও নেই। কী করা যায় বলতো? এটাই তাহলে উপযুক্ত সময় কিছু বৈজ্ঞানিক প্রোজেক্ট বানানোর।

  • শিখা নিভে যায় নিজে থেকে

    শিখা নিভে যায় নিজে থেকে তোমরা কি জানো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটি কী? পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটি হচ্ছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান দিয়ে অনেক অসাধ্য সাধন করে ফেলা যায়। কেউ যদি বিজ্ঞান না জানে তার জন্য বিষয়টি বিশাল একটি ম্যাজিক আর যে বিজ্ঞান জানে তার জন্য বিষয়টি আরও অনেক মজার। কেননা রহস্যের চেয়ে রহস্যভেদেই আনন্দ বেশি।

  • কোথায় পাবো মানটি?

    কোথায় পাবো মানটি? উপরের ছবিতে কতগুলো মান দেওয়া আছে। একটি সংখ্যাকে আরেকটি সংখ্যার সমান বলা হচ্ছে এবং সর্বশেষ সংখ্যাটির সমান সংখ্যাটি কী হবে তা অনুমান করতে বলা হয়েছে।

  • হারিয়ে যাওয়া বিকার

    হারিয়ে যাওয়া বিকার ম্যাজিক আমরা সবাই ভালোবাসি।  তবে, ম্যাজিকের থেকেও বেশি বিস্ময়কর কী জানো? বিজ্ঞান। অনেক  ম্যাজিক আসলে বিজ্ঞানের ভগ্নাংশেরই পরিবেশন। আজকে আমরা তেমন একটি দৃষ্টিভ্রম বা visual Illusion নিয়ে একটি ছোট্ট পরীক্ষা চালাবো।

  • Pareidolia: নিজের মতো দেখতে পাওয়ার ক্ষমতা

    Pareidolia: নিজের মতো দেখতে পাওয়ার ক্ষমতা তোমরা কখনও ঘোড়ার মতো মেঘ দেখেছো? অনেকক্ষণ আকাশে মেঘ দেখতে থাকলে শুধু ঘোড়ার মতো না আরও অনেক রকমের মেঘই তোমরা দেখতে পাবে। চাঁদের দিকে তাকালে দেখবে একটা বুড়ো মহিলার মুখ দেখা যায়। কেউ কেউ বলে চাদের দিকে তাকালে দেখা যায় একজন মহিলা বসে চরকা কাটছে। কিন্তু আসলেই কি এমন কিছু হয়? সত্যিই কী মেঘ ঘুরে ঘুরে পৃথিবীর বস্তুর আঁকার আকৃতি ধারণ করে?