খবর > কিডজ > ফ্যান্টাস্টিক সায়েন্টিস্ট

  • বিজ্ঞান শিখি: টিস্যু পেপার যখন ছেঁড়া যায় না

    বিজ্ঞান শিখি: টিস্যু পেপার যখন ছেঁড়া যায় না টিস্যু পেপার । সাধারণ ন্যাপকিন হিসেবে ব্যবহৃত এই কাগজ এতো বেশি নমনীয়ভাবে তৈরি হয়ে থাকে যে অল্পতেই ছিঁড়ে যায়। কিন্তু টিস্যু পেপারের উপর শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে চাপ প্রয়োগ করেও যদি ছিঁড়তে না পারো তখন চোখ কপালে উঠে আসে। আশ্চর্য হতে হয়।

  • বিজ্ঞান শিখি: আধুলিকে টাকা বানানো

    বিজ্ঞান শিখি: আধুলিকে টাকা বানানো আধুলিকে টাকায় পরিণত করে দেখানো, পয়সাকে ডবল পয়সা বানিয়ে বা সিকিকে আধুলি বানিয়ে দেখানোর মতো অবাক করার এ খেলাটি খুবই কৌতূহল উদ্দীপক এবং জনপ্রিয়ও বটে।

  • বিজ্ঞান শেখা: হাতে বানাও থার্মোমিটার

    বিজ্ঞান শেখা: হাতে বানাও থার্মোমিটার যে কোন মাপের একটি স্বচ্ছ কাচ অথবা প্লাস্টিকের বোতল নাও। বোতলের মুখ পর্যন্ত কানায় কানায় পানি ভরে তাতে কিছু জল রঙ ঢেলে দাও। দেখবে বোতলের সব পানি রঙিন হয়ে গেছে।

  • বিজ্ঞান শেখা: টিপসইয়ে মানুষ চেনার উপায়

    বিজ্ঞান শেখা: টিপসইয়ে মানুষ চেনার উপায় স্বাক্ষর জানলেই কি টিপসইয়ের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়? না। যায় না। দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত ও অগ্রসর দেশ থেকে শুরু করে সব দেশেই টিপসইয়ের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে এবং উন্নত হচ্ছে।

  • বিজ্ঞান শেখা: কাগজের চুম্বক

    বিজ্ঞান শেখা: কাগজের চুম্বক শুধু লোহা নয়, সত্যি সত্যি কাগজেরও চুম্বক হয়। শুনতে ভারি অদ্ভুত লাগলেও এই কাগজের চুম্বক তুমি নিজ হাতে বানিয়ে অবাক করে দিতে পারো দর্শকদের।

  • বিনে পয়সার টেলিফোন

    বিনে পয়সার টেলিফোন আজকাল  মোবাইল টেলিফোনে কথা বললে মিনিটে মিনিটে যে বিল উঠে তাতে দু-এক দণ্ড কথা বলাও মুশকিল। কথা বলার সময় টাকা খোয়ানোর চিন্তা মাথায় এলে কথা বলে কি সুখ আছে? বিনে পয়সার ফোন তো এজন্যেই দরকার।

  • একটি সফল গোলের বৈজ্ঞানিক রহস্য

    একটি সফল গোলের বৈজ্ঞানিক রহস্য আমাদের মেসে ইমদাদ হক ফুটবল খেলোয়াড়, হাতে পায়ে মুখে শত আঘাতের ক্ষতে খ্যাতি লেখা তার। সন্ধ্যা বেলায় দেখিবে তাহারে পটি বাঁধি পায়ে হাতে, মালিশ মাখিছে প্রতি গিঠে গিঠে কাত হয়ে বিছানাতে।

  • সূর্য তোমার আসল রঙটা কী?

    সূর্য তোমার আসল রঙটা কী? কাউকে যদি সূর্য আঁকতে বলা হয় দেখা যাবে সূর্যের গোল চাকতি বা সূর্যের আলো সে এঁকেছে হলুদ রঙ দিয়ে, কেউ দেবে লাল রঙ, কেউ ম্যাজেন্টা। কেউ নিশ্চয়ই বেগুনি, নীল, সাদা বা সবুজ রঙ দেবে না।

  • মেঘ কতো প্রকার ও কী কী

    মেঘ কতো প্রকার ও কী কী প্রাচীন ভারতীয় কবি কালিদাস মেঘ নিয়ে লিখেছেন ‘মেঘদূত’ কাব্য। সেখানে তিনি মেঘকে ডেকেছেন বিভিন্ন নামে। বাংলা ভাষায়ও মেঘের রয়েছে বিভিন্ন নাম- জীমূত, ঘন, বারিবাহ, নীরদ, জলধর, কাদম্বিনী, সংবর্তক, জলদ, বারিদ, পয়োদ, অভ্র, পর্জন্য, পয়োমূক ও বারিবাহন ইত্যাদি।

  • সূর্য পুড়বে আর কতোকাল?

    সূর্য পুড়বে আর কতোকাল? সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত একটি তারা হলো সূর্য। প্রায় পুরো গোল এ তারা প্রধানত প্লাজমা ও আয়নিত পদার্থ দিয়ে তৈরি। সূর্য পৃষ্ঠে তাপমাত্রা হলো প্রায় ১০ হাজার তিনশ চল্লিশ ড্রিগ্রি ফারেনহাইট বা ৫ হাজার সাতশ ছাব্বিশ ড্রিগ্রি সেলসিয়াস।

  • শীতকালে কেন শীত লাগে?

    শীতকালে কেন শীত লাগে? আচ্ছা, শীতকালেই কেন শীত লাগবে আর গ্রীষ্মকালে গরম? মনে হতে পারে এটা আবার কেমন প্রশ্ন, এর উত্তর তো সোজা!

  • মানুষ কেন কাঁদে?

    মানুষ কেন কাঁদে? আমরা ভাবি, মানুষ কেবল দুঃখ পেলেই কাঁদে।

  • আকাশের ওজন কতো?

    আকাশের ওজন কতো? পৃথিবী যে এতো সুন্দর, তার অন্যতম কারণ হলো আকাশ।

  • শূন্য যেভাবে 0 হলো

    শূন্য যেভাবে 0 হলো ‘কিছুই নয়’ বোঝাতে শূন্য শব্দটা ব্যবহার করা হয়। গণিতে শূন্যের রয়েছে নানা রকমের প্রয়োগ।

  • গোলাপফুলে রংধনু

    গোলাপফুলে রংধনু গোলাপফুলের রঙ কী হয়? লাল, সাদা, গোলাপি বা হলুদ। কিছু জায়গায় কালো বা নীল রঙের গোলাপের কথাও শোনা যায়। তবে সেগুলো দেখা পাওয়া বেশ বিরল।

  • মহাকাশে কাঁদতে নেই

    মহাকাশে কাঁদতে নেই মহাকাশে অর্থাৎ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে এবং পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বেশ দূরে সব বিষয় অনেক বেশি গোলমেলে। সেখানে মানুষ মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। স্বাভাবিকভাবে বাতাসে শ্বাস নিতে পারে না এরকম অনেক অনেক বিষয় যা মানুষকে নিজ জীবন থেকে অনেকটা সরিয়ে দেয়।

  • বোতল বেলুনের ফোয়ারা

    বোতল বেলুনের ফোয়ারা পদার্থের সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্যের অন্যতম হচ্ছে। পদার্থ স্থান দখল করে। এখন সে পদার্থটি কঠিন তরল বা বায়বীয় যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, তা স্থান অবশ্যই দখল করবে। এই সহজ তথ্যটি আমরা মজার একটা পরীক্ষা দিয়ে নিশ্চিত হতে পারি।

  • বাতাস ছাড়াই আগুন নেভাই

    বাতাস ছাড়াই আগুন নেভাই আচ্ছা আগুন নেভাতে কী কী লাগে? পানি, বাতাস, বালি, কার্বন ডাই অক্সাইড। কার্বন ডাই অক্সাইড একটি গ্যাস এটা নিজে জ্বলে না আর আগুনকেও জ্বলতে সাহায্য করে না। বাতাস আগুন নিভিও দিতে পারে আবার বাড়িয়েও দিতে পারে। এটা নির্ভর করবে বাতাসে কতটা অক্সিজেন আছে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে তার উপরে।  বাতাসে যদি অক্সিজেনের ঘনত্ব বেশি থাকে তাহলে আগুন বেড়ে যায় আর যদি কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব বেশি থাকে তবে আগুন নিভে যায়।

  • বুদবুদ হবে আজ্ঞাবহ

    বুদবুদ হবে আজ্ঞাবহ স্থির বিদ্যুতের একটা দারুণ শক্তি আছে সেটা আমরা জানি কি? স্থির বিদ্যুৎ’র ঋণাত্মক চার্জ থাকে যা কোনো বস্তুকে তার দিকে আকর্ষণ করোতে পারে।

  • জাদুর কল

    জাদুর কল এমন একটা কল আমরা প্রায়ই দেখি যেটা থেকে অনবরত পানি আসছে তবে কলটির নেই কোনো পাইপ, নেই কোনো দাঁড়িয়ে থাকার সহায়ক স্তম্ভও তারপরেও সেই কলটি দিব্যি দাঁড়িয়েও থাকে আবার কে জানে কোথা থেকে সারাক্ষণ পানিও ফেলছে। এটা কি কোনো জাদু নাকি চোখের ভেলকি?

  • আগুন জ্বলে পানির নিচে

    আগুন জ্বলে পানির নিচে আগুন আর পানির সম্পর্ক অনেকটা সাপ আর নেউলে মতো, অথবা বলতে পারো, আদায় কাঁচকলায়, তবে যে নামেই ডাকো না কেন পানি আগুনের ঘোর শত্রু। পানি ঢাললেই আগুন নাই।

  • বেলুনের ভিতরে কয়েন

    বেলুনের ভিতরে কয়েন আমরা যে বাতাস দিয়ে বেলুনকে ফোলাই, সেই বেলুনের ভিতরে বাতাসের কী হয় সেটা কি আমরা কখনও ভেবে দেখেছি? চলো আজ সেই বাতাস নিয়ে মজার কিছু করি

  • অভিকর্ষজ বল মুক্ত পেরেক

    অভিকর্ষজ বল মুক্ত পেরেক আমরা আজকে একটা পেরেককে অভিকর্ষজ বল মুক্ত করে ফেলব। আমরা যারা ছোট এখনও জানি না অভিকর্ষজ বল কী তাদের প্রথমে জানতে হবে অভিকর্ষজ বল কী। যে কোন বস্তুর সঙ্গে পৃথিবীর আকর্ষণ বলের নাম অভিকর্ষজ বল। এই বলের কারণেই মুক্তভাবে কোনো বস্তুকে উপরে থেকে ছেড়ে দিলে কোনো প্রকার ঠেলা ধাক্কা ছাড়াই টুপ করে মাটিতে পরে যায়।

  • বেলুনের আজ্ঞাবাহী

    বেলুনের আজ্ঞাবাহী আচ্ছা এমন যদি হয়, পানির ধারাকে না ছুয়েই ডানে বামে সড়িয়ে দেওয়া যায় তাহলে কেমন হবে? ভাবছো যে এটা কীভাবে সম্ভব? আরে খুবই সম্ভব। শুধু জানা দরকার একটু বিজ্ঞান।

  • দলের বল

    দলের বল একটা প্রবাদ আমরা প্রায় সবাই জানি, “দশের লাঠি একের বোঝা”। এই প্রবাদের অর্থ হলো, একজনের জন্য যেটা অনেক কষ্টসাধ্য ভারি দশজন মিলে করলে তা খুবই সহজ। এ তো গেল বাংলা প্রবাদ, আজকে আমরা এই বাংলা প্রবাদকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করে দিব। হুহ, বিজ্ঞান দিয়ে সবই প্রমাণ করা যায় আজ এটা সবাইকে মানতেই হবে।