খবর > কিডজ > ফ্যান্টাস্টিক সায়েন্টিস্ট
  • ফেলনা দিয়ে তৈরি প্যারাসুট ও যুদ্ধ ট্যাংক
    করোনাভাইরাসের প্রকোপে স্কুল বন্ধের অবসরে একটানা এতোদিন ঘরে বসে থাকতে কার ভালো লাগে। এসময় হাতের কাছে থাকা টুকিটাকি জিনিস দিয়ে যদি কিছু একটা বানানো যায়, তাহলে তো ভারি মজা হয়, তাই না!
  • ঘরেই বানানো যাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
    প্রায় এক যুগ আগের কথা। তখন সবসময় বিদ্যুৎ থাকতো না। সন্ধ্যায় পড়তে বসতে হতো মোমবাতি জ্বালিয়ে, প্রায় সারাক্ষণ লোডশেডিং হতো। কিন্তু এখন সে পরিস্থিতি নেই।
  • নতুন টাইটানিক ভাসবে বালতির পানিতে
    টাইটানিক। গ্রিক পুরাণের শক্তিশালী দেবতা টাইটানের নামানুসারে জাহাজের নাম রাখা হয় ‘টাইটানিক’। তৎকালীন সবচেয়ে বড় ও বিলাসী যাত্রীবাহী জাহাজ ছিল ওটা।
  • টোকা দিলে টাকা মেলে
    হ্যাঁ, সত্যিই। টোকা দিলেই টাকা মেলে। টাকা পাওয়া খুবই সহজ। গ্লাসের ভেতরে টোকা দিয়ে ফেলতে পারলেই টাকাটা তোমার।
  • হাত ধুয়ে বিজ্ঞান খেলি, পর্ব ৪
    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল। সময়টা এখন ঘরে থাকার। শিশুরা সবাই ঘরেই থাকো। কুড়ি সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নাও। এবার চলো, হাত ধুয়ে বিজ্ঞান খেলি। ঘরে থাকার সময়কে করি মজাদার।
  • হাত ধুয়ে বিজ্ঞান খেলি, পর্ব ৩
    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল। সময়টা এখন ঘরে থাকার। শিশুরা সবাই ঘরেই থাকো। কুড়ি সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নাও। এবার চলো, হাত ধুয়ে বিজ্ঞান খেলি। ঘরে থাকার সময়কে করি মজাদার।
  • হাত ধুয়ে বিজ্ঞান খেলি, পর্ব ২
    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল। সময়টা এখন ঘরে থাকার। শিশুরা সবাই ঘরেই থাকো। কুড়ি সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নাও। এবার চলো, হাত ধুয়ে বিজ্ঞান খেলি। ঘরে থাকার সময়কে করি মজাদার।
  • লরিস রহস্য
    তুলতুলে নরম পশমী কোমল প্রাণীটি। দেখলেই সে কী আদর!
  • করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্ন
    কোভিড-১৯ মহামারী আকার ধারণ করার কারণে পৃথিবীর মোটামুটি সব দেশেই সাধারণ জীবনযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা এসেছে। ‘সবাই বাসায় থাকুন, নিরাপদে থাকুন’ এই মুহূর্তে মহামারী প্রতিরোধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম একটি।
  • বিজ্ঞান শিখি: টিস্যু পেপার যখন ছেঁড়া যায় না
    টিস্যু পেপার । সাধারণ ন্যাপকিন হিসেবে ব্যবহৃত এই কাগজ এতো বেশি নমনীয়ভাবে তৈরি হয়ে থাকে যে অল্পতেই ছিঁড়ে যায়। কিন্তু টিস্যু পেপারের উপর শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে চাপ প্রয়োগ করেও যদি ছিঁড়তে না পারো তখন চোখ কপালে উঠে আসে। আশ্চর্য হতে হয়।
  • বিজ্ঞান শিখি: আধুলিকে টাকা বানানো
    আধুলিকে টাকায় পরিণত করে দেখানো, পয়সাকে ডবল পয়সা বানিয়ে বা সিকিকে আধুলি বানিয়ে দেখানোর মতো অবাক করার এ খেলাটি খুবই কৌতূহল উদ্দীপক এবং জনপ্রিয়ও বটে।
  • বিজ্ঞান শেখা: হাতে বানাও থার্মোমিটার
    যে কোন মাপের একটি স্বচ্ছ কাচ অথবা প্লাস্টিকের বোতল নাও। বোতলের মুখ পর্যন্ত কানায় কানায় পানি ভরে তাতে কিছু জল রঙ ঢেলে দাও। দেখবে বোতলের সব পানি রঙিন হয়ে গেছে।
  • বিজ্ঞান শেখা: টিপসইয়ে মানুষ চেনার উপায়
    স্বাক্ষর জানলেই কি টিপসইয়ের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়? না। যায় না। দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত ও অগ্রসর দেশ থেকে শুরু করে সব দেশেই টিপসইয়ের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে এবং উন্নত হচ্ছে।
  • বিজ্ঞান শেখা: কাগজের চুম্বক
    শুধু লোহা নয়, সত্যি সত্যি কাগজেরও চুম্বক হয়। শুনতে ভারি অদ্ভুত লাগলেও এই কাগজের চুম্বক তুমি নিজ হাতে বানিয়ে অবাক করে দিতে পারো দর্শকদের।
  • বিনে পয়সার টেলিফোন
    আজকাল  মোবাইল টেলিফোনে কথা বললে মিনিটে মিনিটে যে বিল উঠে তাতে দু-এক দণ্ড কথা বলাও মুশকিল। কথা বলার সময় টাকা খোয়ানোর চিন্তা মাথায় এলে কথা বলে কি সুখ আছে? বিনে পয়সার ফোন তো এজন্যেই দরকার।
  • একটি সফল গোলের বৈজ্ঞানিক রহস্য
    আমাদের মেসে ইমদাদ হক ফুটবল খেলোয়াড়, হাতে পায়ে মুখে শত আঘাতের ক্ষতে খ্যাতি লেখা তার। সন্ধ্যা বেলায় দেখিবে তাহারে পটি বাঁধি পায়ে হাতে, মালিশ মাখিছে প্রতি গিঠে গিঠে কাত হয়ে বিছানাতে।
  • সূর্য তোমার আসল রঙটা কী?
    কাউকে যদি সূর্য আঁকতে বলা হয় দেখা যাবে সূর্যের গোল চাকতি বা সূর্যের আলো সে এঁকেছে হলুদ রঙ দিয়ে, কেউ দেবে লাল রঙ, কেউ ম্যাজেন্টা। কেউ নিশ্চয়ই বেগুনি, নীল, সাদা বা সবুজ রঙ দেবে না।
  • মেঘ কতো প্রকার ও কী কী
    প্রাচীন ভারতীয় কবি কালিদাস মেঘ নিয়ে লিখেছেন ‘মেঘদূত’ কাব্য। সেখানে তিনি মেঘকে ডেকেছেন বিভিন্ন নামে। বাংলা ভাষায়ও মেঘের রয়েছে বিভিন্ন নাম- জীমূত, ঘন, বারিবাহ, নীরদ, জলধর, কাদম্বিনী, সংবর্তক, জলদ, বারিদ, পয়োদ, অভ্র, পর্জন্য, পয়োমূক ও বারিবাহন ইত্যাদি।
  • সূর্য পুড়বে আর কতোকাল?
    সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত একটি তারা হলো সূর্য। প্রায় পুরো গোল এ তারা প্রধানত প্লাজমা ও আয়নিত পদার্থ দিয়ে তৈরি। সূর্য পৃষ্ঠে তাপমাত্রা হলো প্রায় ১০ হাজার তিনশ চল্লিশ ড্রিগ্রি ফারেনহাইট বা ৫ হাজার সাতশ ছাব্বিশ ড্রিগ্রি সেলসিয়াস।
  • শীতকালে কেন শীত লাগে?
    আচ্ছা, শীতকালেই কেন শীত লাগবে আর গ্রীষ্মকালে গরম? মনে হতে পারে এটা আবার কেমন প্রশ্ন, এর উত্তর তো সোজা!
  • মানুষ কেন কাঁদে?
    আমরা ভাবি, মানুষ কেবল দুঃখ পেলেই কাঁদে।
  • আকাশের ওজন কতো?
    পৃথিবী যে এতো সুন্দর, তার অন্যতম কারণ হলো আকাশ।
  • শূন্য যেভাবে 0 হলো
    ‘কিছুই নয়’ বোঝাতে শূন্য শব্দটা ব্যবহার করা হয়। গণিতে শূন্যের রয়েছে নানা রকমের প্রয়োগ।
  • গোলাপফুলে রংধনু
    গোলাপফুলের রঙ কী হয়? লাল, সাদা, গোলাপি বা হলুদ। কিছু জায়গায় কালো বা নীল রঙের গোলাপের কথাও শোনা যায়। তবে সেগুলো দেখা পাওয়া বেশ বিরল।
  • মহাকাশে কাঁদতে নেই
    মহাকাশে অর্থাৎ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে এবং পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বেশ দূরে সব বিষয় অনেক বেশি গোলমেলে। সেখানে মানুষ মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। স্বাভাবিকভাবে বাতাসে শ্বাস নিতে পারে না এরকম অনেক অনেক বিষয় যা মানুষকে নিজ জীবন থেকে অনেকটা সরিয়ে দেয়।