খবর > কিডজ > পৃথিবীর যতকিছু

  • বেড়ালটি ফিরে এসেছিলো চার বছর পর

    বেড়ালটি ফিরে এসেছিলো চার বছর পর মার্চ ২০১৬। একটা বেড়াল ঘুরে বেড়াচ্ছিলো কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের গুয়েলফ শহরে।

  • শিশুদের আঁকা ছবির আন্তর্জাতিক জাদুঘর

    শিশুদের আঁকা ছবির আন্তর্জাতিক জাদুঘর সারা বিশ্বের শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে এমন জাদুঘরটি আছে নরওয়ের অসলোতে। এতে বিশ্বের ১৮০ দেশের শিশুদের আঁকা ছবির সংগ্রহ রয়েছে।

  • কেমন করে এলো নতুন বছর

    কেমন করে এলো নতুন বছর ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় ইংরেজি নতুন বছর। বিশ্বের অনেক দেশেই দিনটিতে নানা উৎসবের আয়োজন করা হয়।

  • কুমির চাষ

    কুমির চাষ থাইল্যান্ডকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কুমির খামারের দেশ। এসব খামার পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন। কোথাও দেখা যায় কুমিরগুলো পাল্লা দিয়ে মুরগির মাংস ছিঁড়ে খাচ্ছে, কোথাও দেখা যায় খোলা আকাশের নিচে রোদ পোহাচ্ছে, আবার দেখা যাবে তারা সবুজ শ্যাওলার পানিতে সাঁতার কাটছে। থাইল্যান্ড মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, দেশটিতে এক হাজারেরও বেশি খামারে প্রায় দেড় মিলিয়ন কুমির রয়েছে। স্থানীয় কসাইখানা ও চামড়া কারখানাগুলো এসব খামার পরিচালনা করে। কুমিরের চামড়া থেকে তৈরি করা হয় উন্নতমানের চামড়াজাত পণ্য। এছাড়া পৃথিবীর অনেক দেশেই কুমিরের মাংস অনেক সুস্বাদু খাবার। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতেও কুমিরের চাষ করা হয়। বাংলাদেশে ময়মনসিংহের ভালুকায় রয়েছে কুমিরের খামার।

  • বেড়ালবৃত্তান্ত

    বেড়ালবৃত্তান্ত তিন বছরের বসুধা তার বাবা-মায়ের এক বন্ধুর বাসায় বেড়াতে গেছে। গিয়ে তো সে অবাক! দেখে বেশ কয়েকটি নাদুসনুদুস বেড়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে বাড়িময়, একদম নিজের বাড়ির মতো স্বচ্ছন্দে।

  • ব্যাঙ কীভাবে বৃক্ষে চড়ে

    ব্যাঙ কীভাবে বৃক্ষে চড়ে ব্যাঙ উভয়চর প্রাণী, অর্থ্যাৎ একই সঙ্গে পানিতে ও মাটিতে বসবাস করতে পারে।

  • হাতির সঙ্গে হাতাহাতি

    হাতির সঙ্গে হাতাহাতি বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই শিবরাম চক্রবর্তীর হাসির গল্প ‘হাসির সঙ্গে হাতাহাতি’ পড়েছো। আরে ওই যে, কাকার শখ হলো ডাকটিকেট জমানো। পরে তার সাদা হাতি সংগ্রহের শখ জাগে।

  • জিরাফের কাছে ছয়টি জিজ্ঞাসা

    জিরাফের কাছে ছয়টি জিজ্ঞাসা জিরাফ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু প্রাণী। এমনকি তাদের একটা পা-ই মানুষের চেয়ে লম্বা, প্রায় ছয় ফিট।

  • রাম কোটা

    রাম কোটা রাম কোটাকে দেখলে প্রথম প্রথম একটু ধাঁধাঁয় পরতে হয়। আচ্ছা এটা কি কোনো ধরণের বানর? এটা কি খুব বড় কোনো ইঁদুর জাতীয় প্রাণী? কিন্তু যখন জানা যায় এটা কাঠবিড়ালি তখন একটু অবাক না হয়ে উপায় কী? এত বড় কাঠবিড়ালি? তার আবার মুখ দেখতে ইঁদুরের মতো। হাত পা বানরের মতো? এমন লম্বা লেজ। বানরের মতো পা বেয়ে দ্রুত চলা, সামনের পা দুটিকে হাতের মতো ব্যবহার করে খাবার খাওয়া। এটা বানর না হয়ে কীভাবে যায়?

  • ধনেশ

    ধনেশ ধনেশ পাখির ইংরেজি নাম হচ্ছে hornbill. ইংরেজি Horn মানে হচ্ছে শিং আর bill মানে পাখির ঠোঁট বা চঞ্চু। অর্থাৎ ইংরেজিতে এই পাখির নাম, গরুর শিং ঠোঁটওয়ালা পাখি। ধনেশ পাখির শক্ত, বাঁকানো বিশাল ঠোঁটের কারণে বৈজ্ঞানিক নামকরণের সময়ও ওদের গোত্রের নাম রাখা হয়, Bucerotidae, গ্রীক ভাষায় buceros অর্থ গরুর শিং।

  • উড়ুক্কু গিরগিটি

    উড়ুক্কু গিরগিটি বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের খুব অল্প অংশই এখন বনভূমি। একটি দেশের মোট ভূখণ্ডের যেখানে অন্তত ২৭ শতাংশ জায়গা বনভূমি থাকতে হয় বাংলাদেশে হয়তো এখন ৬% শতাংশের বেশী অবশিষ্ট নেই। তবে এই ৬ শতাংশেই আছে এমন অনেক আশ্চর্য প্রাণী যাদের কথা শুনলে অবাক না হয়ে পারা যায় না।

  • সাহসী জেসিকা

    সাহসী জেসিকা সোনালী চুলের মিষ্টি মেয়ে জেসিকাকে দেখে বোঝার উপায় নেই ওর সাহস কত বেশি। যে কেউ দেখলে ভাববে আর এত সুন্দর মেয়েটা বুঝি খুব আদরে যত্নে বেড়ে উঠা পুতুল। তবে জেসিকা মোটেই পুতুল পুতুল মেয়ে নয়। সে অদম্য সাহসী আর খুব বুদ্ধিমানও। এ জন্যই তো মাত্র ১৬ বছর বয়সে একা একাই একটা মাত্র নৌকা নিয়ে সে রওনা হয়েছিল সারা পৃথিবী ঘুরতে।

  • সমুদ্রের জাহাজ উট!

    সমুদ্রের জাহাজ উট! উটটার নাম খারাই উট। বাড়ি ভারতের গুজরাট প্রদেশের একটি জেলার নাম কোচ। কোচ বেশ বড়সড় একটা জেলা। এর আয়তন ৪৫ হাজার ৬শ ৭৪ স্কয়ার কিলোমিটার। মানে এই একটা জেলাই সমুদ্র বাংলাদেশের তিন ভাগের একভাগ প্রায়। তবে এই জেলার বৈশিষ্ট্য শুধু জেলার আকারে নয়, এর অনেক রকমের বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্য আছে তবে সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্ট্যটি হচ্ছে এই জেলায় একটা উটের জাত রয়েছে যারা শুধু মরুভূমি নয়, সাগরও দিব্যি পারি দিতে পারে। এদের নাম খারাই উট।

  • সূর্য ভাল্লুক

    সূর্য ভাল্লুক সাধারণ ভাল্লুক কেমন হয়? কালো বা বাদামী বিশাল একটা প্রাণী। এমনকি সাদা-কালো যে পান্ডাকে আমরা চিনি সেও এক ধরণের ভাল্লুকই। আজকে আমরা যে ভাল্লুকটার কথা আলোচনা করব সেটার গায়ের রঙেও একটা বিশেষ ধরণের। শুধু রঙ নয়, এ ভাল্লুকের গলার নিচে আর বুকের উপরের দিকে সুন্দর একটা চিহ্ন থাকে। কারও কারও ক্ষেত্রে সেটা একটা ইংরেজি ‘ভি’ আকৃতির একটা দাগ হয়। কারও জন্য বিশাল গোল একটা ছোপ হয়। তবে দেখতে যাই হোক, লোকে সেটাকে সকালের সূর্যোদয়ের সঙ্গে মিলিয়ে এর নাম দিয়েছে সান বেয়ার বা সূর্য ভাল্লুক।

  • অদম্য প্রাণশক্তির প্রাণী বিছা

    অদম্য প্রাণশক্তির প্রাণী বিছা পৃথিবীতে বিছার আগমন ডাইনোসরেরও আগে। ধারণা করা হয়, সহস্র লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে বিকশিত হওয়া প্রাণ যখন পানি থেকে ডাঙ্গায় আসা শুরু করে সেই বিছারা তখন থেকে পৃথিবীতে বিচরণ করছে। এই ধারণার একমাত্র কারণ বিছাদের দেহাকৃতি লবস্টারের মতো বলেই নয়, বরং স্কটল্যান্ডে বিছাদের সহস্র লক্ষ বছর  পুরোনো ফসিল পাওয়া গিয়েছে। এটি নিশ্চিতভাবে নির্দেশ করে সহস্রাব্দী আগেও বিছারা এই পৃথিবীতে বিপুল দাপটে অবস্থান করত। আগে বরং বিছাদের আকার আরও বড় ছিল। এখন কালক্রমে সেই আকার প্রাচীন আকারের অর্ধেকে এসে ঠেকেছে।

  • পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী

    পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী ছোট এক ফোঁটা একটা জীব। একদম একটা চা চামচে নিয়ে ফেলা যাবে। এত ছোট প্রাণীকে দেখতে পাওয়া কি সহজ কথা বলো? কিন্তু ছোট বলেই চোখ এড়িয়ে যাওয়ার উপায় এই ক্ষেত্রে অন্তত নাই। কেন জানো? কারণ অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র উপকূলের কাছের অগভীর সাগরের তলে লেখা থাকা এই ছোট্ট প্রাণীটির গায়ের রঙ হয় বিচিত্র। শুধু গায়ের রঙই নয় গাঁয়ে নানান ধরণের ছিটা, দাগ, ডোরা মিলিয়ে সেটা দেখতে এতই সুন্দর দেখায় যে একে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণীও বলা হয়।

  • চিপমাংক

    চিপমাংক ডিজনির চিপ এন্ড ডেলি সিরিজের কাঠবিড়ালি দুটির কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। সেই যে মোটুসোটু, দুষ্টু, একটা একটু মজার আরেকটা খুবই একাগ্র ধরণের কাঠবিড়ালি? ওরা কিন্তু ঠিক কাঠবিড়ালি না। ওরা কাঠবিড়ালিদের পরিবারের আরেক ধরণের জীব। ওদের নাম চিপমাংক।

  • তারা মাছ

    তারা মাছ সাগরে যে তারার মতো প্রাণীটা থাকে তারা আমরা বরাবরই তারামাছ নামে চিনি। কক্সবাজার, পতেঙ্গা কি কুয়াকাটা গেলে বালুকাবেলায় এমন অজস্র তারামাছ চোখে পরবে। আশেপাশের দোকানেও কিনতে পাওয়া যাবে অনেক অনেক শুকানো মৃত তারামাছ মাছ।

  • প্লাটিপাস

    প্লাটিপাস হাঁসের মতো দেখতে তবে তারা হাঁস নয়, প্লাটিপাস।

  • ছোট্ট পাখি স্নোয়ি প্লোভার

    ছোট্ট পাখি স্নোয়ি প্লোভার পাখিটার নাম স্নোয়ি প্লোভার। যেমন নাম তেমনি দেখতে। মনে হয় যেন বরফের ছোট একটা বল। নরম আর মসৃণ। সাগরের পানির একদম সঙ্গে বাস করে। পানির মধ্যে গিয়ে লাফালাফি করে। খেলাটাও খুব মজার। ঢেউ নেমে পানি সরে গেলে দল বেধে স্নোয়ি প্লোভাররা লাফিয়ে লাফিয়ে পানিকে তাড়া করে, যেই আবার ঢেউ আসে ওমনি সবাই মিলে দে ছুট।

  • ডোরা যার পরিচয়

    ডোরা যার পরিচয় আচ্ছা তোমরা একজন আরেকজনকে কীভাবে চিনতে পারো? চেহারা দেখে তাই তো? খুবই স্বাভাবিক আমাদের এক এক জন মানুষের চেহারা এক এক রকম। জেব্রাদের বেলায় বিষয়টা খুব মজার। ওদের তো আর চেহারা দেখে বোঝার জো নেই কে কোনটা, তবে এই সমস্যারও চমৎকার একটা সমাধান রয়েছে। প্রতিটি জেব্রার গায়ের সাদা কালো ডোরার দাগ একেক রকমের। এই ডোরা দাগ দেখেই বুঝা যায় কোনটা কে, আর কার কে কী হয়। এটাকে আমরা তুলনা করতে পারি মানুষের আঙ্গুলের ছাপের সঙ্গে, একজনের ছাপের দাগ যেমন কিছুতেই আরেকজনের সঙ্গে মিলবে না তেমনি একটা জেব্রার ডোরা কিছুতেই অন্য জেব্রার হবে না।

  • তোমার নামের অর্থ কী?

    তোমার নামের অর্থ কী? কোনো কিছুর নাম যে শুধু একটা চিহ্নিতকারী শব্দ তা কিন্তু নয়। নাম একজন মানুষের পরিচয়, তার অবস্থা সব বুঝায়। ও বাবা বেশ কঠিন কথা হয়ে গেলো! তবে ভেবে দেখো একটা জায়গার নাম কলাবাগান। সেখানে বাগান দূরে থাক একটা কলাও চোখে পড়ে না। তাহলে একবার কি আমাদের মনে আসবে না, এই নামটা কোথা থেকে এলো?

  • হালুম ছাড়া সিংহ

    হালুম ছাড়া সিংহ আচ্ছা তোমরা কি সুকুমার রায়ের বাবু ‘রাম সাপুড়ে’ ছড়াটি পড়েছিলে? সেখানে একটা সাপের আবদার করা হয়েছিল তার কথা মনে আছে কি? ঐ যে—

  • ধাঁধাঁয় বাড়ে বুদ্ধি

    ধাঁধাঁয় বাড়ে বুদ্ধি ধাঁধাঁ, এ শব্দটার সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। ধাঁধাঁ নানান ধরণের হতে পারে যেমন, তিন অক্ষরের নাম তার পানিতে বাস করে মধ্যের অক্ষর কেটে দিলে আকাশেতে উড়ে। এটা একটা খুবই সহজ ধাঁধাঁ। এর উত্তর হলো, চিতল ও চিল। চিতল মাছ পানিতে বাস করে। আর মধ্যের অক্ষর ‘ত’ এটাকে বাদ দিলে চিল হয় যা আকাশে উড়ে। এটা ছিল একটা কথার ধাঁধাঁ। তবে ধাঁধাঁ বলতে আমরা অনেক কিছু বুঝাই যেমন ছবির ধাঁধাঁ, অংক, আবার ধরো রুবিস কিউবের মতো মিলানোর ধাঁধাও।

  • লাল বিড়াল পান্ডা

    লাল বিড়াল পান্ডা ছবিটা দেখো, কেমন গোলগাল, লেজ ফোলা দেখতে এই বিড়ালটা! কিন্তু একি! এই বিড়ালের মুখ তো একদম বিড়ালের মতো না, মুখটা কেমন ভাল্লুকের মতো। এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাণীটার নাম হলো, লাল পান্ডা। কেউ কেউ একে ছোট পান্ডা, বিড়াল পান্ডা ইত্যাদিও ডেকে থাকে।