খবর > কিডজ > পৃথিবীর যতকিছু

  • রাম কোটা

    রাম কোটা রাম কোটাকে দেখলে প্রথম প্রথম একটু ধাঁধাঁয় পরতে হয়। আচ্ছা এটা কি কোনো ধরণের বানর? এটা কি খুব বড় কোনো ইঁদুর জাতীয় প্রাণী? কিন্তু যখন জানা যায় এটা কাঠবিড়ালি তখন একটু অবাক না হয়ে উপায় কী? এত বড় কাঠবিড়ালি? তার আবার মুখ দেখতে ইঁদুরের মতো। হাত পা বানরের মতো? এমন লম্বা লেজ। বানরের মতো পা বেয়ে দ্রুত চলা, সামনের পা দুটিকে হাতের মতো ব্যবহার করে খাবার খাওয়া। এটা বানর না হয়ে কীভাবে যায়?

  • ধনেশ

    ধনেশ ধনেশ পাখির ইংরেজি নাম হচ্ছে hornbill. ইংরেজি Horn মানে হচ্ছে শিং আর bill মানে পাখির ঠোঁট বা চঞ্চু। অর্থাৎ ইংরেজিতে এই পাখির নাম, গরুর শিং ঠোঁটওয়ালা পাখি। ধনেশ পাখির শক্ত, বাঁকানো বিশাল ঠোঁটের কারণে বৈজ্ঞানিক নামকরণের সময়ও ওদের গোত্রের নাম রাখা হয়, Bucerotidae, গ্রীক ভাষায় buceros অর্থ গরুর শিং।

  • উড়ুক্কু গিরগিটি

    উড়ুক্কু গিরগিটি বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের খুব অল্প অংশই এখন বনভূমি। একটি দেশের মোট ভূখণ্ডের যেখানে অন্তত ২৭ শতাংশ জায়গা বনভূমি থাকতে হয় বাংলাদেশে হয়তো এখন ৬% শতাংশের বেশী অবশিষ্ট নেই। তবে এই ৬ শতাংশেই আছে এমন অনেক আশ্চর্য প্রাণী যাদের কথা শুনলে অবাক না হয়ে পারা যায় না।

  • সাহসী জেসিকা

    সাহসী জেসিকা সোনালী চুলের মিষ্টি মেয়ে জেসিকাকে দেখে বোঝার উপায় নেই ওর সাহস কত বেশি। যে কেউ দেখলে ভাববে আর এত সুন্দর মেয়েটা বুঝি খুব আদরে যত্নে বেড়ে উঠা পুতুল। তবে জেসিকা মোটেই পুতুল পুতুল মেয়ে নয়। সে অদম্য সাহসী আর খুব বুদ্ধিমানও। এ জন্যই তো মাত্র ১৬ বছর বয়সে একা একাই একটা মাত্র নৌকা নিয়ে সে রওনা হয়েছিল সারা পৃথিবী ঘুরতে।

  • সমুদ্রের জাহাজ উট!

    সমুদ্রের জাহাজ উট! উটটার নাম খারাই উট। বাড়ি ভারতের গুজরাট প্রদেশের একটি জেলার নাম কোচ। কোচ বেশ বড়সড় একটা জেলা। এর আয়তন ৪৫ হাজার ৬শ ৭৪ স্কয়ার কিলোমিটার। মানে এই একটা জেলাই সমুদ্র বাংলাদেশের তিন ভাগের একভাগ প্রায়। তবে এই জেলার বৈশিষ্ট্য শুধু জেলার আকারে নয়, এর অনেক রকমের বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্য আছে তবে সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্ট্যটি হচ্ছে এই জেলায় একটা উটের জাত রয়েছে যারা শুধু মরুভূমি নয়, সাগরও দিব্যি পারি দিতে পারে। এদের নাম খারাই উট।

  • সূর্য ভাল্লুক

    সূর্য ভাল্লুক সাধারণ ভাল্লুক কেমন হয়? কালো বা বাদামী বিশাল একটা প্রাণী। এমনকি সাদা-কালো যে পান্ডাকে আমরা চিনি সেও এক ধরণের ভাল্লুকই। আজকে আমরা যে ভাল্লুকটার কথা আলোচনা করব সেটার গায়ের রঙেও একটা বিশেষ ধরণের। শুধু রঙ নয়, এ ভাল্লুকের গলার নিচে আর বুকের উপরের দিকে সুন্দর একটা চিহ্ন থাকে। কারও কারও ক্ষেত্রে সেটা একটা ইংরেজি ‘ভি’ আকৃতির একটা দাগ হয়। কারও জন্য বিশাল গোল একটা ছোপ হয়। তবে দেখতে যাই হোক, লোকে সেটাকে সকালের সূর্যোদয়ের সঙ্গে মিলিয়ে এর নাম দিয়েছে সান বেয়ার বা সূর্য ভাল্লুক।

  • অদম্য প্রাণশক্তির প্রাণী বিছা

    অদম্য প্রাণশক্তির প্রাণী বিছা পৃথিবীতে বিছার আগমন ডাইনোসরেরও আগে। ধারণা করা হয়, সহস্র লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে বিকশিত হওয়া প্রাণ যখন পানি থেকে ডাঙ্গায় আসা শুরু করে সেই বিছারা তখন থেকে পৃথিবীতে বিচরণ করছে। এই ধারণার একমাত্র কারণ বিছাদের দেহাকৃতি লবস্টারের মতো বলেই নয়, বরং স্কটল্যান্ডে বিছাদের সহস্র লক্ষ বছর  পুরোনো ফসিল পাওয়া গিয়েছে। এটি নিশ্চিতভাবে নির্দেশ করে সহস্রাব্দী আগেও বিছারা এই পৃথিবীতে বিপুল দাপটে অবস্থান করত। আগে বরং বিছাদের আকার আরও বড় ছিল। এখন কালক্রমে সেই আকার প্রাচীন আকারের অর্ধেকে এসে ঠেকেছে।

  • পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী

    পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী ছোট এক ফোঁটা একটা জীব। একদম একটা চা চামচে নিয়ে ফেলা যাবে। এত ছোট প্রাণীকে দেখতে পাওয়া কি সহজ কথা বলো? কিন্তু ছোট বলেই চোখ এড়িয়ে যাওয়ার উপায় এই ক্ষেত্রে অন্তত নাই। কেন জানো? কারণ অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র উপকূলের কাছের অগভীর সাগরের তলে লেখা থাকা এই ছোট্ট প্রাণীটির গায়ের রঙ হয় বিচিত্র। শুধু গায়ের রঙই নয় গাঁয়ে নানান ধরণের ছিটা, দাগ, ডোরা মিলিয়ে সেটা দেখতে এতই সুন্দর দেখায় যে একে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রাণীও বলা হয়।

  • চিপমাংক

    চিপমাংক ডিজনির চিপ এন্ড ডেলি সিরিজের কাঠবিড়ালি দুটির কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। সেই যে মোটুসোটু, দুষ্টু, একটা একটু মজার আরেকটা খুবই একাগ্র ধরণের কাঠবিড়ালি? ওরা কিন্তু ঠিক কাঠবিড়ালি না। ওরা কাঠবিড়ালিদের পরিবারের আরেক ধরণের জীব। ওদের নাম চিপমাংক।

  • তারা মাছ

    তারা মাছ সাগরে যে তারার মতো প্রাণীটা থাকে তারা আমরা বরাবরই তারামাছ নামে চিনি। কক্সবাজার, পতেঙ্গা কি কুয়াকাটা গেলে বালুকাবেলায় এমন অজস্র তারামাছ চোখে পরবে। আশেপাশের দোকানেও কিনতে পাওয়া যাবে অনেক অনেক শুকানো মৃত তারামাছ মাছ।

  • প্লাটিপাস

    প্লাটিপাস হাঁসের মতো দেখতে তবে তারা হাঁস নয়, প্লাটিপাস।

  • ছোট্ট পাখি স্নোয়ি প্লোভার

    ছোট্ট পাখি স্নোয়ি প্লোভার পাখিটার নাম স্নোয়ি প্লোভার। যেমন নাম তেমনি দেখতে। মনে হয় যেন বরফের ছোট একটা বল। নরম আর মসৃণ। সাগরের পানির একদম সঙ্গে বাস করে। পানির মধ্যে গিয়ে লাফালাফি করে। খেলাটাও খুব মজার। ঢেউ নেমে পানি সরে গেলে দল বেধে স্নোয়ি প্লোভাররা লাফিয়ে লাফিয়ে পানিকে তাড়া করে, যেই আবার ঢেউ আসে ওমনি সবাই মিলে দে ছুট।

  • ডোরা যার পরিচয়

    ডোরা যার পরিচয় আচ্ছা তোমরা একজন আরেকজনকে কীভাবে চিনতে পারো? চেহারা দেখে তাই তো? খুবই স্বাভাবিক আমাদের এক এক জন মানুষের চেহারা এক এক রকম। জেব্রাদের বেলায় বিষয়টা খুব মজার। ওদের তো আর চেহারা দেখে বোঝার জো নেই কে কোনটা, তবে এই সমস্যারও চমৎকার একটা সমাধান রয়েছে। প্রতিটি জেব্রার গায়ের সাদা কালো ডোরার দাগ একেক রকমের। এই ডোরা দাগ দেখেই বুঝা যায় কোনটা কে, আর কার কে কী হয়। এটাকে আমরা তুলনা করতে পারি মানুষের আঙ্গুলের ছাপের সঙ্গে, একজনের ছাপের দাগ যেমন কিছুতেই আরেকজনের সঙ্গে মিলবে না তেমনি একটা জেব্রার ডোরা কিছুতেই অন্য জেব্রার হবে না।

  • তোমার নামের অর্থ কী?

    তোমার নামের অর্থ কী? কোনো কিছুর নাম যে শুধু একটা চিহ্নিতকারী শব্দ তা কিন্তু নয়। নাম একজন মানুষের পরিচয়, তার অবস্থা সব বুঝায়। ও বাবা বেশ কঠিন কথা হয়ে গেলো! তবে ভেবে দেখো একটা জায়গার নাম কলাবাগান। সেখানে বাগান দূরে থাক একটা কলাও চোখে পড়ে না। তাহলে একবার কি আমাদের মনে আসবে না, এই নামটা কোথা থেকে এলো?

  • হালুম ছাড়া সিংহ

    হালুম ছাড়া সিংহ আচ্ছা তোমরা কি সুকুমার রায়ের বাবু ‘রাম সাপুড়ে’ ছড়াটি পড়েছিলে? সেখানে একটা সাপের আবদার করা হয়েছিল তার কথা মনে আছে কি? ঐ যে—

  • ধাঁধাঁয় বাড়ে বুদ্ধি

    ধাঁধাঁয় বাড়ে বুদ্ধি ধাঁধাঁ, এ শব্দটার সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। ধাঁধাঁ নানান ধরণের হতে পারে যেমন, তিন অক্ষরের নাম তার পানিতে বাস করে মধ্যের অক্ষর কেটে দিলে আকাশেতে উড়ে। এটা একটা খুবই সহজ ধাঁধাঁ। এর উত্তর হলো, চিতল ও চিল। চিতল মাছ পানিতে বাস করে। আর মধ্যের অক্ষর ‘ত’ এটাকে বাদ দিলে চিল হয় যা আকাশে উড়ে। এটা ছিল একটা কথার ধাঁধাঁ। তবে ধাঁধাঁ বলতে আমরা অনেক কিছু বুঝাই যেমন ছবির ধাঁধাঁ, অংক, আবার ধরো রুবিস কিউবের মতো মিলানোর ধাঁধাও।

  • লাল বিড়াল পান্ডা

    লাল বিড়াল পান্ডা ছবিটা দেখো, কেমন গোলগাল, লেজ ফোলা দেখতে এই বিড়ালটা! কিন্তু একি! এই বিড়ালের মুখ তো একদম বিড়ালের মতো না, মুখটা কেমন ভাল্লুকের মতো। এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাণীটার নাম হলো, লাল পান্ডা। কেউ কেউ একে ছোট পান্ডা, বিড়াল পান্ডা ইত্যাদিও ডেকে থাকে।

  • পর্যটক পাখি

    পর্যটক পাখি শীত আসলে কী কী জিনিস সঙ্গে আসবেই বলো দেখি। লেপ, কম্বল, পিঠা, ছুটি, বেড়ানো আর? আর হলো অতিথি পাখি।

  • প্রাণীদের বিশেষ গুণ

    প্রাণীদের বিশেষ গুণ পৃথিবীতে কত রকমের প্রাণী আছে। কারও দুইটা পা, কারও চারটা পা, কারও লেজ আছে, কারও নাই। তবে নিজ নিজ পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এবং নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটা প্রাণীর মধ্যে কিছু অনন্য সাধারণ বিষয় আছে যা তাকে নিজ পরিবেশে শক্তিশালী করে রাখে।

  • নীল মার্লিন মাছ

    নীল মার্লিন মাছ মাছটার নাম ব্লু মার্লিন। বাংলা নীল মার্লিন বলা যায়। তবে বাংলায় এ মাছের নাম পাওয়া বেশ শক্ত। কারণ আমাদের ছোট্ট বঙ্গোপসাগরে এই মাছগুলো সহজে পা দেয় না। ওদের প্রিয় বড় বড় সমুদ্র। যে সমুদ্র গভীর আর বিশাল। তাই সমগ্র মহাসমুদ্র অঞ্চলেই সহজেই চোখে পড়বে ব্লু মার্লিন মাছটা। তবে সমুদ্রটা হতে হবে উষ্ণ। গরম গরম পানি ব্লু মার্লিনের খুব পছন্দ।

  • মাছেরা যেভাবে শ্বাস নেয়

    মাছেরা যেভাবে শ্বাস নেয় যে কোনো জীব তা সে যতই ছোট হোক বেঁচে থাকার পূর্বশর্ত হল বাতাস থেকে শ্বাস নেওয়া। শ্বাস নেওয়া বলতে মূলত বাতাস থেকে অক্সিজেন টেনে নেওয়াকেই বোঝায়। আর শ্বাস ত্যাগ করাকে বলে নিশ্বাস ত্যাগ করা। এর মাধ্যমে আমরা বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করি। এটাই একটা সাধারণ প্রক্রিয়া যা সব জীব করে থাকে।

  • পিচ্চি তিমি বেলুগা

    পিচ্চি তিমি বেলুগা তিমি বলতেই আমাদের মনে পরে বিশাল একটা মাছের কথা। গল্প উপন্যাসে সেই প্রাণীটির বিশালত্ব কতভাবেই না বোঝানো হয়েছে। যেমন একবার এক নাবিক সমুদ্রে হারিয়ে গেল। এরপর সে খুঁজে পেল একটা দ্বীপ। সেই দ্বীপে উঠে বেশ এলাকা জুড়ে ঘুরোঘুরি করার পরে সে বুঝতে পারলো দ্বীপটা বেশ নড়াচড়া করে। একসময় দ্বীপটা পুরো ভেসে উঠায় নাবিক বুঝতে পারলেন এটা দ্বীপ নয়। এটা একটা তিমি মাছ!

  • পিঁপড়ার আছে কত কথা

    পিঁপড়ার আছে কত কথা পিঁপড়া আমাদের আশেপাশে সবখানেই আছে। এক দুবার পিপড়ার কামড় খাইনি এমন ঘটনা আমাদের জীবনে ঘটেনি। পিঁপড়ার লম্বা সারির পিছু নেওয়া বা পিঁপড়ার বাড়ি খুঁজে বের করার মতো কাজ আমরা কম বেশি সবাই করেছি। চলো জানা যাক পিঁপড়াদের নিয়ে দারুণ তথ্য।

  • কথা জড়িয়ে দেওয়া বাক্য

    কথা জড়িয়ে দেওয়া বাক্য আচ্ছা তোমরা কি খুব দ্রুত পাঁচবার “পাখি পাকা পেঁপে খায়” এ কথাটা বলতে পারবে? আচ্ছা তাহলে শুরু করা যাক এক. পাখি পাকা পেঁপে খায়, দুই পাখি পাপা পেঁপে খায়, তিন. পাখি কাকা কেকে খায়… … হল তো উচ্চারণ! দ্রুত বলতে গিয়ে দুইবারেই একদম পেঁচিয়ে পরে ধপাস!

  • মিষ্টি প্রাণী কোয়ালা

    মিষ্টি প্রাণী কোয়ালা কোয়ালা প্রাণীটাকে তোমরা হয়তো অনেকেই চিনো না। আর চিনবেই বা কীভাবে? কোয়ালা সারা পৃথিবীতে বাস করে শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চলে। খুব কম এলাকায় থাকে বলে সমগ্র অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে কোয়ালাদের খুব ভালোবাসার সঙ্গে রাখা হয়।