খুব ক্ষুধার্ত একটি শুঁয়াপোকা

বই: দ্য ভেরি হাঙরি কেটারপিলার, লেখক: এরিক কার্লে (১৯২৯- ) যুক্তরাষ্ট্র, অলঙ্করণ: এরিক কার্লে, প্রকাশক: ওয়ার্ল্ড পাবলিশিং কোম্পানি (যুক্তরাষ্ট্র) ও হ্যামিশ হ্যামিল্টন (যুক্তরাজ্য), প্রথম প্রকাশ: ১৯৬৯, ভাষা: ইংরেজি।
  • সেদিন ছিলো পূর্ণিমা। চাঁদের আলোয় একটা সবুজ পাতায় জ্বলজ্বল করছিলো একটা ছোট্ট ডিম।

    সেদিন ছিলো পূর্ণিমা। চাঁদের আলোয় একটা সবুজ পাতায় জ্বলজ্বল করছিলো একটা ছোট্ট ডিম।

  • সেদিন ছিলো রোববার। খুব সকালে সূর্য উঠলো আর চারদিকে উত্তাপ ছড়ালো। সেই তাপে ডিম ভেঙে বেরিয়ে এলো একটা শুঁয়াপোকা। সে ছিলো খুব ক্ষুধার্ত।

    সেদিন ছিলো রোববার। খুব সকালে সূর্য উঠলো আর চারদিকে উত্তাপ ছড়ালো। সেই তাপে ডিম ভেঙে বেরিয়ে এলো একটা শুঁয়াপোকা। সে ছিলো খুব ক্ষুধার্ত।

  • শুঁয়াপোকা খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়লো।

    শুঁয়াপোকা খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়লো।

  • সেদিন ছিলো সোমবার। শুঁয়াপোকা আস্ত একটা আপেল কুড়িয়ে পেলো। একপাশ থেকে খেতে খেতে সে ফুটো তৈরি করে অন্যপাশে গিয়ে পড়লো। তবুও শুঁয়াপোকার ক্ষুধা গেলো না।

    সেদিন ছিলো সোমবার। শুঁয়াপোকা আস্ত একটা আপেল কুড়িয়ে পেলো। একপাশ থেকে খেতে খেতে সে ফুটো তৈরি করে অন্যপাশে গিয়ে পড়লো। তবুও শুঁয়াপোকার ক্ষুধা গেলো না।

  • সেদিন ছিলো মঙ্গলবার। শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো দুটো নাশপাতি। পেয়েই গবগব করে মুখে পুরে খেয়ে নিলো। তবুও শুঁয়াপোকার ক্ষুধা গেলো না।

    সেদিন ছিলো মঙ্গলবার। শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো দুটো নাশপাতি। পেয়েই গবগব করে মুখে পুরে খেয়ে নিলো। তবুও শুঁয়াপোকার ক্ষুধা গেলো না।

  • সেদিন ছিলো বুধবার। এবার শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো তিনটা বরই। তিনটাই সাবাড় করে ফেললো। তবুও শুঁয়াপোকার পেট ভরলো না।

    সেদিন ছিলো বুধবার। এবার শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো তিনটা বরই। তিনটাই সাবাড় করে ফেললো। তবুও শুঁয়াপোকার পেট ভরলো না।

  • সেদিন ছিলো বৃহস্পতিবার। শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো চারটা টসটসে স্ট্রবেরি। একটা একটা করে টপাটপ খেয়ে নিলো শুঁয়াপোকা। তবুও তার পেট ভরলো না।

    সেদিন ছিলো বৃহস্পতিবার। শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো চারটা টসটসে স্ট্রবেরি। একটা একটা করে টপাটপ খেয়ে নিলো শুঁয়াপোকা। তবুও তার পেট ভরলো না।

  • সেদিন ছিলো শুক্রবার। এদিন শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো পাঁচটা রসালো কমলা। দেখেই তো তার জিভে জল এসে গেলো। দেরি না করে পাঁচটাকেই পেটে পুরে নিলো শুঁয়াপোকা। তবুও তার ক্ষুধা গেলো না।

    সেদিন ছিলো শুক্রবার। এদিন শুঁয়াপোকা খুঁজে পেলো পাঁচটা রসালো কমলা। দেখেই তো তার জিভে জল এসে গেলো। দেরি না করে পাঁচটাকেই পেটে পুরে নিলো শুঁয়াপোকা। তবুও তার ক্ষুধা গেলো না।

  • সেদিন ছিলো শনিবার। এদিন শুঁয়াপোকা খেলো এক টুকরো চকোলেট কেক, একটা কোন আইসক্রিম, একটু আচার, এক ফালি পনির আর একটা ইতালিয় সালামি।

    সেদিন ছিলো শনিবার। এদিন শুঁয়াপোকা খেলো এক টুকরো চকোলেট কেক, একটা কোন আইসক্রিম, একটু আচার, এক ফালি পনির আর একটা ইতালিয় সালামি।

  • এখানেই শেষ নয়! শুঁয়াপোকা আরও খেলো একটা ললিপপ, এক টুকরো চেরি পাই, একটা সসেজ, একটা কাপকেক আর এক টুকরো লাল তরমুজ।

    এখানেই শেষ নয়! শুঁয়াপোকা আরও খেলো একটা ললিপপ, এক টুকরো চেরি পাই, একটা সসেজ, একটা কাপকেক আর এক টুকরো লাল তরমুজ।

  • সেদিন ছিলো আবারও রোববার। শুঁয়াপোকা আস্ত একটা কচি সবুজ পাতা খেয়ে ফেললো। তারপরই না সে ভালো বোধ করতে লাগলো। যাক, এইবার পেট পুরে খাওয়া গেলো।

    সেদিন ছিলো আবারও রোববার। শুঁয়াপোকা আস্ত একটা কচি সবুজ পাতা খেয়ে ফেললো। তারপরই না সে ভালো বোধ করতে লাগলো। যাক, এইবার পেট পুরে খাওয়া গেলো।

  • এখন শুঁয়াপোকার আর ক্ষুধা নেই। সে আর আগের মতো ছোট্টটিও নেই। সে এখন অনেক বড় একটা শুঁয়াপোকা হয়ে গেছে, মোটা শরীরটা নিয়ে নড়াচড়াই করতে পারে না।

    এখন শুঁয়াপোকার আর ক্ষুধা নেই। সে আর আগের মতো ছোট্টটিও নেই। সে এখন অনেক বড় একটা শুঁয়াপোকা হয়ে গেছে, মোটা শরীরটা নিয়ে নড়াচড়াই করতে পারে না।

  • শুঁয়াপোকা তার চারদিকে ছোট্ট একটা ঘর বানালো। তার ঘরকে বলা হয় ‘গুটি’। ঘরের ভেতর সে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রইলো। তারপর সে গুটির দেয়ালে ছোট্ট একটা কামড় দিয়ে একটা ফুটো করলো। ফুটো দিয়ে সে বাইরে বেরিয়ে এলো...

    শুঁয়াপোকা তার চারদিকে ছোট্ট একটা ঘর বানালো। তার ঘরকে বলা হয় ‘গুটি’। ঘরের ভেতর সে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রইলো। তারপর সে গুটির দেয়ালে ছোট্ট একটা কামড় দিয়ে একটা ফুটো করলো। ফুটো দিয়ে সে বাইরে বেরিয়ে এলো...

  • বাহ! শুঁয়াপোকা একটা চমৎকার প্রজাপতি হয়ে গেলো।

    বাহ! শুঁয়াপোকা একটা চমৎকার প্রজাপতি হয়ে গেলো।

Print Friendly and PDF

আরও পড়ুন