পৃথিবীর সবচেয়ে বদখত মহিলা

তুরাম্বুলের দক্ষিণে এক সময় এমন এক মহিলা ছিলো যাকে বলা যেতে পারে পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মহিলা।

রাজু আলাউদ্দিনবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 Nov 2017, 09:17 AM
Updated : 25 Nov 2017, 09:36 AM

দেখতে ছিলো জলহস্তীর মতো মোটা, ফুকতো চুরুট আর ছিলো চকচকে সুচালো দাঁত। তাছাড়া পরতো হাই হিলের বুট জুতো আর ছিলো ইয়া বড় বড় নখ। কী যে ধারালো ছিলো সে নখগুলো! মানুষজনকে এ নখ দিয়ে খামচাতে ভালোবাসতো সে।

তার ছিলো পাঁচ ছেলেমেয়ে। স্কুলের পরীক্ষায় খারাপ করলে ওদেরকে সে মারতো। আবার খুব ভালো করলেও দিতো উত্তম মাধ্যম। ভালো ব্যবহার করলেও শাস্তি দিতো, আবার খারাপ ব্যবহার করলেও শাস্তি। এঁটো থালা-বাসন ধোয়া কিংবা ঘরদোর ঝাড় দেওয়ার কাজে সাহায্য করলেও চোখে লেবুর রস দিতো, আবার দুষ্টুমি করলেও তাই।

এসব ছাড়াও সকালের নাস্তায় ছেলেমেয়েদের সে খেতে দেয় কুকুরের খাবার।

আর যদি কেউ তা না খায় তাহলে ওর জন্য শাস্তি হচ্ছে ১৫০ বার দড়িতে লাফানো, ৫০ বার উঠবস আর মুরগীর খাঁচায় ঘুমোনো।

আশপাশের ছেলেপেলেরা যখনই এ মহিলাকে আসতে দেখে তখনই দৌড়ে পালায়। একই কাণ্ড ঘটে নারী-পুরুষ, বুড়ো-বুড়ি, পুলিশ আর দোকানদারদের বেলায়ও। এমনকি বেড়াল, পাখি আর তেলাপোকারাও জানে যে এই দজ্জাল মহিলার কাছাকাছি গেলে তাদের জীবনে নেমে আসতে পারে ভীষণ বিপদ।

এ মহিলার বাসার কাছে আস্তানা বানাবার ভাবনাটা পিঁপড়াদের চিন্তায়ও আসে না, কারণ সে হয়তো পিঁপড়েদের আস্তানায় গরম পানি ঢেলে দিতে পারে।

ঝুঝতেই পারছো মহিলা কী বদখত, ভয়ংকর ও ভীতিকর। বলতে পারো পৃথিবীর সবচেয়ে বদখত মহিলাদের একজন সে।

চূড়ান্ত বদখত।

শেষে এমন একদিন এলো যেদিন তার ছেলেমেয়েরা আর ওই এলাকার সবাই তিতিবিরক্ত হয়ে জীবনের ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়াকেই উত্তম মনে করলো।

তখন থেকে পুরো এলাকা একেবারে খালি হয়ে গেলো, রাস্তায় আর কুকুরদের ঘেউ ঘেউ শোনা যায় না। পাখিরাও আর ওড়ে না আকাশে, এমন কি মৌমাছিরাও আর ফুল খুঁজতে বের হয় না। কেবল বাতাসের হিসহিস শব্দটাই শোনা যায় আর বাসা-বাড়ির ছাদগুলোতে শোনা যায় বৃষ্টি ফোঁটার টিপটিপ শব্দ।

এভাবে ওই বদখত মহিলা হয়ে গেলো একা, একদমই একা। বিরক্ত করার জন্য কিংবা খামচে দেওয়ার জন্য আর কাউকেই পেলো না তার ত্রিসীমায়।

একমাত্র যে প্রাণীটা ওই তল্লাটে রয়ে গেলো সেটা বার্তাবাহী এক কবুতর, প্রতিবেশীর বাড়ির এক খাঁচায় আটকে পড়েছে বেচারী। ভয়ংকর মহিলা শেষে কিনা মরিচের পানিতে ডোবানো ভেজা রুটির ছোট ছোট টুকরো আর ভিনেগার মেশানো পানি কবুতরটাকে খাইয়ে মজা পেতে লাগলো। বেশ কয়েকবার সে দু’একটা পালক টেনে ছিঁড়েছে, দু’একবার সে ওর পায়ের আঙুলও মুচড়ে দিয়েছে।

এ অত্যচারে কবুতরটা যখন প্রায় মরতে বসেছে তখন পেটানোর মতো কাউকে হাতের কাছে না পেয়ে মহিলাটি হতাশ হয়ে পড়লো। বুঝতে পারলো কেবল এ পাখিটাই এ তল্লাটের সবাইকে নতুন করে ফিরিয়ে আনতে পারে। অতএব, সে সিদ্ধান্ত নিলো পাখিটাকে সে ঝালহীন রুটির গুড়ো দেবে আর দেবে এক্কেবারে বিশুদ্ধ পানি। এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর পাখিটাকে সে আদর করতেও শুরু করলো।

একসময় মহিলা বুঝতে পারলো কবুতরটা ওর বন্ধু হয়ে গেছে। এখন সে তার ছেলেমেয়ে ও এখানকার প্রতিবেশীদের কাছে বার্তা নিয়ে যেতে পারবে। এই ভেবে মহিলা একটা চিঠি লিখে পাখিটার পায়ে বেঁধে দিলো উড়িয়ে।

কয়েকদিন পর পুরোনো সেই প্রতিবেশীরা ফিরে এলো। কারণ ওই চিঠিতে পৃথিবীর সবচেয়ে বদখত মহিলাটি ক্ষমা চেয়েছে। সে লিখেছে-

“আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। অনেক ভেবেছি আর স্বীকার করছি যে আমি খুব বদখত ছিলাম। আমি আর আগের মতো খারাপ আচরণ করবো না। আপনারা যাতে বিশ্বাস করেন সেজন্য আমার পায়ে পাড়া দেওয়া, খামচি দেওয়াসহ যা ইচ্ছা তা-ই করুন।”

অল্প দিনের মধ্যে লোকজন সব এলাকায় ফিরে এলো, যার যার ঘরে গিয়ে উঠলো আর মহা আনন্দে ওই মহিলার পা পিষে দিলো আর দিলো খামচি।

একদিন হলো কি, একরাতে সবাই যখন ঘুমে, তখন মহিলা ওই এলাকার চারদিকে এমন এক দেয়াল গড়ে তুললো যাতে কেউ ওখান থেকে পালাতে না পারে। কীভাবে সে একাজ করলো কে জানে! কিন্তু আসলেই পরের দিন উঁচু এক দেয়াল দিয়ে ঘিরে ফেললো গোটা এলাকা।

এরপর থেকে সে আবার ওই আগের মূর্তিতে ফিরে এলো। শুধু আগের রূপেই না, আরও খারাপ। বলতে গেলে আরও অনেক বেশি খারাপ এক মহিলাতে রূপান্তরিত হলো।

নিজের ছেলেমেয়েকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে মারে, কাঠমিস্ত্রীদের কানে বসায় কামড়, গাড়ির ড্রাইভারদের নাভিতে নেভায় ওর সিগারেটের আগুন, বাচ্চাদের মাথায় দেয় ঠুয়া, মহিলাদের মারে লাথি, সেনাপ্রধানদের চোখে মারে খোঁচা আর পুলিশের হাতের তালুতে দেয় পিটুনি।

কুকুরদের দিতে লাগলো পচা মাংস, লম্বা লম্বা নখ দিয়ে খামচে দেয় হাতির শুঁড়, ঘাড় মটকে দেয় জিরাফের আর অসহায় তারান্তুলাদের খেয়ে ফেলে জীবন্ত। এমনকি সিংহগুলো তাকে দেখলে বেড়াল হয়ে যায়। কারণ ওদের লোম ধরে সে এমনভাবে টানে যে সিংহদের টেকো করে ফেলে, ব্যথায় চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে আসে।

আর ফুলের কথা কী বলবো! একটি ফুলও তাদের পাপড়ি এ মহিলার অত্যাচারে ধরে রাখতে পারলো না।

একদিন হলো কি, মহিলা যখন দুপুরে খেয়েদেয়ে ঘুমোচ্ছিল তখন এলাকার সবাই কেন্দ্রীয় বাজারে এসে জড়ো হলো।

ফায়ার সার্ভিসের কর্তা বললো- ‘এরকম আর হতে দেওয়া যায় না’।

‘ঠিক’, ফার্মেসির লোকটি বলে উঠলো- ‘আমাদের উচিৎ দেয়ালটা ভেঙে ফেলা আর যতক্ষণ পায়ে কুলায় দৌড়ানো।’

‘হ্যাঁ। কেন নয়!’, বললো এক শিশু- ‘চলুন তাকে বুঝিয়ে বলি যাতে আমাদের আর বিরক্ত না করে।’

হা হা হা, খিলখিল হাসির রোল উঠলো গোটা জমায়েতের ভেতর। কিন্তু পরক্ষণেই হাসির রোল থেমে গেলো ভয়ে, পাছে না সে জেগে ওঠে!

‘না’, এলাকার সবচেয়ে বুড়ো লোকটি মাঝখান থেকে বলে উঠলো- ‘আমাদের উচিৎ ওকে ধোঁকা দেওয়া।’

‘ধোঁকা!’, বরফের দোকানের মালিক অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো- ‘কীভাবে আমরা তাকে ধোঁকা দেবো?’

‘খুবই সহজ’, বুড়ো আশ্বাস দিয়ে বললো- ‘ও যখন আমাদের মারবে তখন আমরা ওকে ধন্যবাদ জানাবো। যদি আমাদের কামড় দেয়, তাহলে ওকে আবারও কামড়ে দিতে বলবো। যদি খামচে দেয়, বলবো- আহা! কি আরাম, জীবনে এমনটি আর কখনো ঘটেনি।’

‘কী মনে হয় তোমাদের?’

‘আহা! আহা!’, বিস্ময়ে সবার চোখ একেবারে ছানাবড়া।

‘হুম, মন্দ নয়’, এলাকার উটের বড় পালের মালিক এসে বললো।

সবাই এবার একমত হলো।

মেজাজ খারাপ করে দুপুরের ভাত-ঘুম থেকে জেগে উঠলো বদখত মহিলা। তার ভীষণ ইচ্ছে করছে তার কোন একটি শিশুকে চিমটি কাটার। প্রথমেই যাকে সামনে পেলো সে ওর বড় ছেলে। গালটা টেনে ধরলো তো ধরলোই, আধ-ঘণ্টাতক আর ছাড়ার নামটি নেই।

ছেলেটা ব্যথা সহ্য করে বললো, ‘ধন্যবাদ মা-মনি, আরেকবার করো না! মামি, প্লিজ, কেবল আরেকবার...’

প্রথমে খানিকটা অবাক হয়ে কুৎসিততমো মহিলা বললো, ‘না, তুমি এ পুরস্কারের যোগ্য নও।’ এরপর সে লাগতে গেলো এক প্রতিবেশীর সঙ্গে। যেই না দেখা ওমনি সে প্রতিবেশিনীর হাঁটুর নিচে সুচালো বুট জুতো দিয়ে মারলো কষে এক লাথি।

যদিও ব্যথায় তার কলজে পর্যন্ত নড়ে উঠেছে তবু সে ঠোঁট চেপে ব্যথাটা সয়ে নিলো। আর চোখের পানি চেপে গিয়ে দজ্জাল মহিলাকে বললো, ‘অনেক ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার কাছে কি একটা উপকার আশা করতে পারি?’

‘উপকার! কীসের কি উপকার!’, চিৎকার করে উঠলো বদের বদ, পরম বদ মহিলাটি।

‘আমার নিতম্বেও যদি একটা লাথি দিতেন। এতো আরাম লাগে যে কী বলবো! আপনার মতো এমন করে আমাকে আর কেউ কোনদিন এভাবে মারেনি। এমন জোরে দিন যাতে...’

‘না, না, না। আমার কাছে উপকার চাওয়ার চিন্তা কার মাথায় আসে?’, মহিলা বললো।

চেহারায় সত্যি সত্যি খুব বিষন্নতার ভাব এনে প্রতিবেশিনী অনুরোধ করে বললো, ‘একটা ছোট্ট লাথিও কি দেওয়া যায় না?’

যখন এরকম অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটছে তখন সে মুচিকে খুঁজে পেলো। মুচির চুল ধরে এমন জোরে টান দিলো যে মুঠোভরে চলে এলো চুল। ‘অনেক ধন্যবাদ, মালকিন’, মুচি বললো- ‘বাকি যে কটা চুল আছে সে কটাও তুলে ফেললে আমি কৃতজ্ঞ হই। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না টেকো হওয়ার ইচ্ছে আমার কতো প্রবল। আপনি কাজটা এতো মোলায়েম আর যত্ম নিয়ে করেন... বিশ্বাস করুন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নাপিতও এতো ভালোভাবে করতে পারবে না।’

একের পর এক, এলাকার সবার সঙ্গে পৃথিবীর কুৎসিততমো মহিলা এসব কাণ্ড করতে করতে যখন রাত নেমে এলো, তার চোখজুড়ে নেমে এলো ঘুম।

সে যখন ঘুমিয়ে পড়লো, তখন সবাই আবার জড়ো হলো।

‘আমাদের পরিকল্পনা কাজ করছে। তাকে এভাবেই ধোঁকা দিয়ে যেতে হবে’, বুড়ো বললো- ‘যখন ওর মধ্যে ভালো কিছু করার খেয়াল চাপবে, যদি তা ঘটেই, তাহলে সবাই অভিযোগের সুরে বলবো, উহ্ ভীষণ ব্যথা করছে। যেন সবচেয়ে খারাপ কাজটি করছে কেউ।’

সবার মুখে একটা হাসি ছড়িয়ে পড়লো। সম্মিলিতভাবে সবাই বলে উঠলো-

‘একমত’ 

পৃথিবীর কুৎসিততমো মহিলা পরের দিন তিরিক্ষি মেজাজ নিয়ে ঘুম থেকে উঠলো। রান্না ঘরে গেলো তার ছেলেমেয়েদের জন্য কুকুরের খাবার তৈরি করতে। রাগে তার মেজাজটা খাট্টা হয়ে গেলো যখন দেখলো খাবারের কৌটাটা খালি।

‘ধ্যাত!’, অভিযোগের সুরে বিড়বিড় করে উঠলো মহিলা- ‘এখন কিনা সকালের নাস্তা হিসেবে ওদেরকে খেতে দিতে হবে দুধ আর মধু মেশানো সেরেয়াল!’

বাচ্চারা যখন দেখলো ওদের খাবার দেওয়া হয়েছে তখন ওরা গাইগুই শুরু করলো, ‘মা, ভয়ংকর এগুলো কী জিনিস?’

‘মধু মেশানো সেরেয়াল, গবেট কোথাকার!’

‘আমি এটা খাবো না।’

‘আমিও না’, বললো একেবারে ছোট্ট ছেলেটি। ততোক্ষণে চোখে তার পানি নেমে এসেছে।

‘কুত্তার খাবারই আমার পছন্দ।’

‘আমারও’, অন্যরা সমস্বরে বলে উঠলো।

কিন্তু যে খাবার দেওয়া হয়েছিলো সেগুলোই খেতে বাধ্য করলো বদখত মহিলা। খেতে গিয়ে ওরা এমন চেহারা করলো যেন রান্না করা কাঁকড়াবিছা খাচ্ছে।

ছেলেমেয়েদের স্কুলে দিয়ে ফেরার পথে সামনে পড়লো এক কামার। কামার বললো, ‘মাফ করবেন ভদ্রমহোদয়া, আমার পিঠে একটা ঘুষি মারার উপকার কি করতে পারবেন?’

‘না, আপনি কী করে ভাবলেন যে আমার কাছে উপকার চাওয়া যায়, এ্যাঁ?’

মহিলাটি এতোই রেগে গিয়েছিলো যে তার চারপাশে কী ঘটছে সে বুঝতে পারলো না। এতোই বিভ্রান্ত হলো যে, ওই এলাকার ভিক্ষুককে কোনো রকম খেয়াল না করেই ভিক্ষা দিলো একটা টাকা!

ভিক্ষুক তাতে রেগে গিয়ে জানতে চাইলো, ‘ব্যাপারটা কী, ভদ্রমহোদয়া? এই ভয়ংকর টাকাটা অন্য কোথাও নিয়ে যান। আপনার দয়া দিয়ে আমাকে অপমান করবেন না।’

ভিক্ষুকের এটা পছন্দ হয়নি জেনে বেশ তৃপ্তি পেলো বদখত মহিলা। সঙ্গে সঙ্গে তার ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে সব টাকা-পয়সা বের করে ভিক্ষুকের টুপির মধ্যে গুঁজে দিলো।

এরকম ঘটতে লাগলো এলাকার প্রত্যেকের সঙ্গে।

একেবারে সবশেষে যার সঙ্গে দেখা সেই বুড়ো দৈনন্দিন শুভেচ্ছা হিসেবে বললো, ‘আপনার দিনটি খুব অশুভ হোক, ভদ্রমহোদয়া! লক্ষ্য করেছেন কি আসমান থেকে এক ফেরেশতা এসে আমাদের জন্য এ এলাকায় একটা চমৎকার দেয়াল গড়েছে! এমন সুন্দর একটা দেয়াল পেয়ে আমরা সবাই খুব খুশি আর গর্বিত।’

অথৈ রাগে বদখত মহিলার মুখ দিয়ে লোল আর নাক দিয়ে বেরিয়ে এলো ফেনার মতো তরল পদার্থ। দৌড়ে সে দেয়ালের দিকে গেলো, আর ঘণ্টা খানেকেরও কম সময়ে সেটাকে পুরোপুরি ভেঙে ফেললো।

এরপর থেকে এলাকার সবাই সুখে বাস করতে লাগলো। কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে বদখত মহিলাটি পৃথিবীর খারাপ জিনিসকে করতে লাগলো ভালো। আর এদিকে প্রতিবেশীরাও ওকে এভাবে ধোঁকা দিয়ে বেশ মজা লুটতে লাগলো।

  • ‘লা পিউর সেনোরা ডেল মুন্দো’ শিরোনামে গল্পের এ বইটি লিখেছেন মেক্সিকান কবি ও শিশুসাহিত্যিক ফ্রান্সিস্কো ইনোহোসা (১৯৫৪-)। স্প্যানিশ ভাষায় বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক