সুন্দরবনের রঙিন শিকারি

বাংলাদেশে যে ১২ প্রজাতির মাছরাঙ্গা পাওয়া যায়, তার মধ্যে আট প্রজাতির দেখা মেলে সুন্দরবনে। মহামারীর কারণে প্রায় আট মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে নভেম্বর থেকে আবার সুন্দরবনে যাওয়ার সুযোগ মিলছে পর্যটক আর বনজীবীদের। সেই সুযোগে চার দিন সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ছয় প্রজাতির মাছরাঙ্গার ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছেন মুস্তাফিজ মামুন।
  • শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্যে একটি খালের ধারে গাছের ডালে শিকারের অপেক্ষায় কলোটুপি মাছরাঙ্গা। এর ইংরেজি নাম ‘ব্ল্যাক ক্যাপড কিংফিশার’। বাংলাদেশে ১২ প্রজাতির মাছরাঙ্গার মধ্যে যে দুটি প্রজাতি পরিযায়ী, কালোটুপি মাছরাঙ্গা তার একটি। শীত মৌসুমে এ মাছরাঙ্গা সুন্দরবনেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। জোয়ারের সময় ছোট ছোট মাছ এবং ভাটার সময় কাদায় নেমে ব্যাঙ, কাঁকড়া শিকার করে এ পাখি।

    শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্যে একটি খালের ধারে গাছের ডালে শিকারের অপেক্ষায় কলোটুপি মাছরাঙ্গা। এর ইংরেজি নাম ‘ব্ল্যাক ক্যাপড কিংফিশার’। বাংলাদেশে ১২ প্রজাতির মাছরাঙ্গার মধ্যে যে দুটি প্রজাতি পরিযায়ী, কালোটুপি মাছরাঙ্গা তার একটি। শীত মৌসুমে এ মাছরাঙ্গা সুন্দরবনেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। জোয়ারের সময় ছোট ছোট মাছ এবং ভাটার সময় কাদায় নেমে ব্যাঙ, কাঁকড়া শিকার করে এ পাখি।

  • ‘খয়রাপাখ মাছরাঙা’বা ‘বাদামি মাছরাঙা’র ইংরেজি নাম ‘ব্রাউন উইংড কিংফিশার’। বিশ্বে এ মাছরাঙ্গার সংখ্যা দ্রুত কমে আসছে, বাংলাদেশেও দেখা মেলে কেবল সুন্দরবনে। সাধারণত জোয়ার-ভাটার সময় নদীর ধারে গাছের উঁচু ডালে বসে থাকে এ পাখি। মাছ, কাঁকড়া, ছোট ছোট সরীসৃপ এদের শিকার। কটকা অভয়ারণ্যের সুন্দরীর খালের পাড়ে একটি গাছের ডালে দেখা মিললো এ খয়রাপাখ মাছরাঙ্গার।

    ‘খয়রাপাখ মাছরাঙা’বা ‘বাদামি মাছরাঙা’র ইংরেজি নাম ‘ব্রাউন উইংড কিংফিশার’। বিশ্বে এ মাছরাঙ্গার সংখ্যা দ্রুত কমে আসছে, বাংলাদেশেও দেখা মেলে কেবল সুন্দরবনে। সাধারণত জোয়ার-ভাটার সময় নদীর ধারে গাছের উঁচু ডালে বসে থাকে এ পাখি। মাছ, কাঁকড়া, ছোট ছোট সরীসৃপ এদের শিকার। কটকা অভয়ারণ্যের সুন্দরীর খালের পাড়ে একটি গাছের ডালে দেখা মিললো এ খয়রাপাখ মাছরাঙ্গার।

  • পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি এলাকার খালে শিকারের অপেক্ষায় ছিল এই ধলাঘাড় মাছরাঙ্গা। এর ইংরেজি নাম ‘কলার্ড কিংফিশার’। জোয়ার ভাটা হয়- এমন খালের পাশেই সাধারণত এরা থাকে। মাছের পাশাপাশি কাঁকড়া ও পোকামাকড় খেয়ে বাঁচে এ পাখি। বাংলাদেশে সুন্দরবন ছাড়াও বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম এলাকায় এদের দেখা যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে বিপদে আছে ধলাঘাড় মাছরাঙ্গা।

    পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি এলাকার খালে শিকারের অপেক্ষায় ছিল এই ধলাঘাড় মাছরাঙ্গা। এর ইংরেজি নাম ‘কলার্ড কিংফিশার’। জোয়ার ভাটা হয়- এমন খালের পাশেই সাধারণত এরা থাকে। মাছের পাশাপাশি কাঁকড়া ও পোকামাকড় খেয়ে বাঁচে এ পাখি। বাংলাদেশে সুন্দরবন ছাড়াও বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম এলাকায় এদের দেখা যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে বিপদে আছে ধলাঘাড় মাছরাঙ্গা।

  • এর নাম ‘ধলাগলা মাছরাঙ্গা’, অনেকে ‘সাদা বুক মাছারাঙ্গাও’ বলেন। ইংরেজি নাম হোয়াইট ব্রেস্টেড কিংফিশার। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই নদী, পুকুর, খাল কিংবা ঝোপঝাড়ে এ পাখি দেখা যায়। মাছরাঙ্গা হলেও এদের খাদ্য তালিকায় মাছ খুব একটা থাকে না। মূলত কীটপতঙ্গ, কাঁকড়া, ব্যাঙ, টিকটিকি, গিরগিটি, ইঁদুর এবং ছোট ছোট পাখির ছানা এদের খাবার। ধলাগলা মাছরাঙ্গার এ ছবি পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি এলাকা থেকে তোলা।

    এর নাম ‘ধলাগলা মাছরাঙ্গা’, অনেকে ‘সাদা বুক মাছারাঙ্গাও’ বলেন। ইংরেজি নাম হোয়াইট ব্রেস্টেড কিংফিশার। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই নদী, পুকুর, খাল কিংবা ঝোপঝাড়ে এ পাখি দেখা যায়। মাছরাঙ্গা হলেও এদের খাদ্য তালিকায় মাছ খুব একটা থাকে না। মূলত কীটপতঙ্গ, কাঁকড়া, ব্যাঙ, টিকটিকি, গিরগিটি, ইঁদুর এবং ছোট ছোট পাখির ছানা এদের খাবার। ধলাগলা মাছরাঙ্গার এ ছবি পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি এলাকা থেকে তোলা।

  • পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় গাছে বসে থাকা এ পাখির নাম ‘পাতি মাছরাঙ্গা’, ইংরেজিতে বলে ‘কমন কিংফিশার’। আকারে ছোট চড়ুই পাখির মত, স্বভাবে বেশ শান্ত, তবে মাছ ধরায় বেশ পটু এ মাছরাঙ্গা। মাছ প্রধান খাবার হলেও জলজ পোকামাকড়ও এরা খায়। সুন্দরবন ছাড়াও সারাদেশে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় এদের দেখা যায়।

    পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় গাছে বসে থাকা এ পাখির নাম ‘পাতি মাছরাঙ্গা’, ইংরেজিতে বলে ‘কমন কিংফিশার’। আকারে ছোট চড়ুই পাখির মত, স্বভাবে বেশ শান্ত, তবে মাছ ধরায় বেশ পটু এ মাছরাঙ্গা। মাছ প্রধান খাবার হলেও জলজ পোকামাকড়ও এরা খায়। সুন্দরবন ছাড়াও সারাদেশে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় এদের দেখা যায়।

  • পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় দেখা এই পাখিটিকে কেউ বলেন ‘নীলকান মাছরাঙ্গা’, কেউ আবার চেনেন ‘নীলাভকান ছোট মাছরাঙ্গা’ নামে। তার ইংরেজি নাম ‘ব্লু ইয়ারর্ড কিংফিশার’। ছোট ছোট মাছ ও জলজ পোকামাকড় খেয়ে এরা বাঁচে। সুন্দরবন ছাড়াও চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মিশ্র চিরসবুজ বনের পাহাড়ি জলাধার ও ছড়া, উপকূলীয় গরান বন, এমনকি বরিশাল-বাগেরহাটের গ্রামীণ বন-বাগানসংলগ্ন জলাশয় বা খালের পাশেও এদের দেখা মেলে।

    পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় দেখা এই পাখিটিকে কেউ বলেন ‘নীলকান মাছরাঙ্গা’, কেউ আবার চেনেন ‘নীলাভকান ছোট মাছরাঙ্গা’ নামে। তার ইংরেজি নাম ‘ব্লু ইয়ারর্ড কিংফিশার’। ছোট ছোট মাছ ও জলজ পোকামাকড় খেয়ে এরা বাঁচে। সুন্দরবন ছাড়াও চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মিশ্র চিরসবুজ বনের পাহাড়ি জলাধার ও ছড়া, উপকূলীয় গরান বন, এমনকি বরিশাল-বাগেরহাটের গ্রামীণ বন-বাগানসংলগ্ন জলাশয় বা খালের পাশেও এদের দেখা মেলে।

Print Friendly and PDF