• ২০১৫: বাংলাদেশের সেরা সাফল্য, অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম শিরোপা
    এশিয়া-ইউরোপ-আফ্রিকা-ক্যারিবিয়ানে বিশ্বকাপ জেতা অস্ট্রেলিয়ার অপূর্ণতা ছিল নিজ দেশে। ২০১৫ আসরে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে টুর্নামেন্টের সফলতম দলটি ঘরের মাঠে জিতে নেয় পঞ্চম শিরোপা। এই আসরেই বাংলাদেশের ক্রিকেট পৌঁছায় নতুন উচ্চতায়। প্রথমবারের মতো খেলে কোয়ার্টার-ফাইনালে।
  • ২০১১ বিশ্বকাপ: ভারতের দ্বিতীয় শিরোপা
    বিশ্বকাপের দশম আসরের চিত্রনাট্য যেন নিজ হাতে লিখেছিলেন ক্রিকেট-বিধাতা। ক্রিকেটের মহানায়কের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয় নিজ শহরে। ২৮ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জিতে ভারত। নিজের ষষ্ঠ আসরে এসে পরম আকাঙ্ক্ষিত শিরোপার স্বাদ পান শচীন টেন্ডুলকার।
  • ২০০৭ বিশ্বকাপ: হ্যাটট্রিক শিরোপায় অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস
    মহাদেশ বদলায়, ভেন্যু বদলায় কিন্তু বদলায় না অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ব জয়ের পথচলা। থামে না ক্রিকেট বিশ্বকে শাসন করা দেশটির দাপট। ক্যারিবিয়ানে জিতে ইতিহাসের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র দল হিসেবে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তোলে অস্ট্রেলিয়া। আগের আসরের দুঃস্বপ্ন ভুলে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তারুণ্যের আলোয় দলটি প্রথমবারের মতো পার হয় গ্রুপ পর্বের গণ্ডি।
  • ২০০৩: আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার উৎসব, বাংলাদেশের আঁধার
    সামর্থ্যের যে ঝলক অস্ট্রেলিয়া দেখিয়েছিল ইংল্যান্ডে, আফ্রিকায় এসে তা পায় পূর্ণতা। দ্বিতীয় দল হিসেবে হয় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন, ধরে রাখে শিরোপা। একমাত্র দল হিসেবে জিতে তিনটি বিশ্বকাপ। আগের আসরে বিশ্বকাপ অভিষেকে স্বপ্নময় টুর্নামেন্টের পর বাংলাদেশের জন্য ২০০৩ বিশ্বকাপ ছিল যেন দুঃস্বপ্ন।
  • ১৯৯৯: অস্ট্রেলিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের শুরু, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ
    স্টিভ ওয়াহর ক্যাচটা যদি নিতে পারতেন হার্শেল গিবস কিংবা পরের ম্যাচে অমন পাগলাটে দৌড় না দিতেন অ্যালান ডোনাল্ড, হয়তো বিশ্ব ক্রিকেটের মানচিত্রটা আজ অন্যরকম দেখাতো। যে দুই জয় দিয়ে বিশ্ব শাসনের পথে অস্ট্রেলিয়ার এগিয়ে চলার শুরু, সেই দুই ম্যাচেই জয়ের বাতিঘরের দোরগোড়ায় গিয়ে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ শ্রেষ্ঠত্ব শুরুর এই আসর দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।  
  • ১৯৯৬: লঙ্কান শ্রেষ্ঠত্বের বিজয় কেতন
    মাঝেমধ্যে অঘটনের জন্ম দেওয়া, কখনও লড়াই করা, আর বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকা তলানিতে, বিশ্ব ক্রিকেটে এই ছিল শ্রীলঙ্কার পরিচয়। কিন্তু একটি টুর্নামেন্ট পাল্টে দেয় চিত্র। ক্রিকেটের মানচিত্রেই বড় একটা ওলট-পালট হয়ে যায় বিশ্বকাপের ষষ্ঠ আসরে। ক্রিকেট বিশ্বকে বিস্ময়ে ডুবিয়ে অর্জুনা রানাতুঙ্গার শ্রীলঙ্কা ভাসে বিশ্বজয়ের উৎসবে।
  • ১৯৯২: কোণঠাসা পাকিস্তানের চমক
    রঙিন পোশাক, সাদা বল। কালো সাইটস্ক্রিন, কৃত্রিম আলো। টিভি সম্প্রচারে নতুনত্ব, দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়াম। অনেক দিক থেকেই ১৯৯২ বিশ্বকাপ ছিল চমক জাগানিয়া। তবে আলো ঝলমলে আসরের সবচেয়ে বড় চমকের নাম ছিল পাকিস্তান। খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে যেভাবে শিরোপা জিতেছিল ইমরান খানের দল, তা চিরস্থায়ী জায়গা পেয়ে গেছে ক্রিকেটীয় রূপকথায়।
  • ১৯৮৭: উপমহাদেশের আসরে অস্ট্রেলিয়ার চমক
    আঁতুড় ঘর থেকে বেরিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপ যেন পৌঁছায় দর্শকের আরও কাছে। ইংল্যান্ডে হয়ে যাওয়া আগের তিন আসরের চেয়ে অনেক বর্ণিল ছিল উপমহাদেশের আসর। মাঠের ক্রিকেট ছিল জমজমাট, লড়াই ছিল তীব্র। বিশ্বকাপের চতুর্থ আসর যৌথভাবে আয়োজন করে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত ও পাকিস্তান। ফাইনালে ওঠে ক্রিকেটের দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টের আগে সেভাবে আলোচনায় না থাকা অস্ট্রেলিয়া চমকে দেয় প্রথম শিরোপা জিতে।
  • ১৯৮৩: ভারতের রূপকথা
    চমকে ঠাসা ছিল ক্রিকেট বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর। উদ্বোধনী দিনে হেরে যায় পরাক্রমশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অস্ট্রেলিয়া। অঘটনের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমকটি আসে ফাইনালে। ক্যারিবিয়ানদের হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপ জিতে নেয় ভারত।  
  • ১৯৭৯: দাপুটে ক্রিকেটে আবারও সেরা উইন্ডিজ
    টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে ক্ষতি হয়নি কেবল ভারতের। নিউ জিল্যান্ড হারিয়েছিল শুধুমাত্র রিচার্ড হ্যাডলিকে। তবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান। ক্যারি প্যাকারের ওয়ার্ল্ড সিরিজের ছোবলে তারকাশূন্য হয়ে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। শেষ পর্যন্ত মেলে সমাধান। বিশ্বমঞ্চে পা পড়ে বিশ্ব তারকাদের।
  • ১৯৭৫: ক্রিকেটে এল বিশ্বকাপ, শিরোপা উইন্ডিজের
    ইংলিশ কাউন্টি দলগুলোর জন্য ১৯৭৫ সালের জুন মাসের ৭ থেকে ২১ জুন ছিল যেন স্রেফ একটা বিরতি। সংবাদমাধ্যম ‘এই বিরতির সময়’ হয়ে যাওয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল উইম্বলডনকে। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের শুরুটা ছিল এমনই সাদামাটা। খোদ ক্রিকেটারদের অনেকেও সংশয়ে ছিলেন, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ব্যাপারটা আসলে কী।