অস্ট্রেলিয়ান কোচের হাত ধরে ইংল্যান্ডের বিশ্বজয়

অস্ট্রেলিয়ান কোচের হাত ধরে ইংল্যান্ডের বিশ্বজয়

অনুশীলনে তাকে খুব ব্যস্ত বা হাঁকডাক করতে দেখা যায় খুব কমই। হয়তো রোলারের ওপর বসে থাকেন। মাঠ বা নেটের পাশে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হন কদাচিৎ। আড়ালে থাকতে পছন্দ করেন, নিজের মতো কাজ করতে ভালোবাসেন। সেই পথ ধরে হেঁটেই ট্রেভর বেলিস পেলেন সাফল্যের ঠিকানা, ইংল্যান্ডের বিশ্বজয়ের নেপথ্য নায়ক। ক্রিকেটে চিরপ্রতিন্দ্বন্দ্বী দেশ অস্ট্রেলিয়ার এই কোচের হাত ধরেই ইংলিশরা পেল বহু আরাধ্য ট্রফির দেখা।

স্টোকসের যে ডাইভ ইংল্যান্ডকে নিল ট্রফির কাছে

স্টোকসের যে ডাইভ ইংল্যান্ডকে নিল ট্রফির কাছে

নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া চেষ্টা। অন্তত আরেকটি বল টিকে থাকার প্রবল তাড়না। একটি প্রাণপণ ডাইভ! রান আউট থেকে বাঁচতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন বেন স্টোকস। বল তার বাড়ানো ব্যাটে লেগে ফাঁকা জায়গা দিয়ে পার হলো সীমানা। নিউ জিল্যান্ডের স্বপ্নও যেন গেল বেরিয়ে। ইংল্যান্ড এগিয়ে গেল জয়ের ঠিকানার পথে।

ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ম্যাচ?

ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ম্যাচ?

ফাইনালের শেষ মুহূর্তগুলোর উত্তেজনা ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে যার কণ্ঠে হয়ে উঠেছিল আরও প্রাণবন্ত, সেই ইয়ান স্মিথ পরে বলছিলেন, “শত শত বছরের ক্রিকেট ইতিহাস, নাটকীয়তায় এই ম্যাচের তুলনীয় কোনোটি আছে?” এই প্রশ্ন, এই কৌতূহল থাকার কথা বিশ্বজুড়ে আরও শত কোটি ক্রিকেট অনুসারীর। উত্তরগুলো শেষ পর্যন্ত গিয়ে হয়তো মিলবে একটি উপসংহারে, ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ম্যাচ এটিই!

সেই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে স্মৃতির মেলায় স্টিভ ওয়াহ

সেই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে স্মৃতির মেলায় স্টিভ ওয়াহ

হাই-হ্যালো, শুভেচ্ছা বিনিময়ে আন্তরিক। কিন্তু ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে চাইলেই মুখে তালা। চুক্তির দায়বদ্ধতা আছে। শত অনুরোধেও গলানো কঠিন। শেষ পর্যন্ত মোক্ষম একটি দাওয়াই কাজে লাগল, স্মৃতির দুয়ারে টোকা দেওয়া। ওল্ড ট্রাফোর্ড! ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচ এই ওল্ড ট্রাফোর্ডেই। এই প্রসঙ্গ তুলতেই কাজ হলো। স্টিভ ওয়াহ খানিকটা খুলে দিলেন মনের আগল।

ভারত বধের ছক কষছেন বাংলাদেশের যে ভারতীয়

ভারত বধের ছক কষছেন বাংলাদেশের যে ভারতীয়

লোকেশ রাহুল তার কাছের বন্ধু। ভুবনেশ্বর কুমারের সঙ্গে সম্পর্ক দারুণ। ভারতীয় ক্রিকেটের অনেকের সঙ্গে আছে ঘনিষ্ঠতা। নিজেও ভারতীয়। তবে আপাতত তিনিই আঁকছেন ভারতকে হারানোর ছক। মুম্বাইয়ের ছেলে শ্রীনিবাস চন্দ্রশেখরন বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স অ্যানালিস্ট। ক্রিকেটারদের অনেকে তাকে বলেন দলের ‘ব্রেইন’। আপাতত তিনি ব্যস্ত প্রিয় বন্ধু রাহুলকে ফেরানো, নিজ দেশ ভারতকে হারানোর পরিকল্পনা সাজাতে।

মুশফিকের ব্যাটে দলের বিশ্বাস 

মুশফিকের ব্যাটে দলের বিশ্বাস 

বিশ্বকাপে চলছে সাকিব আল হাসান শো। অনন্য অলরাউন্ড কীর্তিতে স্মরণীয় করে চলেছেন বিশ্ব আসর। তবে আরেকজন কিন্তু নিজের কাজ ঠিকই করে চলেছেন। তার ব্যাটের চমক হয়তো চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে না, তবে দোলা দিচ্ছে হৃদয়ে। মুশফিকুর রহিম বিশ্বকাপেও পারফর্ম করে চলেছেন বরাবরের বিশ্বস্ততায়।

ব্যাটসম্যান সাকিবকে দেখে নিক বিশ্ব

ব্যাটসম্যান সাকিবকে দেখে নিক বিশ্ব

অলরাউন্ডার হিসেবে অসাধারণ। সবসময়ের সেরাদের একজন। বোলার হিসেবে দুর্দান্ত, বিশ্বস্ত, ধারাবাহিক। ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান? তুলনা যখন বিশ্বসেরাদের সঙ্গে, ব্যাটসম্যান সাকিবকে নিয়ে ছিল দ্বিধা, ছিল সংশয়। এবারের বিশ্বকাপ যেন সাকিবের জন্য সেই দ্বিধা উড়িয়ে, যাবতীয় সংশয় গুঁড়িয়ে, প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিকে এক বিন্দুতে মেলানোর মঞ্চ।

এবার প্রত্যাশা পূরণের ধাপে বাংলাদেশ

এবার প্রত্যাশা পূরণের ধাপে বাংলাদেশ

প্রাথমিক পর্বের তিন ভাগের এক ভাগ ম্যাচ শেষ। কেমন করল বাংলাদেশ? সাদা চোখে বিচার করা কঠিন। তবে দলের লক্ষ্যের কথা ভাবলে, ফলের দিক থেকে এই পর্যায়টা খারাপ কাটেনি দলের। প্রথম তিন ম্যাচে চাওয়া ছিল অন্তত একটি জয়। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আসল লড়াই বলা যায় শুরু হচ্ছে পরের ধাপ থেকে, যেখানে বেশ কটি দলের বিপক্ষে জয়ই প্রত্যাশিত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: টি-টোয়েন্টির জাদু ওয়ানডেতেও দেখানোর পালা

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: টি-টোয়েন্টির জাদু ওয়ানডেতেও দেখানোর পালা

ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন। ফাইনালে উঠেছিল পরেরবারও। ইতিহাস-ঐতিহ্যে ভরপুর সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজই কি না ওয়ানডে ক্রিকেটে পিছিয়ে পড়ছে দিনকে দিন। প্রথম তিন আসরের পর আর ফাইনালে যেতে পারেনি দলটি। এবার তো মূল পর্বের টিকেটের জন্য তাদের খেলতে হয়েছে বাছাই পর্ব। তবুও গোণায় রাখতে হবে ক্যারিবিয়ানদের। টি-টোয়েন্টির জাদু ৫০ ওভারের ক্রিকেটেও দেখাতে পারলে ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেলরা পাল্টে দিতে পারেন সব হিসেব-নিকেশ।    

শ্রীলঙ্কা: চমকে ঠাসা দলের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ

শ্রীলঙ্কা: চমকে ঠাসা দলের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ

মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারা, তিলকারত্নে দিলশানদের বিদায়ের পর এখনও শেষ হয়নি শ্রীলঙ্কার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া। দল পায়নি সঠিক ভারসাম্য। গড়ে ওঠেনি জয়ের অভ্যাস। একরকম ধুঁকতে ধুঁকতে বিশ্বকাপে যাচ্ছে ১৯৯৬ আসরের চ্যাম্পিয়নরা। চমকে ঠাসা এক দল নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে লঙ্কানরা।

দক্ষিণ আফ্রিকা: স্টেইন-আমলা-তাহিরদের শেষ সুযোগ

দক্ষিণ আফ্রিকা: স্টেইন-আমলা-তাহিরদের শেষ সুযোগ

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের গেরো কেটেছে গতবার। দক্ষিণ আফ্রিকার নজর এবার আরও উঁচুতে। একটি প্রজন্মের শেষ হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড আসর দিয়ে। আরাধ্য বিশ্ব সেরার মুকুট জিতে ডেল স্টেইন-হাশিম আমলা-ইমরান তাহির-জেপি দুমিনিদের শেষ বিশ্বকাপ রাঙানোর সুযোগ প্রোটিয়াদের সামনে।

পাকিস্তান: ইংল্যান্ডে আরেকটি ট্রফির পুনরাবৃত্তি?

পাকিস্তান: ইংল্যান্ডে আরেকটি ট্রফির পুনরাবৃত্তি?

ক্রিকেটের সবচেয়ে অননুমেয় দল পাকিস্তানকে কখনও হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। ফেভারিট হিসেবে শুরু করে দ্রুত বিদায় কিংবা কোনোমতে টিকে গিয়ে বিশ্বজয়, কোনোটাই অসম্ভব নয় দলটির জন্য। দুই বছর আগে ইংল্যান্ডেই যেমন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতে এর আরেকটি উদাহরণ দিয়েছে পাকিস্তান। এবার বিশ্বকাপে তার পুনরাবৃত্তির চ্যালেঞ্জ সরফরাজ আহমেদের দলের সামনে।

নিউ জিল্যান্ড: এবার বিজয় মঞ্চের অপেক্ষা

নিউ জিল্যান্ড: এবার বিজয় মঞ্চের অপেক্ষা

‘সেমি-ফাইনালের দল’ তকমা থেকে মুক্তি মিলেছে। শেষ চারের জাল ছিঁড়ে গত বিশ্বকাপে পা পড়েছে ফাইনালের মঞ্চে। কিন্তু বিজয় মঞ্চে ওঠা হয়নি। এবার কি নিউ জিল্যান্ড পারবে সেই অপূর্ণতা ঘোচাতে?

ভারত: সবচেয়ে গোছানো দল

ভারত: সবচেয়ে গোছানো দল

স্কোয়াডে কেবল মাত্র একটা জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। এটাই বলে দেয় ভারতের দলটা কতটা গোছানো, কতটা প্রস্তুত। দুই বছর আগে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠেও হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছিল। সেই ইংল্যান্ডে এবার বিজয় পতাকা ওড়াতে প্রত্যয়ী বিরাট কোহলির দল।

ইংল্যান্ড: অপেক্ষার অবসানের আশায়

ইংল্যান্ড: অপেক্ষার অবসানের আশায়

২০১৫ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর আমূল বদলে গেছে ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ক্রিকেট। ওয়েন মর্গ্যানদের ভয়ডরহীন ক্রিকেট যেন এক সময়ের অজেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর অপ্রতিরোধ্য অস্ট্রেলিয়ার ইংলিশ সংস্করণ। আগের ছয় আসরে কোয়ার্টার-ফাইনালের বাধা পেরুতে না পারা দলটি স্বপ্ন দেখছে বিশ্ব জয়ের।

অস্ট্রেলিয়া: ঠিক সময়ে চেনা ছন্দে

অস্ট্রেলিয়া: ঠিক সময়ে চেনা ছন্দে

কেপ টাউন টেস্টে বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর যেন দিশা হারিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। একের পর এক হারে তলিয়ে যাচ্ছিল ক্রিকেটের অন্যতম এই পরাশক্তি। তবে ঠিক সময়ে ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে এসেছে তারা। শাস্তি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। বিশ্বকাপের সফলতম দলটির নজর ষষ্ঠ শিরোপায়।

২০১৫: বাংলাদেশের সেরা সাফল্য, অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম শিরোপা

২০১৫: বাংলাদেশের সেরা সাফল্য, অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম শিরোপা

এশিয়া-ইউরোপ-আফ্রিকা-ক্যারিবিয়ানে বিশ্বকাপ জেতা অস্ট্রেলিয়ার অপূর্ণতা ছিল নিজ দেশে। ২০১৫ আসরে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে টুর্নামেন্টের সফলতম দলটি ঘরের মাঠে জিতে নেয় পঞ্চম শিরোপা। এই আসরেই বাংলাদেশের ক্রিকেট পৌঁছায় নতুন উচ্চতায়। প্রথমবারের মতো খেলে কোয়ার্টার-ফাইনালে।

২০১১ বিশ্বকাপ: ভারতের দ্বিতীয় শিরোপা

২০১১ বিশ্বকাপ: ভারতের দ্বিতীয় শিরোপা

বিশ্বকাপের দশম আসরের চিত্রনাট্য যেন নিজ হাতে লিখেছিলেন ক্রিকেট-বিধাতা। ক্রিকেটের মহানায়কের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয় নিজ শহরে। ২৮ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জিতে ভারত। নিজের ষষ্ঠ আসরে এসে পরম আকাঙ্ক্ষিত শিরোপার স্বাদ পান শচীন টেন্ডুলকার।

২০০৭ বিশ্বকাপ: হ্যাটট্রিক শিরোপায় অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস

২০০৭ বিশ্বকাপ: হ্যাটট্রিক শিরোপায় অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস

মহাদেশ বদলায়, ভেন্যু বদলায় কিন্তু বদলায় না অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ব জয়ের পথচলা। থামে না ক্রিকেট বিশ্বকে শাসন করা দেশটির দাপট। ক্যারিবিয়ানে জিতে ইতিহাসের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র দল হিসেবে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তোলে অস্ট্রেলিয়া। আগের আসরের দুঃস্বপ্ন ভুলে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তারুণ্যের আলোয় দলটি প্রথমবারের মতো পার হয় গ্রুপ পর্বের গণ্ডি।

২০০৩: আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার উৎসব, বাংলাদেশের আঁধার

২০০৩: আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার উৎসব, বাংলাদেশের আঁধার

সামর্থ্যের যে ঝলক অস্ট্রেলিয়া দেখিয়েছিল ইংল্যান্ডে, আফ্রিকায় এসে তা পায় পূর্ণতা। দ্বিতীয় দল হিসেবে হয় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন, ধরে রাখে শিরোপা। একমাত্র দল হিসেবে জিতে তিনটি বিশ্বকাপ। আগের আসরে বিশ্বকাপ অভিষেকে স্বপ্নময় টুর্নামেন্টের পর বাংলাদেশের জন্য ২০০৩ বিশ্বকাপ ছিল যেন দুঃস্বপ্ন।

১৯৯৯: অস্ট্রেলিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের শুরু, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ

১৯৯৯: অস্ট্রেলিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের শুরু, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ

স্টিভ ওয়াহর ক্যাচটা যদি নিতে পারতেন হার্শেল গিবস কিংবা পরের ম্যাচে অমন পাগলাটে দৌড় না দিতেন অ্যালান ডোনাল্ড, হয়তো বিশ্ব ক্রিকেটের মানচিত্রটা আজ অন্যরকম দেখাতো। যে দুই জয় দিয়ে বিশ্ব শাসনের পথে অস্ট্রেলিয়ার এগিয়ে চলার শুরু, সেই দুই ম্যাচেই জয়ের বাতিঘরের দোরগোড়ায় গিয়ে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ শ্রেষ্ঠত্ব শুরুর এই আসর দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।  

১৯৯৬: লঙ্কান শ্রেষ্ঠত্বের বিজয় কেতন

১৯৯৬: লঙ্কান শ্রেষ্ঠত্বের বিজয় কেতন

মাঝেমধ্যে অঘটনের জন্ম দেওয়া, কখনও লড়াই করা, আর বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকা তলানিতে, বিশ্ব ক্রিকেটে এই ছিল শ্রীলঙ্কার পরিচয়। কিন্তু একটি টুর্নামেন্ট পাল্টে দেয় চিত্র। ক্রিকেটের মানচিত্রেই বড় একটা ওলট-পালট হয়ে যায় বিশ্বকাপের ষষ্ঠ আসরে। ক্রিকেট বিশ্বকে বিস্ময়ে ডুবিয়ে অর্জুনা রানাতুঙ্গার শ্রীলঙ্কা ভাসে বিশ্বজয়ের উৎসবে।

১৯৯২: কোণঠাসা পাকিস্তানের চমক

১৯৯২: কোণঠাসা পাকিস্তানের চমক

রঙিন পোশাক, সাদা বল। কালো সাইটস্ক্রিন, কৃত্রিম আলো। টিভি সম্প্রচারে নতুনত্ব, দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়াম। অনেক দিক থেকেই ১৯৯২ বিশ্বকাপ ছিল চমক জাগানিয়া। তবে আলো ঝলমলে আসরের সবচেয়ে বড় চমকের নাম ছিল পাকিস্তান। খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে যেভাবে শিরোপা জিতেছিল ইমরান খানের দল, তা চিরস্থায়ী জায়গা পেয়ে গেছে ক্রিকেটীয় রূপকথায়।

১৯৮৭: উপমহাদেশের আসরে অস্ট্রেলিয়ার চমক

১৯৮৭: উপমহাদেশের আসরে অস্ট্রেলিয়ার চমক

আঁতুড় ঘর থেকে বেরিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপ যেন পৌঁছায় দর্শকের আরও কাছে। ইংল্যান্ডে হয়ে যাওয়া আগের তিন আসরের চেয়ে অনেক বর্ণিল ছিল উপমহাদেশের আসর। মাঠের ক্রিকেট ছিল জমজমাট, লড়াই ছিল তীব্র। বিশ্বকাপের চতুর্থ আসর যৌথভাবে আয়োজন করে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারত ও পাকিস্তান। ফাইনালে ওঠে ক্রিকেটের দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টের আগে সেভাবে আলোচনায় না থাকা অস্ট্রেলিয়া চমকে দেয় প্রথম শিরোপা জিতে।

১৯৮৩: ভারতের রূপকথা

১৯৮৩: ভারতের রূপকথা

চমকে ঠাসা ছিল ক্রিকেট বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর। উদ্বোধনী দিনে হেরে যায় পরাক্রমশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অস্ট্রেলিয়া। অঘটনের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমকটি আসে ফাইনালে। ক্যারিবিয়ানদের হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপ জিতে নেয় ভারত।  

আফগানিস্তান: রশিদ-নবি-মুজিব ভেলায় চড়ে চমকের আশা

আফগানিস্তান: রশিদ-নবি-মুজিব ভেলায় চড়ে চমকের আশা

চার বছর আগে বিশ্বকাপ অভিষেকে আহামরি কিছু করেনি আফগানিস্তান। তবে পেয়েছিল জয়ের দেখা। আর এবার অনেক কিছুর যোগফলে কোনোমতে মিলেছে সুযোগ। হঠাৎ করেই নেতৃত্বে বদলে কিছুটা এলোমেলো হয়ে গেছে তারা। দলটিকে নিয়ে তবুও উচ্ছ্বাসের কমতি নেই। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি ও মুজিব উর রহমানের ওপর ভর করে দেশটি যেতে পারে অনেক দূর।

বাংলাদেশ: আকাশ ছোঁয়ার হাতছানি

বাংলাদেশ: আকাশ ছোঁয়ার হাতছানি

স্বপ্ন যখন দেখব, বড় কেন নয়? দেশ ছাড়ার আগে বলে গেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। কি সেই স্বপ্ন? অনুমান করে নিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। চূড়া ছোঁয়ার দুঃসাহস নিয়ে এবার বিশ্বকাপে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

১৯৭৯: দাপুটে ক্রিকেটে আবারও সেরা উইন্ডিজ

১৯৭৯: দাপুটে ক্রিকেটে আবারও সেরা উইন্ডিজ

টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে ক্ষতি হয়নি কেবল ভারতের। নিউ জিল্যান্ড হারিয়েছিল শুধুমাত্র রিচার্ড হ্যাডলিকে। তবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান। ক্যারি প্যাকারের ওয়ার্ল্ড সিরিজের ছোবলে তারকাশূন্য হয়ে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। শেষ পর্যন্ত মেলে সমাধান। বিশ্বমঞ্চে পা পড়ে বিশ্ব তারকাদের।

১৯৭৫: ক্রিকেটে এল বিশ্বকাপ, শিরোপা উইন্ডিজের

১৯৭৫: ক্রিকেটে এল বিশ্বকাপ, শিরোপা উইন্ডিজের

ইংলিশ কাউন্টি দলগুলোর জন্য ১৯৭৫ সালের জুন মাসের ৭ থেকে ২১ জুন ছিল যেন স্রেফ একটা বিরতি। সংবাদমাধ্যম ‘এই বিরতির সময়’ হয়ে যাওয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল উইম্বলডনকে। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের শুরুটা ছিল এমনই সাদামাটা। খোদ ক্রিকেটারদের অনেকেও সংশয়ে ছিলেন, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ব্যাপারটা আসলে কী।

‘কালো অধ্যায়’ পেরিয়ে আলোয় ইয়াসির

‘কালো অধ্যায়’ পেরিয়ে আলোয় ইয়াসির

‘এ’ দলের দুটি সিরিজ তখন সামনে। রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষায় ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি। হঠাৎই সব রোমাঞ্চ বিষাদে রূপ নেয় একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। পায়ে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় ক্যারিয়ারই পড়ে যায় অনিশ্চয়তায়। তার নিজের কাছে যেটি ‘কালো অধ্যায়’। তবে চার মাস মাঠের বাইরে থেকে ফিরে আসেন নতুন উদ্যমে। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেই ২২ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান আবার উঠে এসেছেন আলোচনায়।

ওয়ানডেতে পুরোনো আক্ষেপের মাঝেও সাফল্যে রাঙা বছর

ওয়ানডেতে পুরোনো আক্ষেপের মাঝেও সাফল্যে রাঙা বছর

একটি ট্রফির আক্ষেপ ঘোচেনি এই বছরও। খুব কাছে গিয়েও না পাওয়ার হতাশায় পুড়তে হয়েছে আরও একবার। পুরোনো এই আক্ষেপের মাঝেও বছর জুড়ে সাফল্যের উজ্জ্বল রঙের ছটাই ছিল বেশি। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ এগিয়ে চলার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে ২০১৮ সালেও।

সাদমান: সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু

সাদমান: সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু

আর একটি মোটে বল। খেলতে পারলেই হয়ে যেত ডাবল সেঞ্চুরি। দেবেন্দ্র বিশুর বলে লাইন মিস করে মাইলফলক রয়ে গেল অধরা। তবে আক্ষেপটা সাময়িক, সম্ভাবনা অনন্ত। অভিষেকের দিনটিতে মিরপুরের ২২ গজে দৃপ্ত পদচারণায় সাদমান ইসলাম এঁকে দিলেন উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ছবি।

সেই ৪৩-এর চেয়েও হতাশার এই ১৪৩

সেই ৪৩-এর চেয়েও হতাশার এই ১৪৩

‘৪৩’ কি এখনও কাঁটা হয়ে বিদ্ধ করে বাংলাদেশকে? কয়েকদিন আগে কোচ স্টিভ রোডস বলেছিলেন, “১১ জন রিকি পন্টিং থাকলেও হয়তো সেদিন আমরা কোনোরকমে একশ করতাম।” কন্ডিশন সেখানে ব্যর্থতার ঢাল। কিন্তু এবার? গত জুলাইয়ে অ্যান্টিগায় ৪৩ রানের চেয়ে এবার সিলেটের ১৪৩ সংখ্যার হিসাবে একশ বেশি। তবে হতাশাও এই ইনিংসে শতগুণ বেশি!

এক পেসারের তিমিরেই বাংলাদেশ

এক পেসারের তিমিরেই বাংলাদেশ

দীর্ঘদেহী পেসার চাই। গতিময় পেসার চাই। পেস বোলিং নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গিতে বদল চাই। গত কিছুদিনে বারবার এই কথাগুলো উচ্চারিত হয়েছে বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডসের কণ্ঠে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে স্কোয়াডে রাখা হলো চার জন পেসার। হাওয়ায় শোনা যাচ্ছিল মনোভাব পরিবর্তনের সুর। কিন্তু সব আয়োজনের পর প্রসব হলো অশ্বডিম্ব। আবারও বাংলাদেশের একাদশে এক পেসার!

লিটনের চ্যালেঞ্জ, লিটনের সুযোগ

লিটনের চ্যালেঞ্জ, লিটনের সুযোগ

ওয়ানডের সমাধান মেলেনি এখনও। ধাঁধা কিন্তু আছে টেস্ট ক্রিকেটও। তামিম ইকবালের উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী কে? জিম্বাবুয়ে সিরিজে তামিম নেই, তবে এই সিরিজ থেকে মিলতে পারে তার ভবিষ্যত সঙ্গীর খোঁজ। যে লড়াইয়ে থাকবেন লিটন দাস। তার সামনে চ্যালেঞ্জ যেমন আছে, তেমনি থাকছে বড় সুযোগও।

ইমরুল-লিটনদের আসল পরীক্ষা সামনে

ইমরুল-লিটনদের আসল পরীক্ষা সামনে

রান এসেছে, সেঞ্চুরি হয়েছে, রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা চলেছে। সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের টপ অর্ডার নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। তবে প্রাথমিক উচ্ছ্বাসটুকু একপাশে সরিয়ে, ভাবনার গভীরে গেলে বেরিয়ে আসবে, এই স্বস্তি কেবলই সাময়িক। ইমরুল কায়েস, লিটন কুমার দাস ও সৌম্য সরকারের সত্যিকার পরীক্ষা সামনের দিনগুলোতে। প্রতিপক্ষ যখন আরও কঠিন, চ্যালেঞ্জ থাকবে আরও শক্ত, চাপ হবে প্রবলতর।

উদ্ভাসিত সেঞ্চুরিতে ইমরুলের বার্তা

উদ্ভাসিত সেঞ্চুরিতে ইমরুলের বার্তা

‘ইমরুল কায়েস শো’ তখন শেষ। কিন্তু শেষ হচ্ছিল না রেশ। প্রায় ১৮ হাজার দর্শকে ভরা গ্যালারি দাঁড়িয়ে জানাচ্ছে অভিবাদন। ড্রেসিং রুমে, ডাগ আউটে সতীর্থদের তালি শেষই হচ্ছিল না। মাঠের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এলেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা। চলল অভিনন্দনের পালা। ইনিংসটিই এমন, মন্ত্রমুগ্ধ চারপাশ। মোহাবিষ্ট প্রতিপক্ষও।

এশিয়া কাপ বড় সুযোগ যাদের জন্য

এশিয়া কাপ বড় সুযোগ যাদের জন্য

তামিম ইকবালের উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী কে? ছয়-সাতে কি মিলবে কার্যকর কোনো সমাধান? রঙিন পোশাকে কতটা তীব্র হবে মেহেদী হাসান মিরাজের আলোর ছটা? বিশ্বকাপ যত এগিয়ে আসছে, প্রশ্নগুলোর ওজনও বাড়ছে। উত্তরে প্রাপ্তি শুধুই হাহাকার। এবারের এশিয়া কাপ থেকেই হতে পারে সেই হাহাকার মুছে দেওয়ার শুরু। সম্ভাবনার দুয়ার খোলা আছে কয়েকজনের সামনে। শুধু দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার পালা!

সবুজ উইকেটে প্রকট বাংলাদেশের স্কিলের দৈন্য

সবুজ উইকেটে প্রকট বাংলাদেশের স্কিলের দৈন্য

“দুর্ভাবনার কিছু নেই, স্রেফ নিজেদের সহজাত খেলাটা খেলতে হবে”, টেস্ট শুরুর আগের দিন উইকেট দেখে বলেছিলেন সাকিব আল হাসান। অ্যান্টিগায় ব্যাটিং দুর্দশার পর চাইলে বলা যায়, সহজাত ব্যাটিংই করেছে বাংলাদেশ। সবুজ উইকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিং তো বরাবরই এমন বিবর্ণ!

লেগ স্পিনার রিশাদকে নিয়ে অনেক আশা নির্বাচকদের

লেগ স্পিনার রিশাদকে নিয়ে অনেক আশা নির্বাচকদের

লেগ স্পিনার মানেই একটু বাড়তি আগ্রহ। তার ওপর ছেলেটি বেশ লম্বা। বাড়তি বাউন্স মেলে। লাইন-লেংথ দারুণ। টার্ন কিছু আছে, সহজাত গতিও ব্যাটসম্যানকে ভোগানোর মতো। সব শুনে নির্বাচকরা দেখতে গেলেন নেটে। কয়েকদিন দেখেই মুগ্ধ। হাই পারফরম্যান্সের অনুশীলনে বোলিংয়ে উন্নতি হলো আরও। বাড়ল নির্বাচকদের মুগ্ধতা। এতটাই ভালো লাগল যে সরাসরি ডাকা হলো বাংলাদেশ ‘এ’ দলে। নাম রিশাদ হোসেন।

স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়া জয়

স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়া জয়

লক্ষ্য ফাইনাল। মালেয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে বলেছিলেন সালমা খাতুন। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স আর বাস্তবতা, সব ছিল বিপক্ষে। অধিনায়কের কণ্ঠে তাই যতটা ছিল বিশ্বাস, তার চেয়ে বেশি ছিল আশা। সেই আশা পূরণ হলো। ধরা দিল আরও বড় সাফল্য। ফাইনালে ওঠাই ছিল স্বপ্ন পূরণ। এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা ছাড়িয়ে গেল স্বপ্নের সীমানা।

বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ফুটিয়ে তুলছে প্রস্তুতির ঘাটতি

বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ফুটিয়ে তুলছে প্রস্তুতির ঘাটতি

সিরিজটি যখন চূড়ান্ত হলো, শঙ্কার ঘণ্টাও তখন থেকে বাজছিল। অসাধারণ স্কিলের রশিদ খান, রহস্য ঘেরা বৈচিত্রে ভরা মুজিব উর রহমান। শাহজাদ-শেনওয়ারির পাওয়ার হিটিং, নবি-স্টানিকজাইয়ের অভিজ্ঞতা। সবকিছু সামলাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? সিরিজের আগে ছিল সংশয়। ছিল প্রশ্ন। সিরিজ শেষে প্রশ্নগুলিই আরও উচ্চকিত। সত্যিই কতটা প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ?

‘আশার আলো’ আরিফুল

‘আশার আলো’ আরিফুল

ছয়-সাত নম্বরে একজন কার্যকর ব্যাটসম্যান অনেক দিন থেকেই খুঁজছে বাংলাদেশ। ভালো একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডারের জন্য হাহুতাশ বরাবরের। দুটির সমাধান হয়েই আসতে পারেন আরিফুল হক। এই অলরাউন্ডারের স্কিলের উন্নতি, পরিশ্রমের মানসিকতা ও ঘরোয়া ক্রিকেটের ধারবাহিকতায় সম্ভাবনার আলো দেখছেন জাতীয় নির্বাচকেরা।

নতুন দিনের স্বপ্ন দেখানো টুর্নামেন্ট

নতুন দিনের স্বপ্ন দেখানো টুর্নামেন্ট

দু-একটি দেহ মাঠে অসাড় দাঁড়িয়ে। কেউ কেউ শরীরটাকে কোনোরকমে যেন টেনে নিচ্ছেন যেন মাঠের বাইরে। কারও চোখের কোনে চিকচিক করছে জল। সবার মুখে রাজ্যের অন্ধকার। ছুটে এলেন কোর্টনি ওয়ালশ। পিঠ চাপড়ে দিলেন, বুকে জড়ালেন। শেষ বলে ছক্কার পর মাঠে অনেকক্ষণ উবু হয়ে পড়ে থাকা সৌম্যকে জড়ালেন শক্ত করে। হতাশাময় শেষটাই কি সব? শেষ বলের ছক্কায় শিরোপা স্বপ্ন ভেঙেছে। কিন্তু টি-টোয়েন্টির বাংলাদেশকে নতুন দিনের স্বপ্ন দেখিয়েছে তো এই টুর্নামেন্টই।

তেজোদীপ্ত সাকিব, আবেগের স্রোত আর স্বপ্নময় জয়

তেজোদীপ্ত সাকিব, আবেগের স্রোত আর স্বপ্নময় জয়

নতুন বলে আগুনে বোলিং। খুনে মানসিকতা। আগ্রাসী শরীরী ভাষা। সেমি-ফাইনালে রূপ নেওয়া ম্যাচে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল অদম্য স্পৃহার বার্তা ছড়িয়ে। যেটির উৎস ছিলেন দলে ফেরা অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এরপর রোমাঞ্চ ও উত্তেজনার নানা মোড় পেরিয়ে, আবেগের স্রোতে সাঁতার কেটে বাংলাদেশ ছুঁয়েছে জয়ের তীর। পেয়েছে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালের ঠিকানা।

তিলকরত্নে পরিবারের ক্রিকেট আনন্দ

তিলকরত্নে পরিবারের ক্রিকেট আনন্দ

সময় নেওয়া ছিল আগে থেকেই। শ্রীলঙ্কার অনুশীলন সেশন শেষ হতেই হাসি মুখে এগিয়ে এলেন দুভিন্দু তিলকরত্নে। নিয়ে গেলেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের একাডেমির অভ্যর্থনা কক্ষে। সেখানে অপেক্ষায় রাভিন্দু তিলকরত্নে। নাম দেখে পরিচয়টা আন্দাজ করা যেতে পারে, নইলে চেনার মত কেউ নন এই দুজন। বৃহস্পতিবার জাতীয় দলের অনুশীলনে ছিলেন নেট বোলার হিসেবে। তবে একটু পর যিনি যোগ দিলেন দুজনের সঙ্গে, ক্রিকেটের অনুসারী হলে তাকে না চেনার কারণ নেই। হাশান তিলকরত্নে। শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ও সাবেক এই অধিনায়কের যমজ ছেলে দুভিন্দু ও রাভিন্দু। বাবা-ছেলেদের রসায়ন দারুণ। আড্ডা জমে গেল তাই দ্রুতই।

একটি মুশফিক ‘মাস্টারক্লাস’

একটি মুশফিক ‘মাস্টারক্লাস’

প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম তখন যেন রোমান কলোসিয়াম। মুশফিকুর রহিম যেন কোনো যু্দ্ধজয়ী গ্ল্যাডিয়েটর। যেন দর্শকপ্রিয় কোনো যোদ্ধাকে হারিয়ে স্তব্ধ করে দিয়েছেন গ্যালারি। প্রাণপন সেই লড়াই জয়ের হুংকার ছুঁড়ছেন চারপাশ বিদীর্ণ করে। ফেটে পড়ছেন বুনো উল্লাসে। কলোসিয়াম হোক বা ২২ গজ, যে লড়াই জিতেছেন মুশফিক, যে ইনিংস খেলেছেন, এরপর অমন খ্যাপাটে উদযাপনই তো মানায়।

সেই পি সারা ওভালেই মাহমুদউল্লার অন্যরকম ফেরা

সেই পি সারা ওভালেই মাহমুদউল্লার অন্যরকম ফেরা

লাঞ্চ সেরে ড্রেসিং রুম থেকে বের হলেন সবার আগে। কিটব্যাগসহ সব গুছিয়ে মাঠে নামলেন ঝটপট। পিএসএলে তার দলের ‘মেন্টর’ ভিভ রিচার্ডসকে নিয়ে মুগ্ধতার কথা শোনালেন হাসি মুখে। গা গরমে সবাইকে অনুপ্রাণিত করলেন। পেস বোলারদের সবাইকে নিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বললেন আলাদা করে। পরে দলের সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে মাঠেই ছোটখাট টিম মিটিং, সেখানেও বক্তা তিনি। শ্রীলঙ্কায় প্রথম অনুশীলন সেশনে দারুণ চটপটে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। সেই মাঠে, বছর খানেক আগে যেখানে পেতে হয়েছিল তীব্র যন্ত্রণা।

চার বছর পর ফিরেই রাজ্জাকের চার

চার বছর পর ফিরেই রাজ্জাকের চার

১৯৮৬ সালের ইংল্যান্ড-নিউ জিল্যান্ড ওভাল টেস্ট। গাজা সেবনের দায়ে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে ফিরে ইয়ান বোথাম প্রথম বলেই আউট করলেন ব্রুস এডগারকে। স্পর্শ করলেন সেই সময়ের টেস্ট রেকর্ড ৩৫৫ উইকেট। ক্যাচটি নেওয়া গ্রাহাম গুচ তখন বলেছিলেন, “হু রাইটস ইয়োর ব্লাডি স্ক্রিপ্ট?” ক্রিকেট আখ্যানে স্থায়ী জায়গা পাওয়া কথাটি এখন বলা যায় আব্দুর রাজ্জাককেও, “কে লিখেছে এমন চিত্রনাট্য?” চার বছর পর টেস্ট দলে ফিরেই চার উইকেট!

গুরুর ছোঁয়ায় শাণিত মুমিনুল

গুরুর ছোঁয়ায় শাণিত মুমিনুল

বিপিএল শেষে যখন ছুটি কাটাচ্ছিলেন ক্রিকেটারদের অনেকে, মুমিনুল হক চলে গিয়েছিলেন বিকেএসপিতে। ভাবনায় ছিল সামনের টেস্ট সিরিজ। মনে অস্বস্তির কাঁটা স্পিনে ভোগান্তি। ক্রিকেটে যে কোনো সমস্যায় সবার আগে তার মনে পড়ে ‘মেন্টর’ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের কথা। বিকেএসপিতে গিয়ে কোচের সঙ্গে কাজ করলেন ‘ফুটওয়ার্ক’ নিয়ে। উন্নতির ছাপ দেখালেন বিসিএলে। বাড়ল আত্মবিশ্বাস। সেটির প্রতিফলনই পড়ল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে।

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সেঞ্চুরিতে দর্শক মাশরাফিরা

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সেঞ্চুরিতে দর্শক মাশরাফিরা

কত ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি দেখেছে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। দেশের ‘হোম অব ক্রিকেট’ নামে পরিচিত এই ভেন্যু নিজেই এখন দাঁড়িয়ে সেঞ্চুরির সামনে। ত্রিদেশীয় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি মিরপুরের এই মাঠের শততম ওয়ানডে। তবে এই মাঠ যাদের ঠিকানা, সেই মাশরাফি-সাকিব-তামিমরা থাকবেন দর্শক হয়ে।

সিলেট স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ মাশরাফি-সাকিব-মাহমুদউল্লাহ

সিলেট স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ মাশরাফি-সাকিব-মাহমুদউল্লাহ

সিলেট শহর থেকে বিমানবন্দর সড়কের একপাশে স্টেডিয়ামের বড় ফটক। সেটি দিয়ে সামনে এগোলেই দুই পাশে চা বাগান। সেই পথ পেরিয়ে স্টেডিয়ামের মূল আঙিনায় প্রবেশের ফটক। প্রথম দর্শনেই ভালো লাগার মতো চারপাশের সৌন্দর্য। ভেতরটাও চোখ জুড়িয়ে দেয় প্রথম দেখাতেই। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম যেন সৌন্দর্যের আধার!

৫ ছক্কার পর সাইফকে ব্যাট উপহার দিতে চেয়েছিলেন মিলার

৫ ছক্কার পর সাইফকে ব্যাট উপহার দিতে চেয়েছিলেন মিলার

প্রসঙ্গ উঠতেই লাজুক হাসি মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের কণ্ঠে, “আমি ভুলে গেছি ভাই… ভালো খেলি বা খারাপ খেলি, আমি দুটোই ভুলে যাই।” আলাপের বিষয় সেই টানা পাঁচ ছক্কা!

‘বাংলাদেশের সমস্যা ডট বল’

‘বাংলাদেশের সমস্যা ডট বল’

শেষের ঝড় তোলার জন্য গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কাইরন পোলার্ডের মতো কোনো ব্যাটসম্যান নেই বাংলাদেশের। মাঝের ওভারে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো নেই একজন এবি ডি ভিলিয়ার্স। মনে করা হয়, বাংলাদেশের বড় সংগ্রহ করতে না পারার কারণ বিগ হিটারদের অভাব। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক কেপলার ওয়েসেলস মনে করছেন, মূল সমস্যা এটা নয়। বাংলাদেশকে ভোগায় ব্যাটসম্যানদের বেশি ডট বল খেলা।

এই মুস্তাফিজকেই তো চাই

এই মুস্তাফিজকেই তো চাই

উইকেট সংখ্যায় না তাকালেও চলবে। মাথায় রাখতে হবে না বোলিং ফিগার। স্পিডগানের অঙ্ক জানার প্রয়োজনও নেই। স্রেফ মাঠের মুস্তাফিজুর রহমানকে দেখাই যথেষ্ট। চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনে দেখা গেল যে মুস্তাফিজকে, সেই মুস্তাফিজকেই তো চাই বাংলাদেশের।

এই পিছিয়ে থাকাও বাংলাদেশের একটি পরীক্ষা

এই পিছিয়ে থাকাও বাংলাদেশের একটি পরীক্ষা

দিনের খেলার তখন মিনিট পনের বাকি। গরমে, ক্লান্তিতে-শ্রান্তিতে নুইয়ে পড়লেন পিটার হ্যান্ডসকম। খেলা বন্ধ থাকল কিছুক্ষণ, চলল শুশ্রূষা। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরও তখন মনে হলো অবসন্ন। নিজেদের কন্ডিশনে অভ্যস্তই তারা, গরম তাই সমস্যা নয়। কিন্তু কাবু মানসিক ক্লান্তিতে।

সাকিব-তামিমের পঞ্চাশের যুগলবন্দী

সাকিব-তামিমের পঞ্চাশের যুগলবন্দী

একটা সময় এক নিশ্বাসেই উচ্চারিত হতো দুজনের নাম। সেই সুখের বাতাসে এখন আরও অনেক নামের ওড়াউড়ি। তবু আলাদা করে চেনা যায় সেই দুজনকে। বাংলাদেশের সেরা দুই পারফরমার, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা দুই বিজ্ঞাপন। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল, এক সঙ্গেই স্পর্শ করতে যাচ্ছেন টেস্ট খেলার হাফ সেঞ্চুরি।

প্রাপ্যটুকুও পেলেন না মুমিনুল

প্রাপ্যটুকুও পেলেন না মুমিনুল

সংবাদ সম্মেলনে ১৯টি প্রশ্ন করা হয়েছে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনকে। ১৩টিই ছিল একজনকে নিয়ে। কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহের কাছে প্রশ্ন ছিল ১৩টি। ১০টি সেই একজনকে নিয়েই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলে নেই মুমিনুল হক। কিন্তু ছিলেন দল ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনের প্রায় পুরোটা জুড়েই!

‘বুকের ভেতরে আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয়’

‘বুকের ভেতরে আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয়’

ড্রেসিং রুমের কোলাহল শোনা যাচ্ছিল বাইরে থেকেই। কেউ একজন চিৎকার করে বলছেন, “এই সবাই চুপ, চুপ। সবাই এক সঙ্গে শুরু কর।” খানিক পর ভেসে এল আনন্দ সঙ্গীত, “আমরা করব জয়, আমরা করব জয়, আমরা করব জয় একদিন…।”

বদলে যাওয়া কার্ডিফ থেকেই বদলাতে চায় বাংলাদেশ

বদলে যাওয়া কার্ডিফ থেকেই বদলাতে চায় বাংলাদেশ

“ওই যে র‌্যাডিশ জায়গাটা দেখছেন…”, মাঠের উল্টো প্রান্তের বিজ্ঞাপনী বোর্ডের দিকে দেখালেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, “ওখান দিয়েই ছিল গিলেস্পির বলে আফতাবের ছক্কা। আর এপাশে সিঙ্গেল নিয়ে আশরাফুলের সেঞ্চুরি…।” স্মৃতিময় কার্ডিফে ফিরে মাশরাফি ফিরে যান ১২ বছর আগে, “সব মনে আছে। এই বড় বড় গ্যালারির কিছু ছিল না। বেশিরভাগই ছিল ঘাসের গ্যালারি, ছিল গাছ। ড্রেসিং রুমও এত বড় ছিল না। কার্ডিফ বদলে গেছে অনেক…।”

মনের সিংহই খেয়েছে বাংলাদেশকে

মনের সিংহই খেয়েছে বাংলাদেশকে

ওয়ানডেতে ইংলিশরা এখন সত্যিকার অর্থেই সিংহ। ওভালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচেই যেমন বাংলাদেশের বোলিংকে আয়েশ করে চেটেপুটে খেল ইংলিশ সিংহরা। তবে ম্যাচ শেষে বোঝা গেল, বনের সিংহ নয়, বাংলাদেশকে আগেই খেয়ে ফেলেছিল মনের সিংহ!

ধোনি-সংস্পর্শে সোহান

ধোনি-সংস্পর্শে সোহান

বাংলাদেশ-ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ তখন শেষ। সেন্টার উইকেটে ব্যাটিং অনুশীলন করছিলেন যুবরাজ সিং। পাশেই প্যাড পরে ব্যাটিংয়ের অপেক্ষায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার সঙ্গে দেখা গেল বাংলাদেশের একজনকে; নুরুল হাসান সোহান।

বিশ্বাসের জয়, বাঁক বদলের জয়

বিশ্বাসের জয়, বাঁক বদলের জয়

“তিল ধারণের ঠাঁই নেই”, রূপক কথাটিও সেদিন যেন সত্যি হয়ে ফুটে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। উপলক্ষ্য বাংলাদেশের শততম ওয়ানডে। ২০০৪ সালে, প্রতিপক্ষ ভারত। সেই জনসমুদ্র উচ্ছ্বাসের ঢেউয়ে উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে। শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়ের। শততম টেস্টের জয়েও সূচনা হতে পারে সাদা পোশাকে রঙিন অধ্যায়ের।

মুমিনুলে ধৈর্য হারিয়ে ফেললো বাংলাদেশ?

মুমিনুলে ধৈর্য হারিয়ে ফেললো বাংলাদেশ?

চার বছর আগে শ্রীলঙ্কায় টেস্ট অভিষেকের পর এই সংস্করণে বাংলাদেশ দলের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছিলেন মুমিনুল হক। সেই শ্রীলঙ্কাতে ফিরে এবার জায়গা হারিয়েছেন বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

হাবিবুলের অধিনায়ক মাশরাফি, মাশরাফির দলে গাজী

হাবিবুলের অধিনায়ক মাশরাফি, মাশরাফির দলে গাজী

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৫০ টেস্ট খেলেছেন হাবিবুল বাশার। ছুঁয়েছেন ৩ হাজার রান। দলের প্রতিকূল সময়ে অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়ে সামলেছিলেন দারুণভাবে। মাশরাফি বিন মুর্তজা টেস্টে বাংলাদেশের সফলতম পেসার। তাকে পেয়েই প্রথম বিশ্বমানের কোনো পেসার পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে চোটের থাবায় এখন আর টেস্ট খেলতে পারছেন না। বাংলাদেশের শততম টেস্ট খেলার সময়টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য দুজন বেছে নিয়েছেন নিজেদের পছন্দের সেরা বাংলাদেশ টেস্ট একাদশ।

ব্যাটসম্যানরা পারেননি ‘রাব্বি’ হয়ে উঠতে!

ব্যাটসম্যানরা পারেননি ‘রাব্বি’ হয়ে উঠতে!

“ডিফেন্স করে কখনোই ম্যাচ বাঁচানো যায় না। দিন শেষে একজন ব্যাটসম্যানকে রান করতেই হবে। আজকে রাব্বি অনেক বল খেলেছে। কিন্তু সে তো বোলার, ব্যাটসম্যান নয়।”

কে হবেন বাংলাদেশের ডি ভিলিয়ার্স-দু প্লেসি?

কে হবেন বাংলাদেশের ডি ভিলিয়ার্স-দু প্লেসি?

শেষ দিনের লড়াইয়ে যদি বেছে নিতে বলা হয় বাংলাদেশের ড্রেসিং রুম থেকে একজনকে, কে হতে পারেন তিনি? চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় আঁকড়ে রাখতে পারতেন উইকেট, বুক চিতিয়ে সামলাতেন সব ঝড়, থিলান সামারাবিরার চেয়ে আদর্শ কে হতে পারেন!

টেস্ট সেঞ্চুরি এত সহজ!

টেস্ট সেঞ্চুরি এত সহজ!

প্রথম দিনের খেলা তখন শেষ দিকে। ওভারের ফাঁকে হেলমেট খুলে গলায় পানি ঢালছিলেন বিরাট কোহলি। ততক্ষণে সেঞ্চুরি হয়ে গেছে। টিভি ক্যামেরা ভারত অধিনায়ককে ধরল খুব কাছ থেকে। ধারাভাষ্যকক্ষে সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বললেন, “ক্লান্তির চিহ্ন নেই, আক্ষরিক অর্থেই নেই এক বিন্দু ঘাম!”

হায়দরাবাদের স্মরণিকায় ভালোবাসার বাংলাদেশ

হায়দরাবাদের স্মরণিকায় ভালোবাসার বাংলাদেশ

বয়সের ভারে ন্যুজ, তবে চোখে-মুখে দীপ্তি। গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছেন। পাশেই একজন হাতে বয়ে বেড়াচ্ছেন ম্যাগাজিনের স্তুপ। সেখান থেকেই একটি করে নিয়ে সংবাদকর্মীদের দিচ্ছেন প্রৌঢ় মানুষটি। তুলে দিচ্ছেন পরম মমতায়, যেন কোনো অমূল্য সম্পদ!

১০ উইকেট ‘বার্ষিকীতে’ আপ্লুত কুম্বলে

১০ উইকেট ‘বার্ষিকীতে’ আপ্লুত কুম্বলে

“অবশ্যই সবকটা উইকেট মনে আছে। শুধু ওই ১০টি কেন, ৬০০ উইকেটের সবকটি মানে আছে আমার…।” পুরো সময়টাই গম্ভীর কণ্ঠে কথা বলছিলেন অনিল কুম্বলে। সংবাদ সম্মেলন কক্ষেও যেন একটা ‘ভাব গাম্ভীর্যপূর্ণ’ পরিবেশ। তবে ভারতীয় কোচ শেষ কথাটি বললেন হাসতে হাসতে। হাসির রোল উঠল চারপাশেও। ৬০০ উইকেটই মনে আছে!

সেই ভারতেই ওয়ালশের ভিন্ন চ্যালেঞ্জ

সেই ভারতেই ওয়ালশের ভিন্ন চ্যালেঞ্জ

ড্রেসিং রুমের সামনেই মাঠে দাঁড়ানো কোর্টনি ওয়ালশ। তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে শফিউল ইসলাম, আবু জায়েদ ও শুভাশীষ রায়। প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের তিন পেসার বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনলেন ওয়ালশের কথা। তার পর মাঠে গিয়ে অকাতরে বিলিয়ে দিলেন; নিজেদের নয়, বিলিয়ে দিলেন রান। তাতে শুভাশীষ ছিলেন দারুণ, বাকি দুজনই নিদারুণ!

স্মৃতির জিমখানায় প্রাণের জোয়ার বাংলাদেশকে দিয়ে

স্মৃতির জিমখানায় প্রাণের জোয়ার বাংলাদেশকে দিয়ে

“ওই যে বিল্ডিংটা দেখছেন…”, মাঠের পাশ ঘিরে থাকা গাছের সারির ওপর দিয়ে আঙুল উঁচিয়ে দূরে দেখাচ্ছিলেন নয়াপতি জগন্নাথ দাস, “একটা ছক্কায় সিকে নাইডু বল ফেলেছিলেন ওই বিল্ডিংয়ের কাছে।” স্থানীয় অভিজ্ঞ এই সংবাদকর্মী হাসতে হাসতে বলছিলেন, “অনেক ঘটনার সাক্ষী এই জিমখানা মাঠ, ভারতীয় ক্রিকেটের অনেক অনেক স্মৃতি এখানে।”

কোচের কাছে ফল হতাশার, সফর নয়

কোচের কাছে ফল হতাশার, সফর নয়

বরাবরের মতোই হ্যাগলি পার্কের পাশে পার্কিংয়ে গাড়ির লম্বা সারি। প্রতিদিনের মতোই তাজা বাতাস আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শরীরচর্চা করতে আসা মানুষের ছুটোছুটি। পাখপাখালির কিচিরমিচির। গায়ে আরামের পরশ বুলিয়ে দেওয়া মৃদুমন্দ বাতাস। গাছগাছালির ঘন সারির ফাঁক গলে রোদের আসা-যাওয়া। আলো-ছায়ার খেলা। ক্রিকেটের আদর্শ পরিবেশ। কিন্তু ক্রিকেটই নেই!

ক্যাচ ফসকায়, ম্যাচ ফসকায়

ক্যাচ ফসকায়, ম্যাচ ফসকায়

তাসকিন আহমেদের একটি ব্যাপার দারুণ। মাঠের ভেতরে-বাইরে প্রায় সময়ই মুখ হাসি হাসি। এমনকি তার বলে ক্যাচ হাতছাড়া হলেও হাসেন। সেই হাসি নিয়মিতই দেখা যায়। কারণ তার বলে নিয়ম করে ক্যাচ মিস হয়। নিজের দুঃখেও তাসকিন হাসতে পারেন, কিন্তু দল তো হাসে না। এত ক্যাচ হাতছাড়া করা দল হাসতে পারে না!

সেই অ্যালট, এই অ্যালট

সেই অ্যালট, এই অ্যালট

হাতের রিস্ট ব্যান্ড, গায়ের জার্সি খুলে রেখেছেন অনেক আগেই। কেতাদুরস্ত পোশাকে দিন কাটে প্রশাসকের ব্যস্ততায়। চেহারা ও শরীরে সময়ের ছাপ কিছুটা পড়েছে। তবু চিনে নিতে খুব একটা সমস্যা হয় না। ১৯৯৯ বিশ্বকাপ যারা দেখেছেন, তারা হয়তো মানুষটিকে ভুলবেন না কখনোই। সেই টুর্নামেন্টের বিস্ময়, জেফ অ্যালট!

সৌম্যর বিষাদে মিশে দলের হতাশা

সৌম্যর বিষাদে মিশে দলের হতাশা

সৌম্য সরকারের ব্যাটে জোর যত বেশি, কণ্ঠ ততটাই নরম। কথা বলেন একদম নীচু স্বরে, ধীরে ধীরে। কাছ থেকেও কান পেতে শুনতে হয়। এদিন কণ্ঠ যেন আরও মলিন। কেমন মনমরা কণ্ঠে বলে যাচ্ছিলেন, “ফরম্যাট যেটাই হোক, আমার দরকার ছিল রান। চেষ্টা করেছিলাম যেখানেই খেলি রান করতে। নিজেকে নিজের জায়গায় ফিরিয়ে নিতে...।”

মাঠে ট্রেন্ট বোল্ট, গ্যালারিতে গর্বিত বাবা

মাঠে ট্রেন্ট বোল্ট, গ্যালারিতে গর্বিত বাবা

ট্রেন্ট বোল্টের ফুল লেংথ বলে সাকিব আল হাসানের ড্রাইভ। বোলারের ঠিক সোজাসুজি পেছনে গ্যালারিতে যন্ত্রণার মতো ভঙ্গি করলেন একজন। চোখে মুথে তার বিরক্তির ছাপ, “এতো সামনে কেন? আরেকটু পেছনে পিচ করিয়ে বল বাইরে টেনে নেওয়া যায় না…!” প্রতিটি বলেই তার কিছু না কিছু বলার আছে। আলাপ জমতে সময় লাগল না। হুট করে নিজেই বললেন, “ইউ নো হোয়াট, আই অ্যাম হিজ ড্যাড…।”

চোট শরীরে, আঘাত মনে

চোট শরীরে, আঘাত মনে

আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢাকা। থেমে থেমে টুপটাপ বৃষ্টি। থেকে থেকে হিম বাতাস। বাংলাদেশ দল বন্দি ড্রেসিং রুমে। তবে স্রেফ হাত-পা গুটিয়ে বসে নয়, সময়টা কাজে লাগানো হয়েছে দারুণভাবেই। সবার চোখ টিভি পর্দায়। ওয়েলিংটন টেস্টের ভিডিও চলছে। দলের অ্যানালিস্টের বিশ্লেষণে তুলে ধরা হচ্ছে সবার ভুল-ত্রুটি। দীর্ঘ ভিডিও সেশনের শেষটা হলো তুমুল চিৎকারে। একসঙ্গে সবার করতালি, প্রবল হর্ষধ্বনি।

একটি আত্মঘাতী শটের ময়নাতদন্ত

একটি আত্মঘাতী শটের ময়নাতদন্ত

এলোমেলো দু-এক শব্দ বলে, একটু থেমে, আবার কিছু বলার চেষ্টা করে এক পর্যায়ে হেসে ফেললেন তামিম ইকবাল। মুখে অসহায়ত্বের হাসি আর কণ্ঠে আত্মসমর্পণের সুর, “আমরা যখন… এটা নিয়ে… এটা আমি কী করে ব্যাখ্যা দেব…!”

আপন বলয় ভেঙে সাকিব

আপন বলয় ভেঙে সাকিব

বেসিন রিজার্ভে বাংলাদেশের সেদিন প্রথম অনুশীলন। নেটে শুরুর দিকে ব্যাট পেলেন সাকিব আল হাসান। করলেন বেশ অনেকক্ষণ। সবার পালা যখন শেষ, সাকিব নেটে ঢুকলেন আবার। আরও কিছুক্ষণ ব্যাটিং!

ক্রিকেট ইতিহাসের আনন্দ ঘর!

ক্রিকেট ইতিহাসের আনন্দ ঘর!

নিউ জিল্যান্ডের সব মাঠের মতো বেসিন রিজার্ভও সবুজ মখমল। সীমানা ঘিরে কাঠের সাদা বেষ্টনি। পাশেই গ্যালারিতে ওঠার পথ। সেখানে পা দিতেই চোখে পড়ল লোহার একটা চাকতি। ম্যানহোলের ঢাকনার মতো। ভালো করে খেয়াল করতেই চমকে উঠতে হলো। ওই চাকতি আসলে একটি স্মারক!

তামিমের ব্যাটে ভয় হলো জয়

তামিমের ব্যাটে ভয় হলো জয়

লর্ডসের ইনিংসটির মতো নাকি ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের? মিরপুরে লাঞ্চের আগেই সেঞ্চুরির আশা জাগানো ইনিংসটি কিংবা কদিন আগে মিরপুরেই টার্নিং উইকেটে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি! বেসিন রিজার্ভের সবুজ গালিচা চিরে ছুটে যাচ্ছিলো তামিম ইকবালের একেকটি শট আর চোখে ভাসছিল তার সেরা ইনিংসগুলি। আরেকটি ধ্রুপদি ইনিংস আসছে ওই ব্যাট থেকে?

হাসিতে আড়াল মাশরাফির কষ্ট

হাসিতে আড়াল মাশরাফির কষ্ট

“বলটা হাতে এসে লাগল, সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো আঙুল বুঝি উড়িয়ে নিয়ে গেছে! প্রচণ্ড ব্যথা, সত্যিই ভেবেছি আঙুল আর নেই। একটু পরই আর আর ব্যথার অনুভূতি নেই, অবশ হয়ে গেল যেন…।” টিম হোটেলের লবিতে বসে বলছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। হাতে ব্যান্ডেজ, গলায় ঝোলানো ডান হাত। কথা বলছেন আর শব্দ করে হাসছেন। কষ্টের কথাও হাসতে হাসতে বলা বুঝি তার পক্ষেই সম্ভব!

মনের জোরটাই ফিরে পাচ্ছেন না মুস্তাফিজ

মনের জোরটাই ফিরে পাচ্ছেন না মুস্তাফিজ

শেষ টি-টোয়েন্টির আগের দিন ঐচ্ছিক অনুশীলন। টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বে ওভালের নেটে ঘাম ঝরালেন টি-টোয়েন্টি দলের চার-পাঁচজন। তবে সেখানে নেই মুস্তাফিজুর রহমান। অনুশীলনের বাধ্যবাধকতা না থাকা একটা কারণ। তবে মূল কারণ, তৃতীয় টি-টোয়েন্টির একাদশে নেই বাঁহাতি এই পেসার।

এখন আর কিছু ভাবেন না সৌম্য

এখন আর কিছু ভাবেন না সৌম্য

ঐচ্ছিক অনুশীলন ছিল, নেটে ব্যাটিংয়ের লাইন তাই দীর্ঘ নয়। বেশ অনেকটা সময় নিয়েই নেট করার সুযোগ পেলেন সৌম্য সরকার। নেট শেষে ড্রেসিং রুমের সামনে প্যাড-গ্লাভস খুলে বসলেন সিঁড়িতে। সামনে বে ওভালের সবুজ প্রান্তরে। বহুদিন পর সৌম্যকে আপন চেহারায় দেখা গেছে মাঝে ওই ২২ গজে।

হাওয়ায় নাড়িয়ে দেওয়া মানসিকতা

হাওয়ায় নাড়িয়ে দেওয়া মানসিকতা

বে ওভাল থেকে কয়েক মিনিটের দূরত্বে মাউন্ট মঙ্গানুই সৈকত। মাঠের একপাশে, সবুজ গাছগাছালির পেছন দিয়ে উঁকি মারছে বন্দরের স্থাপনা। সাগর খুব কাছেই বলে হাওয়ার জোর এখানে তীব্র। প্রশান্তির বাতাস মন জুড়িয়ে দেয় মুহূর্তেই। তবে বাংলাদেশ দলের কাছে সেই বাতাসই আতঙ্কের নাম।

ফাইনালের হতাশা ছাপিয়ে অনেক পাওয়া সাবিনাদের

ফাইনালের হতাশা ছাপিয়ে অনেক পাওয়া সাবিনাদের

একটাই অতৃপ্তি; শিরোপা মঞ্চে এসে ৩-১ গোলের হারের বেদনায় নীল বাংলাদেশ। কিন্তু পাওয়ার হিসেব নিয়ে বসলে, মেয়েদের সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসর বাংলাদেশকে মুঠোভরে দিয়েছে। কয়েকটি প্রথমের গল্প লেখা সাবিনাদের ফাইনালের হতাশার চেয়ে প্রাপ্তির পাল্লাই ভারী!

উইলিয়ামসনের শহরে, মন খারাপের প্রহরে

উইলিয়ামসনের শহরে, মন খারাপের প্রহরে

মাইলের পর মাইল বিস্তীর্ণ সবুজ; মাঝে মাঝেই পাহাড়-টিলা, কোথাও কোথাও চোখ জুড়ানো পাহাড়ী লেক। মাঝ দিয়ে স্টেট হাইওয়ে-১। সবুজের বুক চিড়ে নেপিয়ার থেকে তাওরাঙ্গার পথ ২৯০ কিলোমিটার। এই পথ ধরেই বাংলাদেশ দল পা রাখল শেষ দুই টি-টোয়েন্টির শহরে।

তাড়াহুড়ো করতে মানা হয় না শোনা

তাড়াহুড়ো করতে মানা হয় না শোনা

প্রশ্নটা থাকবেই, মাশরাফি বিন মুর্তজা জানতেন। তবে জানা নেই উত্তর। ওয়ানডে সিরিজ শেষে একবার বলেছেন, ব্যাখ্যা জানা নেই তার। প্রথম টি-টোয়েন্টি শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবার অসহায়ত্ব ফুটে উঠল অধিনায়কের কণ্ঠে। প্রসঙ্গ, ব্যাটিং ধস!

সৌম্য যদি একটু পিছিয়ে থাকতেন

সৌম্য যদি একটু পিছিয়ে থাকতেন

সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে বেরিয়ে ড্রেসিং রুমে যাচ্ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। চোখে মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। শরীরটাকে যেন টেনে নিচ্ছিলেন কোনোরকমে। সংবাদ সম্মেলনে জুড়ে কণ্ঠও ছিল ভীষণ ম্রিয়মান। ড্রেসিং রুমে ঢোকার আগে আরেকবার দাঁড়ালেন, আবার ফিরে তাকালেন মাঠে। দৃষ্টি মাঠের ওই প্রান্তে, ম্যাচে যেখানে দাঁড়িয়েছিলেন সৌম্য সরকার; কিংবা আসলে যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন না!

দুঃস্বপ্নের নিউ জিল্যান্ডে সুখস্মৃতির খোঁজে মাশরাফি

দুঃস্বপ্নের নিউ জিল্যান্ডে সুখস্মৃতির খোঁজে মাশরাফি

মাঠের চারপাশ জুড়ে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনী বোর্ড। সেটির ওপর বসে মাশরাফি বিন মুর্তজা। অপলক চোখে তাকিয়ে সামনে; হয়ত দেখছেন ছবির মতো সুন্দর মাঠ, সবুজের এই সমুদ্র। হয়ত তাকিয়ে আরও দূরে। কিংবা কে জানে, হয়ত দেখছেন না তেমন কিছুই। ভাবছেন, আনমনে বা এক মনে!

মাইলফলকের সামনে রোমাঞ্চিত মুশফিক

মাইলফলকের সামনে রোমাঞ্চিত মুশফিক

প্যাড-গ্লাভস পরে ড্রেসিং রুম থেকে বেরিয়ে কিপিং অনুশীলনে যাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। এগিয়ে গিয়ে ‘অভিনন্দন’ বলে হাত বাড়িয়ে দিতেই অধিনায়ক তাকালেন জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে। ‘হাফ সেঞ্চুরি করতে যাচ্ছেন, পঞ্চাশ টেস্ট…!’ শুনে এবার হাসলেন মুশফিক, “হ্যাঁ, মনে আছে।”

দীর্ঘতম বিরতি শেষে বাংলাদেশের আবার নতুন শুরু

দীর্ঘতম বিরতি শেষে বাংলাদেশের আবার নতুন শুরু

শের-ই-বাংলার ড্রেসিং রুমে মুশফিকুর রহিমের আসনের পাশেই যত্ন করে ঝোলানো থাকে তার ব্লেজার। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কের ব্লেজার, যেটি গায়ে চাপিয়ে নামেন টস করতে। দিনের পর দিন অলস ঝুলে থাকতে থাকতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষেও ধুলো পড়ে যাচ্ছিল ব্লেজারে। অধিনায়ক পরে সেটি সরিয়ে রেখেছেন। তবু ধুলো কিছু জমলে ফু দেওয়ার সময় হলো। আবার মুশফিকের গায়ে চাপবে আভিজাত্যময় ওই সবুজ ব্লেজার!

সাব্বিরকে বিশ্বাস জুগিয়েছে বেঙ্গালুরুর সেঞ্চুরি

সাব্বিরকে বিশ্বাস জুগিয়েছে বেঙ্গালুরুর সেঞ্চুরি

পরিচয় ছিল রঙিন পোশাকের স্পেশালিস্ট। শ্বেতশুভ্র পোশাকে ২২ গজে ব্যাট হাতে সাব্বির রহমান - কদিন আগেও ছবিটা ছিল অভাবনীয়। সেটিই এখন বাস্তব হওয়ার পথে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট দলে জায়গা পেয়েছেন। কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে জানিয়েছেন, একাদশেও সাব্বিরকে রাখার উপায় খুঁজছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অশ্বিনের অবিশ্বাস্য আটে সাত!

অশ্বিনের অবিশ্বাস্য আটে সাত!

আরও একটি টেস্ট, আরও একটি সিরিজ। ভারতের আরও একটি ম্যাচ জয়, আরও একটি সিরিজ জয়। আরও একবার ম্যান অব দা ম্যাচ রবিচন্দ্রন অশ্বিন। আরও একবার ম্যান অব দা সিরিজ রবিচন্দ্রন অশ্বিন!

বিন্দু বিন্দু ঘামে কেনা মাশরাফির সাফল্য

বিন্দু বিন্দু ঘামে কেনা মাশরাফির সাফল্য

মাসখানেক আগের ঘটনা। তাল পাকা গরম কেন বলা হয়, ভাদ্র মাসের প্রকৃতি সেটা জানান দিচ্ছিল তীব্রভাবেই। জাতীয় দলের ক্যাম্পে তখন ঈদুল আজহার ছুটি। তবু শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেখা গেল গা পুড়ে যাওয়া রোদে রানিং করে চলেছেন একজন। একটু কাছে যেতেই স্পষ্ট হলো অবয়ব। মাশরাফি বিন মুর্তজা!

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘দুঃসময়ের ভরসা’

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘দুঃসময়ের ভরসা’

মাশরাফি বিন মুর্তজার কাছে ‘বাবু ভাই’ আপন বড় ভাইয়ের মতো। হাবিবুল বাশারের মতে মানুষটি আবার বাংলাদেশ ক্রিকেটের নি:স্বার্থ সহচর, সত্যিকারের সুহৃদ। কখনও পরিচয় না হওয়া দলের নবীন ক্রিকেটারও তাকে ভাবেন আপন কেউ। নেই কোনো পদ-পদবী বা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব। অফিসিয়ালি ক্রিকেটের কেউ নন, তবু একরাম বাবু বাংলাদেশ ক্রিকেটের ঘনিষ্ঠ একজন!

স্কুল বয় ক্রিকেটার থেকে টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কুসল

স্কুল বয় ক্রিকেটার থেকে টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কুসল

গড়নে ছোটখাটো; চেহারায় এখনও কৈশরের ছাপ। দেখলে মনে হবে মাত্রই বুঝি স্কুল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। আদতেও কুসল মেন্ডিস স্কুল ছেড়েছেন খুব বেশি দিন হয়নি। টেস্টের শীর্ষ দলের বিপক্ষে বীরোচিত ইনিংসে এই তরুণই ক্রিকেটবিশ্বে তুলেছেন আলোড়ন। লঙ্কানদের নতুন ক্রিকেট নায়ক!

মুস্তাফিজ জাদু দেখার জন্য উন্মুখ সবাই

মুস্তাফিজ জাদু দেখার জন্য উন্মুখ সবাই

বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা চমক বাংলাদেশের বাঁহাতি পেস বোলার মুস্তাফিজুর রহমান ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট এবং রয়্যাল লন্ডন ওয়ান ডে কাপ টুর্নামেন্টে খেলার জন্য সাসেক্সে যোগ দিলেন। বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইটে গতকাল বুধবার ঢাকা থেকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছে মুস্তাফিজ চলে গেলেন সাসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হেডকোয়ার্টার্স হোভ টাউনে। বৃহস্পতিবারই চেমসফোর্ডে এসেক্স ঈগলসের বিপক্ষে মাঠে নামছেন মুস্তাফিজ।

অনন্য সাতের পথে তাহিরের দ্রুততম ‘সেঞ্চুরি’

অনন্য সাতের পথে তাহিরের দ্রুততম ‘সেঞ্চুরি’

ইমরান তাহিরের উইকেট উদযাপন মনে করিয়ে দেয় ফুটবলের গোল স্কোরারকে। প্রতিটি উইকেটই তার কাছে উৎসবের উপলক্ষ। দুই হাত দু দিকে উঁচিয়ে খ্যাপাটে দৌড়ে ছুটে বেড়ান মাঠের নানা প্রান্তে। বুধবার তাহিরের স্ট্যামিনার একটা পরীক্ষাও হয়ে গেল সেন্ট কিটসে, এই শারীরিক কসরতে মেতে উঠতে হলো যে বারবার!

ইতিহাস গড়ে সামনে তাকিয়ে কুক

ইতিহাস গড়ে সামনে তাকিয়ে কুক

ইংলিশ ক্রিকেটে অমরত্ব আগেই নিশ্চিত করেছেন অ্যালেস্টার কুক। এখন শুধু কীর্তি ও অর্জনে নিজেকে ও ইংলিশ ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করার পালা। ইংল্যান্ড অধিনায়ক নিজেও মুখিয়ে আরও অনেক কিছু অর্জন করতে।

তিনশর ঠিকানায় হেরাথ

তিনশর ঠিকানায় হেরাথ

একটি উইকেটের অপেক্ষায় কেটে গেছে প্রথম দিন। অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত হলো দ্বিতীয় দিনেও। অবশেষে দিনের মাঝামাঝি গড়িয়ে এলো কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্ত। নিজের বলে স্টিভেন ফিনের ক্যাচটি মুঠোবন্দী করলেন রঙ্গনা হেরাথ নিজেই। পৌঁছলেন ৩০০ টেস্ট উইকেটের  মাইলফলকে।

‘ফাইটার’ শরীফের ক্রিকেটানন্দ

‘ফাইটার’ শরীফের ক্রিকেটানন্দ

এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দিন; মিরপুর গাজী গ্রুপের বিপক্ষে খেলছিল প্রাইম ব্যাংক। একদম শেষ দিকে রুবেল হোসেনকে বাউন্সারে কট বিহাইন্ড করলেন মোহাম্মদ শরীফ। লোয়ার অর্ডারের উইকেট, ম্যাচের উত্তেজনাও শেষ। তারপরও শরীফকে পায় কে! ছুটলেন বাঁধনহারা উচ্ছ্বাসে।

আলোর খোঁজে জুবায়ের

আলোর খোঁজে জুবায়ের

“এবার ফাটিয়ে দিস!” কয়েকদিন ধরে শুধু এই কথাই কানে বাজছে জুবায়ের হোসেনের। বিপিএলের অভিজ্ঞতার কারণে শঙ্কায় ছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দল পাওয়া নিয়ে। দল পেলেন, আবাহনী। তাতে জাগল আবার নতুন শঙ্কা। গত মৌসুমে এই দলে খেলেই তো লিগ কেটে গেল পানি-তোয়ালে টেনে! ড্রাফট শেষে জুবায়েরের স্বস্তি হয়ে এলো একটি ফোনকল। ভেসে এল কোচ খালেদ মাহমুদের কণ্ঠ, ‘খেলার সুযোগ পাবি, এবার ফাটিয়ে দিস!’

কোহলিকে প্রেরণা মেনে মুমিনুলের নতুন লড়াই

কোহলিকে প্রেরণা মেনে মুমিনুলের নতুন লড়াই

চৈত্রের দুপুরের কাঠফাটা রোদ। সূর্যের তাপ আর গরম হাওয়া গায়ে বুলিয়ে দিচ্ছে যেন আগুনের হলকা। এই দাবদাহের মাঝেই মিরপুর একাডেমি মাঠের এক প্রান্তে ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে রানিং করছিলেন তিন ক্রিকেটার। উঠতি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জসিমউদ্দিন, ঘরোয়া লিগের নিয়মিত পারফরমার অলরাউন্ডার তানভীর হায়দার, সঙ্গে মুমিনুল হক!

শান্ত-সুস্থির ও পরিণত এই তামিম

শান্ত-সুস্থির ও পরিণত এই তামিম

টি-টোয়েন্টিতে এখন নিজের সহজাত ঘরানার বাইরে এসে ভিন্ন ধরনের ব্যাটিং করছেন তামিম ইকবাল। বিপিএল-পিএসএলের পর এবার জাতীয় দলেও সাফল্য পেলেন এভাবে ব্যাটিং করে। অসাধারণ এক ইনিংসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নাযক তামিমই।

মহামূল্য মাহমুদউল্লাহ

মহামূল্য মাহমুদউল্লাহ

খুব বেশি দিন হয়নি, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলে মাহমুদউল্লাহর জায়গা নিয়ে টুকটাক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। সেই মাহমুদউল্লাহ এখন দলের ‘এমভিপি’, ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’!

শান্ত-মিরাজদের এবার নতুন শুরুর পালা

শান্ত-মিরাজদের এবার নতুন শুরুর পালা

রানের চূড়ায় থেকে যুব ওয়ানডে ক্যারিয়ার শেষ করলেন নাজমুল হোসেন শান্ত; উইকেটের চূড়ায় থেকে মেহেদি হাসান মিরাজ।

কেউ মনে রাখেনি সেতুকে

কেউ মনে রাখেনি সেতুকে

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে একটি স্ট্যান্ড আছে মানজারুল ইসলাম রানার নামে। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার বেঁচে আছেন স্মৃতিকথা, আলোচনা আর আবেগে। কিন্তু কেউ মনে রাখেনি সাজ্জাদুল হাসান সেতুকে। সত্যিই যেন হারিয়ে গেছেন রানার সঙ্গেই পরপারে চলে যাওয়া এই ক্রিকেটার।