টস ছিল ২০-৩০ রানের সমান: রোডস

প্রতিপক্ষের কাছে যেমন, তেমনি বাংলাদেশ হেরেছে ভাগ্যের কাছেও। অন্তত স্টিভ রোডসের দাবি এমনটিই। ভারতের কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ২৮ রানে। বাংলাদেশ কোচের মতে, এই উইকেটে টসের মূল্য ২০-৩০ রান।

ক্রীড়া প্রতিবেদক বার্মিংহাম থেকেবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 2 July 2019, 08:44 PM
Updated : 2 July 2019, 08:44 PM

ব্যবহৃত উইকেটে এ দিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে ভারত। রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল উদ্বোধনী জুটিতে ১৮০ রান এনে দিলেও ভারত শেষ পর্যন্ত করতে পারে ৩১৪। পুরোনো বলে বেশ কার্যকর ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের কাটার ও স্লোয়ার। প্রথম ৫ ওভারে উইকেটশূন্য বাঁহাতি পেসার পরের ৫ ওভারে নেন ৫ উইকেট।

রান তাড়ায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই আউট হয়েছেন আলগা শটে। ক্রিকেটের পরিভাষায় সেসবকে বলা যায় ‘সফট ডিসমিসাল।’ প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের চারজনই ক্যাচ দিয়েছেন ৩০ গজ বৃত্তের ভেতরে।

কোচের মতে, দ্বিতীয় ইনিংসে বল আরও বেশি গ্রিপ করেছে বলেই বিভ্রান্ত হয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। সেখানেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন টসের ফলকে।

“ব্যাটসম্যানদের হয়ে যদি কিছু বলতে হয়, টস খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আজকে যেমন দেখা গেছে, ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচেও (এই উইকেটে আগের ম্যাচ), স্লোয়ার ও কাটারগুলো খেলা ছিল কঠিন। অনেক সময় স্লোয়ার বলে বৃত্তের ভেতরে ক্যাচ দিলে সফট ডিসমিসাল মনে হয়।”

“কখনও কখনও ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করার জন্য বোলারদেরও প্রাপ্য কৃতিত্ব দিতে হয়, কখনও উইকেটকেও। দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট অবশ্যই একটু বেশি কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, টস সম্ভবত ২০-৩০ রানের সমান ছিল।”

ম্যাচ হারলেও কোচ খুশি দল বোলিংয়ে যেভাবে বাজে শুরুর পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং লড়াই করেছে। আক্ষেপ করলেন, শুরুটা ভালো হলে হতে পারত দারুণ কিছু।

“রোহিতের শুরুর ঝলকের পর আমরা বেশ ভালো করেছি। রান তাড়ার লক্ষ্য যা ছিল, ম্যাচের মাঝ বিরতিতে আমরা খুবই খুশি ছিলাম। একটা পর্যায়ে যে অবস্থা ছিল, রান ৩৭০, ৩৮০ বা ৪০০ হতেও পারত। লড়াই করে ঘুরে দাঁড়াতে পেরে আমরা তাই ছিলাম উচ্ছ্বসিত, স্রেফ যদি শুরুটা আরেকটু ভালো করতে পারতাম! ভারতকে হারাতে ভালো শুরু জরুরি ছিল, প্রথম ঘণ্টায় আমরা সেটি পাইনি।”

“তবে লড়াই করতে দেখাটা দারুণ ছিল। দলটির প্রতিফলন পড়েছে এই লড়াইয়ে। তিনটি ম্যাচ জিতেছি আমরা বিশ্বকাপে, বড় দলগুলিকে বেগ দিয়েছি। ভাগ্যকে একটু পাশে পেলে হয়তো শীর্ষ চারেও থাকতাম।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক