বিশ্রামে মাশরাফি-সাইফ, বোলিং করেছেন মুস্তাফিজ

সতীর্থদের অনেকে যখন ব্যস্ত অনুশীলনে, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন তখন মাঠে মৃদু পায়ে হাঁটছিলেন ফিজিওর সঙ্গে। হয়তো চেষ্টা চলছিল পিঠের আড়ষ্টতা কাটানোর। বল হাতে নেননি মাশরাফি বিন মুর্তজাও। অনুশীলনের প্রায় পুরো সময়টুকুই বাংলাদেশ অধিনায়ককে দেখা গেল নির্বাচক হাবিবুল বাশার ও ম্যানেজার খালেদ মাহমুদের সঙ্গে মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে। তবে স্বস্তির খবর, বোলিং করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

আরিফুল ইসলাম রনিলন্ডন থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 May 2019, 01:39 PM
Updated : 1 June 2019, 09:41 AM

তিনজনই বাংলাদেশের প্রথম পছন্দের তিন পেসার। চোট গুরুতর নয় কারও। তবে বোলিং শুরু না করা পর্যন্ত অস্বস্তির রেশ থাকছেই। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হওয়ার আগে দল খানিকটা হলেও ভাবনায় তিন পেসারের চোট নিয়ে।

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট বয়ে বেড়াচ্ছিলেন মাশরাফি। গত মঙ্গলবার কার্ডিফে ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে টান লেগেছে তার বাম হ্যামস্ট্রিংয়েও। ওই ম্যাচেই পিঠে টান লাগে সাইফের, ৬ ওভার বোলিংয়ের পর আর করতে পারেননি। একই ম্যাচে কাফ মাসলে টান লাগে ৮ ওভার বোলিং করা মুস্তাফিজুর রহমানের।

শুক্রবার ওভালে দলের অনুশীলনে মাঠে এলেও বোলিং থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল মাশরাফি ও সাইফকে। মুস্তাফিজের জন্য পরামর্শ ছিল সতর্ক থেকে বোলিং করে নিজের অবস্থা বোঝা।

দলের অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদ সম্মেলনে এসে পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ জানালেন, শনিবার অনুশীলনের পর পেসারদের অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবে দল।

“টুকটাক চোট আছে ওদের। তবে একটা ভালো ব্যাপার হলো, সময় আছে আমাদের হাতে। আজ ও আগামীকাল ওদের অবস্থা পর্যেবক্ষণ করা যাবে। গত ম্যাচে খেলতে নেমে সাইফের পিঠে জড়তা এসেছে। আজকে ওর পুরো বিশ্রাম। কালকে আবার ওর অবস্থা দেখে ফিজিওর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

“ম্যাশেরও একটু সমস্যা আছে। আজকে কিছু করছে না, কালকে ওর অবস্থা পরখ করা হবে। ফিজ (মুস্তাফিজ) মোটামুটি ঠিক আছে। খানিকটা জড়তা থাকলেও বোলিং করতে পারছে। আজকে ওর একটি বোলিং সেশন ছিল। পরে দেখা হবে কী অবস্থা। যদি সব ঠিক থাকে, তাহলে কালকে আবার বোলিং করবে। ওদের চোট অবশ্যই ভাবনার বিষয়। তবে সব সামলেই আমাদের ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।”

এই দফায় অধিনায়কত্ব পাওয়ায় পর গত সাড়ে চার বছরে চোটের কারণে কোনো ম্যাচ বাইরে থাকেননি মাশরাফি। হ্যামস্ট্রিংয়ে খুব উন্নতি না হলেও যে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবেন, বলে দেওয়া যায় একরকম নিশ্চিত করে। মুস্তাফিজের অগ্রগতিও আশাপ্রদ। সাইফকে নিয়েই মূল দুর্ভাবনা। হাঁটা ছাড়াও মাঠে ফিজিওর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কাজ করতে দেখা গেছে এই অলরাউন্ডারকে। আপাতত তার জন্যই এখন অপেক্ষা দলের।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক