• ম্যান অব দা ম্যাচের দাবিদার যখন আম্পায়ার
    আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে একটি রান কম পেল এক দল। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত হলো ‘টাই।’ সুপার ওভারে গিয়ে সেই দলটি হেরেই গেল। না পাওয়া সেই ১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হলো দলটিকে। এসব দেখে বিরেন্দর শেবাগ বলছেন, ম্যান অব দা ম্যাচের পুরস্কার দেওয়া উচিত ছিল আম্পায়ারকে।
  • ‘৫টি ট্রিপল, আরও ১০টি ডাবল সেঞ্চুরির সামর্থ্য শচিনের ছিল’
    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার কাজটা শচিন টেন্ডুলকারের চেয়ে ভালো কেউ পারেনি। কিন্তু শতরানকে আরও বড় করার জন্য যে ক্ষুধা, সেটা তার মাঝে যেন ততটা দেখেননি কপিল দেব। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের বিশ্বাস, মুম্বাই ক্রিকেটের ঘরানায় আটকে না থাকলে টেন্ডুলকারের নামের পাশে থাকতে পারত পাঁচটি ট্রিপল সেঞ্চুরি ও আরও ১০টি ডাবল সেঞ্চুরি।
  • ছক্কায় ট্রিপল সেঞ্চুরি ও শেবাগের ‘স্পেশাল’ ২৯ মার্চ
    ইতিহাস গড়ার দুয়ারে দাঁড়িয়ে এমন ঝুঁকি! কিন্তু বিরেন্দর শেবাগ তো ব্যাটিংয়ের সব স্বাভাবিকতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতেন নিয়মিতই। ২৯৫ রানে দাঁড়িয়ে যেমন ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে ছক্কায় ছুঁয়েছিলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি। দিনটি ছিল ২০০৪ সালের ২৯ মার্চ। চার বছর পর সেই একই তারিখে নিজের ওই ইনিংস ছাড়িয়ে গড়েছিলেন নতুন রেকর্ড। ২৯ মার্চ দিনটি তাই কখনোই ভুলবেন না শেবাগ!
  • শেবাগের ৮ বছর পর কোহলির ‘গোল্ডেন’
    তার ব্যাটে রানের স্রোত দেখতেই অভ্যস্ত সবাই। তবে তিনিও যে মানুষ, সেটির প্রমাণ হিসেবেই যেন মাঝেমধ্যে শূন্য রানে আউট হন বিরাট কোহলি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বুধবার আউট হয়েছেন তিনি প্রথম বলেই। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে কোনো ভারতীয় অধিনায়কের এই অভিজ্ঞতা হলো ৮ বছর পর।