• উইন্ডিজের লাগল ৭ ওভার, বাংলাদেশ হারল ৭ উইকেটে
    ৩৫ রানের দূরত্ব ঘোচাতে খুব বেশি সময় নিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের বোলাররা পারলেন না আর কোনো প্রভাব রাখতে। জন ক্যাম্পবেল ও জার্মেইন ব্ল্যাকউডের জুটিতেই ক্যারিবিয়ানরা ম্যাচ জিতে গেল অনায়াসে।
  • প্রথম সেশনেই ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ
    চার বছর আগের চেয়ে এবার অন্তত ভালো! এই মাঠেই ২০১৮ সালে প্রথম সেশনে ৪৩ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার প্রথম সেশনে হয়েছে ৩৩ রান বেশি, উইকেট পড়েছে ৬টি। উন্নতি তো বটেই! তবে এটাকেই যখন উন্নতি বলতে হয়, দলের অবস্থাও বোঝা যায়। আবারও বিধ্বস্ত বাংলাদেশের টপ ও মিডল অর্ডার। আবারও শুরুটা হলো বাজে।
  • রোচকে নিয়েই বাংলাদেশের সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
    পেস আক্রমণে অভিজ্ঞতার যে ঘাটতি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডে, তা কিছুটা দূর হলো শেষ সময়ে। টেস্ট শুরুর আগের দিন ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে গেলেন কেমার রোচ। অভিজ্ঞ এই পেসারকে নিয়েই তাই বাংলাদেশের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ক্যারিবিয়ানরা।
  • আইরিশদের কাছে হেরে উইন্ডিজ দলে পরিবর্তনের ছড়াছড়ি
    আয়ারল্যান্ডের কাছে সিরিজ হারের ধাক্কা ভালোই নাড়িয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে দলকে। ওই সিরিজের দল থেকে ভারত সফরের দলে পরিবর্তন আনা হলো ছয়টি। ১৫ জনের স্কোয়াডে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বদল, গত প্রায় আড়াই বছরে কোনো লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ না খেলেও কেমার রোচের দলে ফেরা।
  • দুঃস্বপ্নের শুরুর পর বাবর-ফাওয়াদের ব্যাটে উদ্ধার পাকিস্তান
    টপ অর্ডার নিয়ে দুর্ভাবনায় টেস্ট শুরু করেছিল পাকিস্তান। খেলা শুরুর পরপরই সেই টেনশনের অবসান। ২ রানের মধ্যেই যে টপ অর্ডারের ৩ উইকেট শেষ! তবে শঙ্কাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সেই বিভীষিকাময় শুরুর পরও প্রথম দিনটি পাকিস্তানের। দারুণ জুটিতে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলেন বাবার আজম ও ফাওয়াদ আলম।
  • স্মরণীয় জয়ের পর ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না সিলস
    রেকর্ড গড়ে ৫ উইকেট নিয়ে যখন গর্বিত পদক্ষেপে মাঠ ছাড়লেন জেডেন সিলস, তখন কি ভেবেছিলেন, ব্যাট হাতেও তাকে প্রয়োজন হবে দলের! ১৯ বছর বয়সী পেসার দলের সেই চাওয়াও মেটালেন দারুণভাবে। ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টেই রোমাঞ্চের এমন উথাল-পাথাল ঢেউ, শ্বাসরুদ্ধকর শেষ সময়ে উইকেটে কাটিয়ে অবিস্মরণীয় জয়ের স্বাক্ষী, সব মিলিয়ে ম্যাচের পর প্রতিক্রিয়া জানানোর উপযুক্ত ভাষা খুঁজে হয়রান হচ্ছিলেন সিলস।
  • ৩০ রানের ইনিংস যখন ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’
    ৩০ রানের চেয়ে বড় ইনিংস কেমার রোচের ক্যারিয়ারে আরও সাতটি আছে। কিন্তু বড় মানেই তো সেরা নয়! জ্যামাইকায় ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংসটিই তাই কেমার রোচের কাছে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। পরাজয়ের দুয়ার থেকে দলকে স্মরণীয় এক জয় এনে দিয়ে যে এই ইনিংসটিই।
  • নাটকীয় শেষ জুটিতে উইন্ডিজের রুদ্ধশ্বাস জয়
    হাসান আলির বলে কেমার রোচের ড্রাইভে বল ছুটল কাভার দিয়ে। দুই রান নেওয়ার পথেই উদযাপন শুরু করলেন রোচ ও জেডেন সিলস। ড্রেসিংরুমে তাদের সতীর্থরাও তখন লাফাচ্ছেন। গ্যালারির গুটিকয় দর্শকের আনন্দ চিৎকারে প্রকম্পিত চারপাশ। ধারাভাষ্যকক্ষে গলা ফাটাচ্ছেন ইয়ান বিশপ, “ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতে গেছে… অবিস্মরণীয় টেস্ট জয়। রোচ ও সিলসকে কুর্নিশ…১ উইকেটের জয়, স্রেফ ১ উইকেটের…।” পাকিস্তানিরা তখন হতাশায় নুইয়ে পড়েছে প্রায়।
  • হোল্ডার-রোচের তোপে বিধ্বস্ত লঙ্কান ব্যাটিং
    প্রায় নিখুঁত লাইন-লেংথ আর ছোট ছোট সুইংয়ে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের হাঁসফাঁস। দুর্দান্ত বোলিংয়ে জেসন হোল্ডার যেন ছড়িয়ে দিলেন বার্তা, অধিনায়কত্ব না থাকলেও দল থেকে তাকে বাদ দেওয়ার কথা ভাবাও যাবে না! নেতৃত্ব হারানোর পর প্রথম ইনিংসেই শিকার ৫ উইকেট। তার আর কেমার রোচের যৌথ আক্রমণে গুঁড়িয়ে গেল লঙ্কান ব্যাটিং।
  • বাংলাদেশে সাফল্যের পথ দেখালেন রোচ
    উইকেটে নিশ্চিতভাবেই স্পিনারদের জন্য থাকবে সুবিধা। তবে কেমার রোচের বিশ্বাস, কাজে লাগাতে জানলে সুবিধা পাবেন পেসাররাও। আর এভাবে বাংলাদেশের মাটিতে টেস্টে সাফল্য পেতে পারেন তারাও। এর জন্য ঠিক কি করতে হবে, জানালেন ক্যারিবিয়ান এই পেসার।
  • ২০০৯ সিরিজের সঙ্গে মিল দেখছেন রোচ
    প্রেক্ষাপট ভিন্ন কিন্তু মূল ঘটনা একই। এক যুগের ব্যবধানে আবার বাংলাদেশের মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেবার কেমার রোচ ছিলেন তরুণ গতিময় এক পেসার, এখন তিনি টেস্টে ক্যারিবিয়ানদের বড় এক অস্ত্র। ২০০৯ সালের সেই সিরিজের সঙ্গে এবারের সিরিজের বেশ মিল দেখছেন রোচ।
  • উইন্ডিজের রোচ-ডাওরিচ ধাক্কা
    নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ের আগেই বড় দুই অস্ত্র হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় টেস্টে তারা পাচ্ছে না কেমার রোচ ও শেন ডাওরিচকে। দুজনই ফিরে যাচ্ছেন দেশে।
  • অ্যামব্রোসের ২৬ বছর পর রোচ
    সেই ১৯৯৪ সালে ২০০ টেস্ট উইকেট পূর্ণ করেছিলেন কার্টলি অ্যামব্রোস। সময়ের পরিক্রমায় তিনি ৩০০ পেরিয়ে ছুঁয়েছিলেন ৪০০ টেস্ট উইকেট। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান, সেটিও প্রায় দুই দশক হতে চলল। দীর্ঘ এই সময়ে ২০০ উইকেটের ক্লাবে জায়গা করে নিতে পারছিলেন না ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর কেউ। অবশেষে সেই খরা ঘোচালেন কেমার রোচ।
  • ‘বন্ধু’ রোচকে তিনশর উচ্চতায় দেখছেন ওয়ালশ
    দুজনের বয়সের ব্যবধান ২৫ বছর। তবে একটা বড় মিল, দুই যুগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণের কাণ্ডারি দুজন। বোলিংই কাছাকাছি এনেছে কোর্টনি ওয়ালশ ও কেমার রোচকে, গড়ে উঠেছে বন্ধুত্ব। রোচ এখন দাঁড়িয়ে ২০০ টেস্ট উইকেটের সামনে। ওয়ালশের বিশ্বাস, চোটে না পড়লে ৩০০ উইকেট পর্যন্ত অনায়াসেই যেতে পারবেন রোচ।
  • অ্যান্ডারসনের বোলিংয়ের মুগ্ধ দর্শক রোচ
    কদিন পরই দুজন হবেন প্রবল প্রতিপক্ষ। দুই দলের পেস আক্রমণের মূল অস্ত্র তারা দুজন। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে একজন কেবলই আরেকজনের ভক্ত। ক্যারিবিয়ান ফাস্ট বোলার কেমার রোচ বলছেন, ইংলিশ পেসার জিমি অ্যান্ডারসনের বোলিং মুগ্ধ হয়ে দেখেন তিনি।
  • ‘সিরিজ চলার সময় আর্চারের সঙ্গে কোনো বন্ধুত্ব নয়’
    জন্ম বার্বাডোজে। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে। স্বাভাবিকভাবেই জফ্রা আর্চারের বন্ধু আছে ক্যারিবিয়ান দলে। সেটাই ফুটে উঠল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেমার রোচের কথায়। তবে অভিজ্ঞ এই পেসার পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, আসছে তিন ম্যাচের সিরিজ চলার সময়ে আর্চারের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা ভুলে থাকবেন তারা।
  • ক্যারিবিয়ান পেসে ৭৭ রানেই শেষ ইংল্যান্ড
    গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়েই পেস তোপের মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ। গুটিয়ে গিয়েছিল ৪৩ রানে। একইরকম অভিজ্ঞতা হলো এবার ইংল্যান্ডের। ইংলিশ ব্যাটিং বিধ্বস্ত হলো ক্যারিবিয়ান পেসে। বাংলাদেশের সেই ম্যাচের মতোই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ধ্বংসযজ্ঞের নায়ক কেমার রোচ।
  • জ্যামাইকায় বাংলাদেশের সামনে নেই রোচ
    স্রেফ ৫ ওভারের একটি স্পেল। অ্যান্টিগা টেস্টের প্রথম সকালে ওই স্পেলেই বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন কেমার রোচ। তবে এরপরই মাঠ ছেড়েছিলেন হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগায়। সেই চোটের কারণে দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারছেন না এই ফাস্ট বোলার। থাকবেন বিশ্রামে।