• ছবিতে বিপিএল: খুলনা টাইগার্স-রাজশাহী রয়্যালস
    শোয়েব মালিকের রান যখন এক অঙ্কে তখন তার ক্যাচ ছেড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই মালিকের ব্যাটে ভর করে ১৮৯ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল রাজশাহী রয়্যালস। প্রতিদানে মুশফিক খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ৯৬ রানের ইনিংস। ৫ উইকেট হাতে রেখে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেয় তার দল খুলনা টাইগার্স। ছবি: সুমন বাবু
  • ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে খুলনার জয়ের নায়ক মুশফিক
    ঝড় তুলে রাজশাহী রয়্যালসকে আসরের সর্বোচ্চ সংগ্রহ এনে দিলেন শোয়েব মালিক। মুশফিকুর রহিমের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে সেই রান টপকে গেল খুলনা টাইগার্স। রান উৎসবের ম্যাচে পেল দারুণ এক জয়। 
  • আরিফুলের দুর্দান্ত বোলিংয়ের ম্যাচে রাজশাহীর অবনমন
    গত আসরের চ্যাম্পিয়নই শুধু নয়,এবারের আগপর্যন্ত জাতীয় লিগের সবচেয়ে সফলতম দল ছিল তারা। তবে সেই সাফল্যের পথ ধরে এবার আর হাঁটা হয়নি রাজশাহীর। রংপুরের অলরাউন্ডার আরিফুল হকের দারুণ পারফরম্যান্সে শেষ রাউন্ডে হেরেছে তারা। নেমে গেছে দ্বিতীয় স্তরে।
  • ৬ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাটিংয়েও আগ্রাসী আরিফুল
    আগের দিন বিকেলের বোলিং ধার সোমবার সকালেও ধরে রাখলেন আরিফুল হক। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে গুটিয়ে দিলেন রাজশাহীকে। পরে ব্যাট হাতেও খেললেন আক্রমণাত্মক এক ইনিংস। সঙ্গে তানবীর হায়দারের অপরাজিত ফিফটিতে রাজশাহীর বিপক্ষে অনেকটা এগিয়ে রংপুর।
  • দেলোয়ার-মোহরের ছোবল সামলে সোহরাওয়ার্দীর সেঞ্চুরি
    দুই পেসার দেলোয়ার হোসেন ও মোহর শেখের ছোবলে টালমাটাল রংপুরকে পথ দেখালেন সোহরাওয়ার্দী শুভ। রাজশাহীর বিপক্ষে দারুণ সেঞ্চুরিতে দলকে রাখলেন তিনশ রানের পথে। 
  • তাইবুর-শুভাগতর ব্যাটে ঢাকার লিড
    আগের দিন বোলিংয়ে আলো ছড়ানোর পর ব্যাটিংয়ে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিলেন শুভাগত হোম চৌধুরী। অন্যপাশে সঙ্গী হিসেবে পেলেন তাইবুর রহমানকে। মিডল অর্ডারে এই দুই ব্যাটসম্যানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রাজশাহীর বিপক্ষে লিড নিয়েছে ঢাকা।
  • শান্ত-মুক্তারের ফিফটি
    টপ অর্ডারে দুই সঙ্গীর ব্যর্থতার দিনে রান পেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মিডল অর্ডারে অপরাজিত ফিফটি এলো মুক্তার আলীর ব্যাট থেকে। কিন্তু ইনিংস বড় হলো না কারোরই। ঢাকার বিপক্ষে রাজশাহীর প্রথম ইনিংসও তাই থামল আড়াইশর আগেই।
  • সানজামুল-সাকলাইন ঘূর্ণিতে রাজশাহীর রোমাঞ্চকর জয়
    শেষ দিনের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ম্যাচের রঙ পাল্টাল বার বার। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় পথ হারানো রংপুরকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন নাঈম ইসলাম। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের প্রতিরোধ ভেঙে রাজশাহীকে দারুণ এক জয় এনে দিলেন দুই বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম ও সাকলাইন সজীব।
  • সোহরাওয়ার্দী-মাহমুদুলদের স্পিনে ধুঁকছে রাজশাহী
    সকালে লিড বড় করতে পারলেন না নাসির হোসেন, ধীমান ঘোষরা। তবে স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহীর বিপক্ষে তৃতীয় দিন শেষে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে রংপুর।
  • বদলি নেমে রানে ফিরলেন নাসির
    আগের দুই রাউন্ডে পাননি রানের দেখা। উপরন্তু আম্পায়ারের উদ্দেশ্যে বাজে ভাষা ব্যবহার করে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন এক ম্যাচের জন্য। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে বিসিবি ডেকে পাঠানোয় বদলি নামার সুযোগটা পুরোপুরি কাজে লাগালেন নাসির হোসেন। তুলে নিলেন অপরাজিত ফিফটি। ফিফটির দেখা পেলেন মেহেদী মারুফ ও নাঈম ইসলামও। রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েছে রংপুর।
  • অভিষেকেই রিশাদের ৫ উইকেট
    ঘরোয়া ক্রিকেটে লেগ স্পিনারদের খেলানো নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে জাতীয় লিগে নজরকাড়া পারফরম্যান্স উপহার দিলেন তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। অভিষেকে রাজশাহীর বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন রংপুরের এই বোলার।
  • খুলনার জয়ে সৌম্যর ফিফটি
    সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিঠুন ব্যাটিং করলেন ওয়ানডে মেজাজে। আগের দিন জমজমাট লড়াই উপহার দেয়া ম্যাচের শেষটা তাই হয়ে গেল একপেশে। ১০৮ রান করতে শেষদিনে খুলনার হাতে ছিল পুরো ৯০ ওভার ও ৯ উইকেট। তবে টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে প্রথম সেশনেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে আব্দুর রাজ্জাকের দল।
  • ১৫ উইকেটের দিনে জমজমাট লড়াই
    অল্পের জন্য সেঞ্চুরি পাননি নুরুল হাসান। তবে তার দারুণ ইনিংসেই খুলনা পায় কাঙ্ক্ষিত লিড। বোলারদের দাপুটে বোলিং এরপর তারা খুব বেশিদূর এগোতে দেয়নি রাজশাহীকে। শেষ ইনিংসে রান তাড়ায় শুরুতেই উইকেট হারালেও দিনশেষে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে খুলনাই।তবে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে শনিবার দুই দল উপহার দিয়েছে জমজমাট লড়াই।
  • ব্যর্থ সৌম্য-মিঠুন, ইমরুলের আক্ষেপ
    ছন্দ ফিরে পেতে মরিয়া সৌম্য সরকার খুলতেই পারলেন না খাতা। বড় ইনিংসের সন্ধানে থাকা মোহাম্মদ মিঠুন ফিরলেন দ্রুত। ব্যাটিংয়ে ভালো করতে পারলেন না অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের ব্যর্থতার দিনে আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন ইমরুল কায়েস। আগের ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি করা এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান মাত্র ৭ রানের জন্য পেলেন না তিন অঙ্কের দেখা। 
  • মুশফিক-শান্তর আক্ষেপ, মিরাজের দারুণ বোলিং
    থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেন না মুশফিকুর রহিম। এবারের লিগে নিজের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। অন্য ব্যাটসম্যানরাও খেলতে পারলেন না বড় ইনিংস। দ্বিতীয় রাউন্ডে মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ বোলিংয়ে খুলনার বিপক্ষে প্রথম দিনেই গুটিয়ে গেছে রাজশাহী।
  • তাইজুলের ৫ উইকেটের পর জহুরুলের দৃঢ়তা
    প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলাম এবার নিলেন পাঁচটি। এরপরও তাইবুর রহমানের জোড়া ফিফটিতে চালকের আসনে ছিল ঢাকা। দ্রুত তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল তারা। শেষ পর্যন্ত জহুরুল ইসলামের দৃঢ়তায় ম্যাচ বাঁচিয়েছে রাজশাহী।
  • সুমনের ৫ উইকেটের পর রাকিবুল-তাইবুরের দৃঢ়তা
    সকালে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়ে প্রথম ইনিংসে দলকে লিড এনে দিলেন সুমন খান। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলা তাইবুর রহমান দাঁড়িয়ে গেলেন এবারও। দারুণ সঙ্গ পেলেন রকিবুল হাসানের। তাদের দৃঢ়তায় রাজশাহীকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দেওয়ার পথে রয়েছে ঢাকা।
  • মুশফিকের ব্যাটে রান, ব্যর্থ সাব্বির
    দিনের শুরুতে একার লড়াইয়ে ঢাকাকে আড়াইশর কাছে নিয়ে গেলেন তাইবুর রহমান। দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর রাজশাহীকে পথ দেখালেন অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম ও মুশফিকুর রহিম। দ্রুত ফিরলেন রানের জন্য সংগ্রাম করা সাব্বির রহমান।
  • রনির ফিফটির পর তাইজুল-শফিউলের ছোবল
    ফতুল্লায় দাপট দেখালেন তাইজুল ইসলাম ও শফিউল ইসলাম। তাদের ছোবলে প্রথম ইনিংসে ঢাকাকে কম রানে থামানোর আশা জাগিয়েছে রাজশাহী।
  • শিরোপা জিতে খুলনার রেকর্ড স্পর্শ করল রাজশাহী
    শিরোপার সুবাস মিলছিল আগের দিন থেকেই। ক্রিকেটীয় অনিশ্চয়তায় কেবল ছিল খানিকটা শঙ্কা। তবে সেই শঙ্কাকে কাছে ঘেঁষতে দেয়নি রাজশাহী। জুনায়েদ সিদ্দিকের দারুণ সেঞ্চুরিতে হারিয়েছে বরিশালকে। জাতীয় ক্রিকেট লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করে ছুঁয়েছে খুলনার রেকর্ড।
  • শিরোপার আরও কাছে রাজশাহী
    যে সম্ভাবনায় শুরু হয়েছিল শেষ রাউন্ড, শেষ দিনটির আগে সেই সম্ভাবনার একদম দুয়ারে দাঁড়িয়ে রাজশাহী। এখন কেবল শেষ পদক্ষেপ রাখার অপেক্ষা। জাতীয় ক্রিকেট লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করার খুব কাছে দলটি।
  • রাজশাহীতে মনিরের হ্যাটট্রিক
    দ্বিতীয় দিন দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীকে বড় লিড নিতে দেননি মনির হোসেন। বরিশালের বাঁহাতি এই স্পিনারের হ্যাটট্রিকের আনন্দে ভাসার দিনে মাত্র তিন রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে তার সতীর্থ আল আমিন জুনিয়রকে।
  • শুভাশিস-রবিউল সমানে সমান
    একজন সদ্য ১৯ পেরুনো তরুণ পেসার। আরেকজন টেস্ট ক্রিকেটের স্বাদ পাওয়া ঘরোয়া ক্রিকেটের অভিজ্ঞ পেসার। তবে উইকেট শিকারে দুইজন থাকলেন সমানে সমান। রবিউল হক ও শুভাশিস রায়, রংপুরের দুই পেসারের বোলিং তোপে গুটিয়ে গেল রাজশাহী।
  • নাঈমের ৮৯ ছাপিয়ে সানজামুলের ৭ উইকেট
    সেঞ্চুরির আশায় দিন শুরু করেছিলেন নাঈম ইসলাম। তাকে থামতে হয়েছে ১১ রান দূরে। সানজামুল ইসলামের স্পিন ছোবলে নাঈমের দল রংপুরকেও থামতে হয়েছে প্রত্যাশিত স্কোরের অনেক পেছনে। 
  • রংপুরে ব্যাটে-বলের দারুণ লড়াই
    রংপুরে জমে উঠেছে ব্যাটে-বলের লড়াই। রাকিন আহমেদের পর ফিফটি করেছেন নাঈম আহমেদ। তবে নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে রংপুরকে দ্রুত রান তুলতে দেয়নি রাজশাহী।
  • রাজশাহীকে জেতালেন রেজা-শফিউল-মুক্তার
    তিন দিনেও দুই দলের একটি করে ইনিংস শেষ হয়নি। এমন ম্যাচে জয় আশা করাটা বেশ কঠিন। তবে সেই কাজটি সহজেই করে দেখিয়েছে রাজশাহী। ফরহাদ রেজা, শফিউল ইসলাম ও মুক্তার আলীর দারুণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনাকে গুঁড়িয়ে দিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে তারা।
  • ৯৯ রানে রান আউট সাব্বির
    ৯২ রান থেকে আফিফ হোসেনকে ছক্কা মেরে ৯৮। পরের বলে সিঙ্গেল। কিন্তু ৯৯ রানেই আটকে থাকলেন ৯ বল। এতেই হয়তো একটু অস্থির হয়ে উঠছিলেন। বাঁহাতি স্পিনার মইনুল ইসলামকে মিড উইকেটের দিকে ঠেলেই ছুটলেন ঝুঁকিপূর্ণ রান নিতে। ফিল্ডার আফিফের থ্রো বোলার মইনুলের হাতে স্পর্শ করে সরাসরি লাগল স্টাম্পে। পড়িমড়ি করে ঝাঁপিয়েও শেষ রক্ষা হলো না। সেঞ্চুরি থেকে ১ রান দূরে রান আউট সাব্বির রহমান।
  • ফরহাদের ফিফটি, সুযোগ হাতছাড়া মিজান-জুনায়েদের
    ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে ফিফটি করেছেন ফরহাদ হোসেন। অল্পের জন্য হাতছাড়া করেছেন মিজানুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিক। এই দুজনের ব্যাটের সুর যদিও ছিল দুরকম। তবে তিন জনেরই দায় একটি জায়গায়, থিতু হয়েও বড় করতে পারেননি ইনিংস।
  • আবারও বড় ইনিংসের সুযোগ হাতছাড়া এনামুল-সৌম্যর
    আগের রাউন্ডেই ফিফটি পেরিয়ে তিন অঙ্কে যেতে পারেননি দুজন। জাতীয় লিগে আবারও বড় ইনিংস খেলার সুযোগ হাতছাড়া করলেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা সৌম্য সরকার ও এনামুল হক। এ দিন আরেকটি সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে পারেননি তুষার ইমরানও।
  • মুক্তারের ব্যাটিং বীরত্বের পর শাহরিয়ারের সেঞ্চুরি
    দারুণ এক ফিফটিতে রাজশাহীকে লিড এনে দিয়েছেন মুক্তার আলী। চমৎকার এক সেঞ্চুরিতে বরিশালকে পথ দেখিয়েছেন শাহরিয়ার নাফীস।
  • বরিশালে বোলারদের দাপট
    বৃষ্টির দাপটে দুই দিন বল মাঠে গড়ায়নি। তৃতীয় দিন যখন খেলা শুরু হলো তখন দেখা মিলল উইকেট বৃষ্টির। এক দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছিল দুই দলের একটি করে ইনিংস। বোলারদের দাপটে পড়েছে ১৯ উইকেট।
  • লিটনের ডাবল সেঞ্চুরিতে রংপুরের জবাব
    তিনশ ছাড়ানো উদ্বোধনী জুটি। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিজানুর রহমানের সেঞ্চুরি তো ছিলই, তৃতীয় দিনে শতক করলেন জুনায়েদ সিদ্দিকও, রাজশাহী উঠল রান পাহাড়ে। তবে পাহাড়সম লিডের চাপায় হাঁসফাঁস করেনি রংপুর। লিটন দাসের রেকর্ড গড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে জবাবটা দিচ্ছে তারা দারুণ ভাবে।
  • মিজানুর-শান্তর সেঞ্চুরি, জুটির ট্রিপল সেঞ্চুরি
    আগের রাউন্ডেই ৩৫০ রানের রেকর্ড উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন আব্দুল মজিদ ও রনি তালুকদার। সেই রেকর্ডকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিলেন মিজানুর রহমান ও নাজমুল হোসেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত রেকর্ড হয়নি, তবে রাজশাহীর দুই ওপেনারের তিনশ ছাড়ানো জুটিতে পিষ্ট হয়েছে রংপুরের বোলিং।
  • রংপুরের হয়ে লড়লেন কেবল নাঈম
    আগের রাউন্ডে করেছিলেন ৯২ ও ১০০। দারুণ ব্যাট করেছিল তার দলও। কিন্তু এবার লড়লেন কেবল নাঈম ইসলামই। ভেঙে পড়লেন বাকিরা। রংপুর তাই প্রথম দিনেই কোণঠাসা রাজশাহীর বিপক্ষে।
  • শেষ দিনে এনামুল, সৌম্যর সেঞ্চুরি
    ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত এনামুল হক ও সৌম্য সরকারের ব্যাটে। জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডের শেষ দিনে সেঞ্চুরি করেছেন খুলনার এই দুই তরুণ ব্যাটসম্যান।
  • তুষারের জোড়া সেঞ্চুরি, আফিফের ৭ উইকেট
    ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৭ উইকেট নিয়েছেন খুলনার তরুণ অফ স্পিনার আফিফ হোসেন। তবে অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ঠিকই রাজশাহীকে প্রথম ইনিংসে বড় লিড এনে দিয়েছেন জহুরুল ইসলাম। শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া খুলনাকে দ্বিতীয় ইনিংসেও টানছেন জোড়া সেঞ্চুরি করা তুষার ইমরান।
  • মিজানুরের সেঞ্চুরি, অপেক্ষায় জহুরুল
    দাপুটে ব্যাটিংয়ে মিজানুর রহমান তুলে নিলেন সেঞ্চুরি। তিন অঙ্ক ছোঁয়ার অপেক্ষায় জহুরুল ইসলাম। খুলনাকে রানের পাহাড়ে চাপা দেওয়ার পথে রাজশাহী।
  • তুষারের সেঞ্চুরি, শফিউলের ৫ উইকেট
    জাতীয় ক্রিকেট লিগের নতুন আসরের প্রথম দিনটি সেঞ্চুরিতে রাঙিয়েছেন তুষার ইমরান। তবে শিরোপাধারী খুলনার আর কোনো ব্যাটসম্যান পারেননি নিজেকে মেলে ধরতে। রাজশাহীর শফিউল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে দুই সেশনে ২১০ রানে গুটিয়ে গেছে দলটি।
  • ফরহাদ রেজার সেঞ্চুরি
    আট নম্বরে নামা ফরহাদ রেজা করলেন সেঞ্চুরি, ১১ নম্বরে নেমে শফিউল ইসলাম অপরাজিত থাকলেন ৫১ রানে। তিন সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়া রাজশাহী জয়ের আশা জাগিয়েছিল এক সেশনেই। মাত্র ৩১ ওভার ব্যাট করে পরাজয়ের শঙ্কায় পড়েছিল ঢাকা মেট্রো।
  • শান্তর ৬ রানের আক্ষেপ
    শুরুর জুটিতে রাজশাহীকে লিড এনে দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিজানুর রহমান করেছেন সেঞ্চুরি। তবে দুই জনকে ফিরতে হয়েছে আক্ষেপ নিয়ে। ৬ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি পাননি শান্ত, মিজানুর থেমেছেন ১৭৫ রানে।
  • তাইজুলের ৫ উইকেট
    বিপিএলে ৮ ম্যাচের ছয়টিতেই উইকেট না পাওয়া তাইজুল ইসলাম চেনা ছন্দে ফিরেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে। ৫ উইকেট নিয়ে ৩২৮ রানে থামিয়েছেন ঢাকা মেট্রোকে।
  • সাদমান-মার্শালের ফিফটি
    শুরুতে সাদমান ইসলাম, চারে নেমে মার্শাল আইয়ুব। পঞ্চাশ পেরুলেন দুজনই, খেললেন দারুণ। তবে যেতে পারলেন না সেঞ্চুরি পর্যন্ত। অবশ্য ভালো অবস্থানে নিতে পেরেছেন দলকে।
  • এক স্পেলে দেলোয়ারের ২ রানে ৬ উইকেট
    দিনের প্রথম ওভারটিতেই কেবল উইকেট পেলেন না। সেটি পুষিয়ে দিতেই যেন নিজের পরের ওভারে নিলেন দুটি। পরের চার ওভারে আরও চারটি। অসাধারণ এক স্পেলেই চট্টগ্রামকে গুঁড়িয়ে দিলেন দেলোয়ার হোসেন। ইনিংস ব্যবধানের জয়ে রাজশাহী নিশ্চিত করল জাতীয় লিগের প্রথম স্তরে ওঠা।
  • বড় লিড গোণার পর আরও বিপদে চট্টগ্রাম
    এমনিতেই প্রথম ইনিংসে চেপেছে বড় লিডের বোঝা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রামের বিপদ ঘনীভূত আরও। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচটির নিয়ন্ত্রণে রাজশাহী।
  • মিজানুর রহমানের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি
    আগের ম্যাচেই ১৪৩ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন মিজানুর রহমান। এই ওপেনার করলেন আরেকটি সেঞ্চুরি। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে লিড নেওয়ার পথে রাজশাহী।
  • সাজ্জাদুলের ৫ রানের আক্ষেপ
    বিপর্যয় থেকে দলকে টানলেন। সাঈদ সরকারের সঙ্গে গড়ে তুললেন জুটি। কিন্তু একটুর জন্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিই করতে পারলেন না সাজ্জাদুল হক। চট্টগ্রামের এই ব্যাটসম্যান আউট হয়েছেন ৯৫ রানে।
  • ইমতিয়াজের সেঞ্চুরিতে সিলেটের ড্র
    প্রথম ইনিংসে যেভাবে ভেঙে পড়েছে সিলেটের টপ অর্ডার, শেষ দিকে তাদের ভয়ের কারণ ছিল যথেষ্টই। তবে নির্ভরতা জোগাল অধিনায়কের ব্যাট। ইমতিয়াজের হোসেনের সেঞ্চুরিতে ড্র করতে খুব বেগ পেতে হয়নি সিলেটকে।
  • মিজানের সেঞ্চুরি, অপেক্ষায় জুনায়েদ
    লোয়ার অর্ডারদের দারুণ ব্যাটিংয়ে বিপর্যয় কাটিয়ে দুইশ ছাড়িয়েছিল সিলেট। কিন্তু রাজশাহী সেটি পেরিয়ে গেছে টপ অর্ডারদের ব্যাটেই। দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছেন মিজানুর রহমান। সেঞ্চুরির দিকে ছুটছেন জুনায়েদ সিদ্দিকও।
  • ড্রয়ের আগে মার্শালের সেঞ্চুরি
    ম্যাচের ভাগ্যে ড্র লেখা হয়ে গিয়েছিল আগেই। শেষ দিনে ব্যক্তি অর্জনের খাতায় সমৃদ্ধ হলো কজনের। মার্শাল আইয়ুব করলেন সেঞ্চুরি, সানজামুল ইসলাম নিলেন ৫ উইকেট। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলো মেহরাব হোসেন জুনিয়রের।
  • বৃষ্টির আগে মার্শালের প্রতিরোধ
    বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবারও। তবে তার আগে প্রতিরোধ গড়েছেন মার্শাল আইয়ুব। রাজশাহীর বিপক্ষে ঢাকা মেট্রোর ইনিংস এগোচ্ছে শম্বুক গতিতে।
  • রাজশাহীকে টানলেন জুনায়েদ
    বিপর্যয় আলিঙ্গন করেছিল আগের দিনই। দ্বিতীয় দিনেও গড়ে উঠল না তেমন কোনো জুটি। রাজশাহীকে একা টানলেন জুনায়েদ সিদ্দিক।
  • ড্রয়ের আগে হাসল জুনায়েদ-ফরহাদের ব্যাট
    ম্যাচের ফল ছিল একরকম অবধারিতই। ছিল কেবল ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া মেলানোর পালা। সেই হিসাব কিছুটা মেলাতে পারলেন জুনায়েদ সিদ্দিক ও ফরহাদ হোসেন। যদিও হাফ সেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে না পারার আক্ষেপ থাকতে পারে দুজনেরই।
  • বৃষ্টির আগে উজ্জ্বল জহুরুল
    চট্টগ্রামের বড় রানের জবাব দারুণভাবেই দিচ্ছিল রাজশাহী। ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন জহুরুল ইসলাম। বাধ সাধল বৃষ্টি। থামাল জহুরুল ও রাজশাহীকে।
  • ফরহাদ হোসেনের ব্যাটে রাজশাহীর জয়
    প্রথম ইনিংসে ৭৯ রানে গুঁড়িয়ে যাওয়া রাজশাহীই শেষ হাসি হাসলো। ফরহাদ হোসেনের ব্যাটে সিলেটের বিপক্ষে ৬ উইকেটের দারুণ জয় তুলে নিয়েছে দলটি।
  • রোমাঞ্চকর শেষের অপেক্ষা রাজশাহীতে
    সিলেটকে দ্বিতীয় ইনিংসে কম রানে বেঁধে রেখে আশা বাঁচিয়ে রেখেছে রাজশাহী। দ্বিতীয় ইনিংসে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছে দলটি।
  • বোলিংয়ে সায়েমের চমক
    মাত্র ১২৮ রানের পুঁজি নিয়ে রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে প্রায় পঞ্চাশ রানের লিড পেয়েছে সিলেট। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৬ উইকেট নিয়ে তাতে সবচেয়ে বড় অবদান অনিয়মিত স্পিনার সায়েম আলমের।