• ডাবল সেঞ্চুরির পথে রনি, আশরাফুলের সেঞ্চুরি
    গত অক্টোবরে এনসিএলে ডাবল সেঞ্চুরি করার পর থেকে ভালো শুরুকে আর বড় করতে পারছিলেন না রনি তালুকদার। পারলেন এবার, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দশম সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া ওপেনার আশা জাগিয়েছেন চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির। তার নিজেকে মেলে ধরার দিনে সেঞ্চুরি করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
  • তুষার-নাঈম-সৌম্যকে ছাপিয়ে সেরা সাদমান
    খুব কাছে গিয়েও ডাবল সেঞ্চুরি করতে না পারার আক্ষেপ আছে। ঢাকা মেট্রোকে প্রথম স্তরে নিতে না পারাটা পোড়াচ্ছে আরও বেশি। তবে সব না পাওয়ার হিসাব সাদমান ইসলাম মেলাতে চান পরেরবার। এনসিএলের সদ্য সমাপ্ত আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক জানালেন, যে কোনো পরিস্থিতির জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখতে চান তিনি।
  • নাজমুল, শাহাদাতের নৈপুণ্যে চট্টগ্রামকে হারাল ঢাকা
    জয়ের জন্য চতুর্থ ও শেষ দিনে চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ৩৪৭ রান। ম্যাচ বাঁচাতে ৭ উইকেট নিয়ে কাটিয়ে দিতে হত পুরো একটি দিন। তার কোনোটারই ধারে কাছে যেতে পারেনি মুমিনুল হকের দল। নাজমুল ইসলাম অপু ও শাহাদাত হোসেনের দারুণ বোলিংয়ে এক সেশনেই জয় তুলে নিয়েছে ঢাকা।
  • রনির ডাবল সেঞ্চুরি, মজিদের সেঞ্চুরি
    ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলেন রনি তালুকদার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে শতক পেলেন আব্দুল মজিদ। তাদের রেকর্ড গড়া সাড়ে তিনশ রানের উদ্বোধনী জুটির ওপর ভর করে চট্টগ্রামকে বড় লক্ষ্য দিল ঢাকা।
  • শাহাদাতের দাপটের পর রনির সেঞ্চুরি
    আগের দিন শেষ বেলায় দুই উইকেট নেওয়া শাহাদাত হোসেন ছোবল দিলেন দ্বিতীয় দিনও। সঙ্গে জ্বলে উঠলেন ঢাকার স্পিনাররা। প্রথম ইনিংসে দ্রুত গুটিয়ে গেল চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় ইনিংসে শতরানের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে ঢাকাকে চালকের আসনে বসিয়েছেন রনি তালুকদার ও আব্দুল মজিদ।
  • রনির পর লড়ছেন শরিফ
    শুরু থেকে প্রায় দ্বিতীয় নতুন বল পর্যন্ত লড়ে গেছেন রনি তালুকদার। মাঝে তাকে খানিকটা সঙ্গ দিলেন তাইবুর পারভেজ। দিনের শেষ ভাগে লড়লেন মোহাম্মদ শরিফ। প্রথম দিনে ঢাকা বিভাগের প্রথম ইনিংসের গল্প এই।
  • রনি-সাইফের সেঞ্চুরিতে ঢাকার দুর্দান্ত শুরু
    বৃষ্টি ভেজা মাঠের কারণে খেলা হয়নি প্রথম দিনে। দ্বিতীয় দিনে মাঠ শুকিয়ে গেল বটে। তবে সেই মাঠকে রান বৃষ্টিতে সিক্ত করলেন রনি তালুকদার ও সাইফ হাসান। ঢাকা বিভাগের শুরুটা হলো দুর্দান্ত।
  • রানের পাহাড় গড়া মোহামেডানের নাটকীয় জয়
    তিনশ ছাড়ানো স্কোর গড়েও হারের তিক্ত স্মৃতি এখনও তাজা। সেই স্বাদ আবারও পেতে যাচ্ছিল মোহামেডান। শেষের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ এক জয় পেয়েছে দলটি। তরুণ মুনিম শাহরিয়ারের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখা গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স হেরেছে আবারও।