• ব্যাটিং ঝলকের পর বল হাতেও বিধ্বংসী বুমরাহ, চাপে ইংল্যান্ড
    বৃষ্টির বাধায় বারবার বন্ধ হলো খেলা। তার আগে-পরে এজবাস্টন দেখল জাসপ্রিত বুমরাহ ‘শো।’ নেতৃত্বের অভিষেক ম্যাচে প্রথমে তিনি ব্যাট হাতে ক্যামিও ইনিংসের পথে গড়লেন বিশ্ব রেকর্ড। পরে বল হাতে বিধ্বস্ত করলেন ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার। শেষ বেলায় উইকেট প্রাপ্তির আনন্দে মাতলেন মোহাম্মদ সিরাজ ও মোহাম্মদ শামি। ভারতের দাপুটে দিনে খুব চাপে ইংলিশরা।
  • ব্যর্থ কোহলি, পান্ত ১৪৬, জাদেজা অপরাজিত ৮৩
    ইংল্যান্ড-ভারত এজবাস্টন টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাটে-বলে লড়াইটা হলো দুর্দান্ত। জেমস অ্যান্ডারসন ও ম্যাথু পটসের দারুণ বোলিংয়ে ভারত পড়েছিল অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায়। অসাধারণ ব্যাটিংয়ে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি আর রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে রেকর্ড জুটিতে সফরকারীদের উদ্ধার করলেন রিশাভ পান্ত।
  • তিন দিনেই শ্রীলঙ্কাকে গুঁড়িয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া
    প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ের হতাশা কাটানো তো দূরের কথা, এবার ব্যাট হাতে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ল শ্রীলঙ্কা। ন্যাথান লায়ন ও ট্রাভিস হেডের দারুণ বোলিংয়ে পথ হারিয়ে দলটি কোনোমতে এড়াল ইনিংস হার। ছোট্ট রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই পরপর চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন ডেভিড ওয়ার্নার।
  • খাওয়াজা-গ্রিনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার লিড
    পঞ্চাশ ছুঁয়ে ইনিংস বড় করতে পারলেন না উসমান খাওয়াজা। তার মতো সত্তরের ঘরে গিয়ে ফিরে গেলেন ক্যামেরন গ্রিনও। এই দুইজন ছাড়া ফিফটি এলো না কারো ব্যাট থেকে। এর পরও অবশ্য সবার মিলিত অবদানে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতরানের লিড পেয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।
  • লায়নের ৫ উইকেটের পর চাপে অস্ট্রেলিয়াও
    প্রথম দিনই স্পিনাররা পেলেন বড় টার্ন, সঙ্গে মিলল অসমান বাউন্স। স্পিন সহায়ক উইকেটে নিজেকে মেলে ধরলেন ন্যাথান লায়ন। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন আপ ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ান অফ স্পিনার নিলেন পাঁচ উইকেট। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই সফরকারীরাও।
  • নিউ জিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে ইংল্যান্ডের ইতিহাস
    লর্ডসে ২৭৬ রান, ট্রেন্ট ব্রিজে ২৯৮-এর পর আরও একবার প্রায় তিনশর কাছাকাছি রান তাড়া করে জয়। টেস্টের ১৪৫ বছরের ইতিহাসে যা পারেনি কোনো দল, তাই করে দেখাল ইংল্যান্ড। এক সিরিজে তিনবার আড়াইশর বেশি রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে জয়ের অনন্য কীর্তি গড়ল তারা! দাপুটে পারফরম্যান্সে হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল নিউ জিল্যান্ডকে।
  • রুট-পোপের ব্যাটে হ্যাটট্রিক জয়ের আশায় ইংল্যান্ড
    ইংল্যান্ডের সামনে টেস্ট ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে এক সিরিজে তিনবার আড়াইশর বেশি রান তাড়া করে জয়ের হাতছানি। নিউ জিল্যান্ড আছে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে। হেডিংলি টেস্টের চার দিন শেষে প্রথমটির সম্ভাবনাই এখন বেশি। অলিভার পোপ ও জো রুটের দারুণ জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ইংলিশদের হাতে।
  • ব্যাটিং ধসে বিপদে নিউ জিল্যান্ড
    শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে পথ দেখালেন টম ল্যাথাম ও কেন উইলিয়ামসন। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে গড়ে দিলেন শক্ত ভিত। পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংস খেলা ল্যাথামের বিদায়ের সঙ্গে যেন পথ হারিয়ে ফেলল নিউ জিল্যান্ড। পরে আরও কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গেল সফরকারীরা।
  • ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে বেয়ারস্টোর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, অপেক্ষায় ওভারটন
    হেডিংলি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ব্যাটে-বলে লড়াইটা হলো দারুণ। নতুন বলে সুইং বোলিংয়ের অসাধারণ প্রদর্শনীতে ট্রেন্ট বোল্ট কাঁপিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের ব্যাটিং। দলের সামনে যখন অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার চোখ রাঙানি, ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে গেলেন জনি বেয়ারস্টো ও জেমি ওভারটন। একশর বেশি স্ট্রাইক রেটে বেয়ারস্টো করলেন টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। অভিষেকেই তিন অঙ্কের স্বাদ পাওয়ার দুয়ারে বোলিং অলরাউন্ডার ওভারটন।
  • কেয়ারির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে জয়ে শেষ অস্ট্রেলিয়ার
    বোলারদের নৈপুণ্যে লক্ষ্যটা ছোট থাকলেও পথ হারাতে বসেছিল অস্ট্রেলিয়া। পড়েছিল আরেকটি হারের শঙ্কায়। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন অ্যালেক্স কেয়ারি। তার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় দিয়ে শেষ করল সফরকারীরা।
  • নিকোলসের ‘অদ্ভুত’ আউটের পর মিচেল-ব্লান্ডেলের লড়াই
    বাঁহাতি স্পিনার জ্যাক লিচের বলে বেরিয়ে এসে জোরের ওপর শট খেললেন হেনরি নিকোলস। বল নিজের দিকে আসতে দেখে নন স্ট্রাইক প্রান্তে ড্যারিল মিচেল শেষ মুহূর্তে ব্যাট সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু পারলেন না। বল তার ব্যাটে লেগে মিড অফে জমা পড়ল অ্যালেক্স লিসের হাতে, আউট! ঘটনার আকস্মিকতায় অবাক বোলার নিজেও। ততক্ষণে অবশ্য তাকে ঘিরে উদযাপনে মাতোয়ারা সতীর্থরা।
  • হ্যাটট্রিক জয়ে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে ইংল্যান্ড
    ৪০তম ওভারে নেদারল্যান্ডসের রান স্পর্শ করল দুইশ। হাতে উইকেট ৭টি। তিনশর কাছাকাছি যাওয়ার হাতছানি। কিন্তু ব্যাটিং ধসে ডাচরা গুটিয়ে গেল আড়াইশর নিচে। জেসন রয়ের সেঞ্চুরি ও জস বাটলারের ঝড়ো ফিফটিতে ইংল্যান্ড পেল অনায়াস জয়।
  • উত্তেজনার ভেলায় চেপে এক যুগ পর লঙ্কানদের সিরিজ জয়
    রোমাঞ্চের নানা বাঁক পেরিয়ে ম‍্যাচ এসে পৌঁছাল শেষ বলে। অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন পাঁচ রান। আগের দুই বলে বাউন্ডারি হাঁকানো ম‍্যাথু কুনেমানের ব‍্যাট থেকে একটি চার কিংবা ছক্কা এসে যাওয়া অসম্ভব কিছু না। প্রথম পাঁচ বলে তেমন একটা ভালো করতে না পারা দাসুন শানাকা ধরে রাখতে পারলেন স্নায়ু চাপ। ছক্কার চেষ্টায় কাভারে ক‍্যাচ তুলে দিলেন ব‍্যাটসম‍্যান। এক যুগ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আনন্দে ভাসল শ্রীলঙ্কা।
  • নিসানকার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল শ্রীলঙ্কা
    সামনে ছিল বড় লক্ষ্য। জিততে হলে গড়তে হতো রেকর্ড। রেকর্ড জুটিতে দলকে পথ দেখালেন পাথুম নিসানকা ও কুসল মেন্ডিস। চমৎকার এক সেঞ্চুরিতে নিসানকা খেললেন রেকর্ড গড়া ইনিংস। অসাধারণ জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা।
  • বৃষ্টিতে পণ্ড ভারত-দ. আফ্রিকা ‘ফাইনাল’
    শঙ্কা ছিল আগে থেকে। টসের পর যখন খেলা শুরুর অপেক্ষা, তখনই বৃষ্টির আগমন। পরে যদিও খেলা হলো কিছুটা। কিন্তু দ্বিতীয় দফা বৃষ্টি নামার পর আর মাঠেই নামতে পারল না দুই দল। পরিত্যক্ত হয়ে গেল ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
  • রেকর্ড রানের পর ইংল্যান্ডের বড় জয়
    সকালের সূর্য সবসময় সারা দিনের পূর্বাভাস দেয় না। ইংল্যান্ডের ইনিংসের শুরু আর শেষটা যেমন। ১ রানে নেই ১ উইকেট। সেখানে পরের তিন ব্যাটসম্যানই করলেন সেঞ্চুরি। আরেক জন উপহার দিলেন খুনে ফিফটি। নেদারল্যান্ডসের বোলারদের তুলোধুনা করে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের ইতিহাস ইংল্যান্ড লিখল নতুন করে। ডাচরা যেতে পারল না ধারাকাছেও।
  • দক্ষিণ আফ্রিকাকে গুঁড়িয়ে সমতায় ভারত
    দিনেশ কার্তিকের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি অভিষেক ২০০৬ সালে, ভারতের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ১৬ বছরের বেশি সময় পর সেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেই এই সংস্করণে তিনি পেলেন প্রথম ফিফটি। তার সঙ্গে হার্দিক পান্ডিয়াও খেললেন ঝড়ো ইনিংস। পরে আভেশ খানের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মুখ থুবড়ে পড়ল প্রোটিয়াদের ব্যাটিং। বড় জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ভারত।
  • দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সমতায় শ্রীলঙ্কা
    শ্রীলঙ্কার প্রথম আট ব্যাটসম্যানের সবাই গেলেন দুই অঙ্কে। কিন্তু চল্লিশও ছুঁতে পারলেন না কেউ। মাঝারি পুঁজি নিয়ে বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে অবশ্য তারা নিজেদের মেলে ধরলেন দারুণভাবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে সিরিজে ফেরাল সমতা।
  • ম্যাক্সওয়েলের অসাধারণ ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার রোমাঞ্চকর জয়
    ব্যাটিংয়ে ঝড়ো ইনিংস খেলার পর বল হাতেও আলো ছড়ালেন ভানিন্দু হাসারাঙ্গা। জাগালেন জয়ের আশা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না শ্রীলঙ্কা। খুনে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে দারুণ জয় এনে দিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
  • শাদাবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে হোয়াইটওয়াশড উইন্ডিজ
    আশা জাগানিয়া শুরুর পর অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার চোখ রাঙানি। চাপের মুখে ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেন শাদাব খান। পরে বল হাতেও তিনি ছড়ালেন আলো। তার দুর্দান্ত অলরাউন্ড দ্যুতিতে ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল পাকিস্তান।
  • পোপ ১৪৫, রুট অপরাজিত ১৬৩
    সুযোগ পেলে সেটি কাজে লাগাতে হয় দুই হাতে। ড্যারিল মিচেলের মতো এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হলেন অলি পোপ আর জো রুটও। জীবন পেয়ে দুজনই করলেন দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। নিউ জিল্যান্ডের রানের পাহাড় টপকে প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার আশা জাগাল ইংল্যান্ড।
  • ক্লাসেনের তাণ্ডবে ভারতকে ফের হারাল দ.আফ্রিকা
    কুইন্টন ডি কক চোট না পেলে তার একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনাই ছিল ক্ষীণ। ভাগ্যের জোরে পাওয়া সুযোগটা দুই হাতে লুফে নিলেন হাইনরিখ ক্লাসেন। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে উপহার দিলেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। ভারতকে উড়িয়ে সিরিজ জয়ের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।
  • নাজিবউল্লাহর ঝড়ে আফগানিস্তানের জয়
    ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১০ ওভার শেষে রান বিনা উইকেটে ৮৩। এক ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে এই ম্যাচও কঠিন করে ফেলেছিল আফগানিস্তান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে পথ দেখালেন নাজিবউল্লাহ জাদরান। জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল আফগানরা।
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে পাকিস্তানের টানা ‘১০’
    আগের ম্যাচে তিনশ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং মুখ থুবড়ে পড়ল এবার। ইমাম উল হক ও বাবর আজমের ফিফটির পর ক্যারিয়ার সেরা বোলিং উপহার দিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। অনায়াস জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ওয়ানডে সিরিজ জিতল পাকিস্তান।
  • মিচেল-ব্লান্ডেলের দৃঢ়তায় বড় সংগ্রহের পথে নিউ জিল্যান্ড
    ক্যাচ ছাড়লে চড়া মূল্য দিতে হয়, ড্যারিল মিচেলকে জীবন দেওয়ার পর হয়তো জো রুটও ভাবছেন সেই কথা। জীবন পেয়ে কিউই ব্যাটসম্যান যে ইংল্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়ে গেছেন দেয়াল হয়ে। ফিফটি করে ছুটছেন সেঞ্চুরির দিকে। সঙ্গে টম ব্লান্ডেলের পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংসে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ফেলেছে নিউ জিল্যান্ড।
  • মিলার-ফন ডাসেনের ঝড়ে ভারতের জয়রথ থামাল দ. আফ্রিকা
    দুজনে চতুর্থ উইকেটে যখন জুটি বাঁধলেন, তখনও ৬৮ বলে দলের প্রয়োজন ১৩১ রান। ভীষণ কঠিন সমীকরণ। খুনে ব্যাটিংয়ে সেটিকেই ডেভিড মিলার ও রাসি ফন ডার ডাসেন বানিয়ে ফেললেন কত সহজ! তাদের বিস্ফোরক এক জুটিতে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।
  • জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের কাছে আফগানিস্তান
    রায়ান বার্লের শর্ট বল এক পা পেছনে নিয়ে মিডউইকেট দিয়ে ছক্কায় উড়িয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিলেন মোহাম্মদ নবি। শেষটায় ফুটে উঠল আফগানিস্তানের দাপটের ছবি। বল হাতে আধিপত্য দেখায় তারা, জিম্বাবুয়েকে গুটিয়ে দেয় দেড়শর আগেই। তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে আফগানদের।
  • বাবরের সেঞ্চুরি ও খুশদিলের ঝড়ে পাকিস্তানের রেকর্ড গড়া জয়
    মাঝে পেরিয়ে গেছে মাস দুয়েক। তবে বাবর আজমের ফর্মে মরচে ধরেনি একটুও। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই যেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু করলেন তিনি। অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতায় উপহার দিলেন আরেকটি সেঞ্চুরি। ঝড়ো ইনিংসে শেষের কঠিন সমীকরণ মেলালেন খুশদিল শাহ। দারুণ জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।
  • ২৮ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার বড় হার
    ব্যাটিংয়ের শুরুটা আশা জাগানিয়া। ১ উইকেট হারিয়ে দ্বাদশ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান স্পর্শ করল একশ। এরপরই ভোজবাজির মতো পাল্টে গেল চিত্র। জশ হেইজেলউড, মিচেল স্টার্কদের দারুণ বোলিংয়ে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল লঙ্কান ব্যাটিং। দুই ওপেনারের অপরাজিত ফিফটিতে অস্ট্রেলিয়া জিতে গেল অনায়াসে।
  • ইব্রাহিমের প্রথম সেঞ্চুরি, ফের আক্ষেপে পুড়লেন রহমত
    কাছে গিয়েও না পাওয়ার ব্যথা খুব ভালোভাবেই উপলব্ধি করার কথা রহমত শাহর। পরপর দুই ম্যাচে যে অল্পের জন্য সেঞ্চুরির উষ্ণ ছোঁয়া পাওয়া হলো না এই ব্যাটসম্যানের। তবে তার আরেকটি আক্ষেপের দিনে প্রথম শতকের স্বাদ পেলেন ইব্রাহিম জাদরান। তাদের দুইজনের ব্যাটেই জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ জিতল আফগানিস্তান। 
  • রুটের সেঞ্চুরিতে ইংল‍্যান্ডের জয়
    লর্ডস টেস্টের প্রথম তিন দিনে হলো দারুণ সব নাটকীয়তা। একেকটি ধসে হুট করে পাল্টে যাচ্ছিল ম‍্যাচের চিত্র। তাই চতুর্থ দিনে ইংল‍্যান্ডের স্রেফ ৬১ রান প্রয়োজন থাকলেও সম্ভাবনা বেঁচে ছিল নিউ জিল‍্যান্ডেরও। তবে দারুণ নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে এবার আর কোনো সুযোগ দিলেন না জো রুট। ক‍্যারিয়ারে চতুর্থ ইনিংসে খেললেন প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংস। বেন ফোকসকে নিয়ে প্রথম সেশনেই দলকে নিয়ে গেলেন জয়ের বন্দরে।
  • রুটের ব্যাটে আশায় ইংল্যান্ড
    কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের বলটা বেন স্টোকসের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে এলোমেলো করে দিল স্টাম্প। নিউ জিল্যান্ডের খেলোয়াড়রা মেতে উঠলেন উদযাপনে। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হাঁটা দিলেন ড্রেসিংরুমের পথে। পরক্ষণেই দৃশ্যপটে হাজির তৃতীয় আম্পায়ার। ‘ওভারস্টেপ’ করেছিলেন বোলার, ‘নো’ বল! ১ রানে জীবন পেয়ে স্টোকস করলেন ফিফটি। সঙ্গে জো রুটের অপরাজিত ফিফটিতে লর্ডস টেস্টে জয়ের সম্ভাবনায় এগিয়ে এখন ইংলিশরাই।
  • মেয়ার্স-ব্রুকসের সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজের তিনে তিন
    আগের পাঁচ ওয়ানডের চারটিতে ব্যাটিং পেয়ে কাইল মেয়ার্সের কখনও চার নম্বরের ওপরে নামা হয়নি। প্রথমবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে তিনি উপহার দিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। সঙ্গে শামারা ব্রুকসের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেল বড় পুঁজি। ম্যাক্স ও'ডাওড জবাব দিলেন দারুণ এক ইনিংস খেলে। কিন্তু আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না নেদারল্যান্ডস। ডাচদের হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল ক্যারিবিয়ানরা।
  • অসাধারণ জুটিতে সেঞ্চুরির দুয়ারে মিচেল ও ব্লান্ডেল
    ম্যাথু পটসকে দৃষ্টিনন্দন এক অফ ড্রাইভে চার মেরে ৯৭ রানে পৌঁছে গেলেন ড্যারিল মিচেল। রাতে ঠিকমতো ঘুম হবে কি নিউ জিল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যানের? দিনের খেলা যে সেখানেই শেষ! আরও একবার যখন দলের সামনে চোখ রাঙাচ্ছিল অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা। টম ব্লান্ডেলের সঙ্গে কী চমৎকার জুটিই না গড়ে তুললেন মিচেল। তাদের ব্যাটেই এখন লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দেওয়ার পথে কিউইরা।
  • লর্ডসে ১৭ উইকেটের দিনে ইংল্যান্ডের নাটকীয় ব্যাটিং ধস
    বলা হচ্ছে, ইংল্যান্ড টেস্ট দলের ‘নতুন যুগের সূচনা।’ মাঠের লড়াইয়ে সেই যাত্রা শুরুর প্রথম দিনটা তাদের কাটল অম্লমধুর। দলে ফিরে অসাধারণ বোলিং প্রদর্শনী মেলে ধরলেন জেমস অ্যান্ডারসন। অভিষিক্ত পেসার ম্যাথু পটস দেখালেন চমক। তাদের নৈপুণ্যে নিউ জিল্যান্ডকে দেড়শর আগে গুটিয়ে দিয়ে ব্যাটিংয়েও ইংলিশদের শুরুটা হয় দারুণ। কিন্তু অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ধসে তারাই এখন ঘোর বিপদে।
  • কিং-কার্টির দৃঢ়তায় ডাচদের হারিয়ে সিরিজ উইন্ডিজের
    ভালো শুরুর পর পথ হারিয়ে ফেলল নেদারল্যান্ডস। প্রথম তিন ব্যাটসম্যান ছাড়া কেউ যেতে পারলেন না দুই অঙ্কে! দুইশ পার হতেই থেমে গেল দলটির ইনিংস। অল্প পুঁজি নিয়ে লড়াই করলেন তাদের বোলাররা, সম্ভাবনা জাগালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজদের বিপক্ষে অসাধারণ কিছুর। তবে তাদের সেই আশা গুঁড়িয়ে ক্যারিবিয়ানদের জয় এনে দিলেন ব্র্যান্ডন কিং ও কেসি কার্টি।
  • হোপের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়
    কদিন আগেই ঘরোয়া চার দিনের ম্যাচে করেন সেঞ্চুরি। সেই ফর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও টেনে আনলেন শেই হোপ। তার অপরাজিত সেঞ্চুরির সঙ্গে শামারা ব্রুকস ও ব্রান্ডন কিংয়ের ফিফটিতে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
  • তাইজুলের দারুণ বোলিংয়েও জমল না শেষ দিনের রোমাঞ্চ
    ম্যাচে তখন রোমাঞ্চের লেশমাত্র নেই। বরং অপেক্ষা, কখন ম্যাচের যবনিকা টানবেন আম্পায়াররা। হঠাৎই গ্যালারিতে গুটিকয় দর্শকের চিৎকার। জয় দেখে ফেলেছেন তারা! তবে ফলাফলের জয় নয়, বল হাতে মাহমুদুল হাসান জয়। তখন চলছে স্রেফ সময় কাটানোর পালা, ম্যাচে আর সমীকণের কিছুই নেই। তরুণ এই ব্যাটসম্যানের বোলিং প্রতিভা নাহয় উপভোগ করা যাক! কিন্তু পোড়া কপাল, এই বিনোদনও জুটল না। জয় এক বল করার পরই দুই অধিনায়ক মেনে নিলেন ড্র।
  • মুশফিকের সেঞ্চুরি ও মন্থর দিনের শেষে হঠাৎ আশার ঝিলিক
    তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত থ্রো। তাইজুল ইসলামের দারুণ ডেলিভারি। নিষ্প্রাণ ম্যাচে খানিকটা প্রাণের সঞ্চার তার দুটি তাক লাগানো মুহূর্তে। মুশফিকুর রহিমের ধৈর্যশীল সেঞ্চুরি আর বাংলাদেশের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ম্যাচ গড়াচ্ছিল ড্রয়ের দিকে। কিন্তু তাইজুলের বাঁ হাতের ঝলকে শেষ বিকেলের মরে আসা আলোয় জেগে উঠল বাংলাদেশের আশা।
  • তামিমের সেঞ্চুরির দিনে শান্ত-মুমিনুলের হতাশা
    তিন উইকেট হারিয়েই দলের রান ছাড়িয়ে গেছে তিনশ। এক ব্যাটসম্যান দারুণ সেঞ্চুরি করে এখনও আউট হননি। ফিফটি পেরিয়ে যাওয়া অন্য তিন জনের দুজন অপরাজিত। দলের এমন ব্যাটিংয়ের দিনে দু-একজনের ব্যর্থতা চোখে পড়ার কথা নয়। তবে প্রেক্ষাপটই এমন যে তামিম ইকবালের সেঞ্চুরির ঝলকানির পাশে নাজমুল হোসেন শান্তর ১ ও মুমিনুল হকের ২ রানের আঁধারও চোখে পড়ছে প্রকটভাবে।
  • তামিম-জয়ের ব্যাটে ৬১ ইনিংসের খরা কাটানোর আশা
    শুরুতে একটু নড়বড়ে, পরে সাবলীল। কয়েক ওভার একটু অস্বস্তিময়, পরের ওভারগুলো গতিময়। শুরুর জড়তা ঝেড়ে ফেলে সময়ের সঙ্গে দারুণ ব্যাটিং করলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জয়। দুজনের ব্যাটিংয়ে ছোট্ট একটি খরা কাটাল বাংলাদেশ। হাতছানি এবার আরও লম্বা খরা কাটানোর।
  • ম্যাথিউস ১৯৯, শ্রীলঙ্কা ৩৯৭
    পয়েন্ট ফিল্ডারকে সীমানা থেকে আনা হলো বৃত্তের ভেতরে, মিড অন ও মিড অফ ফিল্ডারও। বৃত্তের ভেতরেই মিড উইকেট থেকে সাকিব আল হাসানকে আনা হলো স্কয়ার লেগে, অধিনায়ক মুমিনুল হক দাঁড়ালেন শর্ট মিড উইকেটে। সব আয়োজন একটি কারণে, ওভারের শেষ বলে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে একটি রান করতে না দেওয়া। ম্যাথিউসও যেন চ্যালেঞ্জটা নিতে গেলেন। ৫৭৮ মিনিট ক্রিজে কাটানো ব্যাটসম্যান ধৈর্য হারিয়ে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে খেললেন শট, আর পুড়লেন আক্ষেপে!
  • বাংলাদেশকে হতাশ করে ম্যাথিউসের সেঞ্চুরি
    দিনের শেষ বলটি ব্লক করতেই তৃপ্তির ঝলক খেলে গেল অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের চোখেমুখে। উইকেটের পেছন থেকে লিটন দাস ‘ফিস্ট বাম্প’ করলেন তার সঙ্গে। ছুটে এসে পিঠ চাপড়ে দিলেন মুশফিকুর রহিমও। ম্যাথিউস ব্যাট হাতে যা করেছেন, তাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের খুশি হওয়ার কারণ নেই। তবে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি, প্রথম সেশনে ক্রিজে যাওয়ার পর প্রচণ্ড গরমে দিনজুড়ে ব্যাটিংয়ের পর প্রতিপক্ষের এমন অভিনন্দনও তো প্রাপ্য!
  • লড়াইয়ের ছিটেফোঁটা না দেখিয়ে বাজে হার বাংলাদেশের
    জায়গা বানিয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে আউট মুশফিকুর রহিম। সুইপ করার চেষ্টায় উইকেট বিলিয়ে দিলেন মুমিনুল হক। স্লগ সুইপে উড়িয়ে মেরে বিদায় ইয়াসির আলির, ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে স্টাম্পড লিটন দাস। স্রেফ একের পর এক উইকেটের পতন নয়, আত্মসমর্পণের একেকটি দলিল যেন। যেখানে লেখা আছে, লড়াই না করেই মাথা নিচু করে পলায়ন।
  • হিলির ইতিহাস গড়া ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা
    অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষেই যেন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ম্যাচের ফল। জিততে হলে ইংল্যান্ডকে টপকাতে হতো রানের পাহাড়। ন্যাট সিভার একা লড়ে দুর্দান্ত ইনিংস খেললেন বটে, কিন্তু যথেষ্ট হলো না। বড় জয়ে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মাতল অস্ট্রেলিয়া।
  • বাবরের আরেকটি সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে সিরিজ পাকিস্তানের
    শূন্য রানে নেই ২ উইকেট! এটিই যেন অস্ট্রেলিয়ার প্রতীকী চিত্র হয়ে থাকল ম্যাচ জুড়ে। প্রথম দুই ম্যাচে তিনশর বেশি রান করা দলটির ব্যাটিং এবার মুখ থুবড়ে পড়ল। রান তাড়ায় টানা দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দিলেন বাবর আজম। ইমাম-উল-হকও খেললেন দারুণ ইনিংস। বড় ব্যবধানে জিতে সিরিজ জয়ের আনন্দে মাতল পাকিস্তান।
  • জয়ের অসাধারণ ইনিংসে তিনশর কাছে বাংলাদেশ
    ধারাভাষ্যকক্ষে মার্ক নিকোলাস বললেন, ‘আ স্টার ইজ বর্ন।’ মাঠে সেই তারকা, মাহমুদুল হাসান জয়ের মুখে তখন উদ্ভাসিত হাসি। তার ব্যাটের আলোয় ঝলমলে বাংলাদেশের ইনিংস। ড্রেসিং রুমের সামনে সতীর্থদের তুমুল করতালি। বছরের শুরুতে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে দারুণ ইনিংস খেলে জয় ছিলেন বাংলাদেশের জয়ের পার্শ্বনায়ক। ডারবানে এবার দল জয়ের অবস্থায় নেই এখনও। তবে তিনিই দলের ত্রাতা। রেকর্ড গড়া ধ্রপদি এক সেঞ্চুরিতে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধারের নায়ক।
  • ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ল্যাথামের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস
    স্কোরবোর্ডে দলের রান ৩২ ছুঁতেই নেই ৫ উইকেট। নিউ জিল্যান্ড তখন অল্পতে গুঁড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কায়। কোণঠাসা হয়ে পড়া দলকে ব্যাট হাতে সামনে থেকে পথ দেখালেন টম ল্যাথাম। উপহার দিলেন ওয়ানডেতে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। পরে বোলারদের নৈপুণ্যে নেদারল্যান্ডসকে দেড়শর আগে গুটিয়ে বিশাল জয় পেল স্বাগতিকরা।
  • ইমাম ও বাবরের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের রেকর্ড গড়া জয়
    সামনে রানের পাহাড়। জিততে হলে গড়তে হবে রেকর্ড। টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে পথ দেখালেন ইমাম উল হক। বাবর আজমও খেললেন দুর্দান্ত ইনিংস। শেষ দিকে পেয়ে বসা শঙ্কা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন খুশদিল শাহ। অসাধারণ জয়ে সিরিজে ফিরল পাকিস্তান।
  • দ. আফ্রিকাকে গুঁড়িয়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ইংল্যান্ড
    কে কয়টা ক্যাচ ফেলতে পারে, যেন সেই প্রতিযোগিতায় মেতে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডাররা! বারবার জীবন পেয়ে ড্যানি ওয়াট উপহার দিলেন সেঞ্চুরি। সঙ্গে সোফিয়া ডাঙ্কলির ফিফটিতে ইংল্যান্ড পেল বড় পুঁজি। পরে সোফি এক্লেস্টোনের স্পিনে মুখ থুবড়ে পড়ল প্রোটিয়াদের ব্যাটিং। বিশাল জয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল শিরোপাধারীরা।
  • হিলির বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া
    দুটি ফিফটি, পাঁচ ইনিংসে ব্যর্থ। বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বে ঠিক চেহারায় দেখা যায়নি অ্যালিসা হিলিকে। অবশেষে বড় ম্যাচে দেখা গেল তার সেরাটা। মেয়েদের ক্রিকেটের সবচেয়ে বিশ্বংসী ব্যাটারদের একজন জ্বলে উঠলেন সেমি-ফাইনালে। হিলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও র‌্যাচেল হেইন্সের সঙ্গে ডাবল সেঞ্চুরি জুটি অস্ট্রেলিয়াকে পৌঁছে দিল ফাইনালে।
  • পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার দশে ১০
    সাড়ে তিন বছর পর ওয়ানডে খেলার সুযোগটা দুই হাতে কাজে লাগালেন ট্রাভিস হেড। প্রথমে ব্যাট হাতে উপহার দিলেন ঝড়ো সেঞ্চুরি। পরে বোলিংয়েও ছড়ালেন আলো। ইমাম-উল-হক দারুণ সেঞ্চুরিতে জবাব দিলেন বটে, কিন্তু যথেষ্ট হলো না তার লড়াই। পাকিস্তানকে উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
  • অভিষিক্ত টিকনারের বোলিং ঝলকের পর ইয়াংয়ের সেঞ্চুরি
    নিয়মিত ক্রিকেটারদের বেশিরভাগ না থাকায় পাওয়া সুযোগটা দুই হাতে লুফে নিলেন ব্লেয়ার টিকনার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দারুণ বোলিংয়ে ওয়ানডে অভিষেক রাঙালেন এই পেসার। পরে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে নিউ জিল্যান্ডকে অনায়াস জয় এনে দিলেন উইল ইয়াং।
  • ইংলিশদের গুঁড়িয়ে সিরিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের
    জয়ের মঞ্চ তৈরি হয়ে গিয়েছিল আগের দিনই। ক্রিস ওকস ও জ্যাক লিচের প্রতিরোধে অপেক্ষাটা যা একটু বাড়ল। লক্ষ্যটা তবু থাকল ছোটই। ইংল্যান্ডকে সহজেই হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
  • একাদশে নেই মুস্তাফিজ, শেষের ঝড়ে দারুণ জয় দিল্লির
    আটে নেমে আকসার প্যাটেল এমন মার শুরু করলেন যে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পেসাররা ভেবেই পাচ্ছিলেন না বল ফেলবেন কোথায়! অনেকক্ষণ নিজেকে খোলসে আটকে রাখা ললিত যাদবের ব্যাটেও তখন রুদ্ররূপ। এই দুই জনের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে শেষের কঠিন সমীকরণ মিলিয়ে দারুণ জয় পেল দিল্লি ক‍্যাপিটালস।
  • শেষ দিনের রোমাঞ্চে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার
    ন্যাথান লায়নের বলটা অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে টার্ন করে ভেতরে ঢুকছিল, ডিফেন্ড করতে যাওয়া বাবর আজমের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ল স্লিপে। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথটাও যেন পরিষ্কার হয়ে গেল সেখানেই। দ্রুতই বাকি চার উইকেট নিয়ে সিরিজ জয়ের উল্লাসে মাতলেন কামিন্স-স্টার্করা।
  • খাওয়াজার আরেকটি সেঞ্চুরির পর শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষা
    সাদা পোশাকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা উসমান খাওয়াজার ব্যাট হাসল আরও একবার। নিজের জন্মভূমিতে তিনি উপহার দিলেন আরেকটি সেঞ্চুরি। প্যাট কামিন্স নিলেন সাহসী সিদ্ধান্ত। সাড়ে তিনশর লিড নিয়ে প্রায় চার সেশন বাকি থাকতে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক রান তাড়ার চ্যালেঞ্জ দিলেন প্রতিপক্ষকে। ইমাম উল হক ও আবদুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতে পাকিস্তানের শুরুটা হলো দারুণ। শেষ দিনের রোমাঞ্চকর এক মোড়ে দাঁড়িয়ে লাহোর টেস্ট।
  • কামিন্স-স্টার্কের তোপে পুড়ল পাকিস্তানের ব্যাটিং
    দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে পাকিস্তানের স্কোর ৩ উইকেটে ২২৭। বড় সংগ্রহের শক্ত ভিত। শেষ সেশনে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্কের আগুনঝরা বোলিংয়ে পাল্টে গেল সব। ২০ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে আড়াইশ পার হতেই গুটিয়ে গেল বাবর আজমের দল।
  • নাসিমের রিভার্স সুইংয়ের পর আজহার-শফিকের দৃঢ়তা
    লাহোর টেস্টের দ্বিতীয় দিনেও ব্যাটে-বলে লড়াই হলো জমজমাট। প্রথম সেশনে পাকিস্তানকে হতাশ করে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নিলেন ক্যামেরন গ্রিন ও অ্যালেক্স কেয়ারি। নাসিম শাহর রিভার্স সুইংয়ের প্রদর্শনীতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সফরকারীদের চারশর আগে থামিয়ে দিল স্বাগতিকরা। পরে আবদুল্লাহ শফিক ও আজাহার আলির ব্যাটে তারা দিচ্ছে জবাব।
  • খাওয়াজার হতাশার দিনে ব্যাট-বলের দারুণ লড়াই
    আট রানেই নেই দুই উইকেট। বিপাকে পড়া দলকে পথে ফেরালেন উসমান খাওয়াজা ও স্টিভেন স্মিথ। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে আরও একবার আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন খাওয়াজা। স্মিথ থামলেন পঞ্চাশ পেরিয়ে। শেষ সেশনে অস্ট্রেলিয়ার তিন উইকেট তুলে নিয়ে লড়াইয়ে ফিরল পাকিস্তান।
  • বাবরের রেকর্ড ইনিংসের পর রিজওয়ানের সেঞ্চুরিতে বাঁচল পাকিস্তান
    জিততে হলে গড়তে হতো রান তাড়ার রেকর্ড। ডিঙাতে হতো অস্ট্রেলিয়ার রানের পাহাড়। প্রথম ইনিংসে দেড়শর আগে গুটিয়ে যাওয়া পাকিস্তান বাবর আজমের অসাধারণ ইনিংসে অবিশ্বাস্য কিছু করে দেখানোর সম্ভাবনা জাগাল। অধিনায়কের বিদায়ের পর যদিও পাল্টে গেল দৃশ্যপট। উল্টো তখন চোখ রাঙাচ্ছিল হারের শঙ্কা। পরে হাল ধরলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, তার দারুণ শতকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বাঁচিয়ে মাঠ ছাড়ল স্বাগতিকরা।
  • বাবরের সেঞ্চুরিতে রোমাঞ্চকর মোড়ে করাচি টেস্ট
    ৫০৬ রানের লক্ষ্য! টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৫ বছরের ইতিহাসে সাড়ে চারশ রানও তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কারো। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তার চেয়েও বড় রান তাড়ায় দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে দলকে টানছেন বাবর আজম। পাকিস্তান অধিনায়কের সঙ্গে আবদুল্লাহ শফিকের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষায় করাচি টেস্ট।
  • রেকর্ড লিড পেয়েও পাকিস্তানকে ফলোঅন করাল না অস্ট্রেলিয়া
    ব্যাটসম্যানদের পর বল হাতে নিজেদের মেলে ধরেন সফরকারী বোলাররা। ফিল্ডিংও হয় দুর্দান্ত। তাতে পাকিস্তান গুঁড়িয়ে যায় দেড়শর আগেই। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া পায় রেকর্ড গড়া লিড। তবে প্রতিপক্ষকে ফলোঅন না করিয়ে আবারও ব্যাটিংয়ে নামে প্যাট কামিন্সের দল।
  • আড়াই দিনেই হেরে ভারতে হোয়াইটওয়াশড লঙ্কানরা
    পাহাড়সম রান তাড়ার কঠিন চ্যালেঞ্জে একাই লড়াই করলেন দিমুথ করুনারত্নে। দুরূহ উইকেটে উপহার দিলেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। কিন্তু কুসল মেন্ডিস ছাড়া অধিনায়ককে সঙ্গ দিতে পারলেন না আর কেউ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্টে ব্যাটিং-বোলিংয়ে দাপুটে পারফরম্যান্সে আড়াই দিনেই জয় তুলে নিল ভারত।
  • লঙ্কানদের সামনে ভারতের পাহাড়সম লক্ষ্য
    প্রথম ইনিংসেই মিলল দেড়শর কাছাকাছি লিড। পরে রিশাভ পান্তের রেকর্ড গড়া ফিফটি ও শ্রেয়াস আইয়ারের কার্যকর ইনিংসে বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল ভারত। প্রতিপক্ষের পাহাড়সম রান তাড়ার শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে শ্রীলঙ্কা।
  • কেয়ারিকে আক্ষেপে পোড়ালেন বাবর
    দিন শেষ হতে তখন বাকি কেবল ৩ ওভার। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দুয়ারে দাঁড়িয়ে অ্যালেক্স কেয়ারি। বল হাতে আক্রমণে এসেই আঘাত হানলেন বাবর আজম। ওভারের শেষ বলটি খেলতে গিয়ে গড়বড় করে বোল্ড হলেন অস্ট্রেলিয়ার কিপার-ব্যাটসম্যান। তাকে শতক না পাওয়ার আক্ষেপে পুড়িয়ে আনন্দে ভাসলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
  • ১৬ উইকেট পতনের দিনে শ্রেয়াসের আক্ষেপ
    প্রথম দিনেই স্পিনাররা পেলেন টার্ন, সঙ্গে উইকেটে অসমান বাউন্স। পেসারদের জন্যও মিলল সহায়তা, তারা আদায় করে নিলেন মুভমেন্ট। কঠিন উইকেটে ভুগলেন দুই দলের ব্যাটসম্যানরাই। ১৬ উইকেট পতনের দিনে ব‍্যাট হাতে দারুণ লড়াই করলেন শ্রেয়াস আইয়ার। তবে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন তিনি। দিন শেষে হাসি অবশ‍্য ভারতীয়দের মুখেই। তৃতীয় সেশনে ব‍্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে শ্রীলঙ্কা।
  • খাওয়াজার ‘বিশেষ’ শতকে প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়ার
    জন্ম রাওয়ালপিন্ডিতে হলেও পারিবারিক শেকড় করাচিতে। শহরটি তাই উসমান খাওয়াজার কাছে বাড়ির মতো। সেখানে দারুণ এক সেঞ্চুরি উপহার দিলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। সঙ্গে স্টিভেন স্মিথের ফিফটিতে করাচি টেস্টে প্রথম দিনটা দারুণ কাটল সফরকারীদের।
  • রাওয়ালপিন্ডির 'সড়কে' ইমামের জোড়া সেঞ্চুরি, শফিকের সেঞ্চুরি
    ম্যাচের প্রথম দিন থেকেই উইকেট যেন মহাসড়ক, প্রাণের ছোঁয়া মাত্র নেই। এমনকি শেষদিনেও একদমই নিষ্প্রাণ। সামান্যতম সহায়তাও ছিল না কোনো ধরনের বোলারদের জন্যই। যে উত্তেজনা নিয়ে শুরু হয়েছিল পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট, উইকেটের আচরণে মিলিয়ে গেল তা সময় গড়াতেই। ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ছড়াল না কোনো রোমাঞ্চ।
  • খাওয়াজার পর নব্বইয়ে আটকে গেলেন লাবুশেনও
    রাওয়ালপিন্ডির ব্যাটিং স্বর্গে নিজেকে মেলে ধরলেন মার্নাস লাবুশেন। দারুণ ব্যাটিংয়ে শতক ছোঁয়ার পথেই ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলেন না কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পা রাখতে। উসমান খাওয়াজার পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটসম্যানও ফিরলেন নব্বইয়ের ঘরে।
  • আবেগের ম্যাচে আক্ষেপে পুড়লেন খাওয়াজা
    পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্টটি রাওয়ালপিন্ডির যে মাঠে খেলছে অস্ট্রেলিয়া, এর ঠিক উল্টো দিকেই উসমান খাওয়াজার আদি বাড়ি। প্রথমবার জন্মভূমিতে খেলতে নামার উপলক্ষটা সেঞ্চুরিতে রাঙানোর দুয়ারে ছিলেন বাঁ হাতি ওপেনার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিন রানের আক্ষেপে পুড়তে হলো তাকে।
  • জাদেজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ইনিংস ব্যবধানে জিতল ভারত
    ঠিক যেন প্রথম ইনিংসেরই পুনরাবৃত্তি। আরও একবার ভারতের স্পিন বিষে নীল হলো শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং। আবারও তারা গুটিয়ে গেল দুইশর নিচে। রবীন্দ্র জাদেজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে মোহালি টেস্ট তিন দিনেই জিতল স্বাগতিকরা।
  • আজহারের ১৮৫, পাকিস্তানের আরেকটি দারুণ দিন
    আগের দিন প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া ইমাম-উল-হক থামলেন দেড়শ পার করে। আজহার আলি এগিয়ে গেলেন আরও অনেকটা। জাগালেন দ্বিশতকের সম্ভাবনাও, শেষ পর্যন্ত অবশ্য পারেননি। তিনি সুযোগ হাতছাড়া করলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে আরেকটি দারুণ দিন কাটাল পাকিস্তান।
  • জাদেজার রেকর্ড ইনিংসে ভারতের রানের পাহাড়
    অভিষেকের ৬ বছর পর পেয়েছিলেন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা। এরপর তিন বছর কেটে গেলেও দ্বিতীয় তিন অঙ্কের স্বাদ আর পাচ্ছিলেন না রবীন্দ্র জাদেজা। অপেক্ষার শেষ এমনভাবে টানলেন বাঁহাতি এই স্পিনিং অলরাউন্ডার, একটি জায়গায় ছাড়িয়ে গেলেন ভারতের সবাইকে। তার রেকর্ড গড়া ইনিংসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বিশাল ইনিংস গড়ল স্বাগতিকরা।
  • ইমামের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের দুর্দান্ত দিন
    মিচেল স্টার্কের ফুল লেংথ বল কাভার ড্রাইভে পাঠালেন বাউন্ডারিতে। বল সীমানা ছুঁতেই মুষ্টিবদ্ধ হাত ছুঁড়ে ইমাম-উল-হক লাফ দিলেন শূন্যে। অভিজ্ঞ আজহার আলি জড়িয়ে ধরে পিঠ চাপড়ে দিলেন সতীর্থের। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন পাকিস্তান ওপেনার।
  • কোহলির শততম টেস্টে পান্তের শতক হাতছাড়া
    শততম টেস্ট শুরুর আগে ‘শৈশবের নায়কদের একজন’ ও দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের হাত থেকে বিশেষ ক্যাপ পেলেন বিরাট কোহলি। ব্যাটিংয়ে নামলেন দর্শকদের তুমুল করতালির মাঝে। মাইলফলকের ম্যাচে প্রথম ধাপটা যদিও রাঙাতে পারলেন না তিনি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে অল্পের জন্য হলো না রিশাভ পান্তের। তবে মোহালি টেস্টের প্রথম দিনটা ভারত ঠিকই নিজেদের করে নিল।
  • লিটন-নাসুমের দ্যুতিতে কাটল খরা
    রঙিন পোশাকের এই সংস্করণে বাংলাদেশ বরাবরই ভীষণ সাদামাটা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ক্রমেই ডুবে যাচ্ছিল অতলে। লিটন দাসের আলো ঝলমলে ফিফটির পর নাসুম আহমেদের দ‍্যুতিময় বোলিংয়ে কাটল সেই আঁধার। টানা আট হারের পর আফগানিস্তানকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল বাংলাদেশ।
  • রাবাদা-ইয়ানসেনের তোপে বিপাকে নিউ জিল্যান্ড
    বড় সংগ্রহ গড়ার মঞ্চ ছিল তৈরি। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা পারলেন না দলকে প্রত্যাশিত পুঁজি এনে দিতে। তবে বল হাতে জ্বলে উঠলেন দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও মার্কো ইয়ানসেন। দ্রুত নিউ জিল্যান্ডের পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে রাখলেন চালকের আসনে।
  • শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত
    দারুণ সব শটের পসরা মেলে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেললেন ইশান কিষান। সঙ্গে শ্রেয়াস আইয়ারের শেষের তাণ্ডবে ভারত পেল বড় পুঁজি। পরে তাদের বোলারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং। অনায়াস জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল রোহিত শর্মার দল।
  • ভারতে টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইটওয়াশড উইন্ডিজ
    ১৫ ওভারে দলের স্কোর স্পর্শ করেনি একশ। বাকি পাঁচ ওভারে পাল্টে গেল চিত্র। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভারতকে বড় পুঁজি এনে দিলেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কাটেশ আইয়ার। নিকোলাস পুরান জবাব দিলেন ফিফটির হ্যাটট্রিক করে। সঙ্গে রোমারিও শেফার্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাগাল আশা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারল না তারা জয় খরা কাটাতে। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হোয়াইটওয়াশড হলো ক্যারিবিয়ানরা।
  • শেষ ওভারের রোমাঞ্চে হোয়াইটওয়াশ এড়াল শ্রীলঙ্কা
    কেন রিচার্ডসনের শর্ট বল স্কয়ার লেগ দিয়ে গ্যালারিতে ফেলে রান সমতায় নিলেন দাসুন শানাকা। লঙ্কান শিবিরে তখন স্বস্তির হাওয়া। কিন্তু পরের বলে স্কুপ খেলে অধিনায়ক হয়ে গেলেন বোল্ড! ম্যাচে ছড়াল কিছুটা উত্তেজনা, শেষ দুই বলে এক রানের সমীকরণেও তো হতে পারে যেকোনো কিছু! শেষ পর্যন্ত অবশ্য জয় তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারল সফরকারীরা।
  • পাওয়েলের শেষের ২ ছক্কায় রোমাঞ্চ ছড়িয়েও পারল না উইন্ডিজ
    শেষ ৪ বলে যখন প্রয়োজন ২৩ রান, হার্শাল প্যাটেলকে টানা দুটি ছক্কা মেরে দিলেন রভম্যান পাওয়েল। ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ তখন মনে করিয়ে দিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের টানা চার ছক্কার কথা। তবে অমন অবিশ্বাস্য কীর্তি যে সচরাচর করা সম্ভব নয়, সেটাও দেখিয়ে দিলেন হার্শাল। পরপর দুটি স্লোয়ার ফুলটস দিয়ে গড়ে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ ঘরে তুলল ভারত।
  • ম্যাক্সওয়েল-ইংলিসের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার চারে চার
    প্রতিপক্ষের মূল তিন পেসার না থাকলেও বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। মাঝারি রান নিয়েও লড়াই করেন বোলাররা। তবে চমৎকার জুটিতে তাদের আক্রমণ সামাল দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান গ্লেন ম‍্যাক্সওয়েল ও জশ ইংলিস।
  • উইন্ডিজকে সহজেই হারাল ভারত
    নিকোলাস পুরানের সহজ ক্যাচ হাতে জমালেন রবি বিষ্ণই; কিন্তু পা লাগিয়ে দিলেন বাউন্ডারি লাইনে। জীবন পেয়ে দলকে টানলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সহ-অধিনায়ক। তাতে লড়ার মতো পুঁজি পেলেও ভারতীয় ব্যাটিং দমিয়ে রাখতে পারলেন না ক্যারিবিয়ান বোলাররা। দেড়শ ছাড়ানো লক্ষ্য সহজেই ছুঁয়ে ফেলল স্বাগতিকরা। 
  • অনায়াস জয়ে সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার
    আগের ম্যাচে খরুচে বোলিং করা কেন রিচার্ডসন এবার মেলে ধরলেন নিজেকে। তার দারুণ পারফরম্যান্স ও বাকি বোলারদের সম্মিলিত চেষ্টায় শ্রীলঙ্কাকে অল্পতেই আটকে দিল অস্ট্রেলিয়া। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় অনায়াস জয়ে সিরিজ ঘরে তুলল স্বাগতিকরা।
  • উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ সুপার ওভারে জিতল অস্ট্রেলিয়া
    শেষ ওভারে লঙ্কানদের ১৯ রানের প্রয়োজনে জমে উঠল লড়াই। হলো চার-ছক্কা, মাঝে পড়ল উইকেট। কয়েক ধাপের রোমাঞ্চকর মোড় নেওয়া ম্যাচের শেষ বলে দরকার ছিল ৫ রান। মার্কাস স্টয়নিসের ফুলটস বল স্ট্রেইড ড্রাইভে চার মেরেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন দুশমন্থ চামিরা। ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে। সেখানে অবশ্য ছিল না উত্তেজনার ছিটেফোঁটাও। ছোট্ট লক্ষ্য পেয়ে অনায়াসেই পেরিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
  • ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভারতে হোয়াইটওয়াশড উইন্ডিজ
    বোলিংয়ে ভালো শুরুর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ধরে রাখতে পারল না ছন্দ। গুরুত্বপূর্ণ দুটি জুটি ভারতকে এনে দিল আড়াইশ ছাড়ানো পুঁজি। পরে আরও একবার মুখ থুবড়ে পড়ল ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং, আবারও ব্যর্থ হলো পুরো পঞ্চাশ ওভার খেলতে, গুটিয়ে গেল দুইশর নিচে। প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজে তাদের হোয়াইটওয়াশ করল ভারত।
  • শ্রীলঙ্কাকে দাঁড়াতেই দিলেন না হেইজেলউড-জ্যাম্পা
    বিগ ব্যাশের দারুণ ফর্ম অস্ট্রেলিয়া দলে ফেরার ম্যাচে বয়ে আনলেন বেন ম্যাকডারমট। সতীর্থ ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়ে দলকে এনে দিলেন লড়ার পুঁজি। পরে অবশ্য দুর্দান্ত বোলিংয়ে সব আলো কেড়ে নিলেন জশ হেইজেলউড ও অ্যাডাম জ্যাম্পা। তাদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং।
  • প্রসিধের আগুনে পুড়ল উইন্ডিজের ব্যাটিং
    বল হাতে নিয়েই জ্বলে উঠলেন প্রসিধ কৃষ্ণা। নিজের প্রথম দুই ওভারে ফেরালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে। তরুণ পেসার পরে ছোবল দিলেন মিডল অর্ডারেও। ভালো করলেন ভারতের অন্য বোলাররাও। তাতে আড়াইশর কম পুঁজি নিয়েও দারুণ জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করল রোহিত শর্মার দল।
  • ইতিহাস গড়ার ম্যাচ জয়ে রাঙাল ভারত
    সাম্প্রতিক ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলতে সবার আগে খেলতে হবে পুরো ৫০ ওভার, অধিনায়কের এই আহ্বানে সাড়া দিতে পারলেন না ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব‍্যাটসম‍্যানরা। দলকে সামনে থেকে পথ দেখাতে পারলেন না কাইরন পোলার্ড নিজেও, ফিরে গেলেন প্রথম বলেই। যুজবেন্দ্র চেহেল ও ওয়াশিংটন সুন্দরের স্পিনের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল দলটির ব্যাটিং লাইনআপ। প্রতিপক্ষকে অল্পতে গুটিয়ে দিয়ে সহজ জয় তুলে নিল ভারত।
  • রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে হেরে দ. আফ্রিকায় হোয়াইটওয়াশড ভারত
    বারবার দিক পাল্টানো ম্যাচে শেষটায় জয়ের পাল্লা হেলে ছিল ভারতের দিকে। শেষ ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল কেবল ১০ রান, হাতে ছিল ৩ উইকেট। পঞ্চাশ ছুঁয়ে দলকে টানছিলেন দিপক চাহার। তার লড়াই থামিয়ে রোমাঞ্চকর এক জয়ে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করেই ছাড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা।
  • ভারতকে উড়িয়ে ওয়ানডে সিরিজও দ. আফ্রিকার
    নতুন বছরে একের পর এক ম্যাচ হেরেই চলেছে ভারত। তিনশর কাছাকাছি পুঁজি নিয়ে তারা লড়াইও করতে পারেনি। তাদের আবারও অনায়াসে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
  • জিম্বাবুয়েকে ধসিয়ে শ্রীলঙ্কার সিরিজ জয়
    ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো করলেও পরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ইনিংস খুব বড় করতে পারল না শ্রীলঙ্কা। তবে আড়াইশ ছাড়ানো পুঁজিই জিম্বাবুয়ের জন্য পাহাড়সম করে তুললেন বোলাররা। তাদের সৌজন্যে প্রতিপক্ষকে স্রেফ গুঁড়িয়ে দিয়ে সিরিজ ঘরে তুলল লঙ্কানরা।
  • ফন ডাসেন-বাভুমার সেঞ্চুরিতে ভারতকে হারাল দ. আফ্রিকা
    ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর ওয়ানডে সিরিজের শুরুটাও দারুণ হলো দক্ষিণ আফ্রিকার। চাপের মধ্যে দলকে টানলেন টেম্বা বাভুমা ও রাসি ফন ডার ডাসেন। দুই জনই সেঞ্চুরি করে এনে দিলেন তিনশর কাছাকাছি পুঁজি। সম্মিলিত চেষ্টায় বাকিটা সারলেন বোলাররা। সহজ জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
  • শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সমতায় জিম্বাবুয়ে
    তিনশ ছাড়ানো রান তাড়ায় ৬৩ রানে নেই ৪ উইকেট। চাপের মধ্যে দুর্দান্ত এক ইনিংসে আশা জাগালেন দাসুন শানাকা। কিন্তু যথেষ্ট হলো না শ্রীলঙ্কা অধিনায়কের প্রচেষ্টা। ব্যাটসম্যানদের এনে দেওয়া বড় পুঁজির পর বোলারদের নৈপুণ্যে জিম্বাবুয়ে পেল দারুণ জয়।
  • তিন দিনেই ইংল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া
    ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে দ্রুত থামিয়ে দিলেন মার্ক উড। ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যটা রইল তিনশর কম, বাকি ছিল প্রায় আড়াই দিন। কিন্তু আরও একবার ব্যাটিং ধসে পড়ে ওই রানই তাদের জন্য হয়ে উঠল পাহাড়সম। স্বাগতিকদের আগুনে বোলিংয়ে জো রুটের দল গুঁড়িয়ে গেল একশ পার হতেই।
  • ১৭ উইকেটের দিনে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া
    চলতি অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্নের ব্যাটিং চলছেই। আরও একবার তারা গুটিয়ে গেল দুইশর নিচে। দারুণ বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় লিড এনে দিলেন প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্করা। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিকরা দ্রুত তিন উইকেট হারালেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এখনও তাদের হাতেই।
  • হেডের দারুণ সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়াল অস্ট্রেলিয়া
    সবুজ ঘাসের উইকেটে ইংল্যান্ডের পেসাররা মেলে ধরলেন নিজেদের। স্টুয়ার্ট ব্রড, অলিভার রবিনসনদের তোপে ১২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। খাদের কিনার থেকে দলকে টেনে তোলেন ট্রাভিস হেড। দলে ফিরেই উপহার দিলেন অসাধারণ এক সেঞ্চুরি।
  • ভারতের অপেক্ষা বাড়িয়ে সিরিজ দ. আফ্রিকার
    কেপ টাউন টেস্টের চতুর্থ দিনে হলো না কোনো নাটকীয়তা। ভারতের বোলাররা পারলেন না অসাধারণ কিছু করে দেখাতে। চালেঞ্জিং উইকেটে দারুণ এক ইনিংসে দলকে পথ দেখালেন কিগান পিটারসেন। দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিংয়ে বাকিটা সারলেন রাসি ফন ডার ডাসেন ও টেম্বা বাভুমা। দারুণ জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
  • ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে আইরিশদের দারুণ জয়
    কোভিডের ছোবলে অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবার্নিসহ ছিটকে গেছেন বেশ কয়েকজন। দলের শক্তি কমে গেলেও মাঠের লড়াইয়ে আয়ারল্যান্ড দেখাল চমক। অলরাউন্ড পারফরম্যান্স উপহার দিলেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন। রান তাড়ায় দারুণ ফিফটি করলেন হ্যারি টেক্টর। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল আইরিশরা।