• মুমিনুল-ইয়াসিরের সেঞ্চুরির পর নাঈমের ৮ উইকেট
    অধিনায়ক মুমিনুল হক ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলীর সেঞ্চুরিতে মধ্যাঞ্চলকে বড় লক্ষ্য দিয়েছিল পূর্বাঞ্চল। এরপর ৮ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিয়ে দলকে তিন দিনেই দারুণ এক জয় এনে দিলেন নাঈম হাসান।
  • তাইজুলের ৬ উইকেট
    মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন মাহমুদুল হাসান। তবে ততক্ষণে চারশ ছাড়ানো সংগ্রহ পেয়ে গেছে পূর্বাঞ্চল। ৬ উইকেট নিয়ে মধ্যাঞ্চলকে দ্রুত গুটিয়ে দিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনারের দারুণ বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে বড় লিড পেল মুমিনুল হকের দল। 
  • ইমরুল-মুমিনুল-জাকির-মাহমুদুলের ফিফটি
    শতরানের জুটিতে দলকে পথ দেখানো টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস ও মুমিনুল হক করেছেন ফিফটি। মিডল অর্ডারে ফিফটি করেছেন মাহমুদুল হাসান ও জাকির হাসান। চারটি পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটিতে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের পথে পূর্বাঞ্চল।
  • সানজামুলের ৬ উইকেট, মজিদের ফিফটি
    টানা তৃতীয় ম্যাচে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন উত্তরাঞ্চলের বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম। সেঞ্চুরি দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা মধ্যাঞ্চলের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান আব্দুল মজিদ তুলে নিলেন তৃতীয় ফিফটি। বিসিএলের পঞ্চম রাউন্ডে অনুমিত ড্র হয়েছে মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের ম্যাচ।
  • শান্ত-সাইফের ফিফটিতে মধ্যাঞ্চলের লিড
    শেষ পাঁচ উইকেট নিয়ে বেশিদূর যেতে পারল না উত্তরাঞ্চল। তাদের দেড়শ রানের নিচে থামিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাইফ হাসানের ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েছে মধ্যাঞ্চল।
  • চোট কাটিয়ে ফেরার দিনে তাসকিনের ২ উইকেট
    চোটের পর চোট। এক চোট কাটিয়ে ওঠার পালায় আরেক চোটের হানা।  অবশেষে মাঠে ফিরতে পেরেছেন তাসকিন আহমেদ। এই দফায় চোট কাটিয়ে ফেরার দিনটি খু্ব মন্দ কাটল না। জাতীয় দলের বাইরে থাকা পেসার বিসিএলে ৮ ওভারে নিয়েছেন ২ উইকেট।
  • বৃষ্টির কবলে বিসিএল
    বিরূপ আবহাওয়ার কবলে পড়েছে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট বিসিএল। পঞ্চম রাউন্ডের প্রথম দিন বৃষ্টির বাধায় খেলা হয়নি কোনো ভেন্যুতেই।
  • রাব্বির ছোবলের পর এনামুলের ফিফটিতে দক্ষিণাঞ্চলের জয়
    দুই দলের প্রথম দেখায় জিতেছিল মধ্যাঞ্চল। দ্বিতীয় দেখায় তাদের হারিয়ে দিল দক্ষিণাঞ্চল। কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মেহেদি হাসানের দারুণ বোলিংয়ে ছোট লক্ষ্য পাওয়া দলটি জয় তুলে নিয়েছে এনামুল হকের অপরাজিত ফিফটিতে। 
  • সাদমানের ফিফটি, আল আমিনের ৩ উইকেট
    ফিফটিতে শুরুতে প্রতিরোধ গড়েছিলেন সাদমান ইসলাম। তার বিদায়ের পর দলকে টানছেন তাইবুর রহমান। তবে আল আমিন হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক ও মেহেদি হাসানের নৈপুণ্যে মধ্যাঞ্চলকে আড়াইশ রানের নিচে থামানোর আশা জাগিয়েছে দক্ষিণাঞ্চল।
  • অনেক নাটকের পর রোমাঞ্চকর ম্যাচ ড্র আলোকস্বল্পতায়
    দিন জুড়ে ম্যাচের রঙ পাল্টাল অনেকবার। চা বিরতির পর ম্যাচের ভাগ্য দুলতে থাকল পেণ্ডুলামের মতো। অসাধারণ এক জয়ের সম্ভাবনা থেকে হুট করেই পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে ধরল হারে শঙ্কা। ম্যাচে ফিরেও মধ্যাঞ্চল আবার লাগাম হারাল শেষ দিকে। শেষ পর্যন্ত আলোকস্বল্পতায় যখন দিনের খেলা ও ম্যাচের ইতি টানলেন আম্পায়াররা, রোমাঞ্চকর রান তাড়ায় জয় থেকে তখন মাত্র ৬ রান দূরে পূর্বাঞ্চল!
  • মার্শাল-তাইবুর-শহিদুলের ফিফটি
    আব্দুল মজিদ ও পিনাক ঘোষের পর ফিফটি পেয়েছেন মার্শাল আইয়ুব, তাইবুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসে গুঁড়িয়ে যাওয়া মধ্যাঞ্চল পাঁচ ফিফটিতে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে পেয়েছে লড়াইয়ের পুঁজি।
  • শহিদুলের ৫ উইকেট, পিনাক-মজিদের লড়াই
    ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম দিনে গুঁড়িয়ে যাওয়া মধ্যাঞ্চল দ্বিতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাটে-বলে। পেসার শহিদুল ইসলামের ৫ উইকেট লড়াইয়ে ফেরায় দলকে। এরপর ব্যাটিংয়ে এগিয়ে নেন পিনাক ঘোষ ও আব্দুল মজিদ।
  • ফরহাদ রেজার বিধ্বংসী বোলিং
    প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রায় ১৪ বছরের ক্যারিয়ার। ঘরোয়া ক্রিকেটের বহু যুদ্ধের অভিজ্ঞ সেনানী। ফরহাদ রেজার পারফরম্যান্সে তবু ভাটার টান নেই। প্রতি মৌসুমেই দারুণ ধারাবাহিক। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসেও যেমন ছাড়িয়ে গেলেন নিজেকে। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৭ উইকেট নিয়ে ধসিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং।
  • আবু হায়দারের ৬ উইকেট, সানজামুলের ৮ রানের আক্ষেপ
    মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়া সানজামুল ইসলাম জাগিয়েছিলেন উত্তরাঞ্চলের জয়ের আশা। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৬ উইকেট নিয়ে আবু হায়দার কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন দলটিকে। জিততে অবশ্য পারেনি তাদের কেউই। রোমাঞ্চ জাগিয়ে ড্র হয়েছে উত্তরাঞ্চল-মধ্যাঞ্চলের লড়াই।
  • মোসাদ্দেকের সেঞ্চুরি, মোহরের ৫ উইকেট
    বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে মিলেছে ছন্দে ফেরার আভাস। কঠিন সময়ে নেমে দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছেন মধ্যাঞ্চলের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৫ উইকেট নিয়েছেন উত্তরাঞ্চলের মোহর শেখ। ম্যাচে প্রথমবারের মতো ১০ উইকেটের স্বাদ পেয়েছেন ইবাদত হোসেন। 
  • শহিদুলের ৬ উইকেট
    আগের দিন ৬ উইকেট নিয়ে মধ্যাঞ্চলকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন ইবাদত হোসেন। দ্বিতীয় দিন ৬ উইকেট নিয়ে উত্তরাঞ্চলকে কম রানে থামালেন শহিদুল ইসলাম। তার দারুণ বোলিংয়ের দিনে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে দলকে লিড এনে দিয়েছেন মিজানুর রহমান, ফরহাদ হোসেন ও নাঈম ইসলাম। 
  • ইবাদতের ৬ উইকেট, ব্যর্থ লিটন-মোসাদ্দেক
    আবার প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেন লিটন দাস। নিজেকে খুঁজে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনের বাজে সময় লম্বা হলো আরেকটু। তাদের হতাশার দিনে দারুণ বোলিংয়ে মধ্যাঞ্চলকে ২২০ রানে গুটিয়ে দিয়েছেন ইবাদত হোসেন।
  • শুভাগতর পাঁচ উইকেট, আবু হায়দারের চার
    শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষায় ছিল সিলেট। কিন্তু লড়াই সেভাবে জমতেই দিলেন না শুভাগত হোম ও আবু হায়দার রনি। এই দুজনের দারুণ বোলিংয়ে রান তাড়ায় ভেঙে পড়ল দক্ষিণাঞ্চলের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ। জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল মধ্যাঞ্চল।
  • লিটনের ব্যাটে রান, মেহেদির প্রথম পাঁচ
    প্রথম ইনিংসের ব্যর্থতা ভুলে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ ইনিংস খেলেছেন লিটন দাস। সম্ভাবনা জাগিয়েও অবশ্য পাননি সেঞ্চুরি। তবে শেষ জুটিতে আবারও তাক লাগিয়ে দিয়েছে তার দল মধ্যাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলের অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান প্রথমবারের মতো পেয়েছেন ৫ উইকেটের স্বাদ।
  • ফজলে রাব্বি ৯৪, প্রতিপক্ষের ১ রানের লিড
    কিছুদিন আগে জাতীয় লিগে ৫ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি পাননি ফজলে মাহমুদ রাব্বি। এবার বিসিএলে সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেন ৬ রানের জন্য। অল্পের জন্য কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি তার দলও। প্রতিপক্ষ নিয়েছে ১ রানের লিড।
  • মজিদের অসাধারণ সেঞ্চুরি, শেষ জুটিতে শতরান
    উইকেটে গিয়েছিলেন দিনের দ্বিতীয় ওভারে। শূন্য রানেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে তখন কাঁপছে দল। সেখান থেকেই দলকে টানলেন আব্দুল মজিদ। এক প্রান্ত আগলে রাখলেন, দেখলেন আরেক প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়া। শেষ সঙ্গীকে যখন পেলেন, খেলছিলেন ৭৫ রানে। ইনিংস শেষে সেই মজিদের নামের পাশেই অপরাজিত ১৪১। শেষ জুটিতে এল শতরান!