‘বাংলাদেশের সমস্যা ডট বল’

‘বাংলাদেশের সমস্যা ডট বল’

শেষের ঝড় তোলার জন্য গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কাইরন পোলার্ডের মতো কোনো ব্যাটসম্যান নেই বাংলাদেশের। মাঝের ওভারে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো নেই একজন এবি ডি ভিলিয়ার্স। মনে করা হয়, বাংলাদেশের বড় সংগ্রহ করতে না পারার কারণ বিগ হিটারদের অভাব। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক কেপলার ওয়েসেলস মনে করছেন, মূল সমস্যা এটা নয়। বাংলাদেশকে ভোগায় ব্যাটসম্যানদের বেশি ডট বল খেলা।

এই মুস্তাফিজকেই তো চাই

এই মুস্তাফিজকেই তো চাই

উইকেট সংখ্যায় না তাকালেও চলবে। মাথায় রাখতে হবে না বোলিং ফিগার। স্পিডগানের অঙ্ক জানার প্রয়োজনও নেই। স্রেফ মাঠের মুস্তাফিজুর রহমানকে দেখাই যথেষ্ট। চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনে দেখা গেল যে মুস্তাফিজকে, সেই মুস্তাফিজকেই তো চাই বাংলাদেশের।

এই পিছিয়ে থাকাও বাংলাদেশের একটি পরীক্ষা

এই পিছিয়ে থাকাও বাংলাদেশের একটি পরীক্ষা

দিনের খেলার তখন মিনিট পনের বাকি। গরমে, ক্লান্তিতে-শ্রান্তিতে নুইয়ে পড়লেন পিটার হ্যান্ডসকম। খেলা বন্ধ থাকল কিছুক্ষণ, চলল শুশ্রূষা। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরও তখন মনে হলো অবসন্ন। নিজেদের কন্ডিশনে অভ্যস্তই তারা, গরম তাই সমস্যা নয়। কিন্তু কাবু মানসিক ক্লান্তিতে।

সাকিব-তামিমের পঞ্চাশের যুগলবন্দী

সাকিব-তামিমের পঞ্চাশের যুগলবন্দী

একটা সময় এক নিশ্বাসেই উচ্চারিত হতো দুজনের নাম। সেই সুখের বাতাসে এখন আরও অনেক নামের ওড়াউড়ি। তবু আলাদা করে চেনা যায় সেই দুজনকে। বাংলাদেশের সেরা দুই পারফরমার, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা দুই বিজ্ঞাপন। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল, এক সঙ্গেই স্পর্শ করতে যাচ্ছেন টেস্ট খেলার হাফ সেঞ্চুরি।

প্রাপ্যটুকুও পেলেন না মুমিনুল

প্রাপ্যটুকুও পেলেন না মুমিনুল

সংবাদ সম্মেলনে ১৯টি প্রশ্ন করা হয়েছে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনকে। ১৩টিই ছিল একজনকে নিয়ে। কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহের কাছে প্রশ্ন ছিল ১৩টি। ১০টি সেই একজনকে নিয়েই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দলে নেই মুমিনুল হক। কিন্তু ছিলেন দল ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনের প্রায় পুরোটা জুড়েই!

‘বুকের ভেতরে আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয়’

‘বুকের ভেতরে আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয়’

ড্রেসিং রুমের কোলাহল শোনা যাচ্ছিল বাইরে থেকেই। কেউ একজন চিৎকার করে বলছেন, “এই সবাই চুপ, চুপ। সবাই এক সঙ্গে শুরু কর।” খানিক পর ভেসে এল আনন্দ সঙ্গীত, “আমরা করব জয়, আমরা করব জয়, আমরা করব জয় একদিন…।”

বদলে যাওয়া কার্ডিফ থেকেই বদলাতে চায় বাংলাদেশ

বদলে যাওয়া কার্ডিফ থেকেই বদলাতে চায় বাংলাদেশ

“ওই যে র‌্যাডিশ জায়গাটা দেখছেন…”, মাঠের উল্টো প্রান্তের বিজ্ঞাপনী বোর্ডের দিকে দেখালেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, “ওখান দিয়েই ছিল গিলেস্পির বলে আফতাবের ছক্কা। আর এপাশে সিঙ্গেল নিয়ে আশরাফুলের সেঞ্চুরি…।” স্মৃতিময় কার্ডিফে ফিরে মাশরাফি ফিরে যান ১২ বছর আগে, “সব মনে আছে। এই বড় বড় গ্যালারির কিছু ছিল না। বেশিরভাগই ছিল ঘাসের গ্যালারি, ছিল গাছ। ড্রেসিং রুমও এত বড় ছিল না। কার্ডিফ বদলে গেছে অনেক…।”

মনের সিংহই খেয়েছে বাংলাদেশকে

মনের সিংহই খেয়েছে বাংলাদেশকে

ওয়ানডেতে ইংলিশরা এখন সত্যিকার অর্থেই সিংহ। ওভালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচেই যেমন বাংলাদেশের বোলিংকে আয়েশ করে চেটেপুটে খেল ইংলিশ সিংহরা। তবে ম্যাচ শেষে বোঝা গেল, বনের সিংহ নয়, বাংলাদেশকে আগেই খেয়ে ফেলেছিল মনের সিংহ!

ধোনি-সংস্পর্শে সোহান

ধোনি-সংস্পর্শে সোহান

বাংলাদেশ-ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ তখন শেষ। সেন্টার উইকেটে ব্যাটিং অনুশীলন করছিলেন যুবরাজ সিং। পাশেই প্যাড পরে ব্যাটিংয়ের অপেক্ষায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার সঙ্গে দেখা গেল বাংলাদেশের একজনকে; নুরুল হাসান সোহান।

বিশ্বাসের জয়, বাঁক বদলের জয়

বিশ্বাসের জয়, বাঁক বদলের জয়

“তিল ধারণের ঠাঁই নেই”, রূপক কথাটিও সেদিন যেন সত্যি হয়ে ফুটে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। উপলক্ষ্য বাংলাদেশের শততম ওয়ানডে। ২০০৪ সালে, প্রতিপক্ষ ভারত। সেই জনসমুদ্র উচ্ছ্বাসের ঢেউয়ে উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে। শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়ের। শততম টেস্টের জয়েও সূচনা হতে পারে সাদা পোশাকে রঙিন অধ্যায়ের।

মুমিনুলে ধৈর্য হারিয়ে ফেললো বাংলাদেশ?

মুমিনুলে ধৈর্য হারিয়ে ফেললো বাংলাদেশ?

চার বছর আগে শ্রীলঙ্কায় টেস্ট অভিষেকের পর এই সংস্করণে বাংলাদেশ দলের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছিলেন মুমিনুল হক। সেই শ্রীলঙ্কাতে ফিরে এবার জায়গা হারিয়েছেন বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

হাবিবুলের অধিনায়ক মাশরাফি, মাশরাফির দলে গাজী

হাবিবুলের অধিনায়ক মাশরাফি, মাশরাফির দলে গাজী

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৫০ টেস্ট খেলেছেন হাবিবুল বাশার। ছুঁয়েছেন ৩ হাজার রান। দলের প্রতিকূল সময়ে অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়ে সামলেছিলেন দারুণভাবে। মাশরাফি বিন মুর্তজা টেস্টে বাংলাদেশের সফলতম পেসার। তাকে পেয়েই প্রথম বিশ্বমানের কোনো পেসার পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে চোটের থাবায় এখন আর টেস্ট খেলতে পারছেন না। বাংলাদেশের শততম টেস্ট খেলার সময়টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য দুজন বেছে নিয়েছেন নিজেদের পছন্দের সেরা বাংলাদেশ টেস্ট একাদশ।

ব্যাটসম্যানরা পারেননি ‘রাব্বি’ হয়ে উঠতে!

ব্যাটসম্যানরা পারেননি ‘রাব্বি’ হয়ে উঠতে!

“ডিফেন্স করে কখনোই ম্যাচ বাঁচানো যায় না। দিন শেষে একজন ব্যাটসম্যানকে রান করতেই হবে। আজকে রাব্বি অনেক বল খেলেছে। কিন্তু সে তো বোলার, ব্যাটসম্যান নয়।”

কে হবেন বাংলাদেশের ডি ভিলিয়ার্স-দু প্লেসি?

কে হবেন বাংলাদেশের ডি ভিলিয়ার্স-দু প্লেসি?

শেষ দিনের লড়াইয়ে যদি বেছে নিতে বলা হয় বাংলাদেশের ড্রেসিং রুম থেকে একজনকে, কে হতে পারেন তিনি? চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় আঁকড়ে রাখতে পারতেন উইকেট, বুক চিতিয়ে সামলাতেন সব ঝড়, থিলান সামারাবিরার চেয়ে আদর্শ কে হতে পারেন!

টেস্ট সেঞ্চুরি এত সহজ!

টেস্ট সেঞ্চুরি এত সহজ!

প্রথম দিনের খেলা তখন শেষ দিকে। ওভারের ফাঁকে হেলমেট খুলে গলায় পানি ঢালছিলেন বিরাট কোহলি। ততক্ষণে সেঞ্চুরি হয়ে গেছে। টিভি ক্যামেরা ভারত অধিনায়ককে ধরল খুব কাছ থেকে। ধারাভাষ্যকক্ষে সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বললেন, “ক্লান্তির চিহ্ন নেই, আক্ষরিক অর্থেই নেই এক বিন্দু ঘাম!”

হায়দরাবাদের স্মরণিকায় ভালোবাসার বাংলাদেশ

হায়দরাবাদের স্মরণিকায় ভালোবাসার বাংলাদেশ

বয়সের ভারে ন্যুজ, তবে চোখে-মুখে দীপ্তি। গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছেন। পাশেই একজন হাতে বয়ে বেড়াচ্ছেন ম্যাগাজিনের স্তুপ। সেখান থেকেই একটি করে নিয়ে সংবাদকর্মীদের দিচ্ছেন প্রৌঢ় মানুষটি। তুলে দিচ্ছেন পরম মমতায়, যেন কোনো অমূল্য সম্পদ!

১০ উইকেট ‘বার্ষিকীতে’ আপ্লুত কুম্বলে

১০ উইকেট ‘বার্ষিকীতে’ আপ্লুত কুম্বলে

“অবশ্যই সবকটা উইকেট মনে আছে। শুধু ওই ১০টি কেন, ৬০০ উইকেটের সবকটি মানে আছে আমার…।” পুরো সময়টাই গম্ভীর কণ্ঠে কথা বলছিলেন অনিল কুম্বলে। সংবাদ সম্মেলন কক্ষেও যেন একটা ‘ভাব গাম্ভীর্যপূর্ণ’ পরিবেশ। তবে ভারতীয় কোচ শেষ কথাটি বললেন হাসতে হাসতে। হাসির রোল উঠল চারপাশেও। ৬০০ উইকেটই মনে আছে!

সেই ভারতেই ওয়ালশের ভিন্ন চ্যালেঞ্জ

সেই ভারতেই ওয়ালশের ভিন্ন চ্যালেঞ্জ

ড্রেসিং রুমের সামনেই মাঠে দাঁড়ানো কোর্টনি ওয়ালশ। তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে শফিউল ইসলাম, আবু জায়েদ ও শুভাশীষ রায়। প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের তিন পেসার বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনলেন ওয়ালশের কথা। তার পর মাঠে গিয়ে অকাতরে বিলিয়ে দিলেন; নিজেদের নয়, বিলিয়ে দিলেন রান। তাতে শুভাশীষ ছিলেন দারুণ, বাকি দুজনই নিদারুণ!

স্মৃতির জিমখানায় প্রাণের জোয়ার বাংলাদেশকে দিয়ে

স্মৃতির জিমখানায় প্রাণের জোয়ার বাংলাদেশকে দিয়ে

“ওই যে বিল্ডিংটা দেখছেন…”, মাঠের পাশ ঘিরে থাকা গাছের সারির ওপর দিয়ে আঙুল উঁচিয়ে দূরে দেখাচ্ছিলেন নয়াপতি জগন্নাথ দাস, “একটা ছক্কায় সিকে নাইডু বল ফেলেছিলেন ওই বিল্ডিংয়ের কাছে।” স্থানীয় অভিজ্ঞ এই সংবাদকর্মী হাসতে হাসতে বলছিলেন, “অনেক ঘটনার সাক্ষী এই জিমখানা মাঠ, ভারতীয় ক্রিকেটের অনেক অনেক স্মৃতি এখানে।”

কোচের কাছে ফল হতাশার, সফর নয়

কোচের কাছে ফল হতাশার, সফর নয়

বরাবরের মতোই হ্যাগলি পার্কের পাশে পার্কিংয়ে গাড়ির লম্বা সারি। প্রতিদিনের মতোই তাজা বাতাস আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শরীরচর্চা করতে আসা মানুষের ছুটোছুটি। পাখপাখালির কিচিরমিচির। গায়ে আরামের পরশ বুলিয়ে দেওয়া মৃদুমন্দ বাতাস। গাছগাছালির ঘন সারির ফাঁক গলে রোদের আসা-যাওয়া। আলো-ছায়ার খেলা। ক্রিকেটের আদর্শ পরিবেশ। কিন্তু ক্রিকেটই নেই!

ক্যাচ ফসকায়, ম্যাচ ফসকায়

ক্যাচ ফসকায়, ম্যাচ ফসকায়

তাসকিন আহমেদের একটি ব্যাপার দারুণ। মাঠের ভেতরে-বাইরে প্রায় সময়ই মুখ হাসি হাসি। এমনকি তার বলে ক্যাচ হাতছাড়া হলেও হাসেন। সেই হাসি নিয়মিতই দেখা যায়। কারণ তার বলে নিয়ম করে ক্যাচ মিস হয়। নিজের দুঃখেও তাসকিন হাসতে পারেন, কিন্তু দল তো হাসে না। এত ক্যাচ হাতছাড়া করা দল হাসতে পারে না!

সেই অ্যালট, এই অ্যালট

সেই অ্যালট, এই অ্যালট

হাতের রিস্ট ব্যান্ড, গায়ের জার্সি খুলে রেখেছেন অনেক আগেই। কেতাদুরস্ত পোশাকে দিন কাটে প্রশাসকের ব্যস্ততায়। চেহারা ও শরীরে সময়ের ছাপ কিছুটা পড়েছে। তবু চিনে নিতে খুব একটা সমস্যা হয় না। ১৯৯৯ বিশ্বকাপ যারা দেখেছেন, তারা হয়তো মানুষটিকে ভুলবেন না কখনোই। সেই টুর্নামেন্টের বিস্ময়, জেফ অ্যালট!

সৌম্যর বিষাদে মিশে দলের হতাশা

সৌম্যর বিষাদে মিশে দলের হতাশা

সৌম্য সরকারের ব্যাটে জোর যত বেশি, কণ্ঠ ততটাই নরম। কথা বলেন একদম নীচু স্বরে, ধীরে ধীরে। কাছ থেকেও কান পেতে শুনতে হয়। এদিন কণ্ঠ যেন আরও মলিন। কেমন মনমরা কণ্ঠে বলে যাচ্ছিলেন, “ফরম্যাট যেটাই হোক, আমার দরকার ছিল রান। চেষ্টা করেছিলাম যেখানেই খেলি রান করতে। নিজেকে নিজের জায়গায় ফিরিয়ে নিতে...।”

মাঠে ট্রেন্ট বোল্ট, গ্যালারিতে গর্বিত বাবা

মাঠে ট্রেন্ট বোল্ট, গ্যালারিতে গর্বিত বাবা

ট্রেন্ট বোল্টের ফুল লেংথ বলে সাকিব আল হাসানের ড্রাইভ। বোলারের ঠিক সোজাসুজি পেছনে গ্যালারিতে যন্ত্রণার মতো ভঙ্গি করলেন একজন। চোখে মুথে তার বিরক্তির ছাপ, “এতো সামনে কেন? আরেকটু পেছনে পিচ করিয়ে বল বাইরে টেনে নেওয়া যায় না…!” প্রতিটি বলেই তার কিছু না কিছু বলার আছে। আলাপ জমতে সময় লাগল না। হুট করে নিজেই বললেন, “ইউ নো হোয়াট, আই অ্যাম হিজ ড্যাড…।”

চোট শরীরে, আঘাত মনে

চোট শরীরে, আঘাত মনে

আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢাকা। থেমে থেমে টুপটাপ বৃষ্টি। থেকে থেকে হিম বাতাস। বাংলাদেশ দল বন্দি ড্রেসিং রুমে। তবে স্রেফ হাত-পা গুটিয়ে বসে নয়, সময়টা কাজে লাগানো হয়েছে দারুণভাবেই। সবার চোখ টিভি পর্দায়। ওয়েলিংটন টেস্টের ভিডিও চলছে। দলের অ্যানালিস্টের বিশ্লেষণে তুলে ধরা হচ্ছে সবার ভুল-ত্রুটি। দীর্ঘ ভিডিও সেশনের শেষটা হলো তুমুল চিৎকারে। একসঙ্গে সবার করতালি, প্রবল হর্ষধ্বনি।

একটি আত্মঘাতী শটের ময়নাতদন্ত

একটি আত্মঘাতী শটের ময়নাতদন্ত

এলোমেলো দু-এক শব্দ বলে, একটু থেমে, আবার কিছু বলার চেষ্টা করে এক পর্যায়ে হেসে ফেললেন তামিম ইকবাল। মুখে অসহায়ত্বের হাসি আর কণ্ঠে আত্মসমর্পণের সুর, “আমরা যখন… এটা নিয়ে… এটা আমি কী করে ব্যাখ্যা দেব…!”

আপন বলয় ভেঙে সাকিব

আপন বলয় ভেঙে সাকিব

বেসিন রিজার্ভে বাংলাদেশের সেদিন প্রথম অনুশীলন। নেটে শুরুর দিকে ব্যাট পেলেন সাকিব আল হাসান। করলেন বেশ অনেকক্ষণ। সবার পালা যখন শেষ, সাকিব নেটে ঢুকলেন আবার। আরও কিছুক্ষণ ব্যাটিং!

ক্রিকেট ইতিহাসের আনন্দ ঘর!

ক্রিকেট ইতিহাসের আনন্দ ঘর!

নিউ জিল্যান্ডের সব মাঠের মতো বেসিন রিজার্ভও সবুজ মখমল। সীমানা ঘিরে কাঠের সাদা বেষ্টনি। পাশেই গ্যালারিতে ওঠার পথ। সেখানে পা দিতেই চোখে পড়ল লোহার একটা চাকতি। ম্যানহোলের ঢাকনার মতো। ভালো করে খেয়াল করতেই চমকে উঠতে হলো। ওই চাকতি আসলে একটি স্মারক!

তামিমের ব্যাটে ভয় হলো জয়

তামিমের ব্যাটে ভয় হলো জয়

লর্ডসের ইনিংসটির মতো নাকি ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের? মিরপুরে লাঞ্চের আগেই সেঞ্চুরির আশা জাগানো ইনিংসটি কিংবা কদিন আগে মিরপুরেই টার্নিং উইকেটে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি! বেসিন রিজার্ভের সবুজ গালিচা চিরে ছুটে যাচ্ছিলো তামিম ইকবালের একেকটি শট আর চোখে ভাসছিল তার সেরা ইনিংসগুলি। আরেকটি ধ্রুপদি ইনিংস আসছে ওই ব্যাট থেকে?

হাসিতে আড়াল মাশরাফির কষ্ট

হাসিতে আড়াল মাশরাফির কষ্ট

“বলটা হাতে এসে লাগল, সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো আঙুল বুঝি উড়িয়ে নিয়ে গেছে! প্রচণ্ড ব্যথা, সত্যিই ভেবেছি আঙুল আর নেই। একটু পরই আর আর ব্যথার অনুভূতি নেই, অবশ হয়ে গেল যেন…।” টিম হোটেলের লবিতে বসে বলছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। হাতে ব্যান্ডেজ, গলায় ঝোলানো ডান হাত। কথা বলছেন আর শব্দ করে হাসছেন। কষ্টের কথাও হাসতে হাসতে বলা বুঝি তার পক্ষেই সম্ভব!

মনের জোরটাই ফিরে পাচ্ছেন না মুস্তাফিজ

মনের জোরটাই ফিরে পাচ্ছেন না মুস্তাফিজ

শেষ টি-টোয়েন্টির আগের দিন ঐচ্ছিক অনুশীলন। টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বে ওভালের নেটে ঘাম ঝরালেন টি-টোয়েন্টি দলের চার-পাঁচজন। তবে সেখানে নেই মুস্তাফিজুর রহমান। অনুশীলনের বাধ্যবাধকতা না থাকা একটা কারণ। তবে মূল কারণ, তৃতীয় টি-টোয়েন্টির একাদশে নেই বাঁহাতি এই পেসার।

এখন আর কিছু ভাবেন না সৌম্য

এখন আর কিছু ভাবেন না সৌম্য

ঐচ্ছিক অনুশীলন ছিল, নেটে ব্যাটিংয়ের লাইন তাই দীর্ঘ নয়। বেশ অনেকটা সময় নিয়েই নেট করার সুযোগ পেলেন সৌম্য সরকার। নেট শেষে ড্রেসিং রুমের সামনে প্যাড-গ্লাভস খুলে বসলেন সিঁড়িতে। সামনে বে ওভালের সবুজ প্রান্তরে। বহুদিন পর সৌম্যকে আপন চেহারায় দেখা গেছে মাঝে ওই ২২ গজে।

হাওয়ায় নাড়িয়ে দেওয়া মানসিকতা

হাওয়ায় নাড়িয়ে দেওয়া মানসিকতা

বে ওভাল থেকে কয়েক মিনিটের দূরত্বে মাউন্ট মঙ্গানুই সৈকত। মাঠের একপাশে, সবুজ গাছগাছালির পেছন দিয়ে উঁকি মারছে বন্দরের স্থাপনা। সাগর খুব কাছেই বলে হাওয়ার জোর এখানে তীব্র। প্রশান্তির বাতাস মন জুড়িয়ে দেয় মুহূর্তেই। তবে বাংলাদেশ দলের কাছে সেই বাতাসই আতঙ্কের নাম।

ফাইনালের হতাশা ছাপিয়ে অনেক পাওয়া সাবিনাদের

ফাইনালের হতাশা ছাপিয়ে অনেক পাওয়া সাবিনাদের

একটাই অতৃপ্তি; শিরোপা মঞ্চে এসে ৩-১ গোলের হারের বেদনায় নীল বাংলাদেশ। কিন্তু পাওয়ার হিসেব নিয়ে বসলে, মেয়েদের সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসর বাংলাদেশকে মুঠোভরে দিয়েছে। কয়েকটি প্রথমের গল্প লেখা সাবিনাদের ফাইনালের হতাশার চেয়ে প্রাপ্তির পাল্লাই ভারী!

উইলিয়ামসনের শহরে, মন খারাপের প্রহরে

উইলিয়ামসনের শহরে, মন খারাপের প্রহরে

মাইলের পর মাইল বিস্তীর্ণ সবুজ; মাঝে মাঝেই পাহাড়-টিলা, কোথাও কোথাও চোখ জুড়ানো পাহাড়ী লেক। মাঝ দিয়ে স্টেট হাইওয়ে-১। সবুজের বুক চিড়ে নেপিয়ার থেকে তাওরাঙ্গার পথ ২৯০ কিলোমিটার। এই পথ ধরেই বাংলাদেশ দল পা রাখল শেষ দুই টি-টোয়েন্টির শহরে।

তাড়াহুড়ো করতে মানা হয় না শোনা

তাড়াহুড়ো করতে মানা হয় না শোনা

প্রশ্নটা থাকবেই, মাশরাফি বিন মুর্তজা জানতেন। তবে জানা নেই উত্তর। ওয়ানডে সিরিজ শেষে একবার বলেছেন, ব্যাখ্যা জানা নেই তার। প্রথম টি-টোয়েন্টি শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবার অসহায়ত্ব ফুটে উঠল অধিনায়কের কণ্ঠে। প্রসঙ্গ, ব্যাটিং ধস!

সৌম্য যদি একটু পিছিয়ে থাকতেন

সৌম্য যদি একটু পিছিয়ে থাকতেন

সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে বেরিয়ে ড্রেসিং রুমে যাচ্ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। চোখে মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। শরীরটাকে যেন টেনে নিচ্ছিলেন কোনোরকমে। সংবাদ সম্মেলনে জুড়ে কণ্ঠও ছিল ভীষণ ম্রিয়মান। ড্রেসিং রুমে ঢোকার আগে আরেকবার দাঁড়ালেন, আবার ফিরে তাকালেন মাঠে। দৃষ্টি মাঠের ওই প্রান্তে, ম্যাচে যেখানে দাঁড়িয়েছিলেন সৌম্য সরকার; কিংবা আসলে যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন না!

দুঃস্বপ্নের নিউ জিল্যান্ডে সুখস্মৃতির খোঁজে মাশরাফি

দুঃস্বপ্নের নিউ জিল্যান্ডে সুখস্মৃতির খোঁজে মাশরাফি

মাঠের চারপাশ জুড়ে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনী বোর্ড। সেটির ওপর বসে মাশরাফি বিন মুর্তজা। অপলক চোখে তাকিয়ে সামনে; হয়ত দেখছেন ছবির মতো সুন্দর মাঠ, সবুজের এই সমুদ্র। হয়ত তাকিয়ে আরও দূরে। কিংবা কে জানে, হয়ত দেখছেন না তেমন কিছুই। ভাবছেন, আনমনে বা এক মনে!

মাইলফলকের সামনে রোমাঞ্চিত মুশফিক

মাইলফলকের সামনে রোমাঞ্চিত মুশফিক

প্যাড-গ্লাভস পরে ড্রেসিং রুম থেকে বেরিয়ে কিপিং অনুশীলনে যাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। এগিয়ে গিয়ে ‘অভিনন্দন’ বলে হাত বাড়িয়ে দিতেই অধিনায়ক তাকালেন জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে। ‘হাফ সেঞ্চুরি করতে যাচ্ছেন, পঞ্চাশ টেস্ট…!’ শুনে এবার হাসলেন মুশফিক, “হ্যাঁ, মনে আছে।”

দীর্ঘতম বিরতি শেষে বাংলাদেশের আবার নতুন শুরু

দীর্ঘতম বিরতি শেষে বাংলাদেশের আবার নতুন শুরু

শের-ই-বাংলার ড্রেসিং রুমে মুশফিকুর রহিমের আসনের পাশেই যত্ন করে ঝোলানো থাকে তার ব্লেজার। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কের ব্লেজার, যেটি গায়ে চাপিয়ে নামেন টস করতে। দিনের পর দিন অলস ঝুলে থাকতে থাকতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষেও ধুলো পড়ে যাচ্ছিল ব্লেজারে। অধিনায়ক পরে সেটি সরিয়ে রেখেছেন। তবু ধুলো কিছু জমলে ফু দেওয়ার সময় হলো। আবার মুশফিকের গায়ে চাপবে আভিজাত্যময় ওই সবুজ ব্লেজার!

সাব্বিরকে বিশ্বাস জুগিয়েছে বেঙ্গালুরুর সেঞ্চুরি

সাব্বিরকে বিশ্বাস জুগিয়েছে বেঙ্গালুরুর সেঞ্চুরি

পরিচয় ছিল রঙিন পোশাকের স্পেশালিস্ট। শ্বেতশুভ্র পোশাকে ২২ গজে ব্যাট হাতে সাব্বির রহমান - কদিন আগেও ছবিটা ছিল অভাবনীয়। সেটিই এখন বাস্তব হওয়ার পথে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট দলে জায়গা পেয়েছেন। কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে জানিয়েছেন, একাদশেও সাব্বিরকে রাখার উপায় খুঁজছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অশ্বিনের অবিশ্বাস্য আটে সাত!

অশ্বিনের অবিশ্বাস্য আটে সাত!

আরও একটি টেস্ট, আরও একটি সিরিজ। ভারতের আরও একটি ম্যাচ জয়, আরও একটি সিরিজ জয়। আরও একবার ম্যান অব দা ম্যাচ রবিচন্দ্রন অশ্বিন। আরও একবার ম্যান অব দা সিরিজ রবিচন্দ্রন অশ্বিন!

বিন্দু বিন্দু ঘামে কেনা মাশরাফির সাফল্য

বিন্দু বিন্দু ঘামে কেনা মাশরাফির সাফল্য

মাসখানেক আগের ঘটনা। তাল পাকা গরম কেন বলা হয়, ভাদ্র মাসের প্রকৃতি সেটা জানান দিচ্ছিল তীব্রভাবেই। জাতীয় দলের ক্যাম্পে তখন ঈদুল আজহার ছুটি। তবু শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেখা গেল গা পুড়ে যাওয়া রোদে রানিং করে চলেছেন একজন। একটু কাছে যেতেই স্পষ্ট হলো অবয়ব। মাশরাফি বিন মুর্তজা!

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘দুঃসময়ের ভরসা’

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘দুঃসময়ের ভরসা’

মাশরাফি বিন মুর্তজার কাছে ‘বাবু ভাই’ আপন বড় ভাইয়ের মতো। হাবিবুল বাশারের মতে মানুষটি আবার বাংলাদেশ ক্রিকেটের নি:স্বার্থ সহচর, সত্যিকারের সুহৃদ। কখনও পরিচয় না হওয়া দলের নবীন ক্রিকেটারও তাকে ভাবেন আপন কেউ। নেই কোনো পদ-পদবী বা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব। অফিসিয়ালি ক্রিকেটের কেউ নন, তবু একরাম বাবু বাংলাদেশ ক্রিকেটের ঘনিষ্ঠ একজন!

স্কুল বয় ক্রিকেটার থেকে টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কুসল

স্কুল বয় ক্রিকেটার থেকে টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কুসল

গড়নে ছোটখাটো; চেহারায় এখনও কৈশরের ছাপ। দেখলে মনে হবে মাত্রই বুঝি স্কুল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। আদতেও কুসল মেন্ডিস স্কুল ছেড়েছেন খুব বেশি দিন হয়নি। টেস্টের শীর্ষ দলের বিপক্ষে বীরোচিত ইনিংসে এই তরুণই ক্রিকেটবিশ্বে তুলেছেন আলোড়ন। লঙ্কানদের নতুন ক্রিকেট নায়ক!

মুস্তাফিজ জাদু দেখার জন্য উন্মুখ সবাই

মুস্তাফিজ জাদু দেখার জন্য উন্মুখ সবাই

বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা চমক বাংলাদেশের বাঁহাতি পেস বোলার মুস্তাফিজুর রহমান ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট এবং রয়্যাল লন্ডন ওয়ান ডে কাপ টুর্নামেন্টে খেলার জন্য সাসেক্সে যোগ দিলেন। বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইটে গতকাল বুধবার ঢাকা থেকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছে মুস্তাফিজ চলে গেলেন সাসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হেডকোয়ার্টার্স হোভ টাউনে। বৃহস্পতিবারই চেমসফোর্ডে এসেক্স ঈগলসের বিপক্ষে মাঠে নামছেন মুস্তাফিজ।

অনন্য সাতের পথে তাহিরের দ্রুততম ‘সেঞ্চুরি’

অনন্য সাতের পথে তাহিরের দ্রুততম ‘সেঞ্চুরি’

ইমরান তাহিরের উইকেট উদযাপন মনে করিয়ে দেয় ফুটবলের গোল স্কোরারকে। প্রতিটি উইকেটই তার কাছে উৎসবের উপলক্ষ। দুই হাত দু দিকে উঁচিয়ে খ্যাপাটে দৌড়ে ছুটে বেড়ান মাঠের নানা প্রান্তে। বুধবার তাহিরের স্ট্যামিনার একটা পরীক্ষাও হয়ে গেল সেন্ট কিটসে, এই শারীরিক কসরতে মেতে উঠতে হলো যে বারবার!

ইতিহাস গড়ে সামনে তাকিয়ে কুক

ইতিহাস গড়ে সামনে তাকিয়ে কুক

ইংলিশ ক্রিকেটে অমরত্ব আগেই নিশ্চিত করেছেন অ্যালেস্টার কুক। এখন শুধু কীর্তি ও অর্জনে নিজেকে ও ইংলিশ ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করার পালা। ইংল্যান্ড অধিনায়ক নিজেও মুখিয়ে আরও অনেক কিছু অর্জন করতে।

তিনশর ঠিকানায় হেরাথ

তিনশর ঠিকানায় হেরাথ

একটি উইকেটের অপেক্ষায় কেটে গেছে প্রথম দিন। অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত হলো দ্বিতীয় দিনেও। অবশেষে দিনের মাঝামাঝি গড়িয়ে এলো কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্ত। নিজের বলে স্টিভেন ফিনের ক্যাচটি মুঠোবন্দী করলেন রঙ্গনা হেরাথ নিজেই। পৌঁছলেন ৩০০ টেস্ট উইকেটের  মাইলফলকে।

‘ফাইটার’ শরীফের ক্রিকেটানন্দ

‘ফাইটার’ শরীফের ক্রিকেটানন্দ

এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দিন; মিরপুর গাজী গ্রুপের বিপক্ষে খেলছিল প্রাইম ব্যাংক। একদম শেষ দিকে রুবেল হোসেনকে বাউন্সারে কট বিহাইন্ড করলেন মোহাম্মদ শরীফ। লোয়ার অর্ডারের উইকেট, ম্যাচের উত্তেজনাও শেষ। তারপরও শরীফকে পায় কে! ছুটলেন বাঁধনহারা উচ্ছ্বাসে।

আলোর খোঁজে জুবায়ের

আলোর খোঁজে জুবায়ের

“এবার ফাটিয়ে দিস!” কয়েকদিন ধরে শুধু এই কথাই কানে বাজছে জুবায়ের হোসেনের। বিপিএলের অভিজ্ঞতার কারণে শঙ্কায় ছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দল পাওয়া নিয়ে। দল পেলেন, আবাহনী। তাতে জাগল আবার নতুন শঙ্কা। গত মৌসুমে এই দলে খেলেই তো লিগ কেটে গেল পানি-তোয়ালে টেনে! ড্রাফট শেষে জুবায়েরের স্বস্তি হয়ে এলো একটি ফোনকল। ভেসে এল কোচ খালেদ মাহমুদের কণ্ঠ, ‘খেলার সুযোগ পাবি, এবার ফাটিয়ে দিস!’

কোহলিকে প্রেরণা মেনে মুমিনুলের নতুন লড়াই

কোহলিকে প্রেরণা মেনে মুমিনুলের নতুন লড়াই

চৈত্রের দুপুরের কাঠফাটা রোদ। সূর্যের তাপ আর গরম হাওয়া গায়ে বুলিয়ে দিচ্ছে যেন আগুনের হলকা। এই দাবদাহের মাঝেই মিরপুর একাডেমি মাঠের এক প্রান্তে ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে রানিং করছিলেন তিন ক্রিকেটার। উঠতি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জসিমউদ্দিন, ঘরোয়া লিগের নিয়মিত পারফরমার অলরাউন্ডার তানভীর হায়দার, সঙ্গে মুমিনুল হক!

শান্ত-সুস্থির ও পরিণত এই তামিম

শান্ত-সুস্থির ও পরিণত এই তামিম

টি-টোয়েন্টিতে এখন নিজের সহজাত ঘরানার বাইরে এসে ভিন্ন ধরনের ব্যাটিং করছেন তামিম ইকবাল। বিপিএল-পিএসএলের পর এবার জাতীয় দলেও সাফল্য পেলেন এভাবে ব্যাটিং করে। অসাধারণ এক ইনিংসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নাযক তামিমই।

মহামূল্য মাহমুদউল্লাহ

মহামূল্য মাহমুদউল্লাহ

খুব বেশি দিন হয়নি, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলে মাহমুদউল্লাহর জায়গা নিয়ে টুকটাক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। সেই মাহমুদউল্লাহ এখন দলের ‘এমভিপি’, ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’!

শান্ত-মিরাজদের এবার নতুন শুরুর পালা

শান্ত-মিরাজদের এবার নতুন শুরুর পালা

রানের চূড়ায় থেকে যুব ওয়ানডে ক্যারিয়ার শেষ করলেন নাজমুল হোসেন শান্ত; উইকেটের চূড়ায় থেকে মেহেদি হাসান মিরাজ।

কেউ মনে রাখেনি সেতুকে

কেউ মনে রাখেনি সেতুকে

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে একটি স্ট্যান্ড আছে মানজারুল ইসলাম রানার নামে। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার বেঁচে আছেন স্মৃতিকথা, আলোচনা আর আবেগে। কিন্তু কেউ মনে রাখেনি সাজ্জাদুল হাসান সেতুকে। সত্যিই যেন হারিয়ে গেছেন রানার সঙ্গেই পরপারে চলে যাওয়া এই ক্রিকেটার।