• দেড় বছর পর জুবায়ের-শাহাদাতের ম্যাচ খেলার স্বাদ
    শাস্তি ছিল দুজনেরই। তবে দুই রকমের। শাহাদাত হোসেন মাঠ থেকে দূরে ছিলেন একের পর এক শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় নিষিদ্ধ হয়ে। জুবায়ের হোসেন মাঠেই ছিলেন, কিন্তু ম্যাচে নয়। তার জন্য শাস্তি হয়ে উঠেছিল টানা উপেক্ষা। হাপিত্যেশ করে ফিরছিলেন ম্যাচ খেলার জন্য। অবশেষে দুজনই পেলেন ম্যাচ খেলার স্বাদ।
  • লেগ স্পিনার জুবায়েরের অপেক্ষা আর ফুরোয় না
    একেকটি টুর্নামেন্ট যায়, জুবায়ের হোসেন লিখনের দীর্ঘশ্বাস বাড়ে। হতাশার শেষ সীমানায় গিয়ে তিনি একটু থমকে দাঁড়ান, জাতীয় লিগ তো আছে! এরপর তীর্থের কাকের মতো তাকিয়ে থাকা এই টুর্নামেন্টের দিকে। অবশেষে যখন বহু কাঙ্ক্ষিত সেই জাতীয় লিগ এলো, ঢাকা বিভাগের ১৪ জনের স্কোয়াডেও নিজেকে খুঁজে পেলেন না এই লেগ স্পিনার।
  • লেগ স্পিনারদের আশার পালে আমিনুলের দোলা
    “আমাদের একজন লেগ স্পিনার ছিল, কিন্তু সে তো বিবর্ণ হয়ে গেল…খুবই হতাশাজনক,”  ২০১৬ সালে জুবায়ের হোসেনের ব্যাপারে আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন তখনকার বাংলাদেশ কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে। দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘ সেই হাহাকার গত বছরের শেষ দিকে এসে কিছুটা ঘুচেছে। আমিনুল ইসলামকে পেয়ে বাংলাদেশ অন্তত বলতে পারছে, আমাদের একজন লেগ স্পিনার আছে। এই তরুণকে দেখে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন নিজেকে হারিয়ে খোঁজা নূর হোসেন, হাথুরুসিংহের সেই হতাশা জুবায়ের আর সম্ভাবনাময় মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি।
  • দুই লেগ স্পিনারের দুই রকম দিন
    আগের রাউন্ডে এই দুই লেগ স্পিনারকে নিয়ে দেশের ক্রিকেটে পড়ে গিয়েছিল তুমুল শোরগোল। এই রাউন্ডে তাই দৃষ্টি ছিল দুজনের দিকেই। দুজনের জন্য একই রকম পরীক্ষাও। সেই পরীক্ষার প্রথম দিনে সফল রিশাদ হোসেন। জুবায়ের হোসেনের দিন ছিল ভালো-মন্দ মিশিয়ে।
  • আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের দলে নাঈম-জুবায়ের
    আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বিসিবি একাদশে ডাক পেয়েছেন অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান নাঈম ইসলাম ও লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন।
  • জুবায়েরের ৫ উইকেট
    জুবায়ের হোসেনের লেগ স্পিন আর নাঈম হাসানের অফ স্পিনের সামনে টিকতে পারলেন না ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। দুই স্পিনারের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে ২৩৮ রানে। জবাব দিতে নেমে স্বস্তিতে নেই চট্টগ্রামও।
  • বাংলাদেশ ‘এ’ দলে মুস্তাফিজ ও জুবায়ের
    ওয়েস্ট ইন্ডিজে ওয়ানডে সিরিজের আগে ম্যাচ অনুশীলনকে জরুরি মনে করছিলেন নির্বাচকেরা। সেই চাওয়া থেকেই মুস্তাফিজুর রহমানকে রাখা হলো বাংলাদেশ ‘এ’ দলে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আনঅফিসিয়াল টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের দলে আরও একটি উল্লেখযোগ্য নাম লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন।
  • বোলিং ঠিক রাখতে খেপ খেলে বেড়াচ্ছি: জুবায়ের
    অনেক আশা জাগিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে আবির্ভাব জুবায়ের হোসেনের। সেই আশা পরে হতাশায় রূপ নেওয়ার পেছনে তরুণ এই লেগ স্পিনারের নিজের দায় আছে কিছু। তবে তাকে সামলানোয় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতাও চোখে পড়ার মতো। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে তরুণ লেগ স্পিনার পাননি একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ। মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে অনুশীলনের ফাঁকে নিজের বোলিং এবং আন্তর্জাতিক আর ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে ভাবনার কথা জানালেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে।
  • জুবায়েরকে নিয়ে হতাশ কোচও
    হাহাকারটা দেশের ক্রিকেট আঙিনায় কান পাতলেই শোনা যায়। আমজনতা থেকে শুরু করে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট অনেকেরই প্রশ্ন-জিজ্ঞাসা জুবায়ের হোসেনকে নিয়ে। আক্ষেপটা এবার উঠে এল স্বয়ং চন্দিকা হাথুরুসিংহের কণ্ঠে। বাংলাদেশ কোচের মতে, বিবর্ণ হয়ে গেছেন তরুণ এই লেগ স্পিনার।
  • আলোর খোঁজে জুবায়ের
    “এবার ফাটিয়ে দিস!” কয়েকদিন ধরে শুধু এই কথাই কানে বাজছে জুবায়ের হোসেনের। বিপিএলের অভিজ্ঞতার কারণে শঙ্কায় ছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দল পাওয়া নিয়ে। দল পেলেন, আবাহনী। তাতে জাগল আবার নতুন শঙ্কা। গত মৌসুমে এই দলে খেলেই তো লিগ কেটে গেল পানি-তোয়ালে টেনে! ড্রাফট শেষে জুবায়েরের স্বস্তি হয়ে এলো একটি ফোনকল। ভেসে এল কোচ খালেদ মাহমুদের কণ্ঠ, ‘খেলার সুযোগ পাবি, এবার ফাটিয়ে দিস!’