বাংলাদেশের বোলিংয়ে অধিনায়কের অগাধ আস্থা

কার্যকর উদ্বোধনী জুটি পাওয়া যাচ্ছে না। মিডল অর্ডারে ধারাবাহিকতা থাকছে না। এর সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ ম‍্যাচে পুরোপুরি ব‍্যর্থ বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। সব দিক থেকেই কি চাপ অনুভব করছেন মাহমুদউল্লাহ? বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, এক ম‍্যাচের ব‍্যর্থতায় বোলিং বিভাগের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে যায়নি। বরং ব‍্যাটসম‍্যানদের তাগিদ দিয়েছেন নিয়মিত বড় রান করার জন‍্য।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 6 July 2022, 07:04 PM
Updated : 6 July 2022, 07:04 PM

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে নামবে মাহমুদউল্লাহর দল। খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায়। 

প্রথম টি-টোয়েন্টি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর দ্বিতীয়টিতে ৩৫ রানে হারে বাংলাদেশ। সিরিজে হার এড়াতে তৃতীয় ম‍্যাচে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশ। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নামার আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ ব‍্যাটসম‍্যানদের দায়িত্ব নিয়ে খেলতে বললেন।

“সব দিক থেকে চাপ আসছে কি না? না, সব দিক থেকে না। টি-টোয়েন্টি খেলাটাই এরকম। অনেক সময় ওপেনাররা সফল হবে, হয়তো ভালো শুরু এনে দেবে। মিডল অর্ডার হয়তো অনেক সময় সেটা নাও টেনে নিয়ে যেতে পারে। তবে কোনো একজনের দায়িত্ব নিতে হবে।”

“যেমন, আগের ম‍্যাচে সাকিব (আল হাসান) যেমন একটা ইনিংস খেলল, আমরা ১৬০ এর কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। তো আমাদের দলে কোনো একজনের এমন ব‍্যাটিং করতে হবে, সঙ্গে ১৫, ২০ বা ৩০ রানের ক‍্যামিও ইনিংস খেললে, আমরা সব সময় ধারাবাহিকভাবে ১৬০-১৭০ রান করতে পারব।”

ডমিনিকায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রভম‍্যান পাওয়েলের শেষের ঝড়ো ব‍্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ম‍্যাচে একাধিক ওভার করা কোনো বোলারই সাতের নিচে রান দেননি। চারজন ওভার প্রতি রান দেন নয়ের বেশি।

তবে সেই ব‍্যর্থতা বড় করে দেখছেন না মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের দৃঢ় বিশ্বাস, লড়াইয়ের পুঁজি পেলে নিরাশ করবেন না বোলররা।

“আমাদের এই বিশ্বাসটা আছে, যদি আমরা ব‍্যাটাররা নিয়মিত ১৬০ থেকে ১৭০ রান করতে পারি, বোলারদের ওইটা ডিফেন্ড করতে পারবে। কারণ, আমাদের বোলিং আক্রমণ যথেষ্ট ভালো। হয়তো আগের ম‍্যাচে পেসাররা সেভাবে ভালো করতে পারেনি।”

“তবে সব মিলিয়ে যদি লক্ষ‍্য করে দেখেন, অনেক ম‍্যাচেই আমাদের বোলাররা কিন্তু প্রতিপক্ষকে ছোট, ছোট পুঁজি নিয়েও আটকে রেখেছে। এখনও আমার বেশ অগাধ বিশ্বাস আছে বোলিং বিভাগের উপর। ওরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক