মুরালিধরনকে ছাড়িয়ে বোল্টের সাড়ে ১০ বছরের চাওয়া পূরণ

ট্রেন্ট বোল্টের মূল পরিচয় বোলার। নিউ জিল্যান্ডের ইতিহাসের সেরাদের একজন তিনি। বোলিংয়ের কোনো কীর্তিতে দৃষ্টি থাকার কথা তার। অথচ এই পেসারের মনে ছিল ভিন্ন চাওয়া। ব্যাটিংয়ের একটি অর্জনের জন্য ক্যারিয়ারে শুরু থেকেই নাকি তার মনে ছিল সুপ্ত বাসনা! অবশেষে বহু কাঙ্ক্ষিত সেই রেকর্ড তিনি নিজের করে নিলেন।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 June 2022, 12:48 PM
Updated : 14 June 2022, 12:59 PM

টেস্ট ইতিহাসের সফলতম ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান এখন বোল্ট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি ছুঁয়েছিলেন রেকর্ড। টেস্টের শেষ দিনে মঙ্গলবার তিনি রেকর্ডটি করে নেন শুধুই একার।

৬২৩ রান করে সাদা পোশাকে সবার শেষে ব্যাটিংয়ে নেমে সবচেয়ে বেশির রানের রেকর্ডটি এতদিন ছিল মুত্তিয়া মুরালিধরনের। ট্রেন্ট ব্রিজে এবার প্রথম ইনিংসে ১৬ রান করে লঙ্কান স্পিন কিংবদন্তির পাশে উঠে আসেন বোল্ট, দ্বিতীয় ইনিংসে মুরালিধরনকে ছাড়িয়ে তিনি থামেন ১৭ রানে।

রেকর্ডটি নিয়ে স্কাই স্পোর্টসে বোল্ট বললেন, “সাড়ে ১০ বছর ধরে এই রেকর্ডে চোখ ছিল আমার।”

বোল্টের টেস্ট ক্যারিয়ারই সাড়ে ১০ বছরের। মানে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই এই রেকর্ড তাড়া করছেন তিনি!

বলাই বাহুল্য, মজা করেই অমনটা বলেছেন তিনি। তবে রেকর্ডটি পেতে যে মরিয়া ছিলেন, সেটি পরিষ্কার সতীর্থ ড্যারিল মিচেলের কথায়। প্রথম ইনিংসে বোল্ট রেকর্ড স্পর্শ করার পর মিচেল বলেছিলেন, “গত দুই মাস ট্রেন্টের (বোল্ট) সঙ্গে আমি আইপিএলে কাটিয়েছি। আমার মনে হয়, সে প্রতিদিনই বলেছে যে রেকর্ডটি তার চাই-ই চাই।"

টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি মুরালিধরন ১১ নম্বরে এই ৬২৩ রান করেছিলেন ৯৮ ইনিংস খেলে ১১.৩২ গড়ে। বোল্ট নিজেকে সেই তুলনায় আরেকটু ভালো ব্যাটসম্যান দাবি করতেই পারেন। ৭৯ ইনিংস খেলে ১৬.৪১ গড় নিউ জিল্যান্ডের বাঁহাতি পেসারের।

১১ নম্বরে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান যার, তিনিও খেলছেন এই ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে। শেষ দিনের আগ পর্যন্ত ১৬৫ ইনিংস খেলে ৬১৮ রান জিমি অ্যান্ডারসনের, গড় ৮.১৩।

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ১২৮ ইনিংস খেলে ৬০৩ রান অস্ট্রেলিয়ান পেস কিংবদন্তি গ্লেন ম্যাকগ্রার, ক্যারিবিয়ান পেস গ্রেট কোর্টনি ওয়ালশ ১২২ ইনিংস খেলে করেছেন ৫৫৩ রান।

১১ নম্বরে ৫০০ রান নেই আর কারও।

বাংলাদেশের হয়ে ১১ নম্বরে ১০০ রানও নেই কারও। ২৬ ইনিংসে ৯৫ রান করে শীর্ষে রুবেল হোসেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক