স্মিথের উইকেটে অ্যান্ডারসনের চোখ

এবারের ইংলিশ গ্রীষ্মে বিরাট কোহলির সঙ্গে জেমস অ্যান্ডাসনের লড়াই জমেছিল তুমুল। অপেক্ষা এখন অস্ট্রেলিয়ান গ্রীষ্মের, অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের অভিযানে যেখানে লড়বে ইংল্যান্ড। সেখানেও লড়াইয়ের ভেতর আরেকটি লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে অ্যান্ডারসন। স্টিভেন স্মিথকে এবার দাঁড়াতে দিতে চান না টেস্ট ইতিহাসের সফলতম পেসার।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 Oct 2021, 04:53 AM
Updated : 14 Oct 2021, 04:53 AM

সবশেষ দুটি অ্যাশেজে স্মিথের রান জোয়ার আটকানোর কোনো পথ খুঁজে পায়নি ইংল্যান্ড। ২০১৭-১৮ অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার ৪-০ ব্যবধানের জয়ে ১৩৭.৪০ গড়ে তিনি করেন ৬৮৭ রান। ২০১৯ অ্যাশেজে ২-২ ড্রয়ে তার ব্যাট থেকে আসে ১১০.৫৭ গড়ে ৭৭৪ রান।

সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৭ টেস্টে ১১ সেঞ্চুরি স্মিথের, ৬৫.১১ গড়ে রান ২ হাজার ৮০০।

বলার অপেক্ষা রাখে না, স্মিথ মানেই ইংলিশদের ভোগান্তি। ফক্স ক্রিকেটের ‘রোড টু অ্যাশেজ’ পডকাস্ট-এ অ্যান্ডারসন বললেন, এবারের অ্যাশেজে সেই ভোগান্তি আর চান না তারা।

“বোলার হিসেবে সবসময়ই প্রকিপক্ষের সেরা ব্যাটসম্যানের দিকে তাকাতে হয় এবং গত তিন-চার-পাঁচ বছরে স্টিভেন স্মিথ অস্ট্রেলিয়ার সেরা। তার ওপর তারা নির্ভর করে বড় রানের জন্য। অবশ্যই ডেভিড ওয়ার্নার ও সাম্প্রতিক সময়ে মার্নাস লাবুশেনের মতো অন্যরা সমর্থন জোগায়। তবে গত কয়েক বছরে তারা মূলত তাকিয়ে থাকে স্মিথের দিকেই। কাজেই সে এমন একজন, যাকে আমরা দ্রুত ফেরাতে মুখিয়ে থাকব।”

ইতিহাসের সফলতম পেসার হলেও অস্ট্রেলিয়ার মাঠে গত অ্যাশেজের আগে অ্যান্ডারসনের রেকর্ড খুব একটা ভালো ছিল না। ইংল্যান্ডের মাটিতে ডিউক বলে বরাবরই অসাধারণ তিনি, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় কুকাবুরা বলে ছিলেন বিবর্ণ। তবে সবশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে কিছুটা হলেও সেই চ্যালেঞ্জটায় সফল হন। দলের সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট ছিল তারই। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি শোনালেন অস্ট্রেলিয়ায় বোলিংয়ের সম্ভাব্য পরিকল্পনা।

“অস্ট্রেলিয়ায় বোলিং এখানকার চেয়ে সবসময় কঠিন না নয়, তবে ভিন্ন। ইংল্যান্ডে ডিউক বল প্রায় সবসময়ই সুইং করে এবং যে ধরনের উইকেটে খেলা হয়, সেখানে সিম মুভমেন্ট মেলে। কিন্তু কুকাবুরা বলে অতটা সুইং পাওয়া যায় না। কাজেই স্রেফ ভালো জায়গায় বল রাখতে হয়। এখানে ক্লান্তিহীনভাবে ও নিখুঁত নিশানায় বল করা জরুরি। এখানেই লোকে বোগে বেশি।”

আগামী ৮ ডিসেম্বর ব্রিজবেন টেস্ট দিয়ে শুরু এবারের অ্যাশেজ।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক