কিউই পেসে উড়ে গেল ক্যারিবিয়ানরা

জার্মেইন ব্ল্যাকউড ও আলজার জোসেফের জুটি আগের দিনের মতো লড়াই চালিয়ে গেল চতুর্থ দিনও। কিন্তু কিউই পেসের সামনে কতটাই আর পারা যায়! ব্ল্যাকউড কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরির দেখা পেলেন বটে। তবে এই জুটি ভাঙতেই ভেঙে পড়ল দলের ইনিংস। প্রত্যাশিত বড় জয় পেল নিউ জিল্যান্ড।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 6 Dec 2020, 03:47 AM
Updated : 6 Dec 2020, 03:47 AM

হ্যামিল্টন টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেইনিংস ও ১৩৪ রানে হারিয়ে ২ ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল নিউ জিল্যান্ড।

টেস্টের চতুর্থ দিনে রোববার নিজেদেরদ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৭ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ইনিংসে তারা করতে পেরেছিলকেবল ১৩৮। নিউ জিল্যান্ড একমাত্র ইনিংসে ৫১৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে।

ব্ল্যাকউড ও জোসেফের জুটি আগের দিনপেরিয়েছিল শতরান। এ দিনও তারা কাটিয়ে দেন প্রথম ঘণ্টা। ৮০ রান নিয়ে দিন শুরু করা ব্ল্যাকউডজীবন পান স্লিপে রস টেইলরের হাতে।

১৩৫ বলে ব্ল্যাকউড স্পর্শ করেন তিনঅঙ্ক। প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির সাড়ে ৫ বছর পর আরেকটি শতরানের দেখা পেলেন এই ব্যাটসম্যান।

দুজনের ১৫৫ জুটি ভাঙে জোসেফের বিদায়ে।প্রথম টেস্ট ফিফটিকে সেঞ্চুরির পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন এই পেসার। ৮৬ রানে তাকে থামান জেমিসন।৯ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংস খেলে শেষ হয় তার লড়াই।

সঙ্গীকে হারিয়ে থেমে যান ব্ল্যাকউডও।১১ চার ও ২ ছক্কায় ১০৪ রান করে বিদায় নেন নিল ওয়্যাগনারের বলে। ওই ওভারেই আউট শ্যাননগ্যাব্রিয়েল। শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শেষ হয় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস।

চোটের কারণে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয়ইনিংসেও ব্যাট করতে পারেননি কিপার-ব্যাটসম্যান শেন ডাওরিচ। আগামী শুক্রবার থেকে শুরুহতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টেও তার খেলা অনিশ্চিত।

২৫১ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচেরসেরা নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস : ৫১৯/৭(ডি.)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস : ১৩৮

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস : (ফলোঅনের পর) ৫৮.৫ ওভারে ২৪৭ (আগের দিন ১৯৬/৬) ( ব্ল্যাকউড ১০৪, জোসেফ ৮৬, রোচ ০, গ্যাব্রিয়েল০, ডাওরিচ (আহত অনুপস্থিত); সাউদি ১৫-২-৬১-১, বোল্ট ১৫-১-৬৩-১, ওয়্যাগনার ১৩.৫-০-৬৬-৪,জেমিসন ১২-২-৪২-২, মিচেল ৩-০-৭-১)।

ফল : নিউ জিল্যান্ড ইনিংস ও ১৩৪রানে জয়ী

সিরিজ : ২ ম্যাচ সিরিজে নিউ জিল্যান্ড১-০তে এগিয়ে

ম্যান অব দা ম্যাচ : কেনউইলিয়ামসন

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক