‘রায়ডু থাকলে বিশ্বকাপ জিততে পারতো ভারত’

গত বিশ্বকাপের ভারত দলে আম্বাতি রায়ডুকে না রাখা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। দল নির্বাচন নিয়ে কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল ভারতীয় নির্বাচকদের। সদ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলা সুরেশ রায়নাও এবার মুখ খুললেন রায়ডুর বাদ পড়া নিয়ে। ভারতের সাবেক এই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যানের মতে, ইংল্যান্ডে রায়ডু থাকলে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পাল্লা ভারি থাকতো তার দেশের।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 22 August 2020, 01:52 PM
Updated : 22 August 2020, 02:14 PM

বিশ্বকাপের দল গোছানোই ছিল ভারতের। ভাবনা ছিল কেবল চার নম্বর পজিশন নিয়ে। বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যানকে সুযোগ দিয়েছিল দেশটি, কিন্তু পায়নি কার্যকর সমাধান।

পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতায় অন্যদের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন রায়ডু। কিন্তু টুর্নামেন্টের ঠিক আগের সীমিত ওভারের সিরিজে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে পারেননি খুব একটা ভালো করতে। সেই সিরিজে ব্যাটসম্যান হিসেবে সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তরুণ বিজয় শঙ্কর। সঙ্গে কার্যকরী পেসার ও দারুণ একজন ফিল্ডারও তিনি। সব মিলিয়ে ভারতের চার নম্বর পজিশনের লড়াইয়ে নির্বাচকদের চোখে এগিয়ে থাকায় বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়ে যান শঙ্কর। কিন্তু ইংল্যান্ডে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। পরে ছিটকে যান চোট পেয়ে।

সেমি-ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভাঙে ভারতের। টুর্নামেন্টে দলটির মিডল-অর্ডারের দুর্বলতা ফুটে ওঠে অনেকবারই। ক্রিকবাজকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে রায়না জানালেন, রায়ডু ছিলেন এই সমস্যা সমাধানের সেরা ব্যাটসম্যান।

“রায়ডুকে ভারতের ৪ নম্বর পজিশনে চেয়েছিলাম আমি, কারণ সে কঠোর পরিশ্রম করছিল এবং প্রায় দেড় বছরের মতো খেলছিল। ভালো পারফরমও করেছিল, কিন্তু সেখানে (বিশ্বকাপ দলে) ছিল না। ফিটনেস টেস্টে ব্যর্থ হয়ে ২০১৮ সালের ইংল্যান্ড সফরে রায়ডু যেতে পারেনি…আমি নির্বাচিত হলাম, কিন্তু সে হলো না, ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগেনি।”

“সে চার নম্বরের জন্য দারুণ ব্যাটসম্যান ছিল। বিশ্বকাপের দলে যদি সে থাকতো, আমরা টুর্নামেন্টটি জিততে পারতাম। রায়ডু সেরা পছন্দ ছিল।”

ভারতের হয়ে ৫৫ ওয়ানডে খেলেছেন রায়ডু। ৪৭.০৪ গড়ে তিন সেঞ্চুরি ও ১০ হাফ সেঞ্চুরিতে রান করেছেন দেড় হাজারের ওপরে। সবচেয়ে বেশি রান চার নম্বর পজিশনে, ২৪ ম্যাচে ৪১.৬৬ গড়ে ৭৫০। সেঞ্চুরি একটি, হাফ সেঞ্চুরি পাঁচটি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক