ইশান্তের পোস্টে প্রমাণ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি স্যামির

আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে ড্যারেন স্যামিকে বর্ণবাদী নামে ডাকার একটা প্রমাণ মিলেছে। ইনস্টাগ্রামে ইশান্ত শর্মার পুরানো এক পোস্ট নিশ্চিত করেছে, ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারকে ‘কালু’ নামে ডাকা হত।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 9 June 2020, 03:11 PM
Updated : 9 June 2020, 05:03 PM

২০১৪ সালের ১৪ মে ভুবনেশ্বর কুমার, স্যামি ও ডেল স্টেইনের সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন, সেখানে স্যামিকে সম্বোধন করেছিলেন ‘কালু’ বলে। স্যামির অভিযোগের পর ওই টুইট সামনে এসেছে। স্যামি শুধু অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি, আইপিএলে তাকে যারা বর্ণবাদী নামে ডেকেছেন, ইনস্টাগ্রাম বার্তায় সবাইকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন তিনি।

“যারা আমাকে ওই নামে ডাকতে, তোমরা তো নিজেদেরকে জানোই…কারণ, হাসান মিনহাজ (ভারতীয়-মার্কিন অভিনেতা) যা বলেছে, কোনোভাবে অর্থ যদি তাই হয়, আমি খুব হতাশ হব।”

“আমি তাদের বার্তা পাঠাব। তোমরা জানো তোমরা কারা। আমি স্বীকার করছি, যখন ওই নামে আমাকে ডাকা হতো, আমি জানতাম না এর অর্থ কি।”

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর বিশ্ব জুড়ে বর্ণবাদ বিরোধী যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে প্রবলভাবে সামিল স্যামিও। শুরু থেকেই তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সেই ধারাবাহিকতায় কয়েক দিন আগে তিনি অভিযোগ করেন, আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলার সময় তাকে ও শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরাকে ডাকা হতো ‘কালু’ নামে।

অভিযোগ তোলার সময় স্যামি বলেছিলেন, তখন শব্দটির অর্থ না জানলেও তিনি এখন জানতে পেরেছেন। ইনস্টাগ্রামে সেই একই দাবি করলেন দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।

“দল অন্তঃপ্রাণ একজন হিসেবে আমি ভেবেছিলাম, সতীর্থরা যখন এত খুশি, নিশ্চয়ই এটি মজার কিছু হবে। কিন্তু এটা মোটেও মজার কিছু ছিল না, বিষয়টা বুঝতে পারার পর আমি ভীষণ হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এটা ছিল অপমানজনক।”

“যারা আমাকে ওই নামে ডাকতে, তোমরা নিজেরা তা জানো। তোমাদের কয়েকজনের কাছে আমার ফোন নাম্বার আছে, তোমাদের ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে আছি। আমার সঙ্গে যোগাযোগ করো, চলো বিষয়টা নিয়ে কথা বলি।”

আইপিএলসহ অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্যামি। ড্রেসিংরুম মাতিয়ে রাখা ও দলকে উজ্জীবিত করতে পারার মতো একজন হিসেবে পরিচিতি আছে তার। তাকে অমন একটা নামে কেউ ডাকতে পারে, এটা যেন বিশ্বাস হচ্ছে না স্যামির।

“আমি এখনও ক্ষুব্ধ। তোমাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ, তোমাদের সবাইকে আমি ভাইয়ের মতো দেখতাম। তাই, আমার সঙ্গে কথা বলো। যোগাযোগ করো, দয়া করে ব্যাপারটা পরিষ্কার করো।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক