‘লালা ব্যবহার বন্ধ হলেই ক্রিকেট নিরাপদ হয়ে যাবে না’

বলে লালার ব্যবহার বন্ধে তেমন কোনো সুফল দেখছেন না ডেভিড ওয়ার্নার। খেলতে গেলে এক সঙ্গে একই ড্রেসিংরুমে থাকা, প্রয়োজনে একে অপরের সরঞ্জাম ব্যবহার করার মতো ব্যাপারগুলো ঘটবে। তাই ক্রিকেটকে নিরাপদ করতে স্রেফ লালা ব্যবহারে বিধি-নিষেধ আরোপের কোনো দরকার দেখছেন না অস্ট্রেলিয়ান এই ওপেনার।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 30 April 2020, 11:44 AM
Updated : 30 April 2020, 11:44 AM

বল চকচকে রাখতে লালা বা থুতুর ব্যবহার চলে আসছে যুগ-যুগ ধরে। স্বাস্থ্যঝুঁকির চিন্তায় এ নিয়ে প্রশ্ন আগেও ছিল, সেটা উচ্চকিত হয়েছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর। কোভিড-১৯ মহামারীর জন্য আপাতত মাঠের ক্রিকেট বন্ধ। খেলা আবার শুরু হলে লালা ব্যবহার নিরাপদ হবে কী না, এ নিয়ে সংশয় অনেকের। ব্যাট-বলে ভারসাম্য রাখতে আইসিসি বল পলিশে কৃত্রিম বস্তু ব্যবহারের কথা ভাবছে।

খেলতে গেলে একজন ক্রিকেটার ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারেন আরও অনেকভাবে। তাই শুধু বলে লালার ব্যবহারে বদল আনার কোনো কারণ দেখছেন না বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

“এটা একশ বছর ধরে চলে আসছে। এর জন্য কেউ অসুস্থ হয়েছে আমার জানা নেই। ড্রেসিং রুম শেয়ার করা হচ্ছে, বাকি সবকিছুই শেয়ার করা হচ্ছে, লালা ব্যবহারে বদল আনার কোনো কারণ আমি দেখি না। আপনি যেকোনো ভাবে জীবানুর সংস্পর্শে আসতে পারেন। আমার মনে হয় না শুধু লালা থেকে সেটা হতে পারে।”

“আমি নিশ্চিত নই। তবে এটা করা উচিত কী-না, মন্তব্য করার কাজ আমার নয়। এটা আইসিসি ও গভর্নর বডির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।”

বল শাইন করতে লালা ব্যবহারের পুরোপুরি বিরোধী জহির খান। এতে শুধু ক্রিকেটাররাই নয়, দর্শকেরও সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন ভারতের সাবেক তারকা এই পেসার।

“বিষয়টি সমধান করতে হবে। বলে যে শুধু আলাদা একজনই লালা দেয় তার নয়, পুরো এগারোজনই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। যখন দর্শকপূর্ণ একটি স্টেডিয়ামে খেলা হয়, যখন বল ছক্কা হয়, বল ভিড়ের মাঝে গিয়ে পড়ে এবং লোকে স্পর্শ করে। তাই বল চকচকে করতে লালার ব্যবহারে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। বলের মাধ্যমে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর।”

লালার বদলে কৃত্রিম বস্তু ব্যবহারের পক্ষে-বিপক্ষে নিজেদের মতামত দিয়ে যাচ্ছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মাইক হাসির কৃত্রিম বস্তুর ভাবনা একদমই পছন্দ হয়নি।

“আশা করছি, খেলাটিতে খুব বেশি বদল আনা হচ্ছে না এবং একটা সময় পর সবকিছু আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক