ধৈর্য পরীক্ষায় হেরে বিপদ দেখছেন শান্ত

চারটি জুটি পার হলো ত্রিশের ঘর, কিন্তু বড় হলো না একটিও। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে প্রথম দিন গুটিয়ে যাওয়ার পর তাই জুটিগুলো বড় না হওয়ার আক্ষেপ ঝরল নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠে। সফরকারীদের জুটি দাঁড়িয়ে যাওয়ার পরও এক জায়গায় বোলিং করে গেছে পাকিস্তানের বোলাররা। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মনে করেন, দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে এই ধৈর্য পরীক্ষা।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 7 Feb 2020, 04:26 PM
Updated : 7 Feb 2020, 04:46 PM

সিরিজের প্রথম টেস্টে শুক্রবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৩৩ রানে। ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে অল্প রানে গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি।

উইকেট যদিও ব্যাটিংয়ের জন্য তেমন কঠিন ছিল না। দিনের শুরুতে কিছুটা সুইং পান আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসরা। সময় যত গড়াতে থাকে, উইকেট ততই ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে আসে। তবুও প্রথম ইনিংসে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি শান্ত-মাহমুদউল্লাহরা।

দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত দোষ দিলেন নিজেদের। বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের উপলব্ধি, তারা ধৈর্য নিয়ে খেলতে পারলে দলের রান বেশি হতো।

“প্রথম ৫-৬ ওভারে বলে কিছুটা মুভমেন্ট ছিল। এটা ছিল মূল বিষয়। ওদের বোলাররা সারাদিনই ভালো জায়গায় বল করেছে। অবশ্য যদি আমরা আরও ধৈর্য ধরে খেলতে পারতাম, আমাদের জন্য ভালো হতো।”

“উইকেট খুবই ভালো ছিল, এমন পেস ছিল না। আফ্রিদি ও আব্বাস ভালো জায়গায় বোলিং করেছে। তারা অনেক ধৈর্য ধরেছে, অনেক মেডেন ওভার দিয়েছে।”

প্রথম দুই ওভারেই বাংলাদেশ হারায় সাইফ হাসান ও তামিম ইকবালকে। দল শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠে শান্ত ও মুমিনুল হকের ৫৯ রানের জুটিতে। কিন্তু দুজনই ফেরেন থিতু হয়ে। শান্তর কণ্ঠে ঝরছে জুটি বড় না হওয়ার আক্ষেপ।

“শুরুতে ২ উইকেট পড়ার পর আমরা ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। আমার ও মুমিনুল ভাইয়ের ভালো একটা জুটি হয়েছিল, সেখান থেকে আমাদের বড় করা উচিত ছিল। ছোট ছোট জুটিগুলা বড় হলে আমাদের রান আরও বেশি হতো।”

জুটি বড় না হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করলেন ২১ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।

“উইকেট ভালো থাকলেও ওরা ধৈর্য ধরে একটা জায়গায় বল করে গেছে। ওই জায়গাতেই আমরা ব্যাটসম্যানরা ভুল করেছি আমার মনে হয়। আমরা যদি ওখানে ধৈর্য ধরে খেলতাম আমরা মনে হয়, শেষের দিকে ব্যাটসম্যানরা থাকলে রান করা আরেকটু সহজ হতো।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক