বিশ্বকাপে এবার চাপমুক্ত থাকবেন না সৌম্য

মাত্র একটি ওয়ানডের অভিজ্ঞতা। সেই সম্বল নিয়েই ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ার বিমানে চেপেছিলেন সৌম্য সরকার। অভিজ্ঞতা না থাকলেও ছিল খোলা মনে খেলার সাহস। প্রত্যাশা খুব বেশি ছিল না, তাই ছিলেন নির্ভার। চার বছর পর আরেকটি বিশ্বকাপ এগিয়ে আসছে। সঙ্গে বাড়ছে চাপ। বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের উপলব্ধি, গত বিশ্বকাপের মতো এবার বিশ্বকাপে অতটা ‘ফ্রি’ থাকতে পারবেন না।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 March 2019, 01:14 PM
Updated : 28 March 2019, 01:14 PM

২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের স্কোয়াডে অন্যতম চমক ছিল সৌম্যকে রাখা। পরে তিনি প্রমাণ করেছিলেন দলে রাখার যৌক্তিকতা। বড় ইনিংস যদিও খেলতে পারেননি, তবে প্রায় সব ম্যাচেই কার্যকর ও আগ্রাসী ইনিংস খেলেছেন শুরুতে। চাওয়া যেহেতু খুব বেশি ছিল না, ওইটুকুই ছিল তাই অনেক বড় পাওয়া। পরের চার বছরে বদলে গেছে চিত্র। সেই বাস্তবতার আঁচ লাগছে সৌম্যর গায়ে। বৃহস্পতিবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দল আবাহনীর অনুশীলনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাঁহাতি ওপেনার শোনালেন দুই বিশ্বকাপে নিজের পার্থক্য।

“আগের বিশ্বকাপে পুরোই নতুন ছিলাম। এবার যদি সুযোগ পাই, তাহলে হয়তো পরিকল্পনা একটু ভিন্ন থাকবে। ওই সময় জুনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে ফ্রি মাইন্ডে খেলেছি, এখন হয়তো অতটা ফ্রি থাকব না। একটু চাপ তো থাকবে।”

“তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যতটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে, ওখানে গিয়ে সেটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো। আগে যে বিশ্বকাপ খেলেছি, বা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলেছি, ওখানে যে সাহস নিয়ে খেলেছি, সেটা ধরে রাখার চেষ্টা থাকবে।”

এই চার বছরে সাফল্য-ব্যর্থতার দুই অধ্যায়ই বেশ কয়েকবার দেখে ফেলেছেন সৌম্য। আসছে বিশ্বকাপে যাতে কেবল সাফল্যের পথ ধরে এগোতে পারেন, সেই চেষ্টায় কাজ করছেন নিজের ব্যাটিং নিয়ে।

“কাজ করতে গেলে কিন্তু কাজটা একদিনে শেষ হয় না। একদিন হয়তো খুব সহজেই সাফল্য পাওয়া যায়, আরেকদিন দেখা যায় অনেক কষ্ট করে সফলতা আসে। কিছু প্র্যাকটিস করছি। যেসব প্র্যাকটিস করছি, তাতে একটু সময় লাগছে। সময় নিয়েই করছি, যেন শতভাগ না হলেও ৯৯ ভাগ ভালো হয়। চেষ্টা করছি ভালো করার।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক