শর্ট বলে ভয় নেই, সাহস আছে: সৌম্য

প্রথম টি-টোয়েন্টির আগের দিন পায়ের চোট। অনুশীলনের মাঝপথেই ফেরা ড্রেসিং রুমে। দ্বিতীয় ম্যাচের আগের দিন জ্বর। অনুশীলন শুরুর আগেই মাঠ থেকে ফেরার পথে। ম্যাচের আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের ভাবনা জানা গেল না এবারও। তবে দলের প্রতিনিধি হয়ে এসে সৌম্য সরকার জানিয়ে গেলেন দলের মনোভাব, শর্ট বল নিয়ে কোনো অস্বস্তির হাওয়া নেই ড্রেসিং রুমে।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 19 Dec 2018, 12:18 PM
Updated : 19 Dec 2018, 01:19 PM

সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরেছে দুই দল। সঙ্গে এসেছে শর্ট বলের আলোচনাও। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানসহ পাঁচ উইকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিয়েছিল শর্ট বলে। উইকেট খুব গতিময় বা পেস সহায়ক ছিল না। তবু কাজে লেগেছে ক্যারিবিয়ানদের পরিকল্পনা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও যে কৌশল পাল্টাবে না, সেটি অনুমান করা যায় অনায়াসেই।

প্রথম ম্যাচের পরে শর্ট বল খেলার ব্যবচ্ছেদ করেছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি। বলেছিলেন, শর্ট বলে ভড়কে গিয়ে নয়, বরং পাল্টা জবাব দিতে গিয়েই গড়বড় করেছিল বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সেই একই কথার প্রতিধ্বনি সৌম্যর কণ্ঠে।

আগের ম্যাচে শর্ট বলে আউট হয়েছিলেন সৌম্য নিজেও। তিনিসহ বাকি চারজনই আউট হয়েছিলেন শর্ট বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে। আউট হলেও মেরে খেলার মনোভাবেই সৌম্য দেখছেন ইতিবাচকতা। ভয় নেই, আছে সাহস। স্রেফ সেই সাহসের প্রয়োগটা পরের ম্যাচগুলোয় দল দেখাতে চায় নিখুঁতভাবে।

“চিন্তার কিছু নেই। ওরা শর্ট বল করেছিল, আমরা দৌড়ে মারতে গিয়েছি। এটা সাহসের ব্যাপার যে শর্ট বলেও জোরে মারতে গিয়েছি। পিছিয়ে আউট হলে হয়তো বলা যেত যে ভয়ে আউট হয়েছি। যদি বুদ্ধি খাটিয়ে, আরেকটু চালাক হয়ে প্লেস করার চেষ্টা করে খেলতাম, তাহলে ভালো হতো।”

“শর্ট বল খেলা আসলে সাহসের ব্যাপার। আর টি-টোয়েন্টিতে শর্ট বলে শট খেলতেই হবে। নইলে স্কোরিংয়ের একটি অপশন কমে যাবে। আমরা শর্ট বলে অনেক উন্নতিও করেছি। শেষ কয়েক ম্যাচে আমরা শর্ট বলে তেমন আউট হইনি। আমাদের কন্ডিশনে বেশিরভাগ সময় স্পিন খেলি, হুট করে একজন গতিময় বোলারকে খেলতে গেলে শুরুতে একটু সমস্যা হতেই পারে। সেটিই আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। ভয়ের কিছু নেই।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক