সিলেটের মাঠ নিয়ে সিলেটের ছেলের রোমাঞ্চ

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম- আবু জায়েদ চৌধুরীর চিরচেনা মাঠ। এখানে খেলেই বড় হয়ে ওঠা, নিজেকে মেলে ধরা। বছরের শুরুতে এ মাঠেই টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল তরুণ এই পেসারের। এবার দৃষ্টিনন্দন এই স্টেডিয়ামের অভিষেক টেস্টে হলেন সঙ্গী, তার বোলিংয়েই শুরু হল ম্যাচ। ইতিহাসের অংশ হতে পারার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যাচ্ছে সিলেটের গর্বিত সন্তানকে।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 Nov 2018, 02:12 PM
Updated : 3 Nov 2018, 03:36 PM

গত ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় আবু জায়েদের। পরে জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে হয় টেস্ট অভিষেক। বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে শনিবার টেস্ট ভেন্যু হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। স্বাভাবিকভাবেই এই ম্যাচ নিয়ে আবু জায়েদের রোমাঞ্চ অনেক বেশি।

“অবশ্যই ভালো লাগছে। সিলেটে আমার টি-টোয়েন্টি অভিষেক। দেশের মাটিতে নিজের প্রথম টেস্ট খেলছি এই মাঠেই। মাঠেরও এটা অভিষেক টেস্ট। খেলতে পেরে আমি খুব খুশি। উইকেট পেয়ে আরো বেশি আনন্দিত। এই মাঠের প্রথম টেস্ট বলটা আমার করা... নাম লেখা থাকবে যে এখানে আমি উইকেট পেয়েছি। চেষ্টা করব আরও ভালো করতে।”

দুই দিকে সুইং করিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের ভুগিয়েছেন আবু জায়েদ। প্রথম দিনে পেয়েছেন কেবল হ্যামিল্টন মাসাকাদজার উইকেট। দ্বিতীয় দিনে নিজের কাছে আরও বেশি কিছুর প্রত্যাশা সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ দলের একমাত্র বিশেষজ্ঞ পেসারের।  

“আরও বেশি উইকেট নেওয়া সম্ভব। কারণ, এসব উইকেটেই তো খেলতে হয় আমার। আমি পুরান বলে বোলিং করতে বেশি পছন্দ করি। কাল যদি কাট করে তাহলে ভালো হয়। বল কিন্তু এখনো পুরনো হয়নি। ১১ ওভারের মতো হয়েছে। এখনও সুইং করানো যাবে।” 

সিলেটে আবু জায়েদের প্রথম টেস্ট দেখতে মাঠে আসেননি পরিবারের কোনো সদস্য। মাঠে এলে নাকি তারা খুঁজেই পান না এই পেসারকে!

“বিপিএলের সময় আমার আম্মু এসেছিলেন। তখন আম্মু বলছিলেন যে, ‘বাবা আমি টিভিতেই তোর খেলা দেখব। টিভিতে তোরে দেখতে পারি, মাঠে এসে তোরে খুঁজেই পাই না।’ উনি এবার বলেছেন, ‘মাঠে আসব না, টিভিতে দেখব। এতো ঝামেলা নিতে পারব না।’ তাই বাসা থেকে কেউ আসেনি।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক