সাব্বিরের ভূমিকায় আরিফুল, গতির জন্য খালেদ

টার্নিং উইকেট, টিকে থাকতেই ব্যাটসম্যানদের হাঁসফাঁস অবস্থা। পাল্টা আক্রমণে দ্রুত কিছু রান তখন হয়ে উঠতে পারে মহামূল্য। যে ভূমিকায় আগে টেস্ট দলে নেওয়া হয়েছিল সাব্বির রহমানকে, সেই একই ভাবনায় এবার জায়গা পেলেন আরিফুল হক। পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদকে দলে নেওয়ার অন্যতম কারণ তার গতি।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 Oct 2018, 03:12 PM
Updated : 25 Oct 2018, 03:12 PM

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেবাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াডে জায়গা পাওয়া চার নতুনের একজন আরিফুল। ঘরোয়া ক্রিকেটে বড়দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটেই তিনি বেশি ধারাবাহিক। তবেজাতীয় দলের ক্ষেত্রে তাকে বিবেচনা করা হয়েছে অন্যভাবে। আগে জায়গা পেয়েছেনটি-টোয়েন্টিতে, এরপর ওয়ানডে দল হয়ে এবার টেস্টে।

তবে টেস্ট জায়গা পেলেন সীমিতওভারের গতিতে রান করার ভাবনা থেকেই। আগের কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহেরসময় দেশের মাটিতে টেস্ট খেলার যে পথ বেছে নিয়েছিল বাংলাদেশ, সেটিই এখনও আঁকড়ে আছে দল।প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানালেন, টার্নিং উইকেটেদ্রুত কিছু রান তোলার ভাবনাতেই দলে নেওয়া হয়েছে আরিফুলকে।

“আমরা দেশের মাটিতে যে ধরনের উইকেটে খেলি, নিচের দিকেদ্রুত কিছু রান এলে খুব ভালো হয়। খেলার মোড় পাল্টে যেতে পারে। এর আগে সাব্বির কিংবাশুভাগতকে যে চিন্তা থেকে নেওয়া হয়েছিল, আরিফুলকে আমরা এবার সেই ভূমিকায় ভেবেছি। পাশাপাশিওর বোলিং তো আছেই। তৃতীয় সিমার হিসেবে বেশ ভালো কাজ চালাতে পারবে প্রয়োজনে।”

বাংলাদেশ ‘এ’ দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটে গত কিছুদিনে যা পারফরম্যান্স,তাতে খালেদের ডাক পাওয়া খুব বিস্ময়কর নয়। বিশেষ করে টেস্টে পেস বোলিংয়ে যখন বিকল্পখুঁজে ফিরছে দল। প্রধান নির্বাচক তবু আলাদা করে বললেন খালেদের গতির কথা।

“খালেদেকে আমরা হাই পারফরম্যান্স দলে নার্সিং করেছি।এখন যতজন বোলার এইচপিতে আছে বা জাতীয় পুলে আছে, তাদের মধ্যে ওর গতিই বেশি। আমরা যথেষ্টআত্মবিশ্বাসী যে আমাদের ভালো সার্ভিস দেবে।”

নাজমুল ইসলাম অপু টেস্ট ক্রিকেটে কতটা কার্যকর হতে পারেন,সেটি নিয়ে সংশয় আছে অনেকের। তবে প্রধান নির্বাচক জানালেন, বিশেষ একটি ভাবনা থেকেই নেওয়াহয়েছে এই বাঁহাতি স্পিনারকে।

“ওর ক্ষেত্রে মূলত টিম ম্যানেজমেন্টের চাওয়াকে প্রাধান্যদেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কোচ এমন একজন স্পিনার চান, যে টার্ন খুব বেশি না করালেও চলবে,কিন্তু সোজা বল করায় দক্ষ, উইকেট টু উইকেট বল করতে পারে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক