জিম্বাবুয়ে সিরিজের প্রাপ্তি নিয়ে মাশরাফি

এই সিরিজ দিয়ে দলে ফেরা তরুণ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ব্যাটিং-বোলিংয়ে ভালো করেছেন। বাঁহাতি স্পিনে ব্যাটসম্যানদের বেঁধে রাখার কাজটা ঠিক মতোই করেছেন নাজমুল ইসলাম অপু। ওপেনিংয়ে ভালো করেছেন ইমরুল কায়েস, লিটন দাস। প্রথম দুই ওয়ানডে শেষে জিম্বাবুয়ে সিরিজে এগুলো মাশরাফি বিন মুর্তজার কাছে বাংলাদেশের প্রাপ্তি।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 Oct 2018, 03:06 PM
Updated : 25 Oct 2018, 03:06 PM

লম্বা সময় ধরে পেস বোলিং অলরাউন্ডারের সন্ধানে থাকা বাংলাদেশের আপাতত বাজি সাইফ। প্রথম ওয়ানডেতে ফিফটি করার পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আলো ছড়ান বোলিংয়ে। ৪৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

নাজমুল ঢাকায় প্রথম ম্যাচে ৩৮ রানে নেন ২ উইকেট। চট্টগ্রামে উইকেট পাননি, তবে আঁটসাঁট বোলিংয়ে বেঁধে রাখেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের। সাইফ, নাজমুলের পাফরম্যান্স মাশরাফির কাছে সবচেয়ে ইতিবাচক দিক।

“সাইফ ভালো করেছে। ব্যাটিং ভালো করেছে, বোলিংও তো ভালো করেছে অবশ্যই। ইংল্যান্ডে (২০১৯ বিশ্বকাপে) কখনও কখনও চার পেসার নিয়ে ম্যাচ খেলতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাইফ যদি সাতে এভাবে ব্যাটিং করতে পারে তাহলে সেটা আমাদের জন্য অনেক ইতিবাচক ব্যাপার।”

“আর অপুও খারাপ বোলিং করছে না। তার অভিষেক হয়েছে অল্প কয়েকদিন হল। সেও খারাপ করছে না। সুতরাং ইতিবাচক দিক বেশ কিছু আছে।”

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৯০ রান করে আউট হন ইমরুল। প্রথম ম্যাচে রান না পাওয়া লিটন চট্টগ্রামে খেলেন ৮৩ রানের দারুণ ইনিংস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন সৌম্য সরকার। মাশরাফি মনে করেন, তিন ওপেনারই রান পাওয়ায় একটা স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা চলবে দলের মধ্যে।

“প্রাপ্তির কথা বললে, ইমরুলের কথাও বলতে হবে। এশিয়া কাপ থেকেই সে অনেক ভালো খেলছে। ওপেনিংয়ে যে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা হচ্ছে তা খুব ইতিবাচক একটি দিক আমার কাছে। তামিম না থাকার পরেও এমন প্রতিযোগিতা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত যে, তামিম যখন আসবে তখন প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে। কারণ, তামিম হল আসল পারফরমার। আর এই প্রতিযোগিতা যেন আরও বাড়ে সেটাই প্রত্যাশা করছি।”

দুই ম্যাচের প্রাপ্তি নিয়ে খুশি মাশরাফি। অধিনায়ক দেখতে চান, বড় মঞ্চে প্রয়োজনের সময় এগুলো কতটা কাজে আসে।

“সময় যখন যাবে তখন বোঝা যাবে। এখনও তো ‘আর্লি স্টেজ’, বাংলাদেশে খেলছে, সবাই তাই আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু আরও সামনে যখন যাবে, বড় ম্যাচ আসবে তখন আরও পরিষ্কার বোঝা যাবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এশিয়া কাপ ফাইনালের কথা। সুতরাং বড় মঞ্চে আমরা কেমন করি সেটাও কিন্তু একটা ব্যাপার। তবে আত্মবিশ্বাস এখান থেকেই তৈরি করতে হবে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক