যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শক্তি কম্বিনেশন: অধিনায়ক

পরস্পরের মধ্যে দারুণ যোগাযোগ আর ভারসাম্যপূর্ণ কম্বিনেশনকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় শক্তি মনে করছেন সাইফ হাসান। সতীর্থদের সামর্থ্যে আস্থা রেখে নিউ জিল্যান্ডের অচেনা কন্ডিশনে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করতে আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 Dec 2017, 01:03 PM
Updated : 25 Dec 2017, 02:25 PM

সাইফের নেতৃত্বধীন দলের কোনো ক্রিকেটার এর আগে নিউ জিল্যান্ডে খেলেননি। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ডানেডিনে ১১ দিনের একটি ক্যাম্প করবে বাংলাদেশ দল। সেখানে ওটাগো একাদশের বিপক্ষে খেলবে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ।

সোমবার রাতে পৌনে একটায় নিউ জিল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে সাইফের দল। তার আগে বিকালে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন যুব দলের তিন খেলোয়াড়। অধিনায়ক জানান, প্রস্তুতি ক্যাম্পের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।

“ওখানে কন্ডিশনটা আমাদের জন্য অবশ্যই কঠিন হবে। তবে আমাদের প্রস্তুতি ভালো। শেষ যুব এশিয়া কাপে খুব ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সামনে আমাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প আছে, তিনটা প্রস্তুতি ম্যাচ আছে।”

“আমরা এই ব্যাচটা অনেক দিন একসাথে আছি। আমাদের কমিউনিকেশন ও কম্বিনেশন খুব ভালো। ওটাই আমাদের শক্তি।”

দেশের মাটিতে গত বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। এখনও ততদূর পর্যন্ত ভাবতে চান না সাইফ। আপাতত তার নজর গ্রুপ পর্বে।

“অবশ্যই লক্ষ্য থাকবে এক নম্বর হওয়ার। কিন্তু ধাপে ধাপে যাব, ম্যাচ বাই ম্যাচ যাব। প্রথম রাউন্ডে ভালো করলে পরে কোয়ার্টার-ফাইনাল আছে, ওভাবে ধাপে ধাপে এগোনোর পরিকল্পনা আমাদের।”

অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে কোনো দলকে আলাদা করে দেখতে চান না সাইফ। তার কাছে প্রতিটি দলই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ।

“অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে যে কোনো দল জেতার সামর্থ্য রাখে। শেষ এশিয়া কাপে দেখেছেন নেপাল ভারতকে হারিয়েছ…। তো কাউকেই ছোট করব না। নামিবিয়া, কানাডা আছে (আমাদের গ্রুপে)। তাই ধাপে ধাপেই এগোবো।”

বাংলাদেশের গ্রুপের অন্য দল ইংল্যান্ড।

সহ-অধিনায়ক আফিফ হোসেনের বিশ্বাস, দলের সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে ভালো কিছু নিয়েই দেশে ফিরবেন তারা।

“আমাদের ভালো স্পিনার আছে। আমাদের পেস বিভাগও ভাল করছে। তিন পেসার নিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। ওখানে স্পিন-পেস কম্বিনেশন যদি ভালো করতে পারে তাহলে ভালো কিছু হবে।”

১, ৩ ও ৫ জানুয়ারি তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। অলরাউন্ডার আফিফের বিশ্বাস, প্রস্তুতি ম্যাচগুলো তাদের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে দারুণ সহায়তা করবে। সেই সব ম্যাচ খেলে নিউ জিল্যান্ডে কোনো লেংথে বল করতে হবে বুঝে নিতে চান স্পিন আক্রমণের সেরা অস্ত্র বাঁহাতি স্পিনার নাঈম হাসান।

“ওই কন্ডিশনে তো বাউন্সি উইকেট থাকবে। ব্যাটসম্যান আর উইকেট দেখে বোলিং করার লক্ষ্য থাকবে। নিজেদের সহজাত বোলিং করব। যে ডেলিভারিগুলো পারি সেগুলোই করবো। ভালো জায়গায় বল করতে পারলে সফল হওয়া যাবে।”

বুধবার ক্রাইস্টচার্চে পৌছে সেদিনই ক্যাম্পের ভেন্যু ডানেডিনে যাবে বাংলাদেশ। একদিন বিশ্রাম নিয়ে শুক্রবার থেকে শুরু হবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াই।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক