গেইলের ক্যাচ ছেড়ে সাকিবের আক্ষেপ

আউট হতে পারতেন ২২ রানেই। কিন্তু ক্রিস গেইল বেঁচে গেলেন ক্যাচ দিয়েও। জীবন পেয়ে শেষ করে দিলেন ঢাকা ডায়নামাইটসের আশা। ম্যাচ শেষে সেই ক্যাচ ছাড়ার জন্য আক্ষেপ ঝরল সাকিব আল হাসানের কণ্ঠে। ঢাকা ডায়নামাইটস অধিনায়ক দায় দিচ্ছেন নিজেকেই।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 12 Dec 2017, 05:52 PM
Updated : 13 Dec 2017, 09:29 AM

রংপুর ইনিংসের সেটি ষষ্ঠ ওভার। মোসাদ্দেক হোসেনের বলে কাভারে ক্যাচ দিয়েছিলেন গেইল। একটু নিচু হলেও ক্যাচটি ছিল সহজ। কিন্তু ফেলে দেন সাকিব।

জীবন পাওয়ার পর আর কোনো সুযোগই দেননি গেইল। ৬৯ বলে ১৪৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে রংপুর রাইডার্সকে গড়ে দিয়েছেন জয়ের ভিত। ঢাকা পরে গোটা দল মিলিয়ে করতে পারে গেইলের একার চেয়ে স্রেফ ৩ রান বেশি।

“ঢাকার ভুল কোথায় ছিল?”, ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের কাছে প্রথম প্রশ্ন ছিল এটিই। ঢাকা অধিনায়কের এক কথায় অকপট উত্তর, “আমার ক্যাচ মিস…।”

সাকিব আক্ষেপ করলেন নিজেদের বোলিং নিয়েও।

“আমরা বোলিংটা ওভাবে ভালো করতে পারি নাই। গেইলের ক্ষেত্রে মনে হয় আমরা ভালো জায়গায় যথেষ্ট বল করতে পারি নাই। হয়তো বা আরও এক-দুইটা সুযোগ পেলে কিছু করতে পারতাম। কিন্ত সুযোগটা আর আসে নাই।”

সতীর্থ বোলারদের ব্যর্থতার সময় এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি বোলার সাকিবকে। প্রথম ২ ওভারে ৭ রান দিয়েছিলেন মাত্র। কিন্তু গেইলের তাণ্ডবের সময় আর বোলিংয়েই আসেননি। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের শেষ ওভারে বোলিং করে গেইলের কছে হজম করেছেন তিন ছক্কা। দলের অভিজ্ঞ বোলারদের একজন হয়েও ঢাকা অধিনায়ক পূরণ করেননি কোটার ৪ ওভার। ম্যাচ শেষে সেটির ব্যখ্যাও দিলেন সাকিব। জানালেন, শঙ্কা ছিল গেইলকে নিয়েই।

“গেইল আউট হলে অবশ্যই বল করতে পারতাম। গেইল যতক্ষণ ছিল ওই সময় আমার বল করা কঠিন। যেহেতু বাঁহাতি স্পিনার আমি, ওর জন্য খুব সহজ। সেজন্য শেষ ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে, যেটা আমার করতেই হতো।”

টস জিতে সাকিবের বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটিকেও করা যায় প্রশ্নবিদ্ধ। ফাইনালের মত ম্যাচে রান তাড়া সবসময়ই চাপের। সাকিব জানালেন টসের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণও।

“শিশির একটা কারণ ছিল। আর ওই সময়ে ক্যাচ ধরতে পারলে ওদের রান ১৪০-১৩০ বেশি হতো না। কারণ উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য অতটা সহজ ছিল না। যেহেতু আমরা অনেক ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলেছি, আর ওদের বোলিংকে খুব ভালো মনে করিনি, আমাদের বিশ্বাস ছিল ১৫০-১৬০ পর্যন্ত রান আমরা তাড়া করতে পারব।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক