মাহমুদউল্লাহর উদযাপনে ছেলের প্রতি ভালোবাসা

ফোনের অপরপ্রান্তে কণ্ঠে ঘুমের রেশ। তাতে যেন একটু লজ্জা পেয়ে গেলেন মাহমুদউল্লাহ, “উঠেছি একটু আগেই। রেশটা রয়ে গেছে।” রেশ রয়ে গেছে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তার ইনিংস ও দলের জয়েরও। তুমুল কৌতুহল তার উদযাপন নিয়েও। কি বোঝাতে চেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ?

আরিফুল ইসলাম রনি কার্ডিফ থেকেবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 June 2017, 02:16 PM
Updated : 10 June 2017, 02:38 PM

সেঞ্চুরির পর উইকেটে চুমু এঁকে দিয়েছেন। ব্যাট উঁচিয়েছেন ড্রেসিংরুমের দিকে। কৌতুহলের জায়গাটা এরপরই। ব্যাটে অটোগ্রাফ ধরনের কিছু একটা দেখাচ্ছিলেনআঙুল দিয়ে। বাচ্চাদের মতো কিছু একটা ভঙ্গি করেও দেখাচ্ছিলেন। উদযাপনের আড়ালের গল্পকি?

ড্রেসিং রুমে দারুণ প্রাণবন্ত ও হইচই প্রিয় হলেও বাইরে বেশঅন্তর্মু্খী মাহমুদউল্লাহ। ব্যক্তিগত ব্যাপারগুলো নিজের মাঝেই রাখতে চান। ২০১৫ বিশ্বকাপেসেঞ্চুরির পর তার উড়ন্ত চুম্বন নিয়েও ছিল অনেকের কৌতুহল। মাহমুদউল্লাহ সেটা নিয়ে খোলাখুলিবলেছেন কমই।

এবারও শুরুতে রাখতে চাইলেন নিজের মধ্যেই। তবে সবার আগ্রহেরকথা জেনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলতে রাজি হলেন গল্পটা।

“এবার ইংল্যান্ডে আসার আগে ব্যাগ গোছাচ্ছিলাম। আমার ছেলে পাশেথেকে দেখছিল। হঠাৎ একটি ব্যাট নিয়ে ছেলেটা ওর নাম লিখল ব্যাটে। আমাকে বললো, ‘বাবা এইব্যাট দিয়ে খেলো, ভালো খেলতে পারবে।’ আমি ওই ব্যাট দিয়েই খেলেছি। সেঞ্চুরির পর ছেলেরকথাটিই বোঝাতে চেয়েছিলাম।”

৫ বছর বয়সী ছেলে অবশ্যই ক্রিকেটের জটিল অঙ্ক, হিসাব-নিকাশ বোঝেনা। বাবার সেঞ্চুরির ওজনটাও বোঝার বয়স তার হয়নি। বাবা ভালো খেলেছেন, এতেই খুশি সে।

বাবার আশীর্বাদ যে কোনো ছেলের বড় পাওয়া। এখানে ছেলের ভালোবাসারস্পর্শই ছিল বাবার অনুপ্রেরণা!

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক