বাংলাদেশের ধস তামিমের কাছেও ব্যাখ্যাতীত

ভালো শুরুর সুবিধা এভাবে হাতছাড়া হওয়াটা প্রথম দিনের খেলা শেষেও ঠিক বিশ্বাস হচ্ছিল না তামিম ইকবালের। ৪৯ রানে ৯ উইকেট হারানোর কোনো ব্যাখ্যাই খুঁজে পাচ্ছেন না উদ্বোধনী এই ব্যাটসম্যান।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 Oct 2016, 01:02 PM
Updated : 28 Oct 2016, 02:59 PM

শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক সময়ে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ১৭১। সেখান চারশ’ রানে চোখ রাখা স্বাগতিকদের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২২০ রানেই। ১০৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলা তামিম দিনের খেলা শেষে দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান, অমন ধসের কারণ জানা নেই কারোরই। 

“এই বিপর্যয়কে যতই আমি ব্যাখ্যা দিতে চাই না কেন কোনোভাবেই ব্যাখ্যা দিতে পারব না। আমি বিপর্যয়কে ডিফেন্স করতে আসিনি। আমরা যেভাবে ৭-৮ উইকেট হারিয়েছি, সেগুলোর কোনো ব্যাখা আমার কাছে নেই।”

তারপরও মাঠের পরিস্থিতিটা তুলে ধরার চেষ্টা করলেন দেশের হয়ে অষ্টম টেস্ট শতক করা তামিম।

“আমরা কিছু ভুল শট খেলেছি। ৪৫ ওভারের পর বল স্পিন করা শুরু করছে। আমি কোনো অজুহাত দিচ্ছি না, ওরা যেভাবে রিভার্স সুইং করেছে আমরা ওই ধরনের বল কোনো জায়গায় খেলি না। ঘরোয়া লিগ কিংবা নেটে কোনো জায়গায় এমন বল খেলার সুযোগ থাকে না।”

“এখান থেকেই অনেক কিছু দেখার আছে, শেখার আছে, করার আছে। আমি থেকে শুরু করে (কামরুল ইসলাম) রাব্বি পর্যন্ত সবাই মিলে যদি আরও একশ’ রান বেশি করতাম তাহলে দলের অবস্থান ভালো থাকত।”  

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে ইমরুল কায়েসকে হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে মুমিনুল হককে নিয়ে ১৭০ রানের চমৎকার এক জুটি উপহার দেন তামিম। এই বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জানান, প্রথম ১০ ওভারে তাদের ব্যাটিং করাটা একটু কঠিন ছিল। 

“পরের ২০-২৫ ওভারে ব্যাটিং করাটা একটু সহজ ছিল। তখন আমরা প্রচুর বাউন্ডারি বল পেয়েছি। সেগুলোকে আমরা ভালোভাবে ব্যবহার করেছি। ওই সমটায় আমরা আক্রমণাত্মক ছিলাম। যখন আপনি রানের মধ্যে থাকেন যেকোনো উইকেটেই ব্যাটিং করা সহজ মনে হবে। এছাড়া মুমিনুল যেভাবে ব্যাটিং করছিল ….অসাধারণ ছিল।”

শট না খেলে বল ছেড়ে দিয়ে তামিম এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে বাংলাদেশের প্রতিরোধ। তার বিদায় দিয়ে শুরু হওয়া ধস কেউ কেন ঠেকাতে পারেনি তার উত্তরও খোঁজার চেষ্টা করেন তামিম।

“আমাদের জুটি যখন ভাঙল, তখন বল রিভার্স করা শুরু করল। বল তখন টার্নও করছিল। সব মিলিয়ে এটা ব্যাটিং ইউনিটের ব্যর্থতা ছিল।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক